ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩৩ জেলায় ৮২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা


ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩৩ জেলায় ৮২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : ফল ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩৩টি জেলায় এই অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের জন্য ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের ৪৪টি টিম একযোগে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ওয়াকফের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

অধিদপ্তর জানায়, বাজারে ফল ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত মূল্যের অধিক দামে পণ্য বিক্রয়, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রয় প্রতিরোধ, নকল ও ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এই তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের ফলমূলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও নিষিদ্ধ দ্রব্যের ব্যবহার বা মিশ্রণ না করার বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ফল বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে সতর্ক করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অভিযানে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা বাজার তদারকি কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার জন্য এবং পণ্য ক্রয়ের আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করে পণ্য ক্রয় এবং ক্রয়ের সময় বিক্রেতার কাছ থেকে ভাউচার সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে ৮৮ কারখানা কর্মমুখর হয়ে উঠছে

পণ্য ক্রয়ে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার সম্মুখীন হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর জন্য ভোক্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিদর্শক থেকে সহকারী পুলিশ সুপার হলেন ৭৮ কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


পরিদর্শক থেকে সহকারী পুলিশ সুপার হলেন ৭৮ কর্মকর্তা

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ (বাসস): পুলিশের ৭৮ কর্মকর্তাকে পরিদর্শক পদ থেকে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পদোন্নতির ঘোষণা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- এন এম মাসুদ, মো. মোফাক-খারুল ইসলাম, মো. এনামুল হক, এস এম শহিদুর রহমান, মো. মনজুরুল করিম, মো. আলী আকবর হাওলাদার, কাজী আজম মাহমুদ, মোহাম্মদ কামরুল আলম, মুহাম্মদ সুমন জাহিদ লোভেল, মো. আতিকুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ সরকার, মো. আহসান হাবিব, মো. জামাল উদ্দিন, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. হাছানুজ্জামান, মো. মোক্তার হোসেন, মো. শহীদ উল্লাহ, মো. সাইফুল ইসলাম, খান মো. মাহফুজুর রহমান, মো. গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ ইয়াছিন, মো. মজিবুর রহমান, আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল, মো. আমান উল্লাহ, মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, মো. বদরুল মামুন, মামুন খান, মো. আব্দুর রহিম, মোহা. শহিদুল ইসলাম, মো. নঈম উদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. আনোয়ারুল কবির, মো. মাসুদুর রহমান, এস এম জাহাঙ্গীর আলম, মো. কামরুজ্জামান, কে এম ইনাম আহমেদ, মো. ইসমাইল হোসেন শাহীন, শেখ বশির আহমেদ, মো. আতিকুর রহমান, মো. ওমর আলী, মো. লুৎফর রহমান, পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান, মো. আবদুর রহিম, মো. নূরুন নবী সরকার, মো. আব্দুল লতিফ, এস এম আতাউর রহমান, মো. জেহাদ হোসেন, মো. দিদারুল আলম, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আলমগীর হোসেন, মো. জাহির হোসেন, মো. সোহেল রেজা, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. শামীম আক্তার খান, এ কে এম আলীনূর হোসেন, মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন কাদরী, মো. মোবারক হোসেন, খান মোহা. হাসান মোস্তফা, মো. রেজাউল ইসলাম খান, মো. সোহেল আহমেদ, মো. আনিছুর রহমান সরদার, মোহাম্মদ আলী হায়দার, খান মো. শাহরিয়ার, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. গোলাম ফারুক, মো. মাহাবুব আলম, মো. সিরাজুল ইসলাম খান, মো. অছিকুর রহিম ছিদ্দিক, মো. আবুল কালাম আজাদ, শেখ ফারুকুজ্জামান, মোহাম্মদ জাকের হোসাইন মাহমুদ, আরিফ ইফতেখার, সরকার তোফায়েল আহমেদ, মো. আক্তার হোসেন, শাহানা বানু, মোহতারেমা আশরাফী খানম, মো. মনজুর কাদের মজুমদার ও মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট নির্মাণ নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট নির্মাণ নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুই বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আলী চৌধুরী আবিদ ও শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর হোসাইন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ভবনটির সামনে ব্যাডমিন্টন কোর্ট নির্মাণ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে।

এক পক্ষের দাবি, তারা কয়েক দিন আগে সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই স্থানে কোর্ট তৈরির উদ্যোগ নিলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন আহত শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ব্যাডমিন্টন কোর্টের বাঁশ দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়, যার ফলে তার নাক ও চোখের নিচে আঘাত লাগে এবং নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

ওই শিক্ষার্থীর দাবি, তারা সেখানে কোর্ট তৈরি করেছিলেন এবং অন্য পক্ষের কোর্ট তৈরির দাবির পক্ষে কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন বা প্রমাণ ছিল না।

অন্যদিকে, নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, "আমরা কোর্ট তৈরি করব বলে সেখানে বাঁশ পুঁতে জায়গাটি নির্ধারণ করে রেখেছিলাম। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের কারণে সেখানে আরও কিছু বাঁশ পোঁতা হয়। পরে অনুষ্ঠান শেষে তাদের বাঁশের সঙ্গে আমাদের বাঁশও তুলে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের নির্ধারিত জায়গায় তারা কোর্ট তৈরি করতে চায়। বিষয়টি জানালে তারা মেনে নেওয়ার কথা বলে।"

তিনি আরও বলেন, "কিন্তু আজ আমাদের বিভাগের কয়েকজন জুনিয়র কোর্ট তৈরি করতে গেলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারধর করেন। পরে প্রক্টর স্যার এসে বিষয়টি মীমাংসা করলে আমরা চলে যেতে চাই। এ সময় আবারও আমাদের ওপর হামলা করা হয়।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক এএইচএম খুরশিদ আলম বলেন, এই ঘটনায় মোট তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের নাকে আঘাত লেগেছে, একজনের মাথায় সামান্য ক্ষত হয়েছে এবং অন্যজনের হাতে ব্যথা পেয়েছেন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, "হাতে আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর হাড় ভাঙার আশঙ্কায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক্স-রে করানো হয়। তবে পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক এসেছে। মাথায় আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর ক্ষতেও ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনজনই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন। তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক স্বপ্নিল রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনা করছেন। ঘটনার চূড়ান্ত মীমাংসা এখনও হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহের ভালুকায় লোকালয় থেকে উদ্ধার হলো একটি মেছোবাঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


ময়মনসিংহের ভালুকায় লোকালয় থেকে উদ্ধার হলো একটি মেছোবাঘ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার লোকালয় থেকে স্থানীয় গ্রামবাসী একটি মেছোবাঘ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন। হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ঝালপাজা গ্রামের শামীম মণ্ডলের বসতবাড়ির আঙিনায় বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। পরে মেছোবাঘটি দেখতে উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৫ নভেম্বর) গভীর রাতে পশ্চিম ঝালপাজা এলাকার বাসিন্দা শামীম মণ্ডলের বাড়ির আঙিনায় হঠাৎ একটি বন্যপ্রাণীর গর্জন শোনা যায়। বাঘের মতো দেখতে প্রাণীটি দেখে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের প্রতিবেশীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এরপর গ্রামবাসী প্রাণীটিকে কোনো ধরনের আঘাত না করে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন এবং কৌশলে অক্ষত অবস্থায় আটক করতে সক্ষম হন।

লোকালয়ে মেছোবাঘ আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে শামীম মণ্ডলের বাড়িতে শত শত মানুষ ভিড় করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করেন।

বাড়ির মালিক শামীম মণ্ডল বলেন, বুধবার গভীর রাতে হঠাৎ বাড়ির উঠানে অদ্ভুত গর্জন শুনতে পান। পরে টর্চলাইটের আলো ফেলতেই বাঘের মতো দুটি প্রাণীকে ওত পেতে বসে থাকতে দেখেন। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় কৌশলে একটি প্রাণী আটক করা সম্ভব হলেও অন্যটি পালিয়ে যায়। বাড়ির উঠানে বাঘ চলে আসায় রাতে তাঁরা খুব আতঙ্কে ছিলেন। তবে প্রাণীটির কোনো ক্ষতি না করে বন বিভাগের হাতে তুলে দিতে পেরে তিনি ভালো লাগছেন।

এ বিষয়ে হবিরবাড়ী বিট কর্মকর্তা ইফাজ মোর্শেদ শাহিল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেছোবাঘটি উদ্ধার করে। পরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে প্রাণীটিকে অভয়ারণ্যে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুর শান্ত আছে, শান্তই থাকবে: ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


গাজীপুর শান্ত আছে, শান্তই থাকবে: ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, গাজীপুর বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। শ্রমিকদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ, শ্রমিক, মালিক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণ সবাই একত্রে প্রতিরোধ গড়বে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিদর্শনকালে এক সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ডিআইজি আরও বলেন, আমাদের পুলিশের কিছু সদস্য আহত হলেও আমরা শিল্প ও শ্রম সেক্টরে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছি। শ্রমিক ভাই-বোনেরা আহত হোক, এমনটি আমরা চাই না। সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন তাদের যৌক্তিক দাবির প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল রয়েছে। তবে সেই আবেগকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্রান্তকারী পক্ষ বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে।

দেশের অর্থনীতিতে পোশাক শ্রমিকদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকরা দিনরাত কাজ করে বলেই আমাদের রপ্তানিমুখী পণ্য বিদেশে যাচ্ছে এবং দেশ বৈদেশিক মুদ্রা ও রেমিট্যান্স অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। তাই শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কাজের পরিবেশ শান্ত রাখা পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

আন্দোলনের নামে সহিংসতা প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কারখানা ভাঙচুর, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ কিংবা পথঘাট অবরোধ করা কোনো প্রকৃত শ্রমিকের আন্দোলন হতে পারে না। এসব কর্মকাণ্ড শ্রম খাতের মারাত্মক ক্ষতি করছে। যারা এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা কখনোই শ্রমিকের বন্ধু হতে পারে না।

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি কেবল পুলিশ নয়, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি সরাসরি এই শ্রম খাতের ওপর নির্ভরশীল। তাই এই অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। পুলিশ, মালিক, শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে কেউ অশান্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবে না বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শন ও ব্রিফিংকালে অতিরিক্ত ডিআইজি সিদ্দিকুর রহমান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, কালিয়াকৈর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম এবং কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%