বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৮ পি.এম
পদ নেই সরকারি গেজেটে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনুমোদনও নেই—এরপরও ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ। তার ওপর নিয়োগের সময় প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকায় নতুন নিয়োগে বিধিনিষেধ থাকার কথাও উঠে এসেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদে হুমায়ুন কবির নামে এক ব্যক্তির নিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর হুমায়ুন কবিরকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট সময়ে কলেজটি জাতীয়করণের প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল এবং ‘প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ বিষয়েরও অনুমোদন ছিল না বলে দাবি করেছেন কলেজের একাধিক শিক্ষক।
শুধু নিয়োগই নয়, ওই ব্যক্তিকে বর্তমানে কলেজের বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি কলেজের তহবিল থেকে পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। ফলে নিয়োগের বৈধতা, পদটির অনুমোদন, জনবল কাঠামো এবং কলেজের অর্থ ব্যয়ের নিয়মনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, তৎকালীন শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স কলেজ জাতীয়করণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। জাতীয়করণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ওই পরিপত্রে প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ, পদোন্নতি এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকার সময়ই ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর হুমায়ুন কবিরকে ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
কলেজের একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে ‘প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ বিষয়ের অনুমোদনই ছিল না। ফলে অনুমোদনহীন একটি বিষয়ের জন্য ইন্সট্রাক্টর পদে নিয়োগ কীভাবে হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।তবে নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনুমোদন, পদটি জনবল কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল কি না—এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি।
হুমায়ুন কবিরের পদটি নিয়েও রয়েছে বড় প্রশ্ন। স্থানীয়দের দাবি, ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদটি সরকারি গেজেটভুক্ত অনুমোদিত জনবল কাঠামোর মধ্যে নেই। এরপরও তাঁকে কলেজ থেকে অর্থ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইন্সট্রাক্টর হিসেবে নিয়মিত পাঠদান না করলেও তাঁকে কলেজের ডাইনিংয়ের কাজ দেখা, পরীক্ষার খাতা দেখা, পরীক্ষার হলে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজু মিয়া বলেন, “যদি পদটি অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে হয়, তাহলে কোন বিধি বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে তাঁকে কলেজের তহবিল থেকে অর্থ দেওয়া হচ্ছে—তা পরিষ্কার করা দরকার। জাতীয়করণের পর তাঁর চাকরির অবস্থান কী এবং দেওয়া অর্থ কোন খাতে দেখানো হচ্ছে, সেটিও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, হুমায়ুন কবির কলেজের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। পাশাপাশি তিনি সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেনের গ্রামের বাড়ির সম্পত্তি দেখাশোনার কাজও করেন বলে দাবি তাঁদের।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, তিনি দুটি কলেজ থেকে বেতন নেন এবং বাইরে সম্পত্তি দেখাশোনার জন্যও সৈয়দ আবুল হোসেনের স্ত্রীর কাছ থেকে পারিশ্রমিক পান।অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এসব নথি পর্যালোচনা করা হলে হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ কোন প্রক্রিয়ায় এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে হয়েছিল, তা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
তবে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র যাচাই এবং নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজনও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিজের নিয়োগের বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, “আমাকে প্রিন্সিপাল স্যার রেখেছেন। তিনি আমার কাজের জন্য টাকা দেন। আমার সাবজেক্ট নেই। আমাকে কেন নিয়োগ দেওয়া হলো—এ কারণে আমি হাইকোর্টে আপিল করেছি। এখন হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় আছি।”
অভিযোগের বিষয়ে ডাসার সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা বলেন, “তার তো কোনো ক্লাস নেওয়া নেই। সে আমাদের কলেজের কনস্ট্রাকশন সাইটগুলো দেখে। এজন্য তাকে কিছু পারিশ্রমিক দিই।”
অধ্যক্ষের এই বক্তব্যের পরও প্রশ্ন উঠেছে—যদি তাঁর কোনো ক্লাস না থাকে এবং তিনি মূলত নির্মাণকাজের সাইট দেখাশোনা করেন, তাহলে ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদে তাঁর নিয়োগের ভিত্তি কী এবং কলেজের তহবিল থেকে তাঁকে কোন খাতে পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে?
হুমায়ুন কবিরের নিয়োগের ক্ষেত্রে তৎকালীন অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির প্রভাব ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দা।
মাদারীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসাইন বলেন, “ওই কলেজে কোনো বিষয়ে যদি সাবজেক্ট না থেকে থাকে, তাহলে নতুন করে ওই সাবজেক্টের পদ সৃষ্টি করে, তারপরে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আর যদি তা না হয়, তাহলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই। এরকম কেউ হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।”
তাই হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ, বর্তমান অবস্থান ও কলেজের অর্থ থেকে তাঁকে দেওয়া পারিশ্রমিকের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানে একের পর এক ঐতিহাসিক মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন মন্দির ও তীর্থস্থানে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। চলতি সপ্তাহে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ৫৭০ বছরের পুরনো একটি শিন্তো মন্দিরে, যা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। গত ৩১ আগস্ট, জাপানের গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ‘ইসে জিঙ্গু’র নিকটবর্তী একটি প্রধান শপিং আর্কেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মন্দিরটি থেকে স্থানটি ছিল ৭০০ মিটার দূরে। পরদিন সকালে সানিও-ওনোদা শহরের সেইয়ানজি মন্দিরে আগুন লেগে যায়।
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে পড়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। তবে জাপান প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে শরণার্থীদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশটির মন্দির ও উপাসনালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমেছে।
তবে প্রশাসনের বক্তব্য সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের দায়ী করে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাপানে শিন্তো ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ঐতিহ্য। বিপুলসংখ্যক মানুষ শিন্তো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাই ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও তীর্থস্থানে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগের মাত্রা আরো বেড়ে যাচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জাপানের অন্তত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও তীর্থস্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনাকে পরিকল্পিত নাশকতা বা সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আসন্ন ২০তম এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেট ইভেন্টের জন্য ১৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে।
লিটন দাস বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার সহকারী হিসেবে তাওহিদ হৃদয়কে নির্বাচিত করা হয়েছে। ২০তম এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে, কারণ তারা র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশের এশিয়ান গেমসের অভিযান শুরু হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর, যেখানে তারা ‘গ্রুপ বি’-এর বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলবে। বাংলাদেশ দলের নির্বাচনে নিয়মিত এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গেমসে স্বর্ণ জয় বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।
দলে ওপেনার হিসেবে রয়েছেন তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন এবং মোহাম্মদ সাইফ হাসান। মিডল অর্ডারে লিটন দাসের সাথে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, হৃদয় এবং ইয়াসির আলী চৌধুরী।
অলরাউন্ডার হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, রিশাদ হোসেন ও শেখ মাহেদি হাসান। পেস বোলিং বিভাগে থাকছেন শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ।
বাংলাদেশ দলের সদস্যরা হলেন: লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী ও নিয়মের একটি ত্রুটি তুলে ধরেন। তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উল্লেখ করলে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে ধন্যবাদ জানান।এটি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ঘটে।সংসদে কার্যপ্রণালী বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “আমার কথাটা হচ্ছে, কোথাও আপনার ভুল হলো কি না? একটু আগে আমি শুনতে পেলাম, যখন ব্যারিস্টার আরমান কথা বললেন, তারপরে আপনি বললেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে বা অনুমতি নিয়ে উনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়েছে। এই ‘অনুমতিক্রমে’ কথাটা কি কোনো ভুল হলো কি না? কারণ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতির তো প্রয়োজন নেই। এখানে তো স্পিকার বা আপনার এখতিয়ার আছেই সরাসরি তাকে কথা বলতে দেওয়ার বা যেকোনো কাউকে কথা বলতে দেওয়ার।”বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের এই সংশোধনমূলক বক্তব্যকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। বেসিক্যালি আমার যে কাস্টম, মাননীয় মন্ত্রীর পরে নরমালি অন্য সদস্যদের ফ্লোর দেওয়া হয় না। তারপরেও আমি এটা বলেছি যে আপনার অনুমতি সাপেক্ষে—ইন দ্য সেন্স, মন্ত্রীর পরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্য কেউ সাধারণত বক্তব্য দিতে পারেন না। আরমান সাহেবকে অ্যালাউ করা হয়েছে এই অর্থে যে, তিনিও একজন ভিকটিম ছিলেন।”ডেপুটি স্পিকার ভুল স্বীকার করে বলেন, “ওইটা অনুমতি না হয়ে এখানে অবগতি বা কনসেন্ট—এটা হলে ভালো হতো, এপ্রোপ্রিয়েট হতো। থ্যাংক ইউ ফর কারেক্টিং মি।” সংসদীয় কার্যক্রমে এই পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সংশোধন ও বোঝাপড়ার বিষয়টি সে সময় অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমান’ এবং ‘জনবান্ধব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বুধবার, তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সফরটি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘তারেক একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব মানুষ। ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশই জনমুখী নীতিতে বিশ্বাস করে। তাই এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ফল আসবে।’
সম্প্রতি, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দিল্লির কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না; এটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল।
বুধবার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, ভারতীয় হাইকমিশনার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পক্ষ থেকে হাফিজউদ্দিন আহমদকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া, দুই দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ