প্রতিবেদক মোঃ সাকিব আহমেদ ঢাকা
০৮:৩৩ পি.এম
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ও গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম, খুন এবং জুলাই-আগস্টে শত শত লোকের হত্যাকারী খুনি হাসিনার বিচার কার্যকরের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মোঃ কাওছার খান, সাবেক ১নং সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল—ঢাকা মহানগর পশ্চিম।”
রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাবেক ১ নম্বর সহ-সভাপতি মো. কাওসার খান। দায়িত্ব পেলে এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান তিনি।
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং বিগত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম-খুনের অভিযোগ ও জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের একটি ব্যানারে কাওসার খানের নাম উঠে আসে। ব্যানারে এসব ঘটনার বিচার কার্যকরের দাবি জানানো হয়।
ছাত্ররাজনীতিতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকা কাওসার খানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের মতো সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা সামনে আসছে।
রাজধানীর অন্যতম জনবহুল এলাকা মোহাম্মদপুরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন, ব্যবসায়ীরা যেন নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং তরুণ সমাজ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত হয়—এমন পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কাওসার খানের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে মোহাম্মদপুরের মানুষের পাশে থেকে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবেন। সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানেও ভূমিকা রাখতে চান তিনি।
তবে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা, অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করা এবং দেশের সার্বিক সংকট নিরসনে রাজপথে গণআন্দোলন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দেশ বর্তমানে একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পরিবার—সবাই দৈনন্দিন জীবন পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আমাদের বসে থাকার সুযোগ নেই।
আগামী ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ এবং ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরের পথসভাকে ঐতিহাসিক গণজোয়ারে পরিণত করার আহ্বান জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রোববার বেলা ১১টায় খুলনার ফুলতলা উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরের পথসভার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তুতি সভায় খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মুন্সী মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন।
প্রধান অতিথি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের অনিয়ন্ত্রিত ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটসহ নানামুখী সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত। সাধারণ মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। জনগণের অধিকার ও স্বস্তি নিশ্চিত করাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন ইউনিট এবং দপ্তরে একযোগে ১১ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে, যার মধ্যে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার এবং সহকারী পুলিশ সুপারও রয়েছেন।
এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন রবিবার (১৮ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে জারি করা হয়েছে।
আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায়, ২৮ অক্টোবর থেকে তাদেরকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।
এছাড়া, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা একটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবু হাসানকে এসবির সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে যে, অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক ভবনের দামী ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ৩ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ট্যাবলেটগুলো টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটটিতে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় আরও একজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাহারছড়া নিউ সার্কিট হাউজ রোডে পুলিশ সুপারের কার্যালয় মোড়সংলগ্ন কোরাল রীফ পূর্বিতা সুলতান ভিলার নবম তলার ৮/এ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এসব ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আরমান রয়াতী প্রকাশ আরমান বয়াতী (২৭), মো. শামীম (৩০) ও মো. রাকিব (২৫)। তাঁদের বাড়ি যথাক্রমে শরীয়তপুর, পিরোজপুর ও ভোলা জেলায়। এ ঘটনায় মো. রাহাদ হোসেন (২৬) নামে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক ব্যক্তিকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার সদর মডেল থানার একটি মোবাইল টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, উল্লেখিত ফ্ল্যাটে কয়েকজন মাদক কারবারি ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ অবস্থান করছেন। বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানোর পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে স্পেশাল-০১, স্পেশাল-০২ ও স্পেশাল-০৩ মোবাইল টিমের সদস্যদের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়।
রাত ৩টার দিকে পুলিশ সদস্যরা ভবনটির নবম তলার ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তিনজনকে পান। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাঁদের দেহ ও ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় শয়নকক্ষের ওয়াল কেবিনেটের ভেতর থেকে দুটি কালো রঙের ট্রাভেল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ব্যাগ দুটির প্রতিটিতে খাকি রঙের স্কচটেপে মোড়ানো ১৫টি করে মোট ৩০টি প্যাকেট ছিল। প্রতিটি প্যাকেটে ৫০টি নীল রঙের পলিজিপার প্যাকেট এবং প্রতিটি পলিজিপার প্যাকেটে ২০০টি করে ট্যাবলেট পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৩ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ৪টার দিকে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ট্যাবলেটগুলো ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, উদ্ধার করা ট্যাবলেটগুলো টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেগুলো কক্সবাজার থেকে ঢাকায় অবস্থানরত পলাতক আসামি রাহাদ হোসেনের কাছে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটটিতে রাখা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটি গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কেনাবেচার কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন। ফ্ল্যাটটির ভাড়ার চুক্তিনামা রাহাদ হোসেনের নামে রয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন ও পলাতক রাহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(গ)/৪১ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের মতলব উত্তরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের গাজিরগাছখোলা গ্রামে সৌদি আরবের প্রবাসী মামুন মোল্লার বসতবাড়ির প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতা ও ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আবদুল হাই শিকদারের বিরুদ্ধে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে এই ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় জনগণ মানববন্ধন করেছে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বাড়িতে যাতায়াতের পথ উন্মুক্ত রাখার এবং স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, বাড়ির প্রবেশমুখে বাঁশের বেড়া দেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া সন্তানদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
প্রবাসী মামুন মোল্লার স্ত্রী আঁখি আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। অনেক কষ্টে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তারা বাড়িটি নির্মাণ করেছেন। বাড়িতে প্রবেশের জন্য গেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার সময় প্রবেশমুখে বাঁশের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা বিপাকে পড়েছেন।
তিনি আরও বলেন, "আমাদের বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ নেই। বেড়া দেওয়ার কারণে ছেলে সাইকেল নিয়ে বের হতে পারছে না। স্কুলে যেতে তাকে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিতে হচ্ছে।"
মামুন মোল্লার সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল জানায়, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বাড়ির সামনে বেড়া দেওয়া থাকায় সে সাইকেল নিয়ে বের হতে পারছে না। স্কুল ও কোচিংয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে তাকে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হেঁটে স্কুলে যেতে হচ্ছে।
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে আবদুল হাই শিকদার বলেন, "জমি আমার। এখানে কবরস্থান রয়েছে। কবরস্থানের নিরাপত্তার জন্য বেড়া দিয়েছি।"
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার (ওসি) মানস বড়ুয়া জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে। জমির মালিকানা ও চলাচলের পথ নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে আইনিভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কেউ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটালে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ