ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার প্রতিরোধই আসল বিপ্লব: রাশেদ খান


ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার প্রতিরোধই আসল বিপ্লব: রাশেদ খান

ঝিনাইদহে ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ১৮ বছর পর অত্যন্ত উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে পৃথকভাবে এই দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মসজিদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে, দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আরেকটি বিশাল আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়, যেখানে দলীয় নেতাকর্মীরা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন।

মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, ১৮ বছর ধরে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বিএনপি সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বারের মতো অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: ববি হাজ্জাজ

৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ইতিহাস তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, ওই দিনের ঘটনাটি ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সহযোগিতা করলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর নানানভাবে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয় এবং জনগণ তা মেনে নেয়নি। তিনি আরও বলেন, একাত্তরের পরে ৭৫ পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নানা হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে। তাঁর মতে, পঁচাত্তরের আগের সময়টিতে যেমন ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছিল, তেমনি চব্বিশের আন্দোলনেও ফ্যাসিবাদের দোসররা গণহত্যা চালিয়েছে।

৬৯, ৯০ এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পূর্বের সব আন্দোলনকে ছাড়িয়ে গেলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র প্রকৃত ‘বিপ্লব’ সংগঠিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর, যার নেতৃত্ব দিয়েছিল তৎকালীন সিপাহী ও জনতা। ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের সেনা অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এতদিন জাতিকে মিথ্যা ইতিহাস ও ভুল বয়ান শোনানো হয়েছে; এখন সময় এসেছে সঠিক ও সত্য ইতিহাস জানানোর।

তিনি আরও বলেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যেমন দেশের বড় পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল, তেমনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠনের এই যাত্রায় দেশের সকল রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করতে হবে।

আরও পড়ুন: বিএনপির শোভাযাত্রা উপলক্ষে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির শোভাযাত্রা উপলক্ষে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


বিএনপির শোভাযাত্রা উপলক্ষে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের কারণে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। শোভাযাত্রার প্রস্তুতির জন্য বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যায়। সেখানে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া, স্টেজের চারপাশে ডগ স্কোয়াডসহ কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।

দুপুর দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিকেল ৩টায় তার নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।

এর আগে শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার রুটের বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগমের প্রস্তুতি থাকায় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


৭ নভেম্বর জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: ববি হাজ্জাজ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের জন্য এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করবে, ঠিক তেমনই ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। নতুন প্রজন্মকে জাতীয় ইতিহাসের এসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করা প্রয়োজন। এজন্য ইতিহাসচর্চা ও পাঠ্যবইয়ে যথাযথ আলোচনা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আয়োজনে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস কোন নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর ইতিহাস নয়; এটি আমাদের দেশের, আমাদের জাতির এবং আমাদের পরিচয়ের ইতিহাস। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন বাংলাদেশির প্রথম পরিচয় বাংলাদেশ। তাই প্রত্যেক নাগরিকের নিজের দেশ, দেশের জন্ম, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা উচিত। নতুন প্রজন্ম যেন দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের ভালোবাসা ও সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত সুরক্ষার নামে শিশুদের স্বাভাবিক খেলাধুলা, বাইরের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ সীমিত করা উচিত নয়। শিশুদের সুস্থ বিকাশের জন্য খেলাধুলা, প্রকৃতির সংস্পর্শ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মেলামেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তার বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত নারী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


মধুপুরে মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত নারী গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের মোটের বাজার এলাকার ঋষিপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ওই নারীর নাম কিরু রানী ঋষি (৪৬)। তিনি মোটের বাজার ঋষিপাড়া এলাকার মৃত মিলন ঋষির স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হকের সার্বিক দিকনির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার এসআই কামরুল। এ সময় এএসআই পিন্টু তালুকদার, এএসআই মোস্তাইনসহ নারী পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন। অভিযান চালিয়ে নিজ এলাকা মোটের বাজারের ঋষিপাড়া থেকে কিরু রানী ঋষিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলায় আদালত দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে তিনি পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর শনিবার (৭ নভেম্বর) তাকে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশপ্রেমের চেতনায় আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশপ্রেমের চেতনায় আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

 

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিহাস-ঐতিহ্য, দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস নেওয়া হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে কলেজের সভাকক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ এম.এম. মুজিবুর রহমান মুজিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এম.এম. মুজিবুর রহমান মুজিব বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ দিনের ঐতিহাসিক পটভূমি, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশের অগ্রযাত্রায় সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ কবিরুল আলম, সহকারী অধ্যাপক লাকিবুর রহমান মিয়া ও প্রভাষক মো. শাকিল হোসেন। বক্তারা দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করা এবং জাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রভাষক মো. বাবুল শিকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের চিন্তা, মনন ও লেখনীর মাধ্যমে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে। আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের গণ্ডির বাইরে ইতিহাসচর্চায় আগ্রহী করা, সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ এবং দেশপ্রেম ও জাতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের শিক্ষামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, মনন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সুধীজনেরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%