প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজকে আরও শক্তিশালী করা, নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বন্ধ ও সচল কারখানায় নতুন মূলধন এবং প্রযুক্তি সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার, রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওকাইব)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিজিএমইএর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে সংগঠনের সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান এবং পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম ও সামিহা আজিম।
ওকাইবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা লুও। এ প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি জেনারেল ভিভিয়ান হুয়াং, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্টিভেন ঝাং এবং সেক্রেটারি টিনা হু।
বৈঠকে চীনা প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের আপার সাপ্লাই চেইন আরো শক্তিশালী ও আধুনিক করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। তারা বলেন, অনেক চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী কিন্তু প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে তারা বিজিএমইএর সহযোগিতা কামনা করেন।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জবাবে বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীদের সাথে সম্ভাব্য অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সংগঠনের সদস্য কারখানাগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। যেসব উদ্যোক্তা তাদের সচল বা বন্ধ কারখানায় চীনা মূলধন এবং আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করতে চান অথবা শতভাগ মালিকানা বা শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে যৌথ অংশীদার খুঁজছেন, তাদের কাছ থেকে কারখানার নাম, আয়তন, যন্ত্রপাতির বিবরণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রত্যাশিত অংশীদারিত্বের ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সংগ্রহ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য বিনিয়োগের সুযোগগুলো ওকাইবের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হবে।
তিনি আরো বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তা ও সম্ভাব্য চীনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কার্যকর ব্যবসায়িক সংযোগ গড়ে উঠবে। এর ফলস্বরূপ, বন্ধ এবং রুগ্ন কারখানাগুলো নতুন মূলধন ও প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে। একই সাথে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের উন্নয়ন এবং উচ্চমূল্য সংযোজনকারী পোশাক উৎপাদনে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে। বিজিএমইএ আগ্রহী কারখানা মালিক ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের বিস্তারিত প্রস্তাব নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন