ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৫ বছর ধরে ৪ কিলোমিটার সড়কে দুর্ভোগ


১৫ বছর ধরে ৪ কিলোমিটার সড়কে দুর্ভোগ

সিলেটের বিয়ানীবাজারে রয়েছে মাত্র চার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক। তবে এই সড়কের দুর্ভোগ যেন শেষ হচ্ছে না। মুরাদগঞ্জ-গডাউনবাজার-বারইগ্রাম সড়কটি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে উঠে গেছে পিচঢালাই, আবার কোথাও বেরিয়ে পড়েছে ইট-সুরকি। এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ, যা স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহনের চালকদের জন্য প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করছে।

প্রায় ১৫ বছর ধরে সড়কটির সংস্কারের জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী, কিন্তু কার্যকর সমাধান না পাওয়ার অভিযোগ তাদের। তবে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে, সড়কটির সংস্কারের জন্য টেন্ডার কার্যক্রম শেষ হয়েছে এবং দ্রুত কাজ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মুরাদগঞ্জ থেকে গডাউনবাজার হয়ে বারইগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই চার কিলোমিটার সড়কটি বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প সংযোগ পথ। স্থানীয় যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন যাতায়াতে সড়কটির গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতায় এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনসংলগ্ন ৩ গ্রামে বাঘ আতঙ্ক, রাত জেগে চলছে পাহারা

সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচঢালাই উঠে গিয়ে বেরিয়ে পড়েছে ইট-সুরকি। কোথাও গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে, আবার কোথাও ভাঙাচোরা অংশ এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। এর ফলে যাতায়াতের সময় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। নিয়মিত চলাচলের কারণে যানবাহনের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে চালকদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার হয়নি। ফলে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সড়কটি ব্যবহারকারী লাউতা ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে উঠেছে।

এটি শুধু সংযোগ সড়ক নয়, স্থানীয়দের দাবি, বিয়ানীবাজার পৌরসভার সংশ্লিষ্ট দুটি ওয়ার্ডের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর অবস্থাও নাজুক। ফলে প্রধান সড়ক থেকে পাড়া-মহল্লার সড়ক পর্যন্ত চলাচলে দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। দীর্ঘদিনের এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারাও সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। তাই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করা জরুরি।

আরও পড়ুন: সীমান্তে ৩৫ তরুণকে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মজুমদার সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, মুরাদগঞ্জ-গডাউনবাজার-বারইগ্রাম আন্তঃইউনিয়ন সড়ক সংস্কারের টেন্ডার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। কিছু কারণে কাজের অগ্রগতিতে বিঘ্ন ঘটলেও দ্রুত সংস্কারকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান চান এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, সংস্কারের আশ্বাস যেন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে। দ্রুত কাজ শুরু ও মানসম্মত সংস্কারের মাধ্যমে সচল হবে গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগপথ, কমবে যাতায়াতের ভোগান্তি এবং বাড়বে এলাকার মানুষের যোগাযোগের সুবিধা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনির রমজানপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা, পাইক পরিবারের সমর্থন পেলেন আব্বাস পাইক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


কালকিনির রমজানপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা, পাইক পরিবারের সমর্থন পেলেন আব্বাস পাইক

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মো. আব্বাস পাইকের নাম ঘোষণা করেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) পাইক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে আব্বাস পাইককে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন হাজী মো. মফিজুল পাইক। এ সময় পাইক পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রার্থী ঘোষণার পরপরই পাইক পরিবারের সদস্য ও রমজানপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় আব্বাস পাইক সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

রমজানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আব্বাস পাইকের প্রার্থিতা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে নির্বাচনে তাঁর চূড়ান্ত প্রার্থিতা এবং স্থানীয় ভোটারদের সমর্থন আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, ইয়েমেনে সামরিক অভিযান জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


সৌদি আরব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, ইয়েমেনে সামরিক অভিযান জোরদার

সৌদি আরব ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে জোরদার করার প্রক্রিয়ায় চীনা প্রযুক্তির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করছে। রাজধানী রিয়াদের পশ্চিমে অবস্থিত আল-দুওয়াদিমি ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্সের স্যাটেলাইট চিত্রে নতুন স্থাপনা এবং উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের লক্ষণ দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, রিয়াদ কি হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে চীনা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে আরও সক্রিয় হচ্ছে?

২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তোলা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন অবকাঠামোর সম্প্রসারণের ইঙ্গিত পেয়েছেন। তবে, ঠিক কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হচ্ছে এবং কবে থেকে উৎপাদন শুরু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

উৎপাদনকেন্দ্রে বড় পরিসরে সম্প্রসারণ

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফরেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এফপিআরআই) দুই গবেষক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে আল-দুওয়াদিমি কমপ্লেক্সে নতুন একটি স্থাপনা শনাক্ত করেছেন। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্রের কঠিন জ্বালানি তৈরির উপযোগী কাস্টিং পিট বা ঢালাই গর্ত থাকতে পারে। গবেষকদের ধারণা, স্থাপনাটি আগের একই ধরনের ভবনের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ বড়।

আরেকটি নতুন ভবন জ্বালানির উপাদান কিংবা তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে। গবেষকদের মতে, এসব অবকাঠামো সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়।

গবেষকদের মতে, সম্প্রতি ইয়েমেনে পাওয়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষকে চীনা প্রযুক্তিতে তৈরি ডিএফ-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের ধারণা, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সৌদি আরব থেকে ছোড়া হয়েছে। তবে এর উৎস ও ব্যবহারকারী সম্পর্কে চূড়ান্ত নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

ডিএফ-১৫ একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এর উন্নত সংস্করণ ডিএফ-১৫এ-এর পাল্লা সর্বোচ্চ প্রায় ৯০০ কিলোমিটার হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ইয়েমেনের মারিব অঞ্চলে পাওয়া ধ্বংসাবশেষে ডিএফ-১৫এ লেখা দেখা যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে চীনা ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গবেষকদের ধারণা, সৌদি আরব বর্তমানে ডিএফ-১৫ উৎপাদন করতে সক্ষম। পাশাপাশি, আল-দুওয়াদিমি কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য আরও দূরপাল্লার ডিএফ-২১ বা একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলা হতে পারে। তবে এসব অনুমান এখনো নিশ্চিত নয়।

কেন চীনের দিকে ঝুঁকছে সৌদি আরব?

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহে বিধিনিষেধ থাকায় সৌদি আরব চীনের প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ১৯৮৭ সালে চীনের কাছ থেকে প্রায় ৪০টি তরল জ্বালানিচালিত ডিএফ-৩ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করেছিল সৌদি আরব। ২০১৪ সালে দেশটি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করে।

নতুন এবং অধিক সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবকে ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে এবং ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মধ্যে যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঝুঁকি না নিয়েও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার বিকল্প তৈরি হবে।

তবে, এই সম্প্রসারণ মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরো বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি নিয়েও ওয়াশিংটনে নতুন উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্র সম্প্রসারণ নিয়ে দেশটির সরকার, চীনা দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রয়টার্স কোনো মন্তব্য পায়নি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে জয়পুরহাটে কৃষকেরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে জয়পুরহাটে কৃষকেরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে কৃষকেরা গত বছরের লোকসানের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশায় নতুন করে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হয়েছে এই আগাম জাতের আলু রোপণ। আমন ধান ও অন্যান্য ফসল কাটার পর জমি ফেলে না রেখে বাড়তি আয়ের আশায় আলু চাষে তারা মনোনিবেশ করেছেন। তবে বীজ, সার, জ্বালানি ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কৃষকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, বছরের এই সময়ে বাজারে আলুর সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় আগাম জাতের আলু ভালো দামে বিক্রির সম্ভাবনা থাকে। এই আশায় প্রতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম আলু চাষ শুরু করেন তারা। কিন্তু গত বছর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক বড় ধরনের লোকসান গুনতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই এবার নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছেন তারা।

কৃষকরা জানান, আলু চাষে উৎপাদন খরচ প্রতি বছরই বাড়ছে। গত বছর যে বীজ ১ হাজার ২০০ টাকায় কেনা হয়েছিল, এবার তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। পাশাপাশি সার, ডিজেল বা জ্বালানি এবং শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। এ ছাড়া সার সংগ্রহের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র ব্যবহারের বাধ্যবাধকতায় কিছু ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন তারা। ফলে ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্য দাম না পেলে আবারও লোকসানে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয় কৃষক রফিকুল, গোলাম মাওলাসহ অনেকেই জানান, গত বছরের লোকসান এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তবুও জমি ফেলে না রেখে আগাম আলু চাষে তারা মনোনিবেশ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। তবে উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আলুর দাম না পেলে সেই আশা হতাশায় পরিণত হতে পারে।

এদিকে, আগাম আলু রোপণের কারণে গ্রামীণ শ্রমবাজারে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। আমন ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত, আলু রোপণ ও পরিচর্যার কাজে স্থানীয় শ্রমিকেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এতে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষের সাময়িক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন জানান, গত সপ্তাহ থেকে উপজেলায় আগাম জাতের আলু চাষ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে আলু রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আগাম জাতের এই আলু ৫০ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যেই উত্তোলন করা যায়। কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ মেনে চাষাবাদ করলে কৃষকেরা ভালো ফলন পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কৃষকদের প্রত্যাশা, ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত হোক। এতে গত বছরের লোকসান কাটিয়ে তারা সংসারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

আপনার পাঠানো মূল প্রতিবেদনে তথ্য এবং বিন্যাস বেশ ভালো ছিল। সামান্য কিছু বানান ও বাক্য গঠন পরিমার্জন করে এটিকে আরও প্রমিত সংবাদ রূপ দেওয়া হয়েছে। এটি কি কোথাও প্রকাশের জন্য প্রস্তুত করছেন?

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় গ্রেপ্তার হলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ‘ধান্দা রফিক’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


ঢাকায় গ্রেপ্তার হলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ‘ধান্দা রফিক’

চাঁদপুরের আলোচিত কোহিনূর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিক, যিনি ধান্দা রফিক নামেও পরিচিত, ঢাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শনিবার ঢাকায় অভিযান চালিয়ে রফিককে গ্রেপ্তার করেন এবং পরে চাঁদপুরে নিয়ে আসেন। দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক থাকার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

রফিক চাঁদপুর পৌরসভার রহমতপুর আবাসিক এলাকার আব্দুর রশিদের পুত্র।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে চাঁদপুর পৌরসভার রহমতপুর কলোনিতে কোহিনূর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই ঘটনার পর কোহিনুরের স্বামী আব্দুল মান্নান খান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার নাম্বার ৪১, তারিখ ২৩/৮/২০১৫, জি আর ৪৬১/২০১৫।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান আসামি নাজমা আক্তার নয়ন কোহিনূরকে তার বসতঘরের ভেতরে হত্যা করে এবং মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনার পর কোহিনূরের স্বামী আব্দুল মান্নান খান চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিক, যিনি ধান্দা রফিক নামে পরিচিত, দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন।

কোহিনূর হত্যা মামলায় দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর রফিকের গ্রেপ্তারের ফলে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%