ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাইকোর্টের নির্দেশনা ও সরকারি পরিপত্রের পরও কেশরহাট স্কুল মাঠে মেলার তোড়জোড়, নিশ্চুপ কেন জেলা প্রশাসক ও ইউএনও?


হাইকোর্টের নির্দেশনা ও সরকারি পরিপত্রের পরও কেশরহাট স্কুল মাঠে মেলার তোড়জোড়, নিশ্চুপ কেন জেলা প্রশাসক ও ইউএনও?

সরকারি পরিপত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বাণিজ্য মেলা আয়োজন নিষিদ্ধ, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার নথিও প্রশাসনের হাতে। এরপরও রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি অব্যাহত থাকার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সরকারি বিধান ও আদালতের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত হওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হলে এর দায় এড়াবেন কীভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা?

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম এবং মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতারের দায়িত্ব পালন নিয়ে এখন জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে, ইউএনও নিজেই আইনবহির্ভূতভাবে মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে বক্তব্য দেওয়ার পরও মাঠে মেলার প্রস্তুতি চলতে থাকলে প্রশাসনের অবস্থান কী—তা স্পষ্ট করা জরুরি।

সরকারি পরিপত্রে স্পষ্ট বিধান, আদালতের নির্দেশনার প্রশ্নে প্রশাসনের দায় কোথায়?

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-৭ শাখা থেকে ২০২২ সালের ২৯ জুন জারি করা ‘মেলা পরিপত্র, ২০২২’-এর ৫(চ) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে মেলা আয়োজন করা যাবে না।”

পরিপত্রটির স্মারক নম্বর ২৬.০০.০০০০.১০৬.৮৬.০৮৬.১৫.১১১। দেশের অভ্যন্তরে বাণিজ্য মেলা আয়োজনসংক্রান্ত নির্দেশনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহারের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে পরিপত্রটি বর্তমানে কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে মেলার অনুমোদন দেওয়ার আগে এর বিধান মানা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব।

অন্যদিকে, বরিশালের কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বাণিজ্য মেলার আয়োজনসংক্রান্ত রিট পিটিশন নং ৬২৫৯/২০২৬-এর বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনার নথিও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বরিশালের ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে চেম্বার অব কমার্সের আয়োজনে বাণিজ্য মেলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে হাইকোর্টের নির্দেশনা আসে। সেই মামলার নথি ও সরকারি পরিপত্র সামনে থাকার পর রাজশাহীর কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে মেলার প্রস্তুতি চলার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বরিশাল ও রাজশাহী একই দেশের দুটি প্রশাসনিক অঞ্চল। সরকারি পরিপত্রের বিধান সারা দেশের জন্য প্রযোজ্য হলে শুধু স্থান পরিবর্তনের কারণে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তবে বরিশালের মামলায় দেওয়া আদালতের আদেশ কেশরহাটের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য কি না, তা আদেশের সুনির্দিষ্ট ভাষা, নির্দেশনার পরিধি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ওপর এর প্রযোজ্যতার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি পরিপত্রের বিধান অনুযায়ী মেলার আয়োজনের বৈধতা যাচাই করাও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব।

আইনগতভাবে দুটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, সরকারি পরিপত্রটি কার্যকর থাকলে এবং কেশরহাটের আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সেটি মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, হাইকোর্টের আদেশে কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা মূল আদেশের ভাষা থেকে নির্ধারণ করতে হবে। আদেশের প্রযোজ্যতা যাচাই না করে কেশরহাটের আয়োজনকে সরাসরি আদালতের আদেশ অমান্য বলা সমীচীন হবে না। তবে আদালতের আদেশ ও সরকারি বিধান সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিষয়টি যাচাই এবং আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

এ অবস্থায় জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে প্রশ্ন—সরকারি পরিপত্র ও আদালতের নির্দেশনার নথি পাওয়ার পর তাঁরা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? মেলার আয়োজনের অনুমোদন দেওয়া হয়ে থাকলে, তার আইনগত ভিত্তি কী? আর অনুমোদন না দেওয়া হয়ে থাকলে মাঠে প্রস্তুতি চলার সুযোগ তৈরি হলো কীভাবে?

প্রধান শিক্ষককে চাপে ফেলে অনুমতি আদায়ের অভিযোগ

১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠটি শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক সমাবেশ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শরীরচর্চা ও খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান। সেই মাঠে বাণিজ্য মেলার আয়োজন ঘিরে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামকে চাপ প্রয়োগ করে মেলার অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক পরিস্থিতির চাপে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

প্রশ্ন হলো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বাণিজ্য মেলার জন্য ব্যবহারের অনুমতি কী প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে? প্রধান শিক্ষককে চাপ প্রয়োগের অভিযোগের সত্যতা থাকলে এর দায় কার? আর অনুমতিপত্র দেওয়া হয়ে থাকলে, সরকারি পরিপত্রের বিধানের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে?

শিক্ষার্থীদের মাঠের ব্যবহার নিয়ে এমন গুরুতর প্রশ্ন ওঠার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত বিষয়টি যাচাই করে স্পষ্ট অবস্থান জানানো। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ এবং অনুমতির বৈধতা যাচাই না করে কোনো পক্ষকে দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ নেই।

ইউএনওর বক্তব্যের পরও মেলার প্রস্তুতি চলছে কেন?

মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তালাশ বিডির স্টাফ রিপোর্টারকে জানান, স্কুলের মাঠ নিয়ে শুরু থেকেই তাঁর সন্দেহ ছিল। মেলার অনুমতিপত্র এখনো দেওয়া হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একই কথোপকথনে তাঁকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে মেলা আয়োজন নিষিদ্ধ থাকার বিধান এবং হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে জানানো হলে তিনি সংশ্লিষ্ট নথি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে বলেন। নথি পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আইন অমান্য করে কোনোভাবেই মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না।

ইউএনওর এসব বক্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—তিনি যদি অনুমতি না দিয়ে থাকেন এবং আইন অমান্য করে মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে থাকেন, তাহলে মাঠে মেলার প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে কীভাবে? সংশ্লিষ্ট নথি পাওয়ার পর তাঁর দপ্তর কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে বাস্তব পদক্ষেপের অগ্রগতি জানার প্রত্যাশা থাকতেই পারে। তাঁর বক্তব্য ও মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে কোনো অসংগতি থাকলে তার ব্যাখ্যাও প্রয়োজন।

নথি পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের ভূমিকা কী?

সংবাদটির বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে তাঁর সরকারি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র, হাইকোর্টের নির্দেশনার নথি এবং বক্তব্য জানতে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

একজন জেলা প্রশাসক জেলার প্রশাসনিক প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সরকারি বিধিবিধান বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরকারি পরিপত্র ও আদালতের নির্দেশনার নথি পাওয়ার পরও মেলার প্রস্তুতি চলতে থাকলে জেলা প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি।

জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন—বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? মেলার আয়োজনের অনুমোদন বা প্রস্তুতির বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক তদন্ত হয়েছে কি না? সরকারি বিধান ও আদালতের নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকলে তা নিরসনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

বরিশালের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেবে কি রাজশাহী প্রশাসন?

বরিশালের কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মেলা আয়োজনসংক্রান্ত আইনি বিরোধের ঘটনায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য রয়েছে। তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাহার করে ওএসডি করা এবং তাঁর বিরুদ্ধে দুইজন সিনিয়র সচিবের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশ ও তদন্তের বর্তমান অবস্থা যাচাইসাপেক্ষ।

এই প্রেক্ষাপটে রাজশাহীর প্রশাসনের সামনে প্রশ্ন—একই ধরনের আইনি বিতর্ক তৈরি হওয়ার পরও কেন দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হচ্ছে না? সরকারি বিধান বাস্তবায়নে কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকলে তার দায় নির্ধারণ করা হবে কীভাবে?

তবে বরিশালের ঘটনায় নেওয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে কেশরহাটের পরিস্থিতির সরাসরি তুলনা করতে হলে সংশ্লিষ্ট আদেশ, তদন্তের ফলাফল এবং দুই ঘটনার প্রাসঙ্গিক পার্থক্য বিবেচনা করা প্রয়োজন। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নয়, বরং আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এখানে মুখ্য। তদন্ত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্যকে কোনো কর্মকর্তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য হিসেবেও দেখা যাবে না।

সরকারি বিধান ও আদালতের নির্দেশনা কি উপেক্ষিত থাকবে?

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর প্রশাসনের দায়িত্ব হলো সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া। সরকারি পরিপত্রের বিধান, আদালতের নির্দেশনা এবং অনুমতিপত্রের বৈধতা—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

জেলা প্রশাসক ও ইউএনও সংশ্লিষ্ট নথি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরও যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে থাকেন, তবে তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। তাঁদের দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্যও প্রয়োজনীয় নথি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা জরুরি। তবে যথাযথ যাচাই ছাড়া কোনো কর্মকর্তাকে আইনভঙ্গকারী বা আদালত অবমাননাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়; এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য, আইনি বিধান এবং আদালতের আদেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

এদিকে, একটি মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হবে।

কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে মেলার প্রস্তুতি নিয়ে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রশাসন কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে কী আইনি ভিত্তি উপস্থাপন করে।

সরকারি পরিপত্র রয়েছে, আদালতের নির্দেশনার নথি প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে, ইউএনও আইন অমান্য করে মেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে বক্তব্য দিয়েছেন—তারপরও মাঠে মেলার প্রস্তুতি চলার অভিযোগের ব্যাখ্যা কে দেবেন? জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে এখন জনস্বার্থে স্পষ্ট জবাবদিহি প্রয়োজন। আইন ও আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের প্রভাব যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেটিই এখন প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিলি প্রতি বছর ৭ জানুয়ারি ফিলিস্তিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব দিবস পালন করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


চিলি প্রতি বছর ৭ জানুয়ারি ফিলিস্তিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব দিবস পালন করবে

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ১৬ বছর পর, চিলি দেশটির সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিতে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ‘চিলি-ফিলিস্তিন বন্ধুত্ব ও সংহতি দিবস’ উদ্‌যাপন করতে যাচ্ছে। নতুন আইন অনুসারে, ২০২৭ সালের ৭ জানুয়ারি দিবসটি উদ্‌যাপন করা হবে।

গত ২২ অক্টোবর চিলির সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ২১ হাজার ৮৪৩ নম্বর আইনে প্রতি বছর ৭ জানুয়ারিকে চিলি ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘বন্ধুত্ব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দিবস পালনের মাধ্যমে দুই জনগণের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি, ফিলিস্তিনি জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষায় চিলির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার সুরক্ষাব্যবস্থার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটিতে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

আইনটিতে দুটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রথম অনুচ্ছেদে প্রতি বছর ৭ জানুয়ারিকে চিলি ও ফিলিস্তিনের বন্ধুত্ব ও সংহতি দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে দুই জনগণের সম্পর্ক উদ্‌যাপনের জন্য স্মারক ও আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি আয়োজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক নীতিমালা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের প্রতি চিলির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হবে।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রথম উত্থাপিত হয় আইনটির প্রস্তাব। পরবর্তী সময়ে এটি সিনেটে পাঠানো হলে সেখানে কয়েক দফা সংশোধনী আনা হয়। সিনেটে অনুমোদনের পর, চূড়ান্ত ভোটাভুটির জন্য প্রস্তাবটি আবারো চেম্বার অব ডেপুটিজে পাঠানো হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন পায় প্রস্তাবটি। এর ফলে আইন হিসেবে কার্যকর হওয়ার পথ সুগম হয়।

সংসদীয় আলোচনায় আইনটির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সিনেটর ভ্লাদো মিরোসেভিচ বলেছেন, ‘আমি এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছি, কারণ এটি এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলে, যা চিলির কাছে অপরিচিত নয়; বরং এটি আমাদের নিজেদের ও আমাদের ইতিহাসের কথা বলে।’

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণ এবং তাদের বংশধরেরা চিলির শিল্প, সমাজ ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। একই সঙ্গে তারা নিজেদের পূর্বপুরুষের মাতৃভূমি ফিলিস্তিনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কও বজায় রেখেছেন।

সিনেটর সের্হিও গাহোনাও আইনটিকে নিছক প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখতে নারাজ। তিনি মন্তব্য করেন, ‘এই উদ্যোগের ওপর ভোট দেওয়া মানে শুধু ক্যালেন্ডারে একটি দিন নির্ধারণ করা নয়; বরং এমন একটি জনগণের গভীরভাবে স্বীকৃতি দেওয়া, যারা আমাদের দেশের আত্মার অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

গাহোনার মতে, বেথলেহেম, বেইত জালা ও বেইত সাহুর থেকে আসা পরিবারগুলো চিলির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নতুন এই আইন সেই অবদান এবং চিলির সমাজে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত জনগণের গভীর শিকড়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে ইংল্যান্ডকে টপকে সপ্তম স্থানে আফগানিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে ইংল্যান্ডকে টপকে সপ্তম স্থানে আফগানিস্তান

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে অতিক্রম করে সপ্তম স্থানে পৌঁছেছে।

পাকিস্তানের মাটিতে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত দুটি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফলাফলের ভিত্তিতে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আইসিসি।

এখন পর্যন্ত চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে ইংল্যান্ড দুটি ম্যাচ খেলে দুটিতেই পরাজিত হয়েছে। এর ফলে ইংলিশরা র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে গিয়ে অষ্টম স্থানে নেমে গেছে।

অন্যদিকে, আরব আমিরাতে সদ্য শেষ হওয়া টুর্নামেন্টের লিগ পর্বে দুই ম্যাচ এবং ফাইনাল জিতে আফগানিস্তান র‌্যাংকিংয়ে এক ধাপ উন্নতি করে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। গত শুক্রবার শারজায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে এক জয় নিয়ে ইংল্যান্ডের পতনের ফলে শ্রীলংকা এক ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে পৌঁছেছে।

র‌্যাংকিংয়ে তিন দলের রেটিং প্রায় সমান। শ্রীলংকার রেটিং ৯৫, আফগানিস্তানের ৯৪ এবং ইংল্যান্ডের রেটিং ৯৩।

আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পরাজিত হলেও জিম্বাবুয়ের রেটিংয়ে উন্নতি হয়েছে। যদিও তাদের র‌্যাংকিংয়ে পরিবর্তন হয়নি, তবে ২ রেটিং পয়েন্ট বেড়ে ৬৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তারা ১১তম স্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশ আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজে ভালো পারফরমেন্স করতে পারেনি। লিগ পর্বে দুই ম্যাচ হারিয়ে তারা ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে টাইগাররা ২ রেটিং পয়েন্ট হারিয়েছে এবং বর্তমানে ৮১ রেটিং নিয়ে নবম স্থানে অবস্থান করছে।

র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ পাঁচে কোনো পরিবর্তন হয়নি। ১১৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ভারত শীর্ষে রয়েছে। পরবর্তী চারটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড (১০৯ রেটিং), দক্ষিণ আফ্রিকা (১০৪ রেটিং), পাকিস্তান (১০৩ রেটিং) এবং অস্ট্রেলিয়া (১০২ রেটিং)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের সংকট, সেবা ব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের সংকট, সেবা ব্যাহত

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুপাশে সারি সারি দেবদারু ও বাহারি ফুল গাছের মাঝখান দিয়ে পাকা সরু রাস্তা ধরে সামনে এগোলে চোখে পড়ে ফলদ ও বনজ বৃক্ষের উদ্যান। চারদিকে বহুতল ভবন, পশ্চিমে বাঁধানো ঘাটসহ বিশাল পুকুর ও মসজিদ এবং উত্তরে সারিবদ্ধ আবাসিক ভবন রয়েছে।

প্রথম দর্শনে যে কারও মনে হতে পারে এটি কোনো বিনোদনকেন্দ্র বা মনোরম রিসোর্ট। তবে প্রধান ফটকের বামে ঝোলানো জরুরি বিভাগের সাইনবোর্ড ও রোগীদের ভিড় দেখলেই সেই ভুল ভেঙে যাবে। এখানে হাওরবেষ্টিত কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কথা বলা হচ্ছে।

গত পাঁচ বছরে এই হাসপাতালের বাহ্যিক চিত্রের পরিবর্তন ঘটেছে। অত্যন্ত নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। তবে পরিবেশের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটলেও বর্তমানে চরম জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডা. শাফির প্রচেষ্টায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর পর ২০২২ সালে প্রথমবার এই হাওরাঞ্চলে বিনা মূল্যে প্রসূতিদের অস্ত্রোপচার (সিজার) চালু করা হয়। কিন্তু স্থায়ী অ্যানাস্থেসিয়া ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ (শল্য চিকিৎসক) না থাকায় বর্তমানে নিয়মিত এই সিজারিয়ান কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৩১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১২ জন কর্মরত আছেন। অ্যানাস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. মরিয়ম আক্তার এক বছরের বেশি সময় ধরে জেলা সদরে প্রেষণে কর্মরত রয়েছেন এবং নেই কোনো গাইনোকোলজিস্টও। একইভাবে ৩১ জন নার্স ও বয়ের মধ্যে কর্মরত আছেন ১৬ জন (যার মধ্যে ৩ জন প্রেষণে)। মাঠপর্যায়ে ২০ জন স্বাস্থ্য সহকারীর বিপরীতে কর্মরত আছেন ১১ জন (যার মধ্যে ২ জন সাময়িক বরখাস্ত)। এছাড়া একমাত্র স্বাস্থ্য পরিদর্শকের পদটিও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

এত সমস্যার মধ্যেও হাসপাতালটির নতুন ভবনের নিচতলায় কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং দ্বিতীয় তলায় শিশুদের উপযোগী নান্দনিক ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ গড়ে তোলা হয়েছে। নানা রঙের খেলনা, পুতুল, দাবা বোর্ড ও রঙিন কাগজের ফুলের ব্যবহারে সাজানো মনমুগ্ধকর এই সেবাকেন্দ্রগুলো স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

পাশাপাশি বর্তমান এই কর্মকর্তার যোগদানের পর রোগীদের সুবিধার্থে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাম ও জিন এক্সপার্ট ল্যাবরেটরিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্র বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় কারিগরি টেকনিশিয়ান না থাকায় নিয়মিত এগুলোর সুফল মিলছে না।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অপ্রতুলতার মধ্যেও প্রতি মাসে গড়ে চার থেকে পাঁচটি সিজার, পাঁচ শতাধিক ভর্তি রোগী, ১ হাজার জরুরি রোগী এবং প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষ বহির্বিভাগে সেবা নিচ্ছে। প্রায় সোয়া লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই জনপদে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্ট না থাকায় বিপুল পরিমাণ রোগীকে সেবা দিতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হাঁপিয়ে উঠছেন চিকিৎসকেরা। তাই শূন্য পদগুলোতে দ্রুত পদায়নের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রোববার বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা ঘাগড়া ইউনিয়নের আমেনা বেগম বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, কম টাকায় ভালো চিকিৎসার আশায় এখানে আসি।’ কাটখাল ইউনিয়নের হোসেন আলী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ এত সুন্দর হতে পারে, তা অন্য কোথাও দেখিনি। টাকা ছাড়াও হাসপাতালে সিজার হয়, তা আমরা জানতাম না। সরকার যদি প্রয়োজনীয় জনবলের ব্যবস্থা করত, তাহলে আমাদের আর চিকিৎসার জন্য শহরে দৌড়াতে হতো না।’

এ বিষয়ে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল শাফি বলেন, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরলস কাজ করছি। জনবলসহ নানা সংকট সত্ত্বেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দিতে সচেষ্ট। সংকট কাটলে হাওরবাসীকে আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।’

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, ‘হাওর অঞ্চলে কর্মকর্তাদের কিছুটা অনীহা রয়েছে। তবে এই সংকট থাকবে না, কারণ ইতিমধ্যে সরকার স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে লোকবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। দ্রুত প্রসূতি সেবার প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্ট পদায়ন করা হবে।’

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশিত হলো: ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


আজকের মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশিত হলো: ২৫ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করছেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২৫ অক্টোবর, ২০২৬) মুদ্রার বিনিময় হার উপস্থাপন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের

তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশের মুদ্রা বাজারে ডলার কেনার জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৩.৬৫ টাকা। বিক্রির জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৩.৭৫ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ৬৩ পয়সা। ইউরোর ক্ষেত্রে কেনার মূল্য ১৩৮ টাকা ৫১ পয়সা এবং বিক্রির মূল্য ১৩৮ টাকা ৬৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

১৩৮.৬৪

৯৬.৬৮

৩২.৯৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%