বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৮ পি.এম
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করার কথা রয়েছে। সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা বোর্ড এই নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের এবং বিগত এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বাদে সকল নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।
পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ওই বছরের জন্য নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে হবে। অপরদিকে, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুসারে প্রস্তুতকৃত প্রশ্নপত্রে অংশগ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া, শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং কেরিয়ার এডুকেশন বিষয়ে সকল শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর নির্ধারণ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্দেশনা অনুসরণ করা আবশ্যক।
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বরগুলি নিজ নিজ পরীক্ষা কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। পরে কেন্দ্রগুলো ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে পাঠাবে। একই সঙ্গে ব্যবহারিক পরীক্ষা ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বরের হাতে লেখা মূল নম্বরফর্দ সরাসরি মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নিয়মাবলি কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার শরীয়তপুর গ্রামের পিছনে অবস্থিত বৌলাই নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাবাসছুম নামের দেড় বছর বয়সী এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি ওই গ্রামের কৃষি শ্রমিক লিটন মিয়ার কন্যা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের শরীয়তপুর গ্রামের দেড় বছর বয়সী তাবাসছুম বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে নিজেদের বাড়ির উঠানে খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে সে বসতঘরের পিছনে থাকা বৌলাই নদীর পানিতে পড়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর সকাল নয়টার দিকে স্থানীয়রা শিশুটির ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার করেন।
ধর্মপাশা থানার এসআই মজিবুর রহমান এই মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এই শিশুটির মৃত্যু নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ নেই। লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়াকে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্ট শাসনামল এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ বছর সারা দেশে দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদল সেক্রেটারি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয়।
নাসির উদ্দিন নাসির লেখেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সব সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। একই সঙ্গে, উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরলস দায়িত্ব পালন এবং সতর্ক নজরদারি প্রশংসার দাবি রাখে।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ছাত্রদল সেক্রেটারি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং ব্যক্তিগতভাবে নোয়াখালীর সদর ও সুবর্ণচরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর পর্যবেক্ষণ হলো, এবারের দুর্গাপূজা শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার।’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে নাসির সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পোস্টের শেষে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানও উল্লেখ করেন ছাত্রদল সেক্রেটারি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৯ সালের বিতর্কিত তুরস্ক-লিবিয়া সামুদ্রিক চুক্তির প্রতি সমর্থন প্রদান করেছে। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ভোটে, লিবিয়ার পূর্বভিত্তিক পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে চুক্তিটি অনুমোদন করে। এর ফলে তারা ২০২০ সালে নিজেদের দেওয়া পূর্ববর্তী বিরোধিতাকে উল্টে দিয়েছে। তবে এই ঘটনার ফলে ভূ-রাজনীতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও মিশর চুক্তিটির তীব্র বিরোধিতা করেছে।
চুক্তিটি আসলে কী?
২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর, ইস্তাম্বুলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং লিবিয়ার তৎকালীন ত্রিপোলিভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফায়েয়েজ আল-সাররাজের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক ও লিবিয়ার সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ করা হয়। চুক্তির ফলে আঙ্কারা পূর্ব ভূমধ্যসাগরের বিশাল ও গ্যাসসমৃদ্ধ এলাকায় নিজেদের জোরালো দাবি প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পায়।
মিশর ও ইইউর বিরোধিতার কারণ
এই চুক্তির কারণে মিশর ক্ষুব্ধ হয়েছে। কায়রোর মতে, এই চুক্তি মিশরের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) এবং কন্টিনেন্টাল শেলফের সার্বভৌম অধিকারের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই স্মারকটি তৃতীয় দেশের সার্বভৌম অধিকার লঙ্ঘন করে এবং জাতিসংঘের সামুদ্রিক আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS)-এর পরিপন্থী। বিশেষ করে গ্রিস ও সাইপ্রাসের জলসীমা খর্ব হওয়ার আশঙ্কায় ইইউ এই জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্ক ইউএসএনসিএলওএস (UNCLOS)-এ স্বাক্ষরকারী দেশ না হওয়ায় আন্তর্জাতিক আইনের এই বাধ্যবাধকতা মানতে নারাজ।
তুরস্ক ও লিবিয়ার অবস্থান
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই চুক্তিকে ‘আইনগত ও সংবিধিবদ্ধ উভয় দিক থেকেই সম্পূর্ণ বৈধ’ বলে অভিহিত করেছেন। ত্রিপোলির বর্তমান সরকারও পূর্বের সংসদের এই নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তরাধিকারের পথ সুগম করতে তুরস্কের সাথে এই নতুন কৌশলগত বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ভূমধ্যসাগরে নতুন করে নৌ-সংঘর্ষ বা উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। সোর্স: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম মন্তব্য করেছেন যে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে আলোকচিত্র একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "একটি আলোকচিত্র প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন তুলে ধরে, তেমনি পরিবেশদূষণের নির্মম বাস্তবতাও মানুষের সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে পারে।" এই মাধ্যমে মানুষের চিন্তায় পরিবর্তন আনা এবং পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক দায়বদ্ধতা জাগিয়ে তোলা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় পরিবেশ বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘ওয়েভস অব লাইফ’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে তিনটি বিভাগে মোট নয়জন বিজয়ী আলোকচিত্রীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বিভাগগুলো হলো— সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, জলজ জীবন-জীবিকা ও উপকূলীয় দূষণ এবং জ্বালানি ও পরিবেশ।
ফরিদা খানম বলেন, "বাংলাদেশ নদীমাতৃক ও সমুদ্রবেষ্টিত দেশ। বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় অঞ্চল, নদ-নদী ও জলাভূমি দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।" তিনি আরও বলেন, "এসব সম্পদ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনীতি ও অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।" তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, প্লাস্টিক ও বর্জ্যদূষণ, অপরিকল্পিত সম্পদ আহরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই প্রাকৃতিক প্রতিবেশ আজ নানা সংকটের মুখে।
তিনি উল্লেখ করেন, "পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব।" সংকট মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আলোকচিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, "অনেক সময় দীর্ঘ বক্তব্য যে বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে না, একটি ছবি তা মুহূর্তেই মানুষের হৃদয় ও বিবেককে নাড়া দিতে পারে।" তিনি বলেন, "পরিবেশবিষয়ক আলোকচিত্র প্রকৃতির সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্যের বৈশিষ্ট্য, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং দূষণের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।" তাই আলোকচিত্র ধারণ ও উপস্থাপনায় সত্যনিষ্ঠ, যথাযথ প্রেক্ষাপট ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখা জরুরি।
তরুণদের পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ফরিদা খানম বলেন, "তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে পরিবেশ রক্ষার কাজে যুক্ত করতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, "শুধু সমস্যার চিত্র তুলে ধরাই নয়, সমাধানের পথ খুঁজে বের করা এবং সেই বার্তা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়াও প্রয়োজন।" তরুণ আলোকচিত্রী, পরিবেশকর্মী ও গণমাধ্যম একসঙ্গে কাজ করলে পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ আরো গতিশীল হবে।
ঢাকা জেলা প্রশাসনের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজায়ন ও পরিবেশবিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জেলা প্রশাসন গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।" তিনি বলেন, "প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলা, নদী ও জলাশয় দূষণ রোধ এবং বৃক্ষরোপণের মতো উদ্যোগে প্রত্যেক নাগরিকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।"
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, "এ ধরনের আয়োজন কেবল প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; বরং পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত অঙ্গীকার গড়ে তোলার উপলক্ষ হয়ে উঠতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদী ও সমুদ্রের দূষণ রোধ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে হবে।"
‘ওয়েভস অব লাইফ’ আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, ইয়ুথ ফর ওশান ও মিশন গ্রিন বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ