বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৯ পি.এম
জাপানে একের পর এক ঐতিহাসিক মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন মন্দির ও তীর্থস্থানে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। চলতি সপ্তাহে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ৫৭০ বছরের পুরনো একটি শিন্তো মন্দিরে, যা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। গত ৩১ আগস্ট, জাপানের গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ‘ইসে জিঙ্গু’র নিকটবর্তী একটি প্রধান শপিং আর্কেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মন্দিরটি থেকে স্থানটি ছিল ৭০০ মিটার দূরে। পরদিন সকালে সানিও-ওনোদা শহরের সেইয়ানজি মন্দিরে আগুন লেগে যায়।
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে পড়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। তবে জাপান প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে শরণার্থীদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশটির মন্দির ও উপাসনালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমেছে।
তবে প্রশাসনের বক্তব্য সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের দায়ী করে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাপানে শিন্তো ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ঐতিহ্য। বিপুলসংখ্যক মানুষ শিন্তো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাই ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও তীর্থস্থানে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগের মাত্রা আরো বেড়ে যাচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জাপানের অন্তত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও তীর্থস্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনাকে পরিকল্পিত নাশকতা বা সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আসন্ন ২০তম এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেট ইভেন্টের জন্য ১৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে।
লিটন দাস বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার সহকারী হিসেবে তাওহিদ হৃদয়কে নির্বাচিত করা হয়েছে। ২০তম এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে, কারণ তারা র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশের এশিয়ান গেমসের অভিযান শুরু হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর, যেখানে তারা ‘গ্রুপ বি’-এর বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলবে। বাংলাদেশ দলের নির্বাচনে নিয়মিত এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গেমসে স্বর্ণ জয় বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।
দলে ওপেনার হিসেবে রয়েছেন তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন এবং মোহাম্মদ সাইফ হাসান। মিডল অর্ডারে লিটন দাসের সাথে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, হৃদয় এবং ইয়াসির আলী চৌধুরী।
অলরাউন্ডার হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, রিশাদ হোসেন ও শেখ মাহেদি হাসান। পেস বোলিং বিভাগে থাকছেন শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ।
বাংলাদেশ দলের সদস্যরা হলেন: লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী ও নিয়মের একটি ত্রুটি তুলে ধরেন। তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উল্লেখ করলে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে ধন্যবাদ জানান।এটি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ঘটে।সংসদে কার্যপ্রণালী বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “আমার কথাটা হচ্ছে, কোথাও আপনার ভুল হলো কি না? একটু আগে আমি শুনতে পেলাম, যখন ব্যারিস্টার আরমান কথা বললেন, তারপরে আপনি বললেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে বা অনুমতি নিয়ে উনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়েছে। এই ‘অনুমতিক্রমে’ কথাটা কি কোনো ভুল হলো কি না? কারণ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতির তো প্রয়োজন নেই। এখানে তো স্পিকার বা আপনার এখতিয়ার আছেই সরাসরি তাকে কথা বলতে দেওয়ার বা যেকোনো কাউকে কথা বলতে দেওয়ার।”বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের এই সংশোধনমূলক বক্তব্যকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। বেসিক্যালি আমার যে কাস্টম, মাননীয় মন্ত্রীর পরে নরমালি অন্য সদস্যদের ফ্লোর দেওয়া হয় না। তারপরেও আমি এটা বলেছি যে আপনার অনুমতি সাপেক্ষে—ইন দ্য সেন্স, মন্ত্রীর পরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্য কেউ সাধারণত বক্তব্য দিতে পারেন না। আরমান সাহেবকে অ্যালাউ করা হয়েছে এই অর্থে যে, তিনিও একজন ভিকটিম ছিলেন।”ডেপুটি স্পিকার ভুল স্বীকার করে বলেন, “ওইটা অনুমতি না হয়ে এখানে অবগতি বা কনসেন্ট—এটা হলে ভালো হতো, এপ্রোপ্রিয়েট হতো। থ্যাংক ইউ ফর কারেক্টিং মি।” সংসদীয় কার্যক্রমে এই পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সংশোধন ও বোঝাপড়ার বিষয়টি সে সময় অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমান’ এবং ‘জনবান্ধব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বুধবার, তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সফরটি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘তারেক একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব মানুষ। ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশই জনমুখী নীতিতে বিশ্বাস করে। তাই এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ফল আসবে।’
সম্প্রতি, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দিল্লির কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না; এটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল।
বুধবার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, ভারতীয় হাইকমিশনার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পক্ষ থেকে হাফিজউদ্দিন আহমদকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া, দুই দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ‘নির্ভীক জুলাই’ উদ্বোধন করেছে ডাকসু।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অম্লান রাখার প্রত্যয়ে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামক স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার বিকেল ৪টায় ডাকসু প্রাঙ্গণে শহীদ মেহেদী হাসান জুনায়েদের বাবা, শহীদ সোহেলের বাবা, শহীদ দ্বীন ইসলামের বাবা, শহীদ রমিজ উদ্দিনের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের মা, শহীদ জহিরুল ইসলাম শুভর মা এবং শহীদ তাহের জামান প্রিয়র মাকে সঙ্গে নিয়ে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।এর আগে গত ৫ আগস্ট প্রায় ৫০ জন শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। স্মৃতিস্তম্ভটির নির্মাণের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. ইকবাল হায়দার।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. ইকবাল হায়দার ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ওপর একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন। প্রবন্ধে তিনি স্থাপনাটির ভাবনা ও প্রতীকী তাৎপর্য তুলে ধরেন।তিনি উল্লেখ করেন, ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ভাঁজকরা ধাতব কাঠামো ক্ষতবিক্ষত হলেও ভেঙে পড়েনি; রুক্ষ হলেও দুর্বল নয়; আঘাতপ্রাপ্ত হলেও নত নয়। এটি ঊর্ধ্বমুখী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জুলাইয়ের নির্ভীক চেতনার স্থায়ী স্থাপত্যিক অভিব্যক্তি হিসেবে।ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘নির্ভীক জুলাই’ কেবল একটি মনুমেন্ট নয়, এটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাদের অনড় অবস্থানের প্রতীক। এখান থেকেই শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবি তুলে ধরবে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে যেন আর কোনো নব্য ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয় এবং ক্যাম্পাসে কোনো গণরুম বা গেস্টরুমের জুলুম ফিরে না আসে, সে বিষয়ে এই স্মৃতিস্তম্ভ সবাইকে নির্ভীক থাকার অনুপ্রেরণা দেবে। মনুমেন্টের বৃত্তাকার কাঠামো ঐক্যবদ্ধ শক্তির বার্তা বহন করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সাদিক কায়েম আরও বলেন, বাংলার জমিনে যতদিন শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া না হবে এবং তাঁদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন ও ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন সংগ্রাম থামবে না।তিনি বলেন, যে জমিনে শহীদদের রক্ত ঝরেছে, সে জমিনে ইনসাফের বিজয় হবেই। জুলাই বিপ্লবের শহীদরাই তাদের আসল নায়ক। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই নতুন বাংলাদেশ পাওয়া গেছে।শহীদদের স্মৃতি ও বার্তা শুধু ক্যাম্পাসে নয়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন এই স্মৃতিস্তম্ভে এসে সাহস, দেশপ্রেম ও ন্যায়বিচারের প্রেরণা লাভ করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ জোনায়েদের বাবা।মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া করা হয়।অনুষ্ঠানে ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিমউদ্দিন খান (খান জসিম), সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সম্পাদক আনাস ইবনে মুনির, রাইসুল ইসলাম, ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ