প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপানে একের পর এক ঐতিহাসিক মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন মন্দির ও তীর্থস্থানে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। চলতি সপ্তাহে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ৫৭০ বছরের পুরনো একটি শিন্তো মন্দিরে, যা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। গত ৩১ আগস্ট, জাপানের গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ‘ইসে জিঙ্গু’র নিকটবর্তী একটি প্রধান শপিং আর্কেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মন্দিরটি থেকে স্থানটি ছিল ৭০০ মিটার দূরে। পরদিন সকালে সানিও-ওনোদা শহরের সেইয়ানজি মন্দিরে আগুন লেগে যায়।
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে পড়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। তবে জাপান প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে শরণার্থীদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশটির মন্দির ও উপাসনালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমেছে।
তবে প্রশাসনের বক্তব্য সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের দায়ী করে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাপানে শিন্তো ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ঐতিহ্য। বিপুলসংখ্যক মানুষ শিন্তো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাই ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও তীর্থস্থানে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগের মাত্রা আরো বেড়ে যাচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জাপানের অন্তত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও তীর্থস্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনাকে পরিকল্পিত নাশকতা বা সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন