০১:৫৭ পি.এম
সরকারি পরিপত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বাণিজ্য মেলা আয়োজন নিষিদ্ধ, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার নথিও প্রশাসনের হাতে। এরপরও রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি অব্যাহত থাকার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সরকারি বিধান ও আদালতের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত হওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হলে এর দায় এড়াবেন কীভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা?
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম এবং মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতারের দায়িত্ব পালন নিয়ে এখন জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে, ইউএনও নিজেই আইনবহির্ভূতভাবে মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে বক্তব্য দেওয়ার পরও মাঠে মেলার প্রস্তুতি চলতে থাকলে প্রশাসনের অবস্থান কী—তা স্পষ্ট করা জরুরি।
সরকারি পরিপত্রে স্পষ্ট বিধান, আদালতের নির্দেশনার প্রশ্নে প্রশাসনের দায় কোথায়?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-৭ শাখা থেকে ২০২২ সালের ২৯ জুন জারি করা ‘মেলা পরিপত্র, ২০২২’-এর ৫(চ) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে মেলা আয়োজন করা যাবে না।”
পরিপত্রটির স্মারক নম্বর ২৬.০০.০০০০.১০৬.৮৬.০৮৬.১৫.১১১। দেশের অভ্যন্তরে বাণিজ্য মেলা আয়োজনসংক্রান্ত নির্দেশনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহারের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে পরিপত্রটি বর্তমানে কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে মেলার অনুমোদন দেওয়ার আগে এর বিধান মানা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব।
অন্যদিকে, বরিশালের কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বাণিজ্য মেলার আয়োজনসংক্রান্ত রিট পিটিশন নং ৬২৫৯/২০২৬-এর বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনার নথিও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে চেম্বার অব কমার্সের আয়োজনে বাণিজ্য মেলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে হাইকোর্টের নির্দেশনা আসে। সেই মামলার নথি ও সরকারি পরিপত্র সামনে থাকার পর রাজশাহীর কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে মেলার প্রস্তুতি চলার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বরিশাল ও রাজশাহী একই দেশের দুটি প্রশাসনিক অঞ্চল। সরকারি পরিপত্রের বিধান সারা দেশের জন্য প্রযোজ্য হলে শুধু স্থান পরিবর্তনের কারণে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তবে বরিশালের মামলায় দেওয়া আদালতের আদেশ কেশরহাটের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য কি না, তা আদেশের সুনির্দিষ্ট ভাষা, নির্দেশনার পরিধি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ওপর এর প্রযোজ্যতার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি পরিপত্রের বিধান অনুযায়ী মেলার আয়োজনের বৈধতা যাচাই করাও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব।
আইনগতভাবে দুটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, সরকারি পরিপত্রটি কার্যকর থাকলে এবং কেশরহাটের আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সেটি মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, হাইকোর্টের আদেশে কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা মূল আদেশের ভাষা থেকে নির্ধারণ করতে হবে। আদেশের প্রযোজ্যতা যাচাই না করে কেশরহাটের আয়োজনকে সরাসরি আদালতের আদেশ অমান্য বলা সমীচীন হবে না। তবে আদালতের আদেশ ও সরকারি বিধান সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিষয়টি যাচাই এবং আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
এ অবস্থায় জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে প্রশ্ন—সরকারি পরিপত্র ও আদালতের নির্দেশনার নথি পাওয়ার পর তাঁরা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? মেলার আয়োজনের অনুমোদন দেওয়া হয়ে থাকলে, তার আইনগত ভিত্তি কী? আর অনুমোদন না দেওয়া হয়ে থাকলে মাঠে প্রস্তুতি চলার সুযোগ তৈরি হলো কীভাবে?
প্রধান শিক্ষককে চাপে ফেলে অনুমতি আদায়ের অভিযোগ
১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠটি শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক সমাবেশ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শরীরচর্চা ও খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান। সেই মাঠে বাণিজ্য মেলার আয়োজন ঘিরে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামকে চাপ প্রয়োগ করে মেলার অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক পরিস্থিতির চাপে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
প্রশ্ন হলো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বাণিজ্য মেলার জন্য ব্যবহারের অনুমতি কী প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে? প্রধান শিক্ষককে চাপ প্রয়োগের অভিযোগের সত্যতা থাকলে এর দায় কার? আর অনুমতিপত্র দেওয়া হয়ে থাকলে, সরকারি পরিপত্রের বিধানের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে?
শিক্ষার্থীদের মাঠের ব্যবহার নিয়ে এমন গুরুতর প্রশ্ন ওঠার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত বিষয়টি যাচাই করে স্পষ্ট অবস্থান জানানো। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ এবং অনুমতির বৈধতা যাচাই না করে কোনো পক্ষকে দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ নেই।
ইউএনওর বক্তব্যের পরও মেলার প্রস্তুতি চলছে কেন?
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তালাশ বিডির স্টাফ রিপোর্টারকে জানান, স্কুলের মাঠ নিয়ে শুরু থেকেই তাঁর সন্দেহ ছিল। মেলার অনুমতিপত্র এখনো দেওয়া হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
একই কথোপকথনে তাঁকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে মেলা আয়োজন নিষিদ্ধ থাকার বিধান এবং হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে জানানো হলে তিনি সংশ্লিষ্ট নথি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে বলেন। নথি পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আইন অমান্য করে কোনোভাবেই মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
ইউএনওর এসব বক্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—তিনি যদি অনুমতি না দিয়ে থাকেন এবং আইন অমান্য করে মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে থাকেন, তাহলে মাঠে মেলার প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে কীভাবে? সংশ্লিষ্ট নথি পাওয়ার পর তাঁর দপ্তর কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে বাস্তব পদক্ষেপের অগ্রগতি জানার প্রত্যাশা থাকতেই পারে। তাঁর বক্তব্য ও মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে কোনো অসংগতি থাকলে তার ব্যাখ্যাও প্রয়োজন।
নথি পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের ভূমিকা কী?
সংবাদটির বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে তাঁর সরকারি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র, হাইকোর্টের নির্দেশনার নথি এবং বক্তব্য জানতে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
একজন জেলা প্রশাসক জেলার প্রশাসনিক প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সরকারি বিধিবিধান বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরকারি পরিপত্র ও আদালতের নির্দেশনার নথি পাওয়ার পরও মেলার প্রস্তুতি চলতে থাকলে জেলা প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি।
জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন—বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? মেলার আয়োজনের অনুমোদন বা প্রস্তুতির বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক তদন্ত হয়েছে কি না? সরকারি বিধান ও আদালতের নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকলে তা নিরসনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
বরিশালের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেবে কি রাজশাহী প্রশাসন?
বরিশালের কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মেলা আয়োজনসংক্রান্ত আইনি বিরোধের ঘটনায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য রয়েছে। তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাহার করে ওএসডি করা এবং তাঁর বিরুদ্ধে দুইজন সিনিয়র সচিবের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশ ও তদন্তের বর্তমান অবস্থা যাচাইসাপেক্ষ।
এই প্রেক্ষাপটে রাজশাহীর প্রশাসনের সামনে প্রশ্ন—একই ধরনের আইনি বিতর্ক তৈরি হওয়ার পরও কেন দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হচ্ছে না? সরকারি বিধান বাস্তবায়নে কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকলে তার দায় নির্ধারণ করা হবে কীভাবে?
তবে বরিশালের ঘটনায় নেওয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে কেশরহাটের পরিস্থিতির সরাসরি তুলনা করতে হলে সংশ্লিষ্ট আদেশ, তদন্তের ফলাফল এবং দুই ঘটনার প্রাসঙ্গিক পার্থক্য বিবেচনা করা প্রয়োজন। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নয়, বরং আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এখানে মুখ্য। তদন্ত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্যকে কোনো কর্মকর্তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য হিসেবেও দেখা যাবে না।
সরকারি বিধান ও আদালতের নির্দেশনা কি উপেক্ষিত থাকবে?
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর প্রশাসনের দায়িত্ব হলো সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া। সরকারি পরিপত্রের বিধান, আদালতের নির্দেশনা এবং অনুমতিপত্রের বৈধতা—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
জেলা প্রশাসক ও ইউএনও সংশ্লিষ্ট নথি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরও যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে থাকেন, তবে তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। তাঁদের দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্যও প্রয়োজনীয় নথি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা জরুরি। তবে যথাযথ যাচাই ছাড়া কোনো কর্মকর্তাকে আইনভঙ্গকারী বা আদালত অবমাননাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়; এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য, আইনি বিধান এবং আদালতের আদেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
এদিকে, একটি মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হবে।
কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে মেলার প্রস্তুতি নিয়ে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রশাসন কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে কী আইনি ভিত্তি উপস্থাপন করে।
সরকারি পরিপত্র রয়েছে, আদালতের নির্দেশনার নথি প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে, ইউএনও আইন অমান্য করে মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে বক্তব্য দিয়েছেন—তারপরও মাঠে মেলার প্রস্তুতি চলার অভিযোগের ব্যাখ্যা কে দেবেন? জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে এখন জনস্বার্থে স্পষ্ট জবাবদিহি প্রয়োজন। আইন ও আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের প্রভাব যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেটিই এখন প্রত্যাশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন