প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে কৃষকেরা গত বছরের লোকসানের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশায় নতুন করে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হয়েছে এই আগাম জাতের আলু রোপণ। আমন ধান ও অন্যান্য ফসল কাটার পর জমি ফেলে না রেখে বাড়তি আয়ের আশায় আলু চাষে তারা মনোনিবেশ করেছেন। তবে বীজ, সার, জ্বালানি ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
কৃষকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, বছরের এই সময়ে বাজারে আলুর সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় আগাম জাতের আলু ভালো দামে বিক্রির সম্ভাবনা থাকে। এই আশায় প্রতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম আলু চাষ শুরু করেন তারা। কিন্তু গত বছর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক বড় ধরনের লোকসান গুনতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই এবার নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছেন তারা।
কৃষকরা জানান, আলু চাষে উৎপাদন খরচ প্রতি বছরই বাড়ছে। গত বছর যে বীজ ১ হাজার ২০০ টাকায় কেনা হয়েছিল, এবার তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। পাশাপাশি সার, ডিজেল বা জ্বালানি এবং শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। এ ছাড়া সার সংগ্রহের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র ব্যবহারের বাধ্যবাধকতায় কিছু ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন তারা। ফলে ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্য দাম না পেলে আবারও লোকসানে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষক রফিকুল, গোলাম মাওলাসহ অনেকেই জানান, গত বছরের লোকসান এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তবুও জমি ফেলে না রেখে আগাম আলু চাষে তারা মনোনিবেশ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। তবে উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আলুর দাম না পেলে সেই আশা হতাশায় পরিণত হতে পারে।
এদিকে, আগাম আলু রোপণের কারণে গ্রামীণ শ্রমবাজারে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। আমন ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত, আলু রোপণ ও পরিচর্যার কাজে স্থানীয় শ্রমিকেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এতে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষের সাময়িক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন জানান, গত সপ্তাহ থেকে উপজেলায় আগাম জাতের আলু চাষ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে আলু রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আগাম জাতের এই আলু ৫০ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যেই উত্তোলন করা যায়। কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ মেনে চাষাবাদ করলে কৃষকেরা ভালো ফলন পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
কৃষকদের প্রত্যাশা, ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত হোক। এতে গত বছরের লোকসান কাটিয়ে তারা সংসারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
আপনার পাঠানো মূল প্রতিবেদনে তথ্য এবং বিন্যাস বেশ ভালো ছিল। সামান্য কিছু বানান ও বাক্য গঠন পরিমার্জন করে এটিকে আরও প্রমিত সংবাদ রূপ দেওয়া হয়েছে। এটি কি কোথাও প্রকাশের জন্য প্রস্তুত করছেন?
এমএইচ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন