ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সংকট ও উত্তরণের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন


বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সংকট ও উত্তরণের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন

১৯৯৭ সালে তৈরি পোশাকশিল্পে উদ্যোক্তা হিসেবে আমার যাত্রা শুরু হয়। গত ২৯ বছরে এই শিল্পের উত্থান, সাফল্য, সংকট ও পরিবর্তিত বাস্তবতা দেখার সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প কীভাবে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে, তা প্রত্যক্ষ করেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং শিল্পায়নে এই খাতের অবদান অনস্বীকার্য। তবে আজ প্রশ্ন উঠছে- যে শিল্প আমাদের অর্থনীতিকে এতদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে, আমরা কি তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় যথেষ্ট প্রস্তুত আছি?

এক সময় বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের প্রধান প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা ছিল তুলনামূলক কম মজুরি, সহজ উৎপাদনব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্কসুবিধা। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ববাজারের বাস্তবতা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এখন প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র কম দামে পোশাক সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; প্রযুক্তি, উৎপাদনশীলতা, গুণগত মান, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রমিকের অধিকার এবং দ্রুত সরবরাহের সক্ষমতা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

তবে আমাদের অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখনও প্রচলিত উৎপাদনব্যবস্থা ও কম মূল্যের পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। গ্যাস-বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মূল্য কমানোর চাপ এবং প্রশাসনিক জটিলতা শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে দুর্বল করছে।

আরও পড়ুন: গৃহবন্দির শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক

বর্তমানে অনেক কারখানায় অর্ডার রয়েছে, উৎপাদন চলছে, রপ্তানিও হচ্ছে; কিন্তু সব ব্যয় পরিশোধের পর প্রত্যাশিত মুনাফা থাকছে না। ফলে উদ্যোক্তাদের একটি অংশ ব্যবসা সম্প্রসারণ তো দূরের কথা, বিদ্যমান প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছেন।

এখানেই আমাদের উপলব্ধি করা প্রয়োজন- রপ্তানি বাড়লেই শিল্পের প্রকৃত উন্নতি হয় না; সেই রপ্তানি কতটা লাভজনক, কর্মসংস্থান কতটা নিরাপদ এবং বিনিয়োগ কতটা টেকসই, সেটিই মূল বিবেচ্য।

বর্তমান সংকটের জন্য শুধু সরকার, ব্যাংক কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের দায়ী করা উচিত নয়। আমাদের উদ্যোক্তাদেরও আত্মসমালোচনা করা জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ বাজার বিশ্লেষণ ছাড়া অতিরিক্ত বিনিয়োগ, ব্যাংকঋণের ওপর অতিনির্ভরতা, অর্ডার পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অযৌক্তিকভাবে কম মূল্য গ্রহণ এবং দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনা শিল্পকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

দীর্ঘ সময় ধরে আমরা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে যতটা মনোযোগ দিয়েছি, নিজস্ব ডিজাইন, গবেষণা, প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনে ততটা গুরুত্ব দিতে পারিনি। তবে শুধু কারখানার সংখ্যা বৃদ্ধি শিল্পায়নের সাফল্য নয়; লাভজনক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই প্রকৃত শিল্পায়ন।

আরও পড়ুন: নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ও কম্পিউটার সায়েন্সে আরও দুটি বিষয় চালু

অন্যদিকে সরকারের নীতিগত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পোশাক কারখানা প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা অর্জন এবং দক্ষ শ্রমিক গড়ে তুলতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু ঘন ঘন নীতিমালা পরিবর্তন, কর ও শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা, জ্বালানির অনিশ্চয়তা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সেই বিনিয়োগকে ঝুঁকির মুখে ফেলে।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে শুধু রাজস্ব আদায়ের উৎস হিসেবে দেখলে চলবে না। একটি কারখানার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অসংখ্য শ্রমিকের জীবিকা, তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যৎ, ব্যাংকের বিনিয়োগ এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।

সুতরাং পোশাকশিল্পের জন্য অন্তত দশ বছরের একটি স্থিতিশীল, বাস্তবসম্মত ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিকাঠামো প্রয়োজন। বিশেষ করে সাময়িক আর্থিক সংকটে থাকা কিন্তু পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থায় ঋণ পুনর্গঠন এবং কার্যকরী মূলধনের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

পোশাকশিল্পের সাফল্যের পেছনে শ্রমিকদের অবদানও অনস্বীকার্য। তাঁদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বাস্তবতাও বিবেচনায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে আটক ৫৪৪ জন

শ্রমিক ও মালিককে পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখার পরিবর্তে সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে যেমন টেকসই শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব নয়, তেমনি শিল্পের আর্থিক সক্ষমতা ধ্বংস করে দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থান রক্ষা করাও সম্ভব নয়।

বিশ্ববাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতিও আমাদের জন্য বড় সতর্কবার্তা। ভিয়েতনাম, ভারত, চীনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগী দেশ প্রযুক্তি, দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও পণ্যের বৈচিত্র্যে বিনিয়োগ করছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতারাও এখন শুধু কম দাম নয়; পরিবেশগত মান, শ্রমিকের অধিকার, সরবরাহব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এছাড়াও স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যসুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে প্রচলিত শুল্কসুবিধা ও তুলনামূলক কম উৎপাদন ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা যথেষ্ট নয়।

আমাদের উচ্চমূল্যের পোশাক, ম্যান-মেড ফাইবার, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, নিজস্ব ডিজাইন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং বাংলাদেশি ব্র্যান্ড গড়ে তোলার দিকে এগোতে হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তি ও অটোমেশনের প্রসারে শ্রমিকদের পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

আমার মতে, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার, উদ্যোক্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি, ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, প্রতিযোগিতামূলক অর্থায়ন, দক্ষ বন্দর ও কাস্টমস ব্যবস্থাপনা, নতুন রপ্তানিবাজার সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। উৎপাদন ব্যয় ও শ্রমিক কল্যাণের মানদণ্ড বাড়ানোর দাবি জানিয়ে পণ্যের ন্যায্য মূল্য দিতে অনীহা প্রকাশ করা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ব্যবসায়িক সম্পর্কের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ক্রেতা ও উৎপাদক উভয়ের স্বার্থেই ন্যায্য মূল্য, বাস্তবসম্মত সরবরাহ সময় এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে শুধু রপ্তানিনির্ভর একটি ব্যবসায়িক খাত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। একটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে শুধু একজন উদ্যোক্তার বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নয়; এর সঙ্গে অসংখ্য শ্রমিকের জীবিকা, তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যৎ, ব্যাংকের ঋণ এবং স্থানীয় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সুতরাং শিল্পের সংকট মোকাবিলাকে কোনো বিশেষ ব্যবসায়ীগোষ্ঠীর দাবি হিসেবে নয়, বরং জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তবে শিল্প রক্ষার নামে অনিয়ম, অদক্ষতা কিংবা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিকে প্রশ্রয় দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সুশাসন এবং প্রকৃত সমস্যাগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য কার্যকর সহায়তা।

আরও পড়ুন: কারাগারে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে ৭ দফা নির্দেশনা

১৯৯৭ সাল থেকে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতায় আমার উপলব্ধি হলো- বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু তুলনামূলক কম উৎপাদন ব্যয় নয়; বরং আমাদের উদ্যোক্তাদের সাহস, শ্রমিকদের পরিশ্রম এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা।

এই শক্তিকে সঠিক নীতি, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় করতে পারলে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে।

কিন্তু অতীতের সাফল্য নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। সময় এসেছে অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করার, পুরোনো ব্যবসায়িক ধারণা পরিবর্তন করার এবং সরকার, উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে নতুন পথচলা শুরু করার।

আমরা শুধু রপ্তানির পরিমাণ বাড়াতে চাই না; চাই এমন একটি শক্তিশালী ও টেকসই পোশাকশিল্প, যেখানে উদ্যোক্তার বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে, শ্রমিক মর্যাদার সঙ্গে বাঁচবেন এবং দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক আলোচনা সভা

কারণ একটি শিল্পের প্রকৃত সাফল্য শুধু কত বিলিয়ন ডলার রপ্তানি হলো, তা দিয়ে বিচার করা যায় না; সেই শিল্প কত মানুষের জীবন বদলাতে পেরেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কতটা স্থায়ী অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছে, সেটিই সাফল্যের প্রকৃত মাপকাঠি।

উদ্যোক্তা | সমাজকর্মী | নীতি বিশ্লেষক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফকিরাপুলে সিএম এজেন্সিতে চাঁদাবাজি ও কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ২ মামলা, আটক ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৪ এম


ফকিরাপুলে সিএম এজেন্সিতে চাঁদাবাজি ও কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ২ মামলা, আটক ৪

রাজধানীর ফকিরাপুলে অবস্থিত সিএম এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট এজেন্সিতে চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। এই ঘটনায় ডিএমপির পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মীর ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় ডিএমপির মতিঝিল থানায় একটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে প্রতিষ্ঠানটিতে চাঁদা দাবি করা হয় এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১৬ জনের একটি দলের সদস্যদের আটকের চেষ্টা করে পুলিশ। চারজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও বাকিরা পালিয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, পালিয়ে যাওয়ার আধা ঘণ্টা পর প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মী বাসায় যাওয়ার জন্য ভবনের নিচে নামলে তাদের ওপর হামলা চালায় ওই চক্রের সদস্যরা। হামলার সময় তাদের হাতে ও পায়ে চাপাতি দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী শুভ’র নেতৃত্বে প্রায় ১৫ সদস্যের একটি দল পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানটিতে চাঁদাবাজি করতে যায়। তাদের কাছে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের প্রায় সবাইকে আটক করে। পরে মুচলেকা নিয়ে ১২ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সময় শুভর সহযোগী হিসেবে ছিলেন সাইদুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, শিমুল, ফারুক আহমেদ, আরাফ হোসেন, মাইনুদ্দিন, তপন, শাওন, মোশাররফ হোসেন, সামিউল হক, নেছার ও হাসান।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, শুভ ও তার সহযোগীদের জিজ্ঞাসাবাদে জাহিদ ওরফে গের গের জাহিদের নাম উঠে এসেছে। তাদের পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জাহিদের নামে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের পক্ষে সাহেব আলী বাদী হয়ে ডিএমপির পল্টন থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেছেন। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

অপরদিকে, ঘটনার আধা ঘণ্টা পর প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মী ভবনের নিচে নেমে বাসায় যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালায় উল্লিখিত চাঁদাবাজ চক্রের অন্য সদস্যরা। হামলার সময় তাদের হাতে ও পায়ে চাপাতি দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। হামলা ও গুরুতর জখমের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ইমতিয়াজ বাদী হয়ে ডিএমপির মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেছেন। এতে ১৪ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

কর্মীদের ওপর পরবর্তী হামলায় গের গের জাহিদ নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ওই চক্রের অন্য সদস্যরা হামলা চালায়। এ সময় কর্মীদের হাতে ও পায়ে চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

এই বিষয়ে মতিঝিল থানার ওসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এজাহার পাওয়ার পরে মামলা তদন্ত চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক, কিন্তু আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে, চেষ্টা করছি, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাদের কারণে এলাকার ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অতিষ্ঠ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা শিক্ষকের শেষ রক্ষা হলো না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৪ এম


নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা শিক্ষকের শেষ রক্ষা হলো না

পাবনার ঈশ্বরদীতে নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও পরবর্তী সময়ে বিয়ের ঘটনায় শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একইসঙ্গে ঘটনার তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তসলিম আরিফ তুষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা আয়েশা আক্তারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী শিক্ষক মিলন কাজী, সহকারী শিক্ষক মান্নান হোসেন এবং অভিভাবক সদস্য টিটু ফকির ও সানাউল্লাহ।

ঈশ্বরদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে গেলে প্রথমে তিনি বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মধ্যরাতে গোপনে তাদের বিয়ে হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিয়ের পর ওই শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের বাড়ি থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকেরা তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ফলে ক্লাস না নিয়েই বাড়ি ফিরে যান তিনি।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের কাছে সন্তানের সমতুল্য। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩৩ জেলায় ৮২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৫ এম


ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩৩ জেলায় ৮২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : ফল ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩৩টি জেলায় এই অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের জন্য ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের ৪৪টি টিম একযোগে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

অধিদপ্তর জানায়, বাজারে ফল ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত মূল্যের অধিক দামে পণ্য বিক্রয়, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রয় প্রতিরোধ, নকল ও ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এই তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের ফলমূলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও নিষিদ্ধ দ্রব্যের ব্যবহার বা মিশ্রণ না করার বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ফল বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে সতর্ক করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অভিযানে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা বাজার তদারকি কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার জন্য এবং পণ্য ক্রয়ের আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করে পণ্য ক্রয় এবং ক্রয়ের সময় বিক্রেতার কাছ থেকে ভাউচার সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

পণ্য ক্রয়ে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার সম্মুখীন হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর জন্য ভোক্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিদর্শক থেকে সহকারী পুলিশ সুপার হলেন ৭৮ কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


পরিদর্শক থেকে সহকারী পুলিশ সুপার হলেন ৭৮ কর্মকর্তা

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ (বাসস): পুলিশের ৭৮ কর্মকর্তাকে পরিদর্শক পদ থেকে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পদোন্নতির ঘোষণা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- এন এম মাসুদ, মো. মোফাক-খারুল ইসলাম, মো. এনামুল হক, এস এম শহিদুর রহমান, মো. মনজুরুল করিম, মো. আলী আকবর হাওলাদার, কাজী আজম মাহমুদ, মোহাম্মদ কামরুল আলম, মুহাম্মদ সুমন জাহিদ লোভেল, মো. আতিকুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ সরকার, মো. আহসান হাবিব, মো. জামাল উদ্দিন, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. হাছানুজ্জামান, মো. মোক্তার হোসেন, মো. শহীদ উল্লাহ, মো. সাইফুল ইসলাম, খান মো. মাহফুজুর রহমান, মো. গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ ইয়াছিন, মো. মজিবুর রহমান, আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল, মো. আমান উল্লাহ, মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, মো. বদরুল মামুন, মামুন খান, মো. আব্দুর রহিম, মোহা. শহিদুল ইসলাম, মো. নঈম উদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. আনোয়ারুল কবির, মো. মাসুদুর রহমান, এস এম জাহাঙ্গীর আলম, মো. কামরুজ্জামান, কে এম ইনাম আহমেদ, মো. ইসমাইল হোসেন শাহীন, শেখ বশির আহমেদ, মো. আতিকুর রহমান, মো. ওমর আলী, মো. লুৎফর রহমান, পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান, মো. আবদুর রহিম, মো. নূরুন নবী সরকার, মো. আব্দুল লতিফ, এস এম আতাউর রহমান, মো. জেহাদ হোসেন, মো. দিদারুল আলম, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আলমগীর হোসেন, মো. জাহির হোসেন, মো. সোহেল রেজা, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. শামীম আক্তার খান, এ কে এম আলীনূর হোসেন, মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন কাদরী, মো. মোবারক হোসেন, খান মোহা. হাসান মোস্তফা, মো. রেজাউল ইসলাম খান, মো. সোহেল আহমেদ, মো. আনিছুর রহমান সরদার, মোহাম্মদ আলী হায়দার, খান মো. শাহরিয়ার, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. গোলাম ফারুক, মো. মাহাবুব আলম, মো. সিরাজুল ইসলাম খান, মো. অছিকুর রহিম ছিদ্দিক, মো. আবুল কালাম আজাদ, শেখ ফারুকুজ্জামান, মোহাম্মদ জাকের হোসাইন মাহমুদ, আরিফ ইফতেখার, সরকার তোফায়েল আহমেদ, মো. আক্তার হোসেন, শাহানা বানু, মোহতারেমা আশরাফী খানম, মো. মনজুর কাদের মজুমদার ও মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%