বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২১ পি.এম
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমান’ এবং ‘জনবান্ধব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বুধবার, তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সফরটি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘তারেক একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব মানুষ। ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশই জনমুখী নীতিতে বিশ্বাস করে। তাই এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ফল আসবে।’
সম্প্রতি, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দিল্লির কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না; এটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল।
বুধবার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, ভারতীয় হাইকমিশনার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পক্ষ থেকে হাফিজউদ্দিন আহমদকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া, দুই দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ‘নির্ভীক জুলাই’ উদ্বোধন করেছে ডাকসু।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অম্লান রাখার প্রত্যয়ে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামক স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার বিকেল ৪টায় ডাকসু প্রাঙ্গণে শহীদ মেহেদী হাসান জুনায়েদের বাবা, শহীদ সোহেলের বাবা, শহীদ দ্বীন ইসলামের বাবা, শহীদ রমিজ উদ্দিনের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের মা, শহীদ জহিরুল ইসলাম শুভর মা এবং শহীদ তাহের জামান প্রিয়র মাকে সঙ্গে নিয়ে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।এর আগে গত ৫ আগস্ট প্রায় ৫০ জন শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। স্মৃতিস্তম্ভটির নির্মাণের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. ইকবাল হায়দার।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. ইকবাল হায়দার ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ওপর একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন। প্রবন্ধে তিনি স্থাপনাটির ভাবনা ও প্রতীকী তাৎপর্য তুলে ধরেন।তিনি উল্লেখ করেন, ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ভাঁজকরা ধাতব কাঠামো ক্ষতবিক্ষত হলেও ভেঙে পড়েনি; রুক্ষ হলেও দুর্বল নয়; আঘাতপ্রাপ্ত হলেও নত নয়। এটি ঊর্ধ্বমুখী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জুলাইয়ের নির্ভীক চেতনার স্থায়ী স্থাপত্যিক অভিব্যক্তি হিসেবে।ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘নির্ভীক জুলাই’ কেবল একটি মনুমেন্ট নয়, এটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাদের অনড় অবস্থানের প্রতীক। এখান থেকেই শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবি তুলে ধরবে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে যেন আর কোনো নব্য ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয় এবং ক্যাম্পাসে কোনো গণরুম বা গেস্টরুমের জুলুম ফিরে না আসে, সে বিষয়ে এই স্মৃতিস্তম্ভ সবাইকে নির্ভীক থাকার অনুপ্রেরণা দেবে। মনুমেন্টের বৃত্তাকার কাঠামো ঐক্যবদ্ধ শক্তির বার্তা বহন করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সাদিক কায়েম আরও বলেন, বাংলার জমিনে যতদিন শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া না হবে এবং তাঁদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন ও ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন সংগ্রাম থামবে না।তিনি বলেন, যে জমিনে শহীদদের রক্ত ঝরেছে, সে জমিনে ইনসাফের বিজয় হবেই। জুলাই বিপ্লবের শহীদরাই তাদের আসল নায়ক। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই নতুন বাংলাদেশ পাওয়া গেছে।শহীদদের স্মৃতি ও বার্তা শুধু ক্যাম্পাসে নয়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন এই স্মৃতিস্তম্ভে এসে সাহস, দেশপ্রেম ও ন্যায়বিচারের প্রেরণা লাভ করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ জোনায়েদের বাবা।মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া করা হয়।অনুষ্ঠানে ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিমউদ্দিন খান (খান জসিম), সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সম্পাদক আনাস ইবনে মুনির, রাইসুল ইসলাম, ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিপুন ফোনে কথা বলছিলেন, স্পিকার বললেন লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন।
জাতীয় সংসদের বৈঠকে শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্যদের অধিবেশন কক্ষে কথা বলা এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির এমপি নিপুন রায় চৌধুরীকে লবিতে গিয়ে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন।বুধবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের বৈঠকে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সদস্যদের বক্তব্য চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। স্পিকার এদিন বিধি ৭১-এ মোট ৬১টি নোটিস পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে তিনটি নোটিস তিনি গ্রহণ করেন।
বাকি নোটিসদাতাদের মধ্যে সদস্যদের দুই মিনিট করে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পুরো পর্বের জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়।
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য শওকত আরা আক্তারের জন্য নির্ধারিত দুই মিনিট শেষ হওয়ার পর স্পিকার অধিবেশন কক্ষে মোবাইলে কথা বলছিলেন নিপুন রায় চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তিনি বলেন, ‘মাননীয় সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী, শওকত আরার দুই মিনিটের বক্তব্য শেষ হয়েছে, আপনার বক্তব্য এখনো শেষ হয়নি। কাছেই লবি আছে, সেখানে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন।’
এরপর স্পিকার অধিবেশন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘এখানে অনুগ্রহ করে কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না। কাছেই তো লবি আছে, সেখানে গিয়ে কথা বলে আসবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন যে, একটি মিডিয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যবহুল বক্তব্য দেওয়ার পর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে ১০৯টি উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে এসবের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই অভিযোগটি উত্থাপন করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়হাসনাত আবদুল্লাহ বর্তমান প্রেস কাউন্সিলের আইনি দুর্বলতা তুলে ধরে বলেন, ‘বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র প্রিন্ট মিডিয়ায় ছাপানো অপতথ্য বা বিভ্রান্তিমূলক নিউজের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়। সেই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে যারা প্রিন্ট মিডিয়া চালায়, তারা তাদের অনলাইন পোর্টালগুলোতে ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়ালেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দলকে টার্গেট করে প্রতিনিয়ত এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রশ্ন করেন, এ ধরনের অনলাইনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে তারা কীভাবে প্রতিকার পেতে পারেন। তিনি আরও জানতে চান, এই আইনটি সংশোধনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না।হাসনাত আবদুল্লাহর এই প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, শুধু বিরোধীদলীয় সদস্যদেরই নয়, বরং ঢালাওভাবে দেশের সাধারণ মা-বোনদের, সরকারি দলের বিভিন্ন সদস্যকে এবং খোদ প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারকেও আক্রমণ করা হচ্ছে। তিনি জানান, এই ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রেস কাউন্সিলকে রিভ্যাম্প করছি। খুব সুন্দরভাবে প্রেস কাউন্সিল পুনর্গঠন করা হবে। আপনি যে অনলাইন পোর্টালের কথা বলেছেন, সে বিষয়টিও আমাদের বিচারাধীন আছে। আমরা এই প্রক্রিয়া অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করব, ইনশাআল্লাহ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম, ঘুষ লেনদেন ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, সোহেল ও রানা নামের দুই বহিরাগত ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী না হয়েও নিয়মিত অফিসে বসে সরকারি কম্পিউটার ব্যবহার করছেন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে অনুসন্ধান ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোহেল ও রানা দীর্ঘদিন ধরে অফিসের ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে বসে সরকারি কাজ পরিচালনা করছেন। তারা নামজারি (খারিজ) সহ ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
ভুক্তভোগী নির্মল চন্দ্র অভিযোগ করেন, "জমির খারিজের কথা বলে সোহেল আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। আমি প্রথমে তাকে ভূমি অফিসেরই কোনো কর্মকর্তা বা স্টাফ মনে করেছিলাম। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তিনি এই অফিসের কেউ নন।"
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাড়ইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব লতিফ বহিরাগতদের উপস্থিতি স্বীকার করলেও তাদের অনিয়মে জড়িত থাকার কথা এড়িয়ে যান। তিনি দাবি করেন, "সোহেল ও রানা মাঝেমধ্যে কম্পিউটারে বসে থাকেন ঠিকই, তবে তারা কোনো দাপ্তরিক কাজ করেন না।" যদিও অনুসন্ধানে বহিরাগত সোহেলকে সরাসরি সরকারি কম্পিউটারে বসে ভূমি-সংক্রান্ত গোপনীয় ও দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করতে দেখা গেছে।
একজন বহিরাগত ব্যক্তি কীভাবে সরকারি দপ্তরের চেয়ারে বসে কম্পিউটার ব্যবহার করছেন—এমন প্রশ্নে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।
এ ব্যাপারে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রেজাউল করিম স্পষ্ট ভাষায় জানান, "সরকারি দপ্তরের কোনো চেয়ারে কোনো বেসরকারি বা বহিরাগত ব্যক্তি বসার কোনো সুযোগ নেই। যে কর্মকর্তার দায়িত্ব, তাকেই সেখানে বসতে হবে। সরকারি অফিশিয়াল কম্পিউটার সাধারণ কোনো ব্যক্তি ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।"
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমি অফিসে বহিরাগতদের এই অবাধ যাতায়াত এবং প্রকাশ্য লেনদেনের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে এই দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষী কর্মকর্তা লতিফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ