ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আসাদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া নাজিব কে?


সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আসাদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া নাজিব কে?

সিরিয়ার সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ডের দণ্ডিত করেছেন দামেস্কের একটি আদালত। তাকে মৃত্যু দণ্ড দেওয়া হয়েছে ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় হত্যা, নির্যাতন ও জোরপূর্বক গুমের ঘটনার জন্য।

মঙ্গলবার, নাজিবের সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত সিরীয় নেতা বাশার আল-আসাদ এবং তার ছোট ভাই মাহের আল-আসাদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এই রায় তাদের অনুপস্থিতিতে দেওয়া হয়েছে কারণ তারা বর্তমানে সিরিয়ার বাইরে অবস্থান করছেন। দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত জানিয়েছে, ২০১১ সালে দারা প্রদেশে আসাদ সরকারের দমন-পীড়নের ঘটনাগুলোকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ সরকারের পতনের পর বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবারের সদস্যরা রাশিয়ায় পালিয়ে যান। অন্যদিকে, নাজিবকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সিরিয়াতে আটক রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিচারের সময় হত্যা, নির্যাতন ও গণহত্যাসহ অন্তত ১০টি অপরাধের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। ২০১১ সালে দারা প্রদেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তার ভূমিকা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়।

নাজিব তখন দারা প্রদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান হিসেবে কাজ করছিলেন। সেই সময়, বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানোর জন্য তাকে অন্যতম প্রধান দায়ী ব্যক্তি হিসেবে মনে করা হয়।

আতেফ নাজিব সম্পর্কে কিছু তথ্য:

৬৬ বছর বয়সী আতেফ নাজিব ছিলেন সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের চাচাতো ভাই এবং দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান পদে ছিলেন। ২০১১ সালে সিরিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার সময় এ তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করছিলেন। ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে স্কুল শেষ করে নাজিব হোমসের সামরিক একাডেমিতে প্রবেশ করেন, পরে তিনি দারায় রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান হন।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তবে সরকারি নথিতে ঠিক কবে তিনি এই কাঠামোতে প্রবেশ করেন, তা পরিষ্কার নয়। ২০১১ সালের মার্চে সিরিয়ায় গণ-অভ্যুত্থান শুরু হলে নাজিব তখনো এই পদে ছিলেন। সেসময়, দারায় এক স্কুলের দেয়ালে সরকারবিরোধী গ্রাফিতি লেখার অভিযোগে কয়েকজন কিশোরকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনাটি সিরিয়ায় বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

২০১১ সালের এপ্রিলে নাজিবকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ওই বিক্ষোভটি দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিদ্রোহীদের হাতে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের সময় আসাদ রাশিয়ায় পালিয়ে যান। শিশু নাজিবও এক পর্যায়ে সিরিয়া ছেড়ে পালিয়ে যান, কিন্তু পরে দেশে ফিরে আসেন।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লাতাকিয়া প্রদেশে সাবেক সরকারের অনুগতদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে সাবেক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম বড় আটক হিসেবে দেখা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত তার মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।

আদালতের সিদ্ধান্ত:

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

সিরিয়ার বিচার ব্যবস্থা সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ, তার ভাই মাহের আল-আসাদ এবং তাদের চাচাতো ভাই আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। আদালতের রায়ে নাজিব-এর বিপুল সংখ্যক বন্দিকে নির্যাতনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। আটক অবস্থায় অনেক বন্দির মৃত্যুর জন্যও তাকে দায়ী মনে করা হয়েছে।

মাঝের সরকারের অধীনে সাবেক আসাদ সরকারের কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এটি সিরিয়ার আদালতের প্রথম রায়। আলজাজিরার প্রতিবেদক ওবাইদা হিত্তো উল্লেখ করেন, এটি সিরিয়ার জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, কারণ অভিযুক্তদের মধ্যে নাজিবই একমাত্র ব্যক্তি, যার সিরিয়ার ভেতরে সশরীরে বিচার হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই তাদের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হয়েছে।

নাজিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ:

২০১১ সালে সিরিয়ায় গণঅভ্যুত্থানের সময় দারা প্রদেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ ছিল আতেফ নাজিবের বিরুদ্ধে। ওই দমন-পীড়নই পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

নাজিবের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন এবং ২০১১ সালে দারা প্রদেশে গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ সহ অন্তত ১০টি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত এসব ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করেছে। আলজাজিরা মুবাশিরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, নাজিবের বিরুদ্ধে ৭৫ জন বাদী মামলা করেছেন এবং বিচার চলাকালে তাদের মধ্যে অনেকেই আদালতে সাক্ষ্যও দিয়েছেন।

বিচারটির গুরুত্ব:

আতেফ নাজিবের এই বিচার সিরিয়ার নতুন বিচারব্যবস্থা ও অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি শো করেছে বাশার আল-আসাদ সরকারের আমলে সংঘটিত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য যাদের দায়ী করা হবে তাদের কতটা জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

যুদ্ধের পর আস্থা বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে দেরি হওয়ায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকার সমালোচনার মুখে পড়েছে। ১৪ বছরের এই যুদ্ধের ফলে আনুমানিক ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারান। সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটসের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধের সময় ১ লাখ ৮১ হাজারেরও বেশি মানুষ জোরপূর্বক নিখোঁজ বা বেআইনিভাবে আটক হয়েছিলেন। তাদের প্রায় ৯০ শতাংশের জন্য আসাদ সরকারকে দায়ী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে স্পষ্ট বার্তা দিল ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আলজাজিরার প্রতিবেদক ওবাইদা হিত্তো জানান, এই মামলায় আদালতে যেসব আইনি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সেগুলো ভবিষ্যতে অন্যান্য অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত তৈরি করবে। ফলে, নাজিবের রায়কে অনেকে দেখছেন, অতীতের অপরাধের বিচার করতে আহমেদ আল-শারার সরকার কতটা সক্ষমতা দেখাতে পারে, তা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে।

সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটসের প্রতিষ্ঠাতা ফাদেল আবদুলগানি বলেন, এই বিচারের গুরুত্ব শুধু নাজিবকে তার অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে কিনা, এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং ভবিষ্যতের বিচার প্রক্রিয়ার জন্য এই মামলায় যে আইনি ভিত্তি তৈরি হবে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রায় ঘোষণার সময় দামেস্কের আদালতের বাইরে অনেক মানুষ জড়ো হন; হিত্তোর ভাষ্য অনুযায়ী, তারা এই বিচারের জন্য স্বস্তি প্রকাশ করেন। পরে অনেক সিরীয়কে রায় উদ্‌যাপন করতেও দেখা গেছে। হিত্তো জানান, গত প্রায় দেড় বছরে সিরিয়া আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের শাসন ও স্বৈরশাসনের উত্তরাধিকার কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে ভারত তাদের বন্ধুত্ব প্রমাণ করবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেশার টাকা ও সম্পত্তির লোভে দাদিকে হত্যা, নাতির যাবজ্জীবন সাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


নেশার টাকা ও সম্পত্তির লোভে দাদিকে হত্যা, নাতির যাবজ্জীবন সাজা

নেশার টাকা জোগাড় করতে বাধা দেওয়ার কারণে এবং দাদির সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার বিরোধের মধ্যে দাদিকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে নাতি মো. খলিল মোড়ল, যিনি ইরফান নামে পরিচিত, তাকে (২১) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেছিলেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী (উচ্চমান সহকারী) মো. মাজাহারুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্ত ইরফান খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকণ্ঠপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মো. কামরুল মোড়লের ছেলে। তিনি খুলনা বিএল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত নুর জাহান, যিনি খানো বিবি নামেও পরিচিত, ছিলেন আসামির দাদি। তার সম্পত্তি নাতি ইরফানের নামে লিখে দেওয়ার জন্য ইরফানের মা ফাতেমা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে চাপ প্রয়োগ করতেন। এ বিষয়টি নিয়ে মা ও ছেলের পরিবারে প্রায়ই বিরোধ সৃষ্টি হতো এবং ঝগড়া লাগতো। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেও এতে সফল হননি।

এর মাঝে ইরফান মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তিনি প্রায়ই দাদিকে মারধর করতেন এবং এমনকি তার মা-ও ছেলের নেশার টাকা জোগাতে অর্থ দিতেন বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। দাদি এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে ইরফানের বাবা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন, কিন্তু পরে তার মা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর সকালে নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর শুরু করেন ইরফান। এসময় তার দাদি নুর জাহান তাকে বাধা দেন। এরপর ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ডাব পাড়ার জন্য গাছে উঠতে গেলেও দাদি তাকে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি দুপুর দেড়টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ধারালো দা দিয়ে দাদিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে নুর জাহানের মৃত্যু ঘটে।

এদিকে, এই ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফুলি বেগম বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (অপারেশন) দেবাশীষ দাশ মো. খলিল মোড়ল, যিনি ইরফান নামে পরিচিত,কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরীর আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আদালত আসামি ইরফানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের জন্য ইরান এখন কতটা আতঙ্কের বিষয়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ট্রাম্পের জন্য ইরান এখন কতটা আতঙ্কের বিষয়?

যুদ্ধের প্রারম্ভের সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন- ‘প্রস্তর যুগে পাঠাবো। সবকিছু মুছে ফেলবো’।

বর্তমানে, সেই যুদ্ধ সাড়ে পাঁচ মাস অতিক্রম করেছে। এই সময়কাল চলাকালীন ইরানের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। বহু সংখ্যক ইরানি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবুও তেহরান পিছু হটেনি।

বরং, ইরান এখন ট্রাম্পের জন্য এক আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আতঙ্ক এমনভাবে ট্রাম্পের মনে প্রভাব ফেলেছে যে, তিনি কোনোভাবেই নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারছেন না।

একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়- তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্পের দেশে ফেরার সময়ের ঘটনা। সেই সময়ে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কের কারণে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট গোপনে বিমান বদল করেছিলেন। এই সময় তাকে একটি ক্যাটারিং ট্রাকের মাধ্যমে প্রকাশ্যে বিমান থেকে সরিয়ে অন্য একটি সামরিক বিমানে পাঠানো হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের উল্লেখ করে বিবিসি জানিয়েছে, গত মাসে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের পর ট্রাম্পকে প্রথমে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা যায়। কিন্তু এরপর গোপনীয় একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, তাকে অপেক্ষাকৃত ছোট একটি সামরিক বিমানে স্থানান্তর করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যাটারিং ট্রাককে বিমানের দরজা পর্যন্ত উঁচু করে রাখা হয়েছিল। ওই ট্রাকের আড়াল ব্যবহার করে ট্রাম্পকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে সরিয়ে একটি সি-৩২এ সামরিক বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই বিমানটি আসলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বোয়িং ৭৫৭-এর পরিবর্তিত সংস্করণ।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা সাংবাদিক এবং হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তাও ওই সময়ে জানতেন না যে, প্রেসিডেন্ট তাদের সঙ্গে থাকা বিমানে নেই।

বিমানে হামলার ‘বিশ্বাসযোগ্য’ হুমকি

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে কিছু কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এমন একটি বিশ্বাসযোগ্য হুমকি শনাক্ত করেছিল, যার ফলে ইরান ট্রাম্পকে বহনকারী বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে।

তবে, হোয়াইট হাউস এ সময়ে গোপনে বিমান বদলের বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। ওই সময়ে ট্রাম্প নিজেও ইরানকে তার জীবনের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ন্যাটো সম্মেলনের সময় তিনি বলেছিলেন, ইরানের কাছে তিনি ‘নাম্বার ওয়ান টার্গেট’।

এর এক দিন আগেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক হামলা শুরু করেছিল। ফলে, ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রকাশ্যে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন ট্রাম্প। ট্রাম্প তুরস্কে পৌঁছেছিলেন কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে। তবে সেখান থেকে ফেরার সময়ে তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহারের সিদ্ধান্ত জানান। তিনি বলেছিলেন, পুরোনো বিমানটিতে তিনি ‘পুরোনো দিনের স্মৃতির জন্য’ ফিরতে চান।

৮ জুলাই আঙ্কারা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে ট্রাম্পকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতেও দেখা যায়। কিন্তু ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানে ওঠার পর আলাদাভাবে তাকে গোপনে অন্য একটি বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিমানের যে পাশে ট্রাম্প প্রকাশ্যে উঠেছিলেন, তার বিপরীত পাশে একটি ক্যাটারিং ট্রাককে বিমানের দরজার উচ্চতা পর্যন্ত তুলে রাখা হয়েছিল। ওই ট্রাকের আড়ালেই তাকে সি-৩২এ বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও আলাদাভাবে সিঁড়ি ব্যবহার করে ওই সি-৩২এ বিমানে ওঠেন। উদ্দেশ্য ছিল বিষয়টিকে স্বাভাবিক বিমানযাত্রা হিসেবে তুলে ধরা।

সাংবাদিকদের জানানো হয়নি প্রেসিডেন্ট বিমানে নেই। ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা সাংবাদিকরা পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই ওঠেন। তাদের বিমানের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তাও জানতেন না যে, প্রেসিডেন্ট তাদের সঙ্গে একই বিমানে নেই।

এর মাঝে, ট্রাম্পকে বহনকারী সি-৩২এ আলাদাভাবে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে উড়ে যায়। পরে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের মিলডেনহল ঘাঁটিতে অবতরণের পর, পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে ট্রাম্পকে নামতে দেখা যায়।

তবে, সি-৩২এ থেকে ট্রাম্পকে আবার কীভাবে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে নেওয়া হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এরপর, ট্রাম্প কাতারের দেওয়া নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন এবং সেটিতে করে ওয়াশিংটনে ফিরে আসেন।

হোয়াইট হাউসের বক্তব্য কী

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চিয়াং গোপন বিমান বদলের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানকে প্রেসিডেন্ট ও তার কর্মীদের সুরক্ষার জন্য অত্যাধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় সজ্জিত একটি ‘স্টেট-অব-দ্য-আর্ট’ বিমান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প কিংবা তাকে বহনকারী বিমানে হামলার একটি নির্দিষ্ট হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল, বলে সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল। নিউইয়র্ক টাইমসও এর আগে কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বিমানটি নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল। পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্পকে দেশে ফেরানোর সময় সিক্রেট সার্ভিস তাকে অন্য একটি বিমানে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছিল।

এই সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনায় নিউইয়র্ক টাইমসের কয়েকজন সাংবাদিককে শপথের অধীনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল। পরে মার্কিন বিচার বিভাগ বিবিসিকে জানায়, গোপন তথ্য বেআইনিভাবে ফাঁস হওয়ার ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি সরকারের অধীনে স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


বিএনপি সরকারের অধীনে স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বিএনপি সরকারের অধীনে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতিভিত্তিক বা পৃষ্ঠপোষণমূলক ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে না।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত যৌথ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ কথা জানান।তিনি বলেন, এখানে কার কার সঙ্গে পরিচিত, তা বিবেচ্য নয়। মন্ত্রী যিনি হোক বা যত প্রভাবশালী লোকই হোক, সরকারের পক্ষ থেকে কোনোদিয়ে পৃষ্ঠপোষণ পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে এবং পরবর্তীতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ব্যবসার সুবান্ধব পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং "ইজ অব ডুইং বিজনেস" বা সহজ ব্যবসা পরিবেশ নিশ্চিতে বাজেটে ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।এনবিআর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় দীর্ঘদিনের রেগুলেশন জটিলতা এবং বন্দরে বাড়তি খরচের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়।এমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, কাস্টমসের জটিলতা ও বন্দরের অতিরিক্ত খরচের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য সময়সীমা বেঁধে সিদ্ধান্তগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাহসের সঙ্গে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে পণ্য খালাস ও রপ্তানির সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে।এ ছাড়া কাস্টমস চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অবৈধ ও আটকে থাকা কনটেইনার দ্রুত নিলাম বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকা জটমুক্ত করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।একই দিন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামকে ঘিরে সংস্থাটির বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপাইন থেকে চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।মন্ত্রী বলেন, এডিবি চট্টগ্রামকে কেবল একটি লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, বরং আগামী দিনে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।বন্দরকে কেন্দ্র করে এই আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চট্টগ্রামের জন্য বিশাল সুখবর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুগদা ও খিলক্ষেত থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


মুগদা ও খিলক্ষেত থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫

রাজধানী ঢাকা শহরের মুগদা ও খিলক্ষেত থানার বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এই অভিযানে ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।

মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সোমবার এই অভিযান কার্যকর হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যে, মুগদা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছে মো. সোহেল মিয়া (৪২), মো. শফিকুল ইসলাম (৪০), মো. সুলতান (৩২), মো. খোকন (৪৮), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪০), মো. রাসেল (২১), মো. শিবলু (৩০), মো. ফয়সাল রাটী (২৭), মো. বিল্লাল হোসেন (৩২), জাহাঙ্গীর (২৫), মো. মনির (২৫), মো. নাছির উদ্দিন (২৮), মো. ইমদাদ ইসলাম (২৪), মো. স্বপন মিয়া (৪৮) এবং মো. বিল্লাল হোসেন (৩৫)।

অন্যদিকে, খিলক্ষেত থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে আছে মো. রমজান মিয়া (৩৮), মো. জহিরুল ইসলাম (৪৮), মো. রুহুল আমিন (৫৫), মো. মাসুম মিয়া (৪৫), মো. নজরুল ইসলাম (২৬), মো. জুয়েল (২৭), মো. আশিক (১৯), মো. সজিব (২৬), দিগন্ত মজুমদার (২৬) এবং মো. আরিফুজ্জামান (২৬)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় গ্রেফতারকৃতসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অপরাধীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%