প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ও গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম, খুন এবং জুলাই-আগস্টে শত শত লোকের হত্যাকারী খুনি হাসিনার বিচার কার্যকরের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মোঃ কাওছার খান, সাবেক ১নং সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল—ঢাকা মহানগর পশ্চিম।”
রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাবেক ১ নম্বর সহ-সভাপতি মো. কাওসার খান। দায়িত্ব পেলে এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান তিনি।
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং বিগত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম-খুনের অভিযোগ ও জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের একটি ব্যানারে কাওসার খানের নাম উঠে আসে। ব্যানারে এসব ঘটনার বিচার কার্যকরের দাবি জানানো হয়।
ছাত্ররাজনীতিতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকা কাওসার খানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের মতো সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা সামনে আসছে।
রাজধানীর অন্যতম জনবহুল এলাকা মোহাম্মদপুরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন, ব্যবসায়ীরা যেন নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং তরুণ সমাজ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত হয়—এমন পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কাওসার খানের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে মোহাম্মদপুরের মানুষের পাশে থেকে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবেন। সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানেও ভূমিকা রাখতে চান তিনি।
তবে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা, অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন