ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাড়ি ভাড়া শোধ করতে না পেরে ঘরেই তৈরি করলেন ৪৮ লাখ টাকা জাল নোট


বাড়ি ভাড়া শোধ করতে না পেরে ঘরেই তৈরি করলেন ৪৮ লাখ টাকা জাল নোট

বাড়ি ভাড়া শোধ করতে গিয়ে গৃহকর্তার সঙ্গে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর পরপরই ৫০০ টাকার জাল নোট ছাপানো শুরু করেন এক ব্যক্তি। ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুর শহরে এই ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

বাড়ি ভাড়া না দেওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে ওই ভাড়াটে নিখোঁজ ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঘরের তালা ভাঙার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৫০০ টাকার নোটের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা।

পুলিশের বিবরণ অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে উথোড়া এলাকার ওই ঘরে আসা-যাওয়া বন্ধ করে রেখেছিলেন পুষ্পক কৃষ্ণ ভাণ্ডারকর, যিনি বেনদানে নামেও পরিচিত। সন্দেহ হওয়ায় শনিবার বাড়িওয়ালা রমেশ হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজার তালা ভাঙেন। ঘরে প্রবেশ করেই তিনি অবাক হয়ে যান। একটি বালতির ভেতর নোটের বান্ডিল, চারদিকে ছড়িয়ে থাকা কাগজ এবং একটি প্রিন্টার দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর তিনি উথোড়া থানায় খবর দেন।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তা বস্তা ৫০০ টাকার জাল নোট দেখতে পায়। গণনার যন্ত্র এনে দেখা যায়, সেখানে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের জাল নোট ছাপা হয়েছে। এছাড়া এক পিঠে ছাপা কিন্তু অন্য পিঠ ফাঁকা—এমন কিছু আধছাপা নোট ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা মালামাল ও নোটের আনুমানিক দাম প্রায় ৬২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

পুলিশের তথ্যে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে খারবি এলাকায় ঘরটি ভাড়া নিয়েছিলেন পুষ্পক। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া বেশ কয়েক মাস ধরে তিনি বাড়ি ভাড়া দিচ্ছিলেন না।

বাড়িওয়ালা ঘর খালি করার কথা বললে গত মাসে পুষ্পক তাকে ছুরি দেখিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনার পর বাড়িওয়ালা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

নাগপুরের ত্রিমূর্তি নগরের বাসিন্দা পুষ্পক বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে। তদন্তকারীরা যখন তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তখন জানা যায় যে, তিনি বর্তমানে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন। তাকে ধরার জন্য খুব শিগগির মুম্বাইয়ে পুলিশের একটি বিশেষ দল পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জোটের ধ্বংসের দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবারণা পূর্ণিমায় ক্ষমা প্রার্থনায় ভক্তদের ঢল, ফানুস ওড়ানোর অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


প্রবারণা পূর্ণিমায় ক্ষমা প্রার্থনায় ভক্তদের ঢল, ফানুস ওড়ানোর অপেক্ষা

চট্টগ্রামে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে নানা বয়সের পুণ্যার্থীরা বৌদ্ধবিহারগুলোতে ভিড় করেছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে নগরের নন্দনকাননসহ বিভিন্ন বিহারে পূজা, প্রদীপ প্রজ্বালন ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দিনভর ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় বর্ণিল ফানুস ওড়ানোর জন্য ভক্ত ও দর্শনার্থীরা অপেক্ষা করছেন।

ফানুসের আলোয় রাতের আকাশ আলোকিত করার পাশাপাশি বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি ও মৈত্রীর বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আয়োজকেরা প্রস্তুতি নিয়েছেন। নগরের শতবর্ষী নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারসহ বিভিন্ন বিহারে ভোর থেকেই উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। চট্টগ্রাম নগর ও এর আশপাশের অঞ্চল থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সের মানুষ উৎসবে যোগ দিয়েছেন।

সকালে নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারে গিয়ে দেখা যায়, ভোরের আলো ফুটতেই নতুন পোশাকে বিহার প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেন পুণ্যার্থীরা। তাদের হাতে ছিল প্রদীপের থালা, গাদা ও পদ্মফুল এবং হরেক রকমের ফলমূল। বুদ্ধমূর্তি ও বোধিবৃক্ষের চরণতলে ফুল নিবেদন ও প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে ভিক্ষুদের কাছ থেকে পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করেন ভক্তরা। দিনব্যাপী বিহারের বিভিন্ন কক্ষে চলবে বিশেষ ধর্মপোদেশ বা দেশনা এবং বিশ্বশান্তি কামনায় যৌথ প্রার্থনা।

বিহারে আসা পুণ্যার্থী তৃপ্তি বড়ুয়া তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমা আমাদের কাছে শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, আত্মশুদ্ধি ও নিজের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ারও দিন। প্রতিবছর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিহারে আসি। প্রার্থনা করি, পৃথিবী থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হোক, সবার জীবন শান্তিময় হোক।’

দিনভর নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পর সন্ধ্যার নামার সঙ্গেই শুরু হতে যাচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় উৎসব। আনন্দমুখর এই পরিবেশকে ঘিরে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহ্যবাহী নন্দনকানন বৌদ্ধবিহার ও এর আশেপাশের এলাকায় এখন ফানুস ওড়ানোর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। প্রথাগত ফানুসের বাইরেও হাতি, ময়ূর, মাছ, বালিশ কিংবা মটকা আকৃতির নানা কারুকার্যময় ফানুস তৈরি করেছেন বিভিন্ন ধর্মীয় ও তরুণ সংগঠনের সদস্যরা। এসব ফানুসের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বুদ্ধের অহিংস বাণী, ছবি এবং মানবকল্যাণের চিরন্তন বার্তা।

আয়োজকেরা জানান, একটি দিনের এই আয়োজনের প্রস্তুতি চলে কয়েক মাস ধরে। ফানুস তৈরি, বাঁশের কাঠামো বানানো, কাগজ লাগানো, রং করা ও মোম প্রস্তুত—প্রতিটি কাজেই যুক্ত থাকেন সংগঠনের সদস্যরা। এবার ৩০টির বেশি ফানুস তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন আকৃতির আরও ফানুস ওড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০টি সংগঠনের অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছেন আয়োজকদের কেউ কেউ।

আয়োজকদের একজন বলেন, ‘আমরা শুধু ফানুস ওড়াই না, এর মাধ্যমে সবার কল্যাণ কামনা করি। প্রতিটি ফানুসের মধ্য দিয়ে বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি ও মৈত্রীর বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা থাকে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই মিলে এ উৎসব উদ্‌যাপন করি।’

মূলত তিন মাসের বর্ষাবাস (উপাসনা) পালন শেষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা আত্মশুদ্ধি, সংযম ও পারস্পরিক ক্ষমা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্‌যাপন করেন। অতীতের সব ভুল স্বীকার করে অন্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করাই এর মূল দর্শন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রবারণার সন্ধ্যায় ওড়ানো ফানুস গগনে থাকা বুদ্ধের 'কেশধাতু চেতিয়' বা স্মারক চিহ্নের উদ্দেশ্যে ভক্তদের শ্রদ্ধা হিসেবে পৌঁছে যায়।

বৌদ্ধবিহার সূত্রে জানা যায়, প্রবারণা উপলক্ষ্যে পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে তারা জীবহত্যা, চুরি, মিথ্যাচারসহ অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকার শপথ নেন। পাশাপাশি সংঘদান, বুদ্ধপূজা ও পিণ্ডদানের মতো ধর্মীয় আয়োজনও থাকে। হিংসা, বিদ্বেষ ও সংঘাতমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বশান্তির প্রত্যাশাও এ উৎসবের অন্যতম বার্তা।

নন্দনকানন ছাড়াও নগরের ঐতিহাসিক কাতালগঞ্জ নবপণ্ডিত বিহার, পাথরঘাটা জেতবন শান্তিকুঞ্জ বিহার, চান্দগাঁও সার্বজনীন বৌদ্ধবিহার ও মোগলটুলী শাক্যমুণি বৌদ্ধবিহারে যথারীতি পালিত হচ্ছে প্রবারণার উৎসব। প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চেরাগী পাহাড় ও মোমিন রোড এলাকায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম সামলাতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাদাপোশাকের পুলিশসহ অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল কবির বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুস উৎসবে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। এ কারণে নিরাপত্তা ও নজরদারির ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হয়নি। সাদাপোশাকের পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সব সময় সতর্ক রয়েছে। তাই নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা দেখছি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগের লগি-বৈঠা আন্দোলনের দুই দশক পূর্তিতে জামায়াতের কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


আ.লীগের লগি-বৈঠা আন্দোলনের দুই দশক পূর্তিতে জামায়াতের কর্মসূচি

আগামী ২৮ অক্টোবর, ২০০৬ সালে সংঘটিত আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা আন্দোলনের দুই দশক পূর্তি উদযাপন হতে যাচ্ছে। এই উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকা মহানগরীতে আলোচনা সভা এবং ২৮ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে লগি-বৈঠার নজিরবিহীন তাণ্ডব ও নৃশংসতা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ও কালো অধ্যায়।" তিনি আরও বলেন, সেদিনের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও নৈরাজ্যের ফলে দেশে দীর্ঘ দুই দশকের ফ্যাসিবাদ, গণতন্ত্র হত্যা ও নাগরিক অধিকার হরণের বিষবৃক্ষ রোপিত হয়েছিল।

তিনি জানান, ঐতিহাসিক এই ঘটনার দুই দশক পূর্তি হতে যাচ্ছে এবং আজও হত্যাকারীদের বিচার হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান, "এই পৈশাচিক ও বর্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য।"

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সংগঠন এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ২৭ অক্টোবর ঢাকা মহানগরীতে আলোচনা সভা ও ২৮ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জামায়াতের সব শাখাকে এই দিবস উপলক্ষে উক্ত কর্মসূচি গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ঘোষিত কর্মসূচি সার্বিকভাবে সফল করতে দেশের কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতাসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর, তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিনে ঢাকায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশ ডাকে বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও তার ১৪ দলীয় জোট। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে না পারেন, সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোট তুমুল আন্দোলন করছিল।

এমন প্রেক্ষাপটে ওই ২৮ অক্টোবরে ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

সেই ২৮ অক্টোবরের আগের দিন এবং পরের দিনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক সংঘাত ঘটে। তিন দিনের তুমুল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ কার্যত রাজপথ দখলে নেয়। এই আন্দোলনটাই পরিচিত লগি-বৈঠার আন্দোলন নামে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইংল্যান্ডের ল্যান্ডুডনো: পাহাড়, সমুদ্র ও সবুজ প্রকৃতির মিলনস্থল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


ইংল্যান্ডের ল্যান্ডুডনো: পাহাড়, সমুদ্র ও সবুজ প্রকৃতির মিলনস্থল

ল্যান্ডুডনো শহরটি ইংল্যান্ডের ওয়েলসের একটি নৈসর্গিক স্থানে অবস্থিত। এটি পাহাড়, সমুদ্র এবং সবুজ প্রকৃতির এক অনন্য সংমিশ্রণ উপভোগের জন্য আদর্শ স্থান। নর্থ ওয়েলসের উপকূলীয় এই শহরটি প্রকৃতি, ইতিহাস এবং আধুনিক সভ্যতার এক অসাধারণ মিশেল হিসেবে পরিচিত। ল্যান্ডুডনো শহরটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অতুলনীয়, যা বিশ্ববিখ্যাত ব্রোঞ্জ যুগের খনির ইতিহাসের সাক্ষী। এখানে প্রকৃতির নির্মল আলিঙ্গন, দৃষ্টিনন্দন সমুদ্রতট, পাহাড়ি উপত্যকা এবং গ্রেট ওর্মের বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হিসেবে কাজ করে।

এখানে ঘুরতে গেলে গ্রেট ওর্মের ব্রোঞ্জ যুগের তামার খনি এবং লৌহ যুগের দুর্গ দেখা সম্ভব। এছাড়াও প্রস্তর যুগের নিদর্শন, ষষ্ঠ শতাব্দীর সেন্ট টুডনো’স চার্চ এবং চার হাজার বছরের পুরনো শহরের সমৃদ্ধ ভান্ডার রয়েছে। ল্যান্ডুডনো শহরটি প্রথম দেখাতেই মনে হয় যেন এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি, যা যুগ যুগ ধরে পর্যটকদের মুগ্ধ করে আসছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে সমুদ্রের দৃশ্য পর্যটকদের হতভম্ব করে দেয়। অনেকেই মন্তব্য করেন, এখানকার সমুদ্রের সৌন্দর্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ তারা আগে কখনো দেখেননি। সমুদ্রের স্বচ্ছ নীল জল পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা দিয়ে ফিরে যাওয়ার দৃশ্য আগত পর্যটকদের আনন্দ দেয়। পাহাড়ের চূড়া থেকে সমুদ্রের দৃশ্য দেখে মনে হয়, পাহাড় যেন আকাশের সঙ্গে মিশে গেছে। ল্যান্ডুডনো সৈকতের সোনালি বালির ওপর দাঁড়িয়ে সাগরের ঢেউ এবং সূর্য ডোবার অপার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

ল্যান্ডুডনো শহরের মনোরম দৃশ্য দেখতে হলে কেব্‌ল কারে চড়তে হবে। এটি ওয়েলসের দীর্ঘতম এবং সুউচ্চ এয়ারিয়াল কেব্‌ল কার। কেব্‌ল কারে চড়ে মেঘের উপরে ল্যান্ডুডনোর জাদুকরী দৃশ্য দেখা যায়। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই বিনোদন নগরী যেন এক টুকরো ভূস্বর্গ। এখানে পাহাড়, সাগরের পাশাপাশি আকাশের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। ল্যান্ডুডনো শহরের অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উচ্চতায় হওয়ায় এখানকার আবহাওয়া ইংল্যান্ডের অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেকটাই মনোরম।

কেব্‌ল কারের স্বচ্ছ কাচের জানালার বাইরে তাকালে সমুদ্রের স্বচ্ছ নীল জল এবং সাগরের অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়। যখন আপনি মেঘের বুক চিরে উপরে উঠবেন, তখন নিচের সবুজ দুর্গম উপত্যকা এবং বিশাল সাগরের দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। কেব্‌ল কারে চড়লে পাহাড়ের ওপরের মনোরম দৃশ্য এবং পুরো শহরের হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য দেখা যায়। এটি এক অভাবনীয় রোমাঞ্চকর অনুভূতির অভিজ্ঞতা।

এই কেব্‌ল কার রাইডের জন্য ১৫ পাউন্ড খরচ হবে। তবে শিশুদের জন্য টিকিটের মূল্য ১২ পাউন্ড। পরিবার হিসেবে দুজন অ্যাডাল্ট এবং দুজন শিশু হলে টিকিটের মূল্য ৪১ পাউন্ড। পোষা কুকুর নিয়ে কেব্‌ল কারে যেতে চাইলে কুকুরের জন্য দুই পাউন্ডের টিকিট কাটতে হবে। প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ফেরত আসা যায়। এই রাইডটি সিনেমার দৃশ্যের মতো—নিচে সবুজ উপত্যকা, পাশে নীল সমুদ্র এবং দূরে পাহাড়ের সারি। এখানে দেখতে পাওয়া যায় সমুদ্রের গা ঘেঁষে দৌড়ানো বড় বড় দাড়িওয়ালা বুনো কাশ্মীরি ছাগল এবং ভেড়ার পাল। এই পাহাড়ে ‘সিলভার-স্টাডেড ব্লু’ নামের বিরল প্রজাতির প্রজাপতি এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

১৯০২ সালে ভিক্টোরিয়ান আমলে গ্রেট ওর্মের চূড়ায় যাওয়ার জন্য ‘গ্রেট ওর্ম ট্রামওয়ে’ নির্মাণ করা হয়, যা এখনো চালু রয়েছে। ‘ল্যান্ডুডনো কেব্‌ল কার’-এর পাশাপাশি ট্রামওয়ের মাধ্যমে পুরো পাহাড় ঘুরে দেখার সুযোগ রয়েছে। ল্যান্ডুডনো—সত্যিই অনিন্দ্য সুন্দর এই সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে ভ্রমণপিপাসুরা চোখ ফেরাতে পারেন না। ল্যান্ডুডনো বিচ রূপের মহিমা দিয়ে পর্যটকদের কাছে টানছে, তেমনি তার বিচিত্র আবেগ ও অনুভূতির মায়াজালে বেঁধে রেখেছে। সমুদ্রের নীল জলরাশির কাছে যেতে চাইলে আপনাকে পিয়ার ধরে হাঁটতে হবে। পিয়ারের দুপাশে অসংখ্য দোকানপাট গড়ে উঠেছে, যেখানে বিনোদনের মিলনমেলা রয়েছে। শিশুদের খেলাধুলা ও খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের সব রাইড রয়েছে। বড়দের জন্যও রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন আয়োজন রয়েছে, যেখানে দর্শনার্থীরা আনন্দ-উল্লাসে সময় কাটান।

গ্রেট ওর্ম পাহাড়ে ওঠার জন্য পাথর কেটে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এখানে পায়ে হেঁটে ওপরে ওঠার পাশাপাশি গাড়ি নিয়ে চূড়ায় ওঠা যায়। পাহাড়ের গা ঘেঁষে রাস্তার মাঝে মাঝে ‘হ্যাপি ভ্যালি’ এবং হলফ্রি গার্ডেন নামের বাগান তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দাঁড়িয়ে পর্যটকেরা পাহাড় ও সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যান। গ্রেট ওর্মের সুউচ্চ চূড়া থেকে স্নোডোনিয়া, অ্যাঙ্গেলসি, আইল অব ম্যান দ্বীপসহ ব্ল্যাকপুল ও লেক ডিস্ট্রিক্টের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়। ল্যান্ডুডনো, যদিও ওয়েলসের উপকূলে একটি ছোট্ট শান্ত শহর, এটি পর্যটকদের কাছে পাহাড়, সমুদ্র এবং আকাশের গল্পের মতো। শহরের একপাশে সমুদ্র, অন্যপাশে পাহাড়—মাঝখানে ছিমছাম রাস্তা এবং তার দুপাশে হাজার বছরের পুরোনো স্থাপত্যশৈলী। এসবই সাক্ষ্য দিচ্ছে, প্রকৃতি এবং ইতিহাস এখানে পাশাপাশি বসবাস করছে।

যারা চার হাজার বছর আগেকার ব্রোঞ্জ যুগের সাক্ষী হতে চান, তারা গ্রেট ওর্মের এই খনি দেখে আসতে পারেন। এখানে তামার কয়েকটি খনি ছিল ১৭০০ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, এই খনিগুলো থেকে পাথর ও বিভিন্ন প্রাণীর হাড়ের তৈরি হাতিয়ার ব্যবহার করে ‘ম্যালাকাইট’ নামক খনিজ থেকে তামা উত্তোলন করা হতো। বিশ্ববিখ্যাত ল্যান্ডুডনোর ব্রোঞ্জ যুগের খনিতে মাটির নিচে ইতিহাসের সন্ধানসহ প্রকৃতির নীরব সৌন্দর্য আপনার ভ্রমণকে আরো তৃপ্তিদায়ক করে তুলবে। এটি এমন একটি স্থান, যেখানে আধুনিকতা এবং প্রকৃতি হাত ধরাধরি করে চলে। একদিকে পাহাড়ের শান্ত স্নিগ্ধ রূপ, অন্যদিকে আইরিশ সাগরের মায়াবী স্বচ্ছ নীল জল এবং আলো ঝলমল শহরের কোলাহল—এসবের মেলবন্ধন ল্যান্ডুডনোকে অনন্য করে তুলেছে।

যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসেন, পাহাড়, নদী এবং সবুজ উপত্যকার মধ্যে হারিয়ে যেতে চান, তাদের জন্য ল্যান্ডুডনো এক স্বপ্নের নাম। পাহাড় এবং সমুদ্রের এই নীরব মিলন প্রকৃতির এক নৈসর্গিক মুগ্ধতায় সবাইকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য ল্যান্ডুডনো বিচ এবং গ্রেট ওর্ম একটি পারফেক্ট লোকেশন হতে পারে—প্রকৃতির কোলে স্বর্গের সৌন্দর্য!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লার ২৪ কৃষক পরিবারের ফসলি জমি রক্ষায় আত্মহত্যার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


কুমিল্লার ২৪ কৃষক পরিবারের ফসলি জমি রক্ষায় আত্মহত্যার হুমকি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামে কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের জন্য তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণের প্রাথমিক উদ্যোগের প্রতিবাদে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন ২৪টি কৃষক পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বুড়িচং প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহণ হলে পরিবারগুলোর একমাত্র জীবিকার উৎস হারিয়ে তারা ভূমিহীন ও অসহায় হয়ে পড়বে। নিজেদের ফসলি জমি রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা। এ অবস্থায় জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বিকল্প জমিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলো।

হরিপুর গ্রামের কৃষক পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের জমি রক্ষা ও পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোহাম্মদ রবিউল হাসান। এ সময় নেহারা খাতুন, আলমগীর হোসেন, ফরিদ মিয়াসহ হরিপুর গ্রামের আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে কৃষক পরিবারগুলো জানায়, বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামে একটি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের লক্ষ্যে যে জমিগুলো অধিগ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ তিন ফসলি জমি। এসব জমিতে বছরে একাধিকবার ফসল উৎপাদন করে এলাকার বহু দরিদ্র ও অসহায় পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। কৃষিকাজের সঙ্গে তাদের সংসারের আয়-রোজগার, সন্তানদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সরাসরি জড়িত।

কৃষকদের দাবি, প্রস্তাবিত জমিগুলো তাদের কাছে শুধুই কৃষিজমি নয় বরং বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। জমির মালিকদের অধিকাংশই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। তাদের মধ্যে কেউ অটোচালক, কেউ রিকশাচালক কিংবা সাধারণ পেশার সঙ্গে যুক্ত। সামান্য আয়ের পাশাপাশি জমিতে ফসল উৎপাদন করে তারা পরিবারের ভরণপোষণ চালান। অনেকের কাছে এই জমির বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ বা বিকল্প আয়ের উৎস নেই। কারও কারও বসতভিটাও এই জমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে তারা উল্লেখ করেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের কারণে ২৪টি পরিবার সম্পূর্ণ ভূমিহীন ও গৃহহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জমি হারালে তাদের কৃষিকাজ বন্ধ হয়ে যাবে, কমে যাবে আয়ের সুযোগ। এতে পরিবারগুলোর খাদ্য, চিকিৎসা, সন্তানদের শিক্ষা ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারগুলোর সামনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

কৃষক পরিবারগুলোর দাবি, হরিপুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণের পরিবর্তে এলাকায় থাকা পতিত ও অনাবাদি জমি বিবেচনা করা যেতে পারে।

তাদের ভাষ্য মতে, এসব বিকল্প জমি ব্যবহার করা হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পাশাপাশি দরিদ্র কৃষক পরিবারগুলোর জীবিকা ও বসতভিটা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

তারা আরও জানান, এলাকায় সরকারি খাসজমি রয়েছে। এ ছাড়া বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য বিনা মূল্যে জমি দান করতে আগ্রহী বলে তারা দাবি করেন। এসব সম্ভাবনা যাচাই না করে কেন তিন ফসলি কৃষিজমি অধিগ্রহণের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

তাদের অভিযোগ, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অসহায় কৃষক পরিবারগুলোকে ভূমিহীন করার উদ্দেশ্যে এসব জমি নির্বাচন করেছে।

এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং বুড়িচং প্রেসক্লাব বরাবর স্মারকলিপি দেন।

এসময় কৃষক পরিবারের পক্ষ থেকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভির হোসেনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি দেয়া হয়। নির্বাহী অফিসার মো. তানভির হোসেনের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনির হোসেন।

স্মারকলিপিতে প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা, বিকল্প জমি নির্ধারণ এবং ২৪টি কৃষক পরিবারের জীবিকা ও বসতভিটা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%