ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পূজায় ছোটবেলার স্মৃতি সামনে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী


পূজায় ছোটবেলার স্মৃতি সামনে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। গোটা বাংলা উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে। কলকাতা দুর্গাপূজার আনন্দে কোনো কমতি রাখতে নারাজ। তারকারাও এই কয়েক দিন আনন্দে মেতে ওঠেন। বাঙালির জন্য দুর্গাপূজা মানেই দেদার মজা করা, ঠাকুর দেখা, জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া করা এবং মন্দিরে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ। পূজার রুটিন তো এমনই।

টালিউডের তারকা দম্পতি কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজও ঠিক তেমনটিই বিশ্বাস করেন। কাজের পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে তাদেরও ভালোবাসা রয়েছে। এবারের পূজার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে জানালেন এই তারকা দম্পতি।

কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের কাছে চলতি বছরের পূজা ভীষণ স্পেশাল। কারণ, গত বছর তারা মেয়েকে নিয়ে ঘুরেছিলেন। এবার তাদের সঙ্গে রয়েছে ছেলে। তাই আনন্দও দ্বিগুণ! ছোট্ট ছেলের কথা বলতেই তারা একই স্বরে বলেন— ‘গদাইয়ের বয়স দুই মাস। ওকে নিয়ে বেরোনো যাবে না।’

আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের পর জেনিফার লোপেজের নতুন প্রেমের গুঞ্জন উঠেছে

কাঞ্চন বলেন, ‘তবে আমাদের মেয়ে ঠাকুর দেখতে খুব ভালোবাসে। ওকে প্যান্ডেলেও নিয়ে গেছি, কাঁধে চড়িয়ে ঠাকুরও দেখিয়েছি গত বছর।’ অন্যদিকে শ্রীময়ী বলেন, 'গত বছর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম। এ বছরও একদিন নিয়ে যাব, দারুণ কাটবে আশা করি।' তিনি আরও বলেন, 'আমার গ্রামের বাড়িতে পূজা হয়। বাড়ির সবাই মুখে কাপড় বেঁধে ভোগ রান্না করেন। মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা হয়। সিঁদুর খেলা, ভাসানের সময়ে নাচ— সব মিলিয়ে দারুণ কাটে।'

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে করে কাঞ্চন বলেন, ‘ছোটবেলায় পূজার সময়ে অপেক্ষা করে থাকতাম— কোন মামা কোন কাকা কী জামা দেবেন, সে অপেক্ষা। দেখতাম ১০টা জামা হচ্ছে কিনা। আর মায়ের হাত ধরে পূজার মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরতাম। সেই সঙ্গে মেলায় মোগলাই পরোটা দিয়ে কষা মাংস খেতাম। এই ছিল আমার আনন্দ।

তিনি আরও বলেন, 'এরপর যখন নিজে পাড়ার পূজার সঙ্গে যুক্ত হলাম, তখন আলাদাই উচ্ছ্বাস। গলায় ক্লাবের নাম লেখা কার্ড ঝুলিয়ে ভলান্টিয়ার হয়ে ভিড় সামলানোর মধ্যে একটা অন্য রকমের মজা ছিল।’

পূজায় প্রেম হয়েছে কখনো?—এমন প্রশ্নের উত্তরে এ কৌতুক অভিনেতা বলেন, ‘কেউ আমার প্রেমে পড়েনি কোনো দিন, কেউ না। কেউ না মানে কেউ-ই না।

আরও পড়ুন: ব্যক্তিজীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন কে-পপ তারকা ইজে

তিনি বলেন, দশমীর দিন প্রণাম করা, কোলাকুলি করা— আহা কী সব দিন কেটেছে! ওই দিন আবার এখন খুব স্পেশাল হয়েছে, বিশেষ করে শ্রীময়ীর জন্য। সিঁদুর খেলতে পারলে কথা বন্ধ রাখে!’

শ্রীময়ীর আবার ছোটবেলায় পূজা কেটেছে খানিক কঠোরভাবেই। তার রাত জেগে ঠাকুর দেখার সুযোগ ছিল না। শ্রীময়ী বলেন, ‘বাবার সঙ্গে একদিনই সারারাত ঘুরতে যেতাম। আমি বন্ধুদের হয়ে প্রেমের চিঠি বিলাতাম। চতুর্থীতে প্রেম হতো, আর দশমীতে কেটে যেত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি উত্তর কলকাতায় থাকতাম। পূজায় কেউ দেখে নেবে ভেবে আমি আর প্রেম করার ঝুঁকি নিইনি। আর আমার খুব পছন্দের নাগরদোলা, মেলায় গিয়ে সেটায় চড়তাম।'

কথা থামিয়েই কাঞ্চন বলেন, আমার কাছে নাগরদোলা মানে ‘ট্রমা’। একবার এক কাকিমাকে চেপে ধরেছিলাম ভয়ে, একটুর জন্য চড় খাওয়া থেকে বেঁচেছি।

আরও পড়ুন: বাবা সিদ্দিকী খুন, সালমানকে হুমকি—এবার টাইগার কেন বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে?

শ্রীময়ীর পছন্দের দিন দশমী। কারণ সিঁদুরখেলা তার বড্ড প্রিয়। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সিঁদুর খেলতে খুব ভালোবাসি। বিয়ের পর তা আরও প্রিয় হয়েছে। আগে তো ফটোশুট করার জন্য খেলতাম। এখন আমি মনে করি, শাঁখাপলা আর সিঁদুর যে কোনো নারীর শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার। আগে কাঞ্চন আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করত, এখন অবশ্য মেয়ে করে।

শ্রীময়ীর কাছে পূজা মানেই ‘নো ডায়েট’। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থী থেকে রেস্তোরাঁয় খাই। পোলাও-মাটন তো অবশ্যই থাকে তালিকায়, শুধু অষ্টমীর দিন নিরামিষ খাই। তাই খিচুড়ি ভোগ আর তার সঙ্গে লাবড়া থাকতেই হবে।'

দশমীর কথায় কাঞ্চন বলেন, ‘আমার দশমীর দিন মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ আমি ৩৬৫ দিন অপেক্ষা করি পূজার জন্য। দশমীর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দিন গুনি পরের বছর পূজার। এবারেও তার অন্যথা হবে না।

আরও পড়ুন: যেভাবে বয়স কম দেখাবে জানালেন শশী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেব জানালেন, শুভশ্রীকে যার সঙ্গে ভালো লাগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


দেব জানালেন, শুভশ্রীকে যার সঙ্গে ভালো লাগে

টালিপাড়ার সুপারহিট জুটি দেব ও শুভশ্রীর প্রেমের শুরু থেকে বিচ্ছেদ পর্যন্ত সবকিছুই তাদের ভক্তদের চোখে জল এনেছে। তাই দুজনকে আবার কাছাকাছি আসতে দেখে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে রীতিমতো উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

পূজায় মুক্তি পেয়েছে সিনেমা 'দেশু ৭'। বর্তমানে 'দেশু ৭' নিয়ে পুরো বাংলা উত্তাল। একসময় দেব ও শুভশ্রী ছিলেন অনস্ক্রিন এবং অফস্ক্রিনের সফল জুটি। তাদের আবার কাছাকাছি আসার খবরটি বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

'দেশু ৭' সিনেমার ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শোর পর দেব ঘোষণা করেছেন যে, তিনি জিতের সঙ্গে নতুন সিনেমা আনতে যাচ্ছেন। তিনি এ বিষয়ে একটি কমিটমেন্টও দিয়েছেন। সেই সিনেমা হবে একদম বিগ বাজেটের ধামাকা।

দুই সুপারস্টার একসঙ্গে আসলে ধামাকা হওয়া তো স্বাভাবিক। সবকিছু ঠিক থাকলে, দেব ও জিৎ একসঙ্গে ২০২৭ সালের পূজায় সিলভার স্ক্রিনে হাজির হতে পারেন।

দেব ও শুভশ্রী নিজেদের পুরোনো প্রেমকে কাজে লাগিয়ে সিনেমার প্রচারে কোনো খামতি রাখেননি। সিনেমার ট্রেলার লঞ্চে দেব অকপটে বলেন— ‘আমার পর যদি শুভশ্রীকে কারও সঙ্গে ভালো লাগে তাহলে সেটি জিৎ। অবশ্যই আমার পর, 'সরি জিৎদা আই লাভ ইউ টু'।' দেবের এমন কথা শুনে শুভশ্রী গাঙ্গুলি রীতিমতো ব্লাশ করতে থাকেন। যদিও তাদের প্রেমের সেই দিনগুলো ‘দেশু ৭’ মুক্তির আগে যতই আলোচনায় আসুক, ব্যক্তিগত জীবনে দুই তারকা অনেকদূর এগিয়ে গেছেন।

দেব, শুভশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের। তাদের সম্পর্ক প্রায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। দেবের অনেক সিনেমার নায়িকা হিসেবে কাজ করেছেন রুক্মিণী। অন্যদিকে, দেবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শুভশ্রীর জীবনে আসেন রাজ চক্রবর্তী। তারা ২০১৮ সালে বিয়ে করেন এবং বর্তমানে দুই সন্তানের বাবা-মা।

'দেশু ৭' সিনেমা মুক্তির আগে এমন খবর রটেছিল যে, দেবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে শুভশ্রীর সংসার ভাঙতে বসেছে। তবে সেই জল্পনায় পানি ঢাললেন রাজ চক্রবর্তী নিজেই।

ছেলে ইউভানের ষষ্ঠ জন্মদিনে শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন রাজ। ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, তাদের গোটা সংসারকে যিনি বেঁধে রেখেছেন, তিনি তার সন্তানদের মা। অর্থাৎ 'দেশু ৭' সিনেমার নায়িকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোল্যান্ড-মিশরের চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত বাংলাদেশি সিনেমা ‘সাঁকোটা দুলছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


পোল্যান্ড-মিশরের চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত বাংলাদেশি সিনেমা ‘সাঁকোটা দুলছে’

‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে বসবাসরত তিন নারীর জীবন, স্বপ্ন এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষার গল্প তুলে ধরেছে। তরুণ নির্মাতা ইশতিয়াক আহমেদ জিহাদের প্রথম সিনেমা এটি, যার পুরো নাম ‘সাঁকোটা দুলছে’-দ্য ব্লাইন্ড গার্ল অ্যান্ড অ্যান এলিফ্যান্ট।

গত জুন মাসে নীরবে সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে সিনেমাটি পুরস্কার অর্জন করেছিল। বর্তমানে একই সময়ে দুটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে স্থান করে নিয়েছে ‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটি।

সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করা হয়েছে। মনোজ প্রামাণিকের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মনপাচিত্র এবং জার্মানির মগাদোর ফিল্মের সহযোগিতায় নির্মিত ‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটির দৃশ্য বিন্যাস, আলো-ছায়ার ব্যবহার, স্থির ও দীর্ঘ শট এবং গ্রামীণ জীবনের প্রতি নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলচ্চিত্রটির স্বতন্ত্র দৃশ্যভাষা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কুসংস্কার, ধর্মীয় রক্ষণশীলতা, পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক কাঠামো এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধের মধ্যে নিজেদের মতো করে বাঁচার পথ খুঁজে বের করে তারা। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানজিদা আক্তার স্বর্ণা, তাহমিদা রহমান তৌহিদা, সুমাইয়া আক্তার, মুনসিফ মিম, অশোক বেপারী, পঙ্কজ পালিত, রবিউস সানিসহ আরও অনেকে।

এদিকে পোল্যান্ডের ‘এনার্গাক্যামেরিমেজ’ চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটি নির্বাচিত হয়েছে। পোল্যান্ডের উৎসবে সেরা পরিচালক ও সেরা চিত্রগ্রাহক বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন ইশতিয়াক ও সামিউল করিম সুপ্তক। উৎসবটি আগামী ৭ নভেম্বর শুরু হয়ে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

অন্যদিকে, মিশরের ৪৭তম কায়রো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিকস উইক কম্পিটিশন’ বিভাগে স্থান পেয়েছে। সেখানে শাদি আব্দেল সালাম অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট ফিল্ম এবং ফ্যাদি ফারাগ অ্যাওয়ার্ড-স্পেশাল জুরি প্রাইজের জন্য বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁকোটা দুলছে’ প্রতিযোগিতা করবে। এ উৎসব চলবে ১১ থেকে ২০ নভেম্বর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যেসব বিশেষ রুটিন ভাঙেননি সামান্থা রুথ প্রভু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যেসব বিশেষ রুটিন ভাঙেননি সামান্থা রুথ প্রভু

দিনের শুরু কেমন হচ্ছে, তা সারাদিনের মেজাজে মর্জির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কাজের চাপ, ব্যস্ততা এবং বিভিন্ন দুশ্চিন্তার মাঝে নিজের জন্য কিছু সময় বের করা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তবে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু প্রতিদিনের কিছু ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে মানসিক স্থিরতা অর্জন করেন। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও তিনি সেই অভ্যাসগুলো বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তার সকালের তিনটি অভ্যাসের কথা শেয়ার করেছেন।

সামান্থা রুথ প্রভু বলেন, "সকালের রুটিনে খাদ্যতালিকায় ১০০ পদের খাবার থাকতে পারে, কিন্তু আমার জন্য বিশেষ কিছু নিয়ম বাধ্যতামূলক। যেখানেই থাকি না কেন, আমি এই রুটিন ভাঙি না কখনো।"

তিনি আরও বলেন, "প্রতিদিন সকালে আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মতো সময় নিই। আমার মন, স্নায়ুতন্ত্র— সবকিছুকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এ সময়টুকু। যদি আমায় দেখে মনে হয়, আমি ১০০টা কাজ করতে পারছি, তার নেপথ্যে সকালের ওই রুটিন। তারই কৃতিত্ব রয়েছে। তার জোরেই আমি সারাদিন ভালো থাকার চেষ্টা করি।"

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সামান্থার সকালের রুটিন ঠিক কেমন—

এক পাতার জার্নাল লেখা

সামান্থার সকাল শুরু হয় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে। তিনি এই কৃতজ্ঞতা খাতার একটি পাতায় লিপিবদ্ধ করেন। প্রতিদিন এমন কিছু বিষয় তিনি লেখেন, যেসবের জন্য কৃতজ্ঞবোধ করেন। তবে প্রথম দিকে এই অভ্যাসটি তার কাছে সহজ ছিল না। জীবনের একটি কঠিন সময়ে একজনের পরামর্শে তিনি ডায়েরি লেখা শুরু করেন। তখন মানসিকভাবে ভালো না থাকায় ইতিবাচক কিছু খুঁজে বের করে লেখা বেশ কঠিন মনে হতো। প্রথম কয়েক মাস এ অভ্যাস বজায় রাখতেও যথেষ্ট কষ্ট হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে পরিস্থিতির দিকে তাকানোর দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে শুরু করে।

অভিনেত্রী বলেন, শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার আগেই তিনি মানসিকভাবে সুস্থবোধ করতে শুরু করেছিলেন। এখন ব্যস্ততা যতই থাকুক, তিনি এ অভ্যাস থেকে বিরতি নিতে চান না।

রোদে সময় কাটানো

ডায়েরি লেখার পর সামান্থা কিছুক্ষণ সকালের রোদে সময় কাটান। দিনের শুরুতে প্রাকৃতিক আলো দেহের জৈবিক ঘড়ি অর্থাৎ ঘুম-জাগরণের ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে কতক্ষণ রোদে থাকা প্রয়োজন, তা ঋতু, ত্বকের ধরন এবং সূর্যালোকের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। তাই দীর্ঘক্ষণ কড়া রোদে থাকার প্রয়োজন নেই।

ধ্যান

অভিনেত্রীর সকালের রুটিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধ্যান করা। ডায়েরি লেখা এবং রোদে সময় কাটানোর পাশাপাশি ধ্যানের জন্যও তিনি সময় বরাদ্দ রাখেন। তিনি বলেন, এ অভ্যাসগুলো তাকে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সময় দেন তিনি নিজের এই রুটিনে। কোথায় রয়েছেন কিংবা কতটা ব্যস্ত, তা নির্বিশেষে অভ্যাসগুলো বজায় রাখার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাথায় বল লাগার পর উদ্বিগ্ন ছিলেন স্টিভ স্মিথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


মাথায় বল লাগার পর উদ্বিগ্ন ছিলেন স্টিভ স্মিথ

স্টিভ স্মিথের ক্যারিয়ারে কনকাশনে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বহুবার ঘটেছে। চলমান সিরিজের প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাথায় বল লাগার কারণে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, এমনটি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

গত সপ্তাহে ডারবানের কিংসমিডে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার আনরিখ নরকিয়ার একটি বাউন্সার স্মিথের হেলমেটে আঘাত করে। এই ঘটনার পর তাকে কনকাশন প্রটোকলের আওতায় পরীক্ষা করা হয়।

রোববার সেন্ট জর্জস পার্কে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে স্মিথ বলেন, “সত্যি বলতে, আঘাতের পর আমি কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলাম। এটি বেশ জোরালো আঘাত ছিল। সেদিনের বাকি সময়টায় আমি খুব একটা স্বস্তিতে ছিলাম না। আমার মনে হয়, অতীতে যেমন অনুভূতি হয়েছিল, আবার তেমন কিছু হবে কি না, সেই চিন্তা থেকেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কী অবস্থা হয়, সেটাই ভাবছিলাম।”

তিনি আরও যোগ করেন, “সৌভাগ্যবশত পরদিন আমি ভালোভাবেই ঘুম থেকে উঠি। সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই এবং খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠি।”

৩৭ বছর বয়সী স্মিথকে মাঠেই ফিজিও ও দলের চিকিৎসক পরীক্ষা করেন। নিয়ম অনুযায়ী তার হেলমেটও পরিবর্তন করা হয়। আঘাত পেলেও তিনি ইনিংস চালিয়ে যান এবং ২৭ রান করেন, যা অস্ট্রেলিয়াকে বড় লিড গড়তে সহায়তা করে।

কনকাশন প্রটোকল পাস

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হওয়ার সময় সোমবার স্মিথ মাঠে নামেননি। তখন তাকে কনকাশন প্রটোকলের আওতায় আরও পরীক্ষা করা হয়, যেখানে তিনি সফলভাবে উত্তীর্ণ হন।

পরদিন মঙ্গলবার সিরিজের শেষ দিনের খেলা শুরুর সময় তিনি আবার মাঠে ফেরেন এবং অস্ট্রেলিয়াকে ২১৪ রানের জয় এনে দিতে ভূমিকা রাখেন। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

টেস্ট ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক থেকে মাত্র ২৮ রান দূরে থাকা স্মিথ কনকাশন সাবস্টিটিউট নিয়ম চালুর পর টেস্ট ক্রিকেটে বদলি হওয়া প্রথম খেলোয়াড় ছিলেন। ২০১৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজে লর্ডসে জোফরা আর্চারের একটি বাউন্সার তার মাথার পেছনে আঘাত করেছিল।

এ ছাড়া ২০২০ সালে ইংল্যান্ড সফরে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে সিরিজ চলাকালেও অনুশীলনে মাথায় আঘাত পেয়ে কনকাশনে ভুগেছিলেন তিনি। একই বছরের শেষদিকে ভারতের বিপক্ষে সিডনির ওয়ানডের সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা ঘোরা ও অসুস্থতাও অনুভব করেন।

এরপর ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা সফর, ভারতে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বিশ্বকাপ এবং গত ডিসেম্বরে অ্যাডিলেড টেস্টের আগেও স্মিথ ভারসাম্য ও স্থানিক অবস্থান নিয়ন্ত্রণকারী অন্তঃকর্ণের সংবেদনশীল ব্যবস্থার (ভেস্টিবুলার সিস্টেম) সমস্যায় আক্রান্ত হন। অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্ট শুরুর মাত্র ২০ মিনিট আগে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%