সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫৫ এম
আধুনিক গবেষণাগার কিংবা বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ছাড়াই দীর্ঘ ২১ বছরের নিরলস গবেষণার মাধ্যমে সেন্টু কুমার হাজং নামের এক প্রান্তিক কৃষক নিজের এক চিলতে জমিতে একের পর এক ২৫ জাতের নতুন ধান উদ্ভাবন করে সকলকে অবাক করেছেন।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের চাটকিয়া গ্রামের এই কৃষক মাত্র ১২ কাঠা জমিকে উন্মুক্ত গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহার করে এই সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে বড় কোনো সরকারি স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় তার মধ্যে কিছুটা হতাশা রয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় জেলা প্রশাসন তার উদ্ভাবনী প্লট পরিদর্শন করে সার্বিক সহযোগিতা ও স্বীকৃতির উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেছে।
কৃষক পরিবারে বেড়ে ওঠা সেন্টু এসএসসি পাসের পর আর্থিক সংকটের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। তবে কৃষিতে নতুন কিছু করার অদম্য আগ্রহ থেকে ২০০৫ সালে তিনি একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। শুরুতে মাত্র ২ কাঠা জমিতে গবেষণার কাজ শুরু করেন তিনি।
বর্তমানে তার ১২ কাঠা জমিতে প্রায় ৪৪০টি পরীক্ষামূলক প্লট রয়েছে। মূলত প্রাকৃতিক সংকরায়ণ বা ব্রিডিং পদ্ধতিতে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে। একটি নতুন জাত পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ও মাঠপর্যায়ে যাচাই করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগে। দীর্ঘ এই পরিশ্রমের ফলে একে একে উদ্ভাবন করেছেন সেন্টু-১ থেকে সেন্টু-২৫ নামের নতুন ধানের জাত। এসব ধানের ফলন সাধারণ জাতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
সেন্টুর উদ্ভাবিত ধানের ফলন ভালো হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বীজের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নালিতাবাড়ীর কৃষক সুমন্ত বর্মণ জানান, আগে সাধারণ বীজ দিয়ে আবাদ করে যে ফলন পাওয়া যেত, সেন্টুর উদ্ভাবিত জাত চাষ করে তার চেয়ে অনেক বেশি ধান মিলছে।
ঝিনাইগাতীর কৃষক ওসমান গণি বলেন, শুধু শেরপুরেই নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও কৃষকেরা তার কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করছেন। সেন্টু হাজংয়ের প্রথম সফল জাত ‘সেন্টু শাইল’ এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী বগি, হালই, গোলাপী, মালঞ্চি, বিরই, চাপাল ও খাসিয়াবিন্নির মতো দেশি জাত সংরক্ষণেও তিনি কাজ করছেন।
সম্প্রতি সেন্টু হাজংয়ের এই গবেষণার মাঠ পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি সেন্টু হাজংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘সেন্টু কুমার হাজং আমাদের শেরপুরের গর্ব। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা ছাড়া দেশের কৃষকদের স্বার্থে তিনি যা করেছেন তা এক অনন্য নজির। সরকারি স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠাব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ের ধারালো বটির কোপে সেতারা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। পুলিশ অভিযুক্ত রানু আক্তার (৪২) কে আটক করেছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ডেউলিয়া গ্রামের হোসেন মিয়ার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রাত ১০টার দিকে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত সেতারা বেগম ওই এলাকার হোসেন মিয়ার স্ত্রী এবং অভিযুক্ত রানু আক্তার তাদের মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রানু আক্তার কিছুদিন ধরে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। সম্প্রতি স্বামীর বাড়িতে স্বামীকে মারধর করার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে মানসিক চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া হচ্ছিল। রোববার রাতে হঠাৎ রানু পরিবারের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে মা সেতারা বেগমকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
এই হামলায় ঘটনাস্থলেই সেতারা বেগমের মৃত্যু ঘটে। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং ভেতর থেকে দরজা আটকে রাখেন।
খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে বটিসহ রানুকে আটক করা হয়।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতা সরোয়ার পারভেজ প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানান, রানু তার স্বামীর সংসারে ভালোই ছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে নারীর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে বটিসহ আটক করা হয়েছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন কি না, তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনের সরকারি সফরের জন্য জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সফরের সময় তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও তার সঙ্গে রয়েছেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি টোকিওর দিকে রওনা হন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার।
এছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফর করছেন। সফরের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, জাপানি বিনিয়োগকে আকর্ষণ করা এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা।
আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাইচির মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আকাশ আলোকিত হয়ে উঠেছে নানা আচার-অনুষ্ঠান ও বর্ণিল ফানুস ওড়ানোর মাধ্যমে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহ্যবাহী নন্দনকানন বৌদ্ধবিহার এবং এর আশপাশের এলাকায় জমকালো ফানুস উৎসব শুরু হয়। হাজারো মানুষের পদচারণায় পুরো বিহার প্রাঙ্গণ সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হয়।
দিনভর বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালনের পর সন্ধ্যার পর থেকে আকাশে শত শত ফানুস ওড়ানো হতে থাকে। এ সময় ঢোলের তালে তরুণ-তরুণীরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। উৎসবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষের পাশাপাশি হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষ এবং বিদেশি পর্যটকরাও অংশ নেন। উৎসবের আনন্দকে রঙিন করে তুলতে অনেকেই পরেছিলেন একই রঙের পোশাক ও টি-শার্ট।
সাধারণ ফানুসের পাশাপাশি বালিশ, লম্বাকৃতি ও গোলাকার নানা নকশার ফানুস তৈরি করেন ধর্মীয় ও তরুণ সংগঠনের সদস্যরা। এসব ফানুসের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হয় গৌতম বুদ্ধের অহিংস বাণী, ছবি এবং মানবকল্যাণের বার্তা। ফানুস ওড়ানোর পাশাপাশি আতশবাজির ঝলকানিতে রাতের আকাশ বর্ণিল হয়ে ওঠে।
আয়োজকেরা জানান, এ আয়োজনের প্রস্তুতি চলে কয়েক মাস ধরে। বাঁশের কাঠামো তৈরি, রঙিন কাগজ লাগানো ও মোম প্রস্তুতসহ প্রতিটি কাজে তরুণরা স্বেচ্ছায় শ্রম দেন। শুধু বিনোদন নয়, ফানুস ওড়ানোর মাধ্যমে সব জীবের কল্যাণ কামনা এবং সমাজে শান্তি, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।
উৎসব দেখতে আসা দর্শনার্থী সুমন বড়ুয়া জানান, তিনি ছোটবেলা থেকেই নন্দনকাননের এ ফানুস উৎসব দেখে আসছেন। রাতের আকাশে একসঙ্গে এত ফানুস ওড়ার দৃশ্য মনে অনন্য ভালো লাগা তৈরি করে। এদিকে উৎসব ঘিরে বৌদ্ধবিহার ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সেখানে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি নিয়োজিত ছিল ফায়ার সার্ভিসের টিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান শান্তকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্তি করা হয়েছে। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে আলোচনায় আসেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে, ওই কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মো. মুজিবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান রাজধানীর পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট থেকে তার স্ত্রী ও উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মী তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। এর আগে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সোয়া ১০টার দিকে, তিনি নিজের দাফতরিক ফেসবুক পেজে পরপর দুটি পোস্ট দেন।
একটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ এবং অপরটিতে লেখেন, ‘আই রিজাইন ফ্রম অ্যাডমিন ক্যাডার’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টগুলো দেখে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত তার বাসায় ছুটে যান। গভীর রাতে তাকে জামালগঞ্জ থেকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান জানান, জেলা প্রশাসন নিয়মিত তার খোঁজখবর রাখছে। তিনি আরও জানান, এসিল্যান্ড আরিফুর রহমানের আগে থেকেই মানসিক সমস্যা ছিল বলে তারা জানতে পেরেছেন। চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মানসিক রোগটিকে ‘সিজোফ্রেনিয়া’ বলা হয়। আরিফুর রহমান প্রায় দুই মাস ধরে জামালগঞ্জে এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা সদরেই বসবাস করতেন।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জামালগঞ্জের ইউএনও শিল্পী রানী মোদক জানান, শুক্রবার রাতে তার তিন বছর বয়সী মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসিল্যান্ড সস্ত্রীক তার বাসায় আসেন। সেখান থেকে বের হয়ে রাত সোয়া ১০টার দিকে ফেসবুকে ওই পোস্টগুলো দেন। বিষয়টি জানার পর অনেকেই তার বাসায় গিয়ে দেখেন, তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন এবং পরিচিত ব্যক্তিদেরও চিনতে পারছেন না। এর আগে তিনি বাসার এক আনসার সদস্যকে মারধর করেন এবং ঘরের টেবিলের গ্লাস ভাঙচুর করেন।
ইউএনও আরও জানান, খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক গিয়ে তাকে ঘুমের ইনজেকশন দেন, তবুও তার অস্বাভাবিক আচরণ কমেনি। পরে তার স্ত্রীর সিদ্ধান্তে তাকে সিলেটে নেয়া হয়। এসিল্যান্ডের স্ত্রীর বরাতে ইউএনও জানান, আরিফুর রহমানের মানসিক সমস্যা আগে থেকেই ছিল। এছাড়া ঘটনার তিন দিন আগে জামালগঞ্জে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যুর পর মরদেহ দেখে তিনি মানসিকভাবে ট্রমাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
এদিকে ফেসবুকে পোস্টের বিষয়ে শুরুতে এসিল্যান্ডের মোবাইল ফোন হ্যাক হওয়ার কথা শোনা গেলেও পরে তার স্ত্রী জানান, পোস্টগুলো এসিল্যান্ড নিজেই করেছিলেন এবং তিনিই পরে সেগুলো মুছে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ