শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৭ পি.এম
বরগুনা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় সার্বজনীন শ্রীশ্রী মদন মোহন জিউর মন্দির ও আখড়াবাড়ী মন্দিরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শোভাযাত্রা বের হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস। সার্বজনীন আখড়াবাড়ী কমিটির সভাপতি শ্রী দিলীপ কর্মকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইশতিয়াক আহমেদ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহিন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ জেড এম সালেহ ফারুক, বরগুনা চেম্বার অব কমার্স এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল হোসেন নাইব, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আতাউর রহমান বাবুল। সভা পরিচালনা করেন, সার্বজনীন শ্রীশ্রী মদন মোহন জিউর মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক উত্তম কর্মকার।এ অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জীবন দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, আমরা এমন একটা দেশ গড়বো যেখানে সব মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।আলোচনা সভা শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আখড়াবাড়ি মন্দিরে এসে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতি, ধর্ষণ ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি পৌরসভা ও কোতয়ালী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে আহাম্মেদ সফি (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে ডাকাতি সংগঠনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাঙামাটি জেলার কোতয়ালী থানাধীন ৬ নম্বর বালুখালী ইউনিয়নের আদার পাহাড় এলাকার বাসিন্দা।
এ ছাড়া মুহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৬) নামে আরেকজনকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার স্থায়ী ঠিকানা হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এবং বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের বায়জিদ বোস্তামী থানাধীন জালালাবাদ এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযানে মাদক কারবারের অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—শাহাবু্উদ্দিন (৩২), মিছকাত (১৮), দেলোয়ার হোসেন (২০), মোঃ সাইফুল ইসলাম ওরফে বাবু (২৭) এবং মোঃ খোকন খান (২৫)। তাদের মধ্যে কয়েকজন রাঙামাটির মানিকছড়ি ও চম্পকনগর এলাকার বাসিন্দা।
অন্যদিকে মাদক সেবনের অপরাধে রবিউল (১৮), ইদ্রিস আলী (৫৩) ও সাফিন মাহামুদ রাফি (২০) নামে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিউল মানিকছড়ি এলাকার, ইদ্রিস আলী বর্তমানে রাঙামাটির কৃষিকলোনী এলাকার বাসিন্দা এবং সাফিন মাহামুদ রাফি আসামবস্তি এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারকৃত ১০ জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডা, দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ক্রমশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। কানাডার নাগরিকরা মার্কিন শুল্কনীতি, বাণিজ্য বিরোধ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন পদক্ষেপে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। এর ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের প্রবণতা তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। একইসঙ্গে, মার্কিন পণ্য বয়কটের প্রবণতাও সমানতালে বাড়ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার বিভিন্ন শহরে মার্কিন পণ্য বয়কটের হিড়িক লেগে গেছে। বর্তমানে কানাডার অনেক ভোক্তা মার্কিন পণ্যের পরিবর্তে দেশীয় পণ্য কেনার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। পাশাপাশি, কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মার্কিন সরবরাহকারীদের পরিবর্তে কানাডীয় ও অন্যান্য দেশের বিকল্প উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেক কানাডিয়ান এখন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে কিংবা ইউরোপসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
রাজনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর দাবি জোরালো হয়েছে। সাম্প্রতিক অ্যাঙ্গাস রিড ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ কানাডিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা থেকে সরে আসার সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বর্তমানে মারাত্মক সংকটে পড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক হঠকারী পদক্ষেপের কারণে। ইতোমধ্যে, কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছে। এর জবাবে কানাডাও পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজার ও বাণিজ্যিক অংশীদার খোঁজার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
কানাডিয়ানদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে জনমতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। সাম্প্রতিক অ্যাঙ্গাস রিডের জরিপে মাত্র ৪৫ শতাংশ কানাডিয়ান মার্কিন জনগণের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে, ৪৮ শতাংশের মনোভাব নেতিবাচক। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব আরও বেশি। জরিপে ৭৯ শতাংশ কানাডিয়ান তার প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বৈরিতা শুধুমাত্র সাময়িক রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব পড়ছে বাণিজ্য, ভ্রমণ, ভোক্তাদের কেনাকাটা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও। ফলে, কয়েক দশকের ঘনিষ্ঠ কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন, মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস এবং সামাজিক অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় আয়োজিত এক জনসভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, "আমি সব সময় মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলি। মাদক একটি জাতিকে ধ্বংস করে দেয়, একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দেয় এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে।" তিনি আরও বলেন, যারা মাদক ব্যবসা করে, মাদক সেবন করে কিংবা অনলাইনে-অফলাইনে জুয়ার আসর বসিয়ে সমাজকে বিপথে পরিচালিত করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, "কোনো গ্রাম, ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে যেন মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর কিংবা অন্য কোনো সামাজিক অপরাধের কেন্দ্র গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে একযোগে কাজ করতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে অপরাধ প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, "অন্যায়কারী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।" তিনি মনে করিয়ে দেন, "অন্যায়ের শক্তি সাময়িকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারলেও সত্য ও ন্যায়ের কাছে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়।" তিনি বলেন, "আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো অপরাধীই সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।"
তিনি বলেন, "ভালো মানুষের সঙ্গে খারাপ মানুষের কখনো সমঝোতা হতে পারে না।" সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের স্বার্থে ভালো মানুষদের আরও বেশি সংগঠিত হতে হবে। সচেতন নাগরিকদের ভূমিকা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, "দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, নৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নও নিশ্চিত করতে হবে।" তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের পথ থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "আমাদের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যে মানবিক, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।" রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থে, সমাজের স্বার্থে এবং আগামী প্রজন্মের স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতা এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "সুন্দর সমাজ গঠনের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এটি আমাদের সবার।" সবাই মিলে কাজ করলে একটি নিরাপদ, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এআই ছাড়া মানুষ যেন ‘অদক্ষ বানর’, খোঁচা ইলন মাস্কের
কিছু জনপ্রিয় এআই সেবা একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হঠাৎ করে অনেক ব্যবহারকারীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছাড়া কাজ করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক রসিকতা করেছেন।
টুডের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, চ্যাটজিপিটি, ক্লদ এবং গ্রক—এই তিনটি জনপ্রিয় এআই প্ল্যাটফর্মে সাময়িক বিভ্রাট দেখা দেয়। এর ফলে অনেক ব্যবহারকারীকে এআই সহায়তা ছাড়া কাজ করতে বাধ্য হতে হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মজার প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়।
এই পরিস্থিতিতে মাস্ক একটি ভাইরাল ভিডিও শেয়ার করে মানুষের এআই-নির্ভরতা নিয়ে মজা করেন।
মাস্ক এক্সে একটি ভাইরাল ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ওরাংওটাং পাথর দিয়ে পেরেক ঠোকানোর চেষ্টা করছে। কাঠমিস্ত্রির মতো কাজ করার চেষ্টা করলেও প্রাণীটি বেশ অদক্ষ ও তালগোল পাকানো অবস্থায় রয়েছে।
ভিডিওটি শেয়ার করে মাস্ক লেখেন, ‘ভবিষ্যতের এআইয়ের চোখে মানুষ কোড লিখছে।’
অর্থাৎ, ভবিষ্যতে এআই এত উন্নত হয়ে উঠতে পারে যে মানুষের হাতে কোড লেখার বিষয়টিকে তারা অদক্ষ ও পুরনো পদ্ধতি হিসেবে দেখবে—এমনটাই রসিকতা করেছেন তিনি।
এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর সাময়িক বিভ্রাটের কারণে অনেক ব্যবহারকারীকে নিজেদের স্বাভাবিক কাজ নিজেরাই করতে হয়েছে। বিশেষ করে সফটওয়্যার ডেভেলপাররা নিয়মিত কোড লেখা, ভুল খুঁজে বের করা ও বিভিন্ন কাজের জন্য এআইয়ের সাহায্য নেন।
লেখালেখি, তথ্য খোঁজা কিংবা বিভিন্ন ধরনের কাজেও বর্তমানে এআই সহকারী ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে গেছে।
ফলে, হঠাৎ এসব সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে নিজেদের নির্ভরতার বিষয়টি নতুন করে উপলব্ধি করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ এমন মজাও করেছেন যে, এআই ছাড়া কোড লিখতে থাকা মানুষকে যেন প্রকৃতির মধ্যে কাজ করা কোনো প্রাণীকে পর্যবেক্ষণের মতো দেখাচ্ছে।
চ্যাটজিপিটি, ক্লদ ও গ্রক একই সময়ে সমস্যায় পড়লেও তিনটি সেবার বিভ্রাটের পেছনে একই কারণ ছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ওপেনএআই জানিয়েছে, চ্যাটজিপিটি ও কোডেক্সে ত্রুটির হার বেড়ে গিয়েছিল। পরে সমস্যাটি শনাক্ত করে সমাধান করা হয়।
অ্যানথ্রপিকও ক্লদের কয়েকটি মডেলে ত্রুটির কথা জানায়। প্রতিষ্ঠানটি পরে সমস্যার সমাধান করে।
অন্যদিকে, গ্রকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান এক্সএআই জানিয়েছিল, তাদের সেবাতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল। প্রায় কয়েক ঘণ্টা পর সেটি স্বাভাবিক হয়।
অর্থাৎ, তিনটি প্ল্যাটফর্ম একই সময়ে সমস্যায় পড়লেও একটি অভিন্ন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সবগুলো বন্ধ হয়েছিল—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
এই ঘটনা কেবল একটি প্রযুক্তিগত বিভ্রাট নয়। এটি মানুষের দৈনন্দিন কাজে এআইয়ের ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতাও সামনে এনেছে।
এখন সফটওয়্যার তৈরি থেকে শুরু করে লেখালেখি, তথ্য অনুসন্ধান এবং নানা ধরনের সৃজনশীল কাজেও এআই ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে, এআই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলেই কিছু কাজ আগের তুলনায় কঠিন মনে হতে পারে।
ইলন মাস্কের মন্তব্য তাই কেবল একটি রসিকতা নয়, বরং ভবিষ্যতে মানুষ ও এআইয়ের সম্পর্ক কতটা নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে, সেই প্রশ্নও সামনে আনছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ