মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
০৯:০৪ পি.এম
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে দশ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শরীফ হোসেন (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলার সিংগীনালা মগপাড়া এলাকায়—প্রাক্তন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী একটি বিলে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় বিজিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত শরীফ হোসেন মাটিরাঙ্গার রামছিরা গ্রামের (১ নম্বর ওয়ার্ড) আব্দুর রাজ্জাক ও নুর জাহান বেগমের ছেলে। শরীফ সিংগীনালা এলাকার বাসিন্দা রুবেল ভান্ডারীর বাড়িতে রাখাল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ ও স্থানীয়দের তৎপরতা:
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সকালে প্রতিদিনের মতো ওই শিক্ষার্থী ক্লাসে যোগ দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। সিংগীনালা মগপাড়া এলাকায় পৌঁছালে শরীফ তার পথরোধ করে এবং ভয় দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী বিলে নিয়ে যায়। সেখানেই শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
ঘটনার পরপরই শিশুটি বিষয়টি প্রকাশ করলে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত সংগঠিত হয়ে ধাওয়া করে অভিযুক্ত শরীফকে আটক করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশকে খবর দিয়ে তার হাতে তুলে দেয়।
পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য:
ঘটনার তথ্য পেয়েই খাগড়াছড়ি সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কায় কিসলু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, আটক যুবককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি গভীর তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। সংবেদনশীল এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের কাজ চলছে।
বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে চবি জাদুঘরের গ্যালারিতে চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং চাকসু কেন্দ্রে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
চবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীনের সভাপতিত্বে এবং চবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, ‘জুলাইয়ের ঘটনাগুলো আমাদের কখনো ভুলে গেলে চলবে না। সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জীবন দিয়ে গণতন্ত্র, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং নিরাপদ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিল। আজ আমরা যে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি, সেটি তাদের আত্মত্যাগেরই ফল।’
এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরতে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর। শিশুরা তাদের কল্পনা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে যে চিত্র ফুটিয়ে তুলছে, তা প্রমাণ করে জুলাইয়ের চেতনাও তাদের মনেও স্থান করে নিয়েছে।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, ‘আজকের এই আয়োজনটি একটু ভিন্নধর্মী। আমাদের ছোট্ট শিক্ষার্থীরা চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি গ্রাফিতিও আঁকছে। তারা তাদের কল্পনা, অনুভূতি এবং দেশপ্রেমকে রঙ-তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ ধরনের সৃজনশীল চর্চা তাদের মধ্যে মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতিহাসের শিক্ষা ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ যেন আগামী প্রজন্ম কখনো ভুলে না যায়, সেই বার্তাও এই আয়োজনের মাধ্যমে তারা ধারণ করবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ জুলাই, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ভর্তি হওয়া ৫৩০ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮ জন, খুলনা বিভাগে ৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৭৩ জন, রংপুর বিভাগে ২২ জন এবং সিলেট বিভাগে তিন জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ২১৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোন রোগীর মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৫৯ জন মারা গেছেন।
এ বছরের মধ্যে মোট ১৫ হাজার ৮৩৪ ডেঙ্গুরোগী স্বাস্থ্যকর হয়ে ছাড়পত্র গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ১ হাজার ৩২১ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
২০২৫ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজকে আরও শক্তিশালী করা, নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বন্ধ ও সচল কারখানায় নতুন মূলধন এবং প্রযুক্তি সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার, রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওকাইব)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিজিএমইএর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে সংগঠনের সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান এবং পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম ও সামিহা আজিম।
ওকাইবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা লুও। এ প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি জেনারেল ভিভিয়ান হুয়াং, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্টিভেন ঝাং এবং সেক্রেটারি টিনা হু।
বৈঠকে চীনা প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের আপার সাপ্লাই চেইন আরো শক্তিশালী ও আধুনিক করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। তারা বলেন, অনেক চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী কিন্তু প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে তারা বিজিএমইএর সহযোগিতা কামনা করেন।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জবাবে বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীদের সাথে সম্ভাব্য অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সংগঠনের সদস্য কারখানাগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। যেসব উদ্যোক্তা তাদের সচল বা বন্ধ কারখানায় চীনা মূলধন এবং আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করতে চান অথবা শতভাগ মালিকানা বা শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে যৌথ অংশীদার খুঁজছেন, তাদের কাছ থেকে কারখানার নাম, আয়তন, যন্ত্রপাতির বিবরণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রত্যাশিত অংশীদারিত্বের ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সংগ্রহ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য বিনিয়োগের সুযোগগুলো ওকাইবের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হবে।
তিনি আরো বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তা ও সম্ভাব্য চীনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কার্যকর ব্যবসায়িক সংযোগ গড়ে উঠবে। এর ফলস্বরূপ, বন্ধ এবং রুগ্ন কারখানাগুলো নতুন মূলধন ও প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে। একই সাথে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের উন্নয়ন এবং উচ্চমূল্য সংযোজনকারী পোশাক উৎপাদনে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে। বিজিএমইএ আগ্রহী কারখানা মালিক ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের বিস্তারিত প্রস্তাব নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী ছাত্র মজলিস কর্তৃক ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত ১-৭ আগস্ট ২০২৬, পর্যন্ত জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ২রা আগস্ট ২০২৬ তারিখে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ এবং জেলা সভাপতি আনাস আহমদের যৌথ নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ, মহানগর প্রশিক্ষণ ও প্রচার সম্পাদক শাফিন আব্দুল্লাহ শাকিল, জেলা বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, সরকারি তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, বক্সনগর থানা শাখার বায়তুলমাল সম্পাদক জাওয়াদুল ইসলাম, ফতুল্লা থানা নির্বাহী সদস্য নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ সুমন ও সাইয়্যেদাইন আহমদ প্রমুখ।
ছাত্র মজলিসের ১৩ দফা দাবি-সমূহ -
১. শিক্ষাব্যবস্থার সকল স্তরে কুরআন ও প্রয়োজনীয় ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২. প্রতিটি ক্যাম্পাসে ধর্মীয় অনুশাসন পালন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে।
৩. সেশনজট নিরসন, নিয়োগসহ সকল পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধ এবং মেধার মূল্যায়ন করতে হবে।
৪. ক্যাম্পাসে হল দখল, সিট বাণিজ্য, র্যাগিং কালচারসহ চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি বন্ধ করতে হবে।
৫. শিক্ষাকে সহজলভ্য করতে শিক্ষা ফি, কাগজ, কলম ও বইসহ সকল শিক্ষা উপকরণের দাম কমাতে হবে।
৬. বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৭. শিক্ষা খাতে দেশের মোট জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দিতে হবে।
৮. সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের জন্য আলাদা শিফটে ক্লাস গ্রহণ এবং গরিব শিক্ষার্থীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ চালু করতে হবে।
৯. বেকারত্ব নিরশনে কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষিত বেকারদের বেকার ভাতা চালু করতে হবে।
১০. প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা এবং কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে।
১১. প্রতিটি ক্যাম্পাসের ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু করতে হবে।
১২. বেসরকারি শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি অনুদান বৃদ্ধি এবং শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
১৩. পাঠ্য বইয়ে ইসলাম ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিরোধী লেখা বাতিল করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ