রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২১ পি.এম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন, দেশের বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে পারলে অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
তিনি রবিবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘পার্লামেন্টস রোল ইন রিয়্যালাইজিং পপুলেশন ডিভিডেন্টস, এসডিজিস অ্যান্ড আইসিপিডিস কমিটমেন্টস’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন। এ কর্মশালার আয়োজন স্ট্রেংদেনিং পার্লামেন্টস ক্যাপাসিটি ইন ইন্টিগ্রেশন অব পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইস্যুস (এসপিসিপিডি) প্রকল্পের আওতায় করা হয়।
চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের সামনে থাকা জনমিতিক লভ্যাংশ (পপুলেশন ডিভিডেন্ট) কাজে লাগাতে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও শিক্ষিত মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দেশের বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে যথাযথ শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশিয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সম্পৃক্ত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয় না; দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দক্ষ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে তার বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দক্ষ, শিক্ষিত ও উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠীই দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান শক্তি।’
চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, আগামী প্রায় এক দশক বাংলাদেশের জন্য জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ও সক্ষমতাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। দক্ষতা, শিক্ষা ও উৎপাদনশীলতাই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হওয়ায় জনসংখ্যা ও উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে তাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু মানুষ পাঠানোই যথেষ্ট নয়, দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করে তাদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পাঠাতে হবে। দক্ষ কর্মীরা বিদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাবেন, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও কার্যকর সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। চিফ হুইপ বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা গেলে একদিকে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে দেশের উৎপাদনশীলতা ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম নারীর ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায়। তিনি উল্লেখ করেন, "জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করা আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।" স্পিকার আরও বলেন, "জনমিতিক লভ্যাংশের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারি।" এ ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমান ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রবিবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে অনুষ্ঠিত এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘জনসংখ্যা বোনাস, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং আইসিপিডি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্পিকার এসব মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং ইউএনএফপিএ-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যামকং।
স্পিকার বলেন, "দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, "জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে জাতীয় সংসদ কাজ করে যাচ্ছে।" স্পিকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসন, কিশোরী শিক্ষা ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে চ্যালেঞ্জগুলোর কথা উল্লেখ করেন। একইসাথে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির বিষয়েও তিনি সতর্ক করেন।
স্পিকার বলেন, "এসব সমস্যা নিরসনে সংসদ সদস্যদের নিজ এলাকার জনগণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ কাজে লাগাতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম-এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রশ্নোত্তর টেবিলে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ছয়টি ব্যাংক, যার মধ্যে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এর ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের ভিত্তিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বাধিক খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।
তিনি আরও জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯.৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিছু কৃষক আখের পরিচর্যা করছেন, আবার কেউ পরিপক্ব আখ কেটে পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন। সকলেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
তবে তাদের মুখে তৃপ্তির ছাপ স্পষ্ট।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বিভিন্ন আখক্ষেত ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
কৃষকরা জানান, কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এই উপজেলায় আখ চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভালো ফলন ও বাজারের চাহিদার কারণে প্রতিবছরই তারা এই ফসল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
আট মাস পর বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠা আখের ফলন চলতি মৌসুমেও সন্তোষজনক। ফলে আখ চাষি ও ব্যবসায়ীরা উভয়েই খুশি।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গঙ্গাচড়ায় এ বছর ১০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আলদাদপুর এলাকায় সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে বেতগাড়ী ইউনিয়নের আলদাদপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার আখক্ষেতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
৪০ শতক জমিতে আখ চাষ করেছেন আলদাদপুরের কৃষক মন্টু দাস। তার ক্ষেতের আখ এখন বিক্রির জন্য প্রস্তুত। পাইকাররা সরাসরি ক্ষেত থেকে আখ তুলে নিয়ে যাচ্ছেন। একেকটি আখ ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মন্টু দাস বলেন, "আখ চাষে খরচ তুলনামূলক কম। প্রায় আট মাস পর আখ বিক্রি করা যায়। ক্ষেত থেকেই পাইকাররা আখ কিনে নিয়ে যান। তাই বাজারে নিয়ে বিক্রির ঝামেলা নেই। এবারের ফলনও ভালো হয়েছে।"
আখচাষি মহন্ত রায় জানান, "প্রতিবিঘা জমিতে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ করে আখ চাষ করা যায়। ভালো ফলন হলে এক লাখ ১২ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা সম্ভব। ন্যায্য দাম পেলে আগামীতে আরো বেশি জমিতে আখ চাষ করব।"
অন্য এক চাষি রতন চন্দ্র বলেন, নিয়মিত পরিচর্যা করলে আখের ফলন ভালো হয়। পাইকাররা ক্ষেত থেকে আখ কিনে নেওয়ায় পরিবহন খরচও লাগে না। অন্যান্য ফসলের তুলনায় আখ চাষে লাভ ভালো হওয়ায় তিনি এই চাষে আগ্রহী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, গঙ্গাচড়ার মাটি ও আবহাওয়া আখ চাষের জন্য উপযোগী। উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ও চাষাবাদ বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সঠিক নির্দেশনা ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গেলে আখ চাষ কৃষকদের লাভবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে বিনামূল্যে ধাত্রীবিদ্যা/নার্সিং ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দীঘিনালা জোনের আওতাধীন দুর্গম বরাদম, বাবুছড়া ও জারুলছড়ি আর্মি ক্যাম্পে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসির নির্দেশনায় উপজেলা থেকে বাছাই করা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ২০ জন নারীকে ধাত্রীবিদ্যা/নার্সিং এবং ৪৭ জনকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কর্মদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের জীবিকা অর্জনের সুযোগ তৈরি করাই এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা তুলে দিয়ে ভবিষ্যতে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিনামূল্যে এমন প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রশিক্ষণার্থীরা। তারা বলেন, দুর্গম এলাকায় বসবাস করায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে অনেক সময় তারা বঞ্চিত হন। সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ তাদের নতুন দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হবে।
প্রশিক্ষণার্থীরা এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ