আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
০২:৪৮ পি.এম
সন্দ্বীপে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ব্রাদারহুড স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত উন্মুক্ত ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আলিমিয়ার বাজারের জেবুন্নুর সুলতান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সমিতির হাট স্পোর্টিং ক্লাব ২-০ গোলে বিসমিল্লাহ স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে জয় তুলে নেয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন টাকুর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হারামিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব কবির, জেবুন্নুর সুলতান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফোরকান উদ্দীন রিজবি, মুছাপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নাজিম উদ্দিন, হুমায়ুন কবির মেম্বার ও মাঈন উদ্দিন শিকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাদারহুড স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান শাহীন।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সোহেল রানা, আরপিএল টিভির আমিনুল ইসলাম রিয়াদ ও আশরাফুল আলম।
আয়োজকরা জানান, স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং এলাকার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ১৮ বছর পর অত্যন্ত উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে পৃথকভাবে এই দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মসজিদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে, দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আরেকটি বিশাল আনন্দ র্যালি বের করা হয়, যেখানে দলীয় নেতাকর্মীরা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন।
মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, ১৮ বছর ধরে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বিএনপি সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বারের মতো অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।
৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ইতিহাস তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, ওই দিনের ঘটনাটি ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সহযোগিতা করলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর নানানভাবে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয় এবং জনগণ তা মেনে নেয়নি। তিনি আরও বলেন, একাত্তরের পরে ৭৫ পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নানা হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে। তাঁর মতে, পঁচাত্তরের আগের সময়টিতে যেমন ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছিল, তেমনি চব্বিশের আন্দোলনেও ফ্যাসিবাদের দোসররা গণহত্যা চালিয়েছে।
৬৯, ৯০ এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পূর্বের সব আন্দোলনকে ছাড়িয়ে গেলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র প্রকৃত ‘বিপ্লব’ সংগঠিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর, যার নেতৃত্ব দিয়েছিল তৎকালীন সিপাহী ও জনতা। ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের সেনা অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এতদিন জাতিকে মিথ্যা ইতিহাস ও ভুল বয়ান শোনানো হয়েছে; এখন সময় এসেছে সঠিক ও সত্য ইতিহাস জানানোর।
তিনি আরও বলেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যেমন দেশের বড় পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল, তেমনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠনের এই যাত্রায় দেশের সকল রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের কারণে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। শোভাযাত্রার প্রস্তুতির জন্য বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যায়। সেখানে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া, স্টেজের চারপাশে ডগ স্কোয়াডসহ কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
দুপুর দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিকেল ৩টায় তার নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
এর আগে শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার রুটের বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগমের প্রস্তুতি থাকায় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের জন্য এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করবে, ঠিক তেমনই ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। নতুন প্রজন্মকে জাতীয় ইতিহাসের এসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করা প্রয়োজন। এজন্য ইতিহাসচর্চা ও পাঠ্যবইয়ে যথাযথ আলোচনা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আয়োজনে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস কোন নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর ইতিহাস নয়; এটি আমাদের দেশের, আমাদের জাতির এবং আমাদের পরিচয়ের ইতিহাস। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন বাংলাদেশির প্রথম পরিচয় বাংলাদেশ। তাই প্রত্যেক নাগরিকের নিজের দেশ, দেশের জন্ম, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা উচিত। নতুন প্রজন্ম যেন দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের ভালোবাসা ও সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত সুরক্ষার নামে শিশুদের স্বাভাবিক খেলাধুলা, বাইরের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ সীমিত করা উচিত নয়। শিশুদের সুস্থ বিকাশের জন্য খেলাধুলা, প্রকৃতির সংস্পর্শ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মেলামেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তার বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব হতো না। এমনকি বাংলাদেশ হয়তো অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের ঘটনার অভাব হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং এটি অন্য দেশের প্রদেশ হিসেবে আমাদের পরিচিত হতে হতো। তিনি বলেন, মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আজ ৭ নভেম্বর, বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবর্তন শুরু হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে।
তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা একসঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। তিনি উল্লেখ করেন, অনেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে এক কাজে কাঁধ মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর।’ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছে। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তার অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল।
৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ