ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

১৫ আগস্ট সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতিশোধ, ৭ নভেম্বর জনবিপ্লব : জামায়াত আমির


১৫ আগস্ট সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতিশোধ, ৭ নভেম্বর জনবিপ্লব : জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৫ আগস্টের ঘটনার জন্য সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতি অবহেলা ও অপমানের প্রতিশোধ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পর্ক ছিল না। ৭ নভেম্বরের ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি ছিল সিপাহিদের নেতৃত্বে সংগঠিত একটি বিপ্লব, যেখানে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে একাত্মতা প্রকাশ করেছিল।

শুক্রবার সকালে ঢাকার আল-ফালাহ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সভাটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে ১৯৭২ সালের পরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, তখনকার সরকার ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ইসলামি সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করে। এর ফলে জনগণের ম্যান্ডেটও হারিয়ে যায়। তিনি বলেন, রক্ষীবাহিনীকে অসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, যা বিচারহীনতার সংস্কৃতি সৃষ্টি করে। একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা নানা ধরনের দমনপীড়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: বিএনপির শোভাযাত্রা উপলক্ষে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের অপমান করা হতো। এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী অপহৃত হয়েছিল। বিচার চাওয়ার কারণে ওই কর্মকর্তা চাকরি হারান। এমন নৈরাজ্যের ফলস্বরূপ ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তন ঘটে। এরপর ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের পাল্টা অভ্যুত্থানে অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পায়।

শেষে ৭ নভেম্বর সিপাহিরা সংগঠিত হয়ে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন। তার বর্ণনায়, তখন রাজপথে সাধারণ মানুষ তাকবির ধ্বনি দিয়ে তাদের স্বাগত জানায়। এই দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত হয়েছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে যোগদান করেন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ সময় তিনি সস্ত্রীক বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও বিশেষ প্রদর্শনী উপভোগ করেন।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এদিকে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। এ শোভাযাত্রা বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হবে, যেখানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান হেঁটে অংশ নেবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে র‍্যালিটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, ‘নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় অতিক্রম করবে। এরপর বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।’

র‍্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের কারণে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। শোভাযাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ পি.এম


তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর মধ্যে বিরোধ এবার সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, বিরোধ মীমাংসায় একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

গত ৪ অক্টোবর, দুই অভিনেত্রীর কাছে পৃথক চিঠির মাধ্যমে সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জুলাই তানজিন নাহার তিশা ও সামিয়া আক্তার অথৈকে সদস্য পদ স্থগিতের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে তারা কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংগঠনের কার্যালয়ে ওই নোটিশের লিখিত জবাব জমা দেননি।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সালিস বা বিবাদ মীমাংসাকরণ বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভায় দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন, ‘অভিনয়শিল্পী সংঘের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য একটি সালিস কমিটি আছে, যা সার্বভৌম এবং স্বাধীন। আমরা চেয়েছিলাম, তারা নিজেদের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি দূর করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো। ঘটনার পর থেকেই আমরা দুই শিল্পীর সঙ্গে একাধিকবার বসেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি, বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেছি। উদ্ভূত ঘটনার পরিস্থিতিতে তাদের দুজনকেই সালিসের জন্য ডাকা হয়। সেখানে দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একটি হচ্ছে তারা ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেবেন এবং একটি ভিডিও বার্তা পাঠাবেন। সেটা আমরা প্রকাশ করব কি করব না, এটা একান্তই সংগঠনের নিজস্ব ব্যাপার ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দুটি সিদ্ধান্তের কোনোটাই তারা মানেননি এবং তাদেরকে পরপর দুটি চিঠি দেওয়ার পরও তারা চিঠির কোনো সদুত্তর দেননি এবং চিঠিগুলো ফেরত আসে। পরবর্তীতে তাদের ফোনও করা হয়, কিন্তু ফোনের কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় দীর্ঘ বিরতির পর সালিস কমিটি বাধ্য হয়ে ইসি কমিটিকে তাদের সদস্য পদ বাতিলের জন্য সুপারিশ করে। পরে ইসি কমিটি সভায় এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

রাশেদ মামুন অপু আরো জানান, বিরোধ নিষ্পত্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে দুই পক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

যেভাবে শুরু হয়েছিল তিশা-অথৈর বিরোধ

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৩ মার্চ। মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে এসে তিশার বিরুদ্ধে মারধর ও অপদস্থ করার অভিযোগ তোলেন সামিয়া।

অথৈর অভিযোগ, নাটকের একটি দৃশ্যে তাকে তিশাকে আলতো করে চড় মারতে বলা হয়েছিল। পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সেটিই করেন। কিন্তু এরপর তিশা তাকে একাধিকবার জোরে চড় মারেন। এতে তার চোখ ও গাল ফুলে যায় এবং কথা বলতেও সমস্যা হয় বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। এ ছাড়া আগেও তিশার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে, সামিয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেন তানজিন তিশা। তার ভাষ্য, শুটিং সেটে যা ঘটেছে, তা সম্পূর্ণই চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে। ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে তিনি সামিয়াকে আঘাত করেননি।

তিশা জানান, নাটকটিতে তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এক কিশোরীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। চরিত্রটির আচরণের অংশ হিসেবে অন্যকে আঘাত করা কিংবা কামড় দেওয়ার মতো দৃশ্য রয়েছে। ফলে অভিনয়ের প্রয়োজনে চিত্রনাট্যে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই কাজ করেছেন তিনি। নাটকটি মুক্তি পেলে দর্শক পুরো বিষয়টি বুঝতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে না দেখে পেশাদারির জায়গা থেকে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

নাটকটির পরিচালক রাফাত মজুমদারও বিষয়টিকে ভুল-বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, দৃশ্যটিতে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে থাকতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ, হস্তক্ষেপ করে সংগঠন

দুই অভিনেত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরদিনই বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দেয় অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ। বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, কোনো সদস্যের সঙ্গে পেশাগত জটিলতা কিংবা মতভেদ তৈরি হলে তা সংশ্লিষ্ট সংগঠনকে না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা আচরণবিধির পরিপন্থী।

সংগঠনটির মতে, কোনো ঘটনার একতরফা উপস্থাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিনয়শিল্পীদের সামগ্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের বিরোধ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই সমাধান করা উচিত। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।

এরপর দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মীমাংসায় সালিস ও আলোচনার উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি। তবে একাধিকবার বৈঠক ও যোগাযোগের চেষ্টা করেও সমঝোতা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু। সর্বশেষ কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি সামনে রেখে তাদের সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কার্যনির্বাহী পরিষদ।

তবে সদস্যপদ স্থগিতের চিঠিতে শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আলাদা কোনো সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ, সংগঠনটির দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্ত মূলত সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সালিস কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে ওসির বদলি আদেশের প্রতিবাদে থানার সামনে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রব্বানী, (স্টাফ রিপোর্টার)

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ পি.এম


ঝালকাঠিতে ওসির বদলি আদেশের প্রতিবাদে থানার সামনে মানববন্ধন

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবু নাছের রায়হানের আকস্মিক বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আজ সকালে থানার সামনের সড়কে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ। আজ শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে অংশ নিয়ে এলাকার বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ওসির বদলি আদেশ বাতিল করে তাকে কাঁঠালিয়া থানাতেই বহাল রাখার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, কাঁঠালিয়া থানায় যোগদানের পর থেকেই ওসি মোঃ আবু নাছের রায়হান প্রথাগত পুলিশিংয়ের বৃত্ত ভেঙে এক মানবিক ও জনবান্ধব সেবার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। বিশেষ করে উপজেলার প্রধান সমস্যা ‘মাদক’ নির্মূলে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আপসহীন অভিযান শুরু করেছিলেন। তাঁর কঠোর অবস্থান ও একের পর এক সফল অভিযানের কারণে কাঁঠালিয়া থেকে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

মানববন্ধনে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু মাদকই নয়, চোর-ডাকাত সিন্ডিকেট দমন, এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ ডায়েরি বা অভিযোগ নিয়ে থানায় আসা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অল্প দিনেই সাধারণ মানুষের গভীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন। অপরাধ দমনে তাঁর এই সততা ও কঠোর অবস্থানের কারণে কাঁঠালিয়াবাসী পুলিশের প্রকৃত সেবা পেতে শুরু করেছিল।

এমন একজন নিষ্ঠাবান ও জনবান্ধব কর্মকর্তার আকস্মিক বদলির খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো উপজেলাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এরই প্রতিবাদে আজ সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানার সামনে এসে মানববন্ধনে যোগ দেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

সচেতন নাগরিক ও সাধারণ জনগণের মতে, কাঁঠালিয়াকে সম্পূর্ণ অপরাধমুক্ত ও মাদকমুক্ত রাখতে ওসি আবু নাছের রায়হানের মতো কর্মকর্তার এই মুহূর্তে এখানে থাকা অত্যন্ত জরুরি। জনস্বার্থ এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার বদলি আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আকুল আবেদন জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিকালে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


বিকালে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করবে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হবে। এর আগে, সেখানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করবেন তিনি।

এদিকে, কর্মসূচির প্রস্তুতি হিসেবে দুপুরের দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের এলাকায় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলাগুলো থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে আসছেন। তাদের হাতে রয়েছে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে রেখেছেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি (দপ্তরের দায়িত্বে থাকা) নূরুল ইসলাম সোহেল বলেন, "আজকের শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি আছে। নেতাকর্মীরা আগেভাগেই নয়াপল্টনে আসছেন।"

তিনি আরও জানান, "আজকের শোভাযাত্রায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই নেতৃত্ব দিবেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের। এতে নেতাকর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন। দল ও সংগঠনগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করবে।"

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকাল ৩টায় শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। শোভাযাত্রার শুরুতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এবং শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রা শুরু হয়ে রাজধানীর নির্ধারিত বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মানিকমিয়া এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রাটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা।

এছাড়া, যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%