বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ৮৫ টি মামলা করেছে। বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং এই সব মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে।
আজ ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৮৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৯৪ টি মামলা এসেছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩২৭ টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৯০ টি মামলা রয়েছে। ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২৮৬ টি মামলা রয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩২৮ টি মামলা উঠেছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১৬৫টি মামলা রয়েছে এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২০৭ টি মামলা করা হয়েছে।
এছাড়াও, অভিযানের সময় মোট ৫৭৭ টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২৬৪ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় অপর ট্রাকের চালক এবং তার সহকারী (হেলপার) আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের ইছবপুর-পালেরঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম রুবান মিয়া (৩১), তিনি মদন উপজেলার হাঁসকুড়ি গ্রামের মৃত সবুজ মিয়ার সন্তান।
স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক এবং বিপরীত দিক থেকে আসা নেত্রকোনাগামী আরেকটি ট্রাক ইছবপুর-পালেরঘাট এলাকায় এসে পৌঁছালে তারা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এর ফলে ট্রাক দুটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
একটি ট্রাকের চালক স্টিয়ারিংয়ের সঙ্গে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দে স্থানীয় লোকজন দৌড়ে এসে অপর ট্রাকের আহত চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই চালক ও তার সহযোগী পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং পূর্বধলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান চালান।
পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ট্রাক কেটে ভেতরে আটকে থাকা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনাকবলিত দুটি ট্রাক সরানোর পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এ বছর সদর দপ্তরসহ সারা দেশে ৭৩ হাজার বৃক্ষরোপণ করবে বললেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরে বৃক্ষরোপণ অভিযানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সদর দপ্তরের বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডের পশ্চিম পাশে একটি নারকেলগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে এ কর্মসূচিকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান বিজিবি মহাপরিচালক। জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ তুলে ধরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি একটি মহৎ দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার।’ তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে সারা দেশে বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে। বিজিবি মহাপরিচালক প্রতিটি বিজিবি সদস্যকে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধুমাত্র গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমেই এ উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ২৮ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে ১১ জন সহকারী অধ্যাপক এবং ১৭ জন প্রভাষক রয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ২২ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবমুক্ত না হলে ওই দিন অপরাহ্ণে তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।
এছাড়া প্রত্যেক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নিজেদের পিডিএসে (PDS) লগইন করে অবমুক্তি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজস্ব আবেদনের ভিত্তিতে এ বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। তাই এ বদলির ক্ষেত্রে তারা কোনো ধরনের ভ্রমণ ভাতা (টিএ) বা দৈনিক ভাতা (ডিএ) পাবেন না। জনস্বার্থে এ আদেশ প্রজ্ঞাপন করে জারি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করার পর প্রতিবাদ হিসেবে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজধানী কিয়েভে বিক্ষোভকারীরা ‘ফেদোরভকে বরখাস্ত করা যাবে না’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সমবেত হন। এ সময় তারা ‘ধিক্কার’ স্লোগানও দেন।
বিবিসিকে ইউক্রেনের এক সৈনিক ওলেক্সান্ডার বলেন, ‘জেলেনস্কি তার পুরো প্রেসিডেন্ট থাকাকালে এটাই সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন।’ তিনি মনে করেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে অপসারণের সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।
ফেদোরভের বরখাস্তকে ঘিরে ইউক্রেনের বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ও অসন্তোষ বাড়ছে। বিক্ষোভকারীরা ফেদোরভের অপসারণের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে এর কারণ প্রকাশের দাবি জানান। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এখনো এ সিদ্ধান্তের কারণ প্রকাশ করেননি। এ পদক্ষেপটি রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং সুশীল সমাজের একটি অংশের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
সৈনিক ওলেক্সান্ডার আরো বলেন, ‘ফেদোরভের দলের ওপর আস্থা থাকায় এ বছরের শুরুতে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলাম। আমি এমন কাউকে চিনি না যে, তাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। সেনাবাহিনীতেও না, সমাজেও না।’ তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে আমার অনেক বন্ধু আছে। তাদের অনেকেই মারা গেছে। আমি চাই না এটা চলতে থাকুক।’
মধ্য কিয়েভের ইভান ফ্রাঙ্কো স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে ৩১ বছর বয়সী মারিয়া লাভরিনেটস বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা ফেদোরভের কাজের ফলাফল দেখতে পাচ্ছি। আমরা সৈন্যদের মনোবলও দেখছি। আমাদের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।’
তিনি বলেন, ফেদোরভের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, এবং এ কারণে তার অপসারণের সিদ্ধান্তে অনেক মানুষ হতাশ ও ক্ষুব্ধ।
এই ঘটনার পর দেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ৩৫ বছর বয়সী ফেদোরভ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে গতি আনেন, দুর্নীতিবিরোধী উদ্যোগে নেতৃত্ব দেন এবং তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে সামরিক কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন বলে তাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের পার্লামেন্টে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লিমেনকোকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগের প্রস্তাবের ওপর ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। ফেদোরভের অপসারণ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, তার সঙ্গে ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির মতবিরোধ এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। আবার অন্যদের মতে, সেনাবাহিনীতে নতুন সদস্য নিয়োগ ও সমাবেশ সংস্কারের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে না পারাও তার অপসারণের একটি কারণ হতে পারে।
মিখাইলো ফেদোরভ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেন। ইউক্রেনের অনেকের মতে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন ধরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও সোভিয়েত আমলের পুরোনো ধ্যানধারণায় আটকে ছিল। ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ক সাবেক মন্ত্রী হিসেবে ফেদোরভ ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে সাইবার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাইবার অভিযান চালানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ‘ইউক্রেনের আইটি আর্মি’ গঠনে সহায়তা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ‘আর্মি অব ড্রোনস’ নামে একটি সফল তহবিল সংগ্রহ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন, যার মাধ্যমে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর জন্য ড্রোন সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া তিনি এমন একটি ব্যবস্থা চালু করেন, যেখানে রুশ লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলার জন্য ইউক্রেনীয় সামরিক ইউনিটগুলোকে বিশেষ স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেওয়া হতো।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী হওয়ার পরও মিখাইলো ফেদোরভ ড্রোন প্রযুক্তি, আধুনিক যুদ্ধব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তার দায়িত্বকালে তিনি স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের কাছে আহ্বান জানান, যাতে রাশিয়া ড্রোন হামলায় স্টারলিংক স্যাটেলাইট ব্যবহার করতে না পারে। ইউক্রেনের দাবি, এ পদক্ষেপ রাশিয়ার সামরিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছিল।
ফেদোরভের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রণালয় মস্কো-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাগুলোতেও কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। গত মাসে তিনি মাঝারি পাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে ক্রিমিয়াকে রাশিয়া থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করার অঙ্গীকার করেছিলেন। বরখাস্ত হওয়ার পর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফেদোরভ তার বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উদ্ভাবন, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সাংগঠনিক শক্তির মাধ্যমে তিনি শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন।
এদিকে খ্যাতনামা ড্রোন ইউনিট কমান্ডার পাভলো ইয়েলিজারভ ফেদোরভের বরখাস্তের প্রতিবাদে ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডারের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য বড় ধরনের ক্ষতি বলে মন্তব্য করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ