বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৭ পি.এম
ভোলার চরফ্যাশন বেতুয়া–ঢাকা নৌপথে লঞ্চ চলাচলে মালিকপক্ষের রোটেশন পদ্ধতির গ্যাঁড়াকলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে রোটেশন পদ্ধতির আইনি ভিত্তি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে এ পদ্ধতি বাতিল করে স্বাভাবিক ও প্রতিযোগিতামূলক যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
জানা যায়, বেতুয়া–ঢাকা নৌপথে দৈনিক তিনটি কোম্পানির এমভি কর্ণফুলী, এমভি টিপু ও এমভি তাসরিফ লঞ্চ চলাচলের জন্য বিআইডব্লিউটিএর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী রুট পারমিট নেওয়া হয়েছে। শুরুতে কয়েক মাস নির্ধারিত সময়সূচি মেনে লঞ্চ চলাচল করলেও পরবর্তীতে মালিকপক্ষের পারস্পরিক সমঝোতায় রোটেশন পদ্ধতি চালু করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর নির্ধারিত দৈনিক লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি উপেক্ষা করে মালিকপক্ষ নিজেদের সুবিধামতো এই রোটেশন পদ্ধতি চালু করেছে। এর ফলে একেক দিন একটি কোম্পানির লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের অধিকার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চরম ভোগান্তি বাড়ছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, দেশের প্রচলিত কোনো আইন, বিধিমালা বা সরকারি আদেশের ভিত্তিতে এ পদ্ধতি চালু করা হয়ে থাকলে তা প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায় অবিলম্বে এ ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। তাঁদের ভাষ্য, লঞ্চমালিকদের ব্যবসা করার অধিকার থাকলেও সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে রাখার অধিকার কারও নেই। নদীপথে যাতায়াত সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও অনিয়মের কারণে এ রুটে কাঙ্ক্ষিত যাত্রীসেবা নিশ্চিত হচ্ছে না।
চরফ্যাশন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রতিদিনের সিডিউলে তিন কোম্পানির লঞ্চ আসা-যাওয়ার কথা থাকলেও সে আইন তারা মানছেন না। রোটেশন পদ্ধতি কি যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে, নাকি যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ তৈরির জন্য? তাঁর অভিযোগ, নির্ধারিত কেবিনের বরাদ্দ শেষ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বাধ্য হয়ে লঞ্চের স্টাফদের জন্য নির্ধারিত ছোট কেবিন অতিরিক্ত টাকা দিয়ে বুকিং করতে হয়।
আছলামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও কেবিন বুকিং করতে না পারায় চলমান দীর্ঘ সরকারি ছুটিতেও পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেননি তিনি। এ ধরনের ভোগান্তি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অনিয়মের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, লঞ্চমালিকপক্ষের দাবি, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ভোলা–বরিশাল হয়ে সড়কপথে ঢাকায় যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। এতে নৌপথে যাত্রী কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ। ফলে লঞ্চ পরিচালনায় লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ লোকসান এড়াতেই রোটেশন পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে স্কুলশিক্ষক ইকবাল হোসেন বলেন, লঞ্চমালিকদের ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের অধিকার—দুই বিষয়ই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ তদন্ত করে সরকার বা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। মালিকপক্ষের যাত্রীসংকট ও লোকসানের যুক্তি বিবেচনায় নেওয়ার পাশাপাশি সেই সংকটের দায় যেন সাধারণ যাত্রীদের বহন করতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
ইতিপূর্বে রোটেশন পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়ে এর আগে জনস্বার্থে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদ। নোটিশে এ পদ্ধতির কারণে প্রতিযোগিতামূলক যাত্রীসেবা বাধাগ্রস্ত হওয়া, যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি এবং নৌযান চলাচলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে অবিলম্বে এ ব্যবস্থা বাতিলের আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করার কথা রয়েছে। সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা বোর্ড এই নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের এবং বিগত এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বাদে সকল নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।
পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ওই বছরের জন্য নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে হবে। অপরদিকে, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুসারে প্রস্তুতকৃত প্রশ্নপত্রে অংশগ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া, শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং কেরিয়ার এডুকেশন বিষয়ে সকল শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর নির্ধারণ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্দেশনা অনুসরণ করা আবশ্যক।
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বরগুলি নিজ নিজ পরীক্ষা কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। পরে কেন্দ্রগুলো ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে পাঠাবে। একই সঙ্গে ব্যবহারিক পরীক্ষা ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বরের হাতে লেখা মূল নম্বরফর্দ সরাসরি মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নিয়মাবলি কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার শরীয়তপুর গ্রামের পিছনে অবস্থিত বৌলাই নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাবাসছুম নামের দেড় বছর বয়সী এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি ওই গ্রামের কৃষি শ্রমিক লিটন মিয়ার কন্যা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের শরীয়তপুর গ্রামের দেড় বছর বয়সী তাবাসছুম বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে নিজেদের বাড়ির উঠানে খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে সে বসতঘরের পিছনে থাকা বৌলাই নদীর পানিতে পড়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর সকাল নয়টার দিকে স্থানীয়রা শিশুটির ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার করেন।
ধর্মপাশা থানার এসআই মজিবুর রহমান এই মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এই শিশুটির মৃত্যু নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ নেই। লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়াকে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্ট শাসনামল এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ বছর সারা দেশে দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদল সেক্রেটারি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয়।
নাসির উদ্দিন নাসির লেখেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সব সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। একই সঙ্গে, উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরলস দায়িত্ব পালন এবং সতর্ক নজরদারি প্রশংসার দাবি রাখে।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ছাত্রদল সেক্রেটারি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং ব্যক্তিগতভাবে নোয়াখালীর সদর ও সুবর্ণচরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর পর্যবেক্ষণ হলো, এবারের দুর্গাপূজা শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার।’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে নাসির সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পোস্টের শেষে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানও উল্লেখ করেন ছাত্রদল সেক্রেটারি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৯ সালের বিতর্কিত তুরস্ক-লিবিয়া সামুদ্রিক চুক্তির প্রতি সমর্থন প্রদান করেছে। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ভোটে, লিবিয়ার পূর্বভিত্তিক পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে চুক্তিটি অনুমোদন করে। এর ফলে তারা ২০২০ সালে নিজেদের দেওয়া পূর্ববর্তী বিরোধিতাকে উল্টে দিয়েছে। তবে এই ঘটনার ফলে ভূ-রাজনীতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও মিশর চুক্তিটির তীব্র বিরোধিতা করেছে।
চুক্তিটি আসলে কী?
২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর, ইস্তাম্বুলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং লিবিয়ার তৎকালীন ত্রিপোলিভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফায়েয়েজ আল-সাররাজের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক ও লিবিয়ার সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ করা হয়। চুক্তির ফলে আঙ্কারা পূর্ব ভূমধ্যসাগরের বিশাল ও গ্যাসসমৃদ্ধ এলাকায় নিজেদের জোরালো দাবি প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পায়।
মিশর ও ইইউর বিরোধিতার কারণ
এই চুক্তির কারণে মিশর ক্ষুব্ধ হয়েছে। কায়রোর মতে, এই চুক্তি মিশরের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) এবং কন্টিনেন্টাল শেলফের সার্বভৌম অধিকারের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই স্মারকটি তৃতীয় দেশের সার্বভৌম অধিকার লঙ্ঘন করে এবং জাতিসংঘের সামুদ্রিক আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS)-এর পরিপন্থী। বিশেষ করে গ্রিস ও সাইপ্রাসের জলসীমা খর্ব হওয়ার আশঙ্কায় ইইউ এই জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্ক ইউএসএনসিএলওএস (UNCLOS)-এ স্বাক্ষরকারী দেশ না হওয়ায় আন্তর্জাতিক আইনের এই বাধ্যবাধকতা মানতে নারাজ।
তুরস্ক ও লিবিয়ার অবস্থান
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই চুক্তিকে ‘আইনগত ও সংবিধিবদ্ধ উভয় দিক থেকেই সম্পূর্ণ বৈধ’ বলে অভিহিত করেছেন। ত্রিপোলির বর্তমান সরকারও পূর্বের সংসদের এই নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তরাধিকারের পথ সুগম করতে তুরস্কের সাথে এই নতুন কৌশলগত বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ভূমধ্যসাগরে নতুন করে নৌ-সংঘর্ষ বা উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। সোর্স: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ