ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনে বিচারপতির নাম চেয়ে চিঠি


দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনে বিচারপতির নাম চেয়ে চিঠি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন কমিশনের জন্য সার্চ কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে দুজন বিচারপতির নাম চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এটি চেয়ারম্যান এবং দুই কমিশনারের পদত্যাগের তিন মাস পর নতুন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সূত্র জানায়, দুদকের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও দুজন কমিশনারের সমন্বয়ে কমিশন গঠন করা হবে। গত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দুইটি ধারায় বিদ্যমান আইন অধিকতর সংশোধনের লক্ষ্যে জারি করা যে প্রজ্ঞাপন উত্থাপন ও আইন হিসেবে পাস হয়নি, তার কারণে ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত পাঁচ সদস্যের কমিশন গঠনের সম্ভাবনা নেই। এতদূর বিদ্যমান আইনের অন্যান্য ধারাও সংশোধন করা সম্ভব নয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিটি ২৪ মে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি ২৫ মে থেকে শুরু হয়। ছুটির পর সোমবার পর্যন্ত বিচারপতিদের নাম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়নি। ফলে আজকের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিচারপতি দুজনের নাম পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নতুন কমিশনের তিন সদস্য তৈরির সুপারিশ করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শিগগিরই পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করা হবে, এমনটি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।

সার্চ কমিটিতে থাকবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সদ্যবিদায়ী সচিব এবং সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান।

অন্তর্বর্তী সরকারের দুদক সংস্কার সংক্রান্ত কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে, দুদকের বিদ্যমান আইন অধিকতর সংশোধনের জন্য আইন মন্ত্রণালয় গত বছর ২৩ ডিসেম্বর ১১টি ধারা উল্লেখ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

চলতি বছরের ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে দুদক চলেছে কমিশন বিহীন।

আরও পড়ুন: ফেনীতে সাংবাদিককে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলর আটক

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ধারা ৭ এর উপধারা (১) অনুযায়ী কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে পাঁচজন সদস্যের সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি (সার্চ কমিটি) গঠন করতে হবে।

এই বাছাই কমিটি গঠন করার অংশ হিসেবে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারক এবং হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারককে মনোনয়ন দেবেন। আপিল বিভাগের মনোনীত বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি এবং হাইকোর্ট বিভাগের মনোনীত বিচারক হবে বাছাই কমিটির সদস্য।

আইনের নির্ধারিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সার্চ কমিটি এরপর একাধিক সভা করে দুদকের নতুন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে দক্ষ, অভিজ্ঞ ছয়জন ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি থেকে ছয়জনের মধ্য থেকে তিনজনকে কমিশনার হিসেবে নিযোগ দেওয়া হবে। এবং এই তিনজনের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই মামলার নামে খুদে বার্তায় আসছে ভুয়া লিঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ এম


এআই মামলার নামে খুদে বার্তায় আসছে ভুয়া লিঙ্ক

এআই মামলার নামে ভুয়া লিঙ্ক আসছে খুদে বার্তায়। বিআরটিএ, ডিএমপির তরফ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমৃদ্ধ ক্যামেরায় মামলা শুরুর পর নতুন এক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারক চক্র মোবাইলের মাধ্যমে ভুয়া খুদে বার্তা পাঠাচ্ছে যেখানে বলা হচ্ছে, এআই ক্যামেরায় মামলা হয়েছে এবং জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

তবে বিআরটিএ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) স্পষ্ট করে বলেছে, তাদের তরফ থেকে এমন কোনো বার্তা পাঠানো হচ্ছে না। এজন্যে সবাইকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘জরিমানা পরিশোধসংক্রান্ত চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি’ শিরোনামে এই ভুয়া বার্তাগুলোতে জরিমানা নম্বর, তারিখ, অপরাধের ধরন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে শাস্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হচ্ছে। এছাড়া, জরিমানা পরিশোধের জন্য একটি লিঙ্কও পাঠানো হচ্ছে। লিঙ্কে প্রবেশ করলে জরিমানার পরিমাণ জানা যাচ্ছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর সদর কার্যালয় থেকে জারি করা জরুরি সতর্কবার্তায় তারা উল্লেখ করেছে, অসাধু চক্র বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে স্পিডিং ফাইন বকেয়া রয়েছে, দ্রুত পরিশোধ করুন বা আপনার বকেয়া জরিমানা আছে-এ ধরনের বার্তা পাঠাচ্ছে। এসব বার্তার সঙ্গে বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটের লিঙ্কও দেওয়া হচ্ছে, যা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি)-এর আদলে তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এসব ভুয়া ওয়েবসাইট বা পোর্টালের সঙ্গে অফিসিয়াল বিএসপি ওয়েবসাইটের কোনো সম্পর্ক নেই। এগুলো সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক কার্যক্রম বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, এ ধরনের বার্তার লিঙ্কে ক্লিক না করতে এবং ব্যক্তিগত তথ্য বা আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি, বিআরটিএ প্রতারণার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় থানা বা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে অবহিত করার অনুরোধ করেছে। এদিকে, ট্রাফিক বিভাগের নামে পাঠানো জরিমানাসংক্রান্ত খুদে বার্তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নগরবাসী ভুয়া এসএমএস পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের এসএমএসের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

ডিএমপি জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দিলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি চালক বা মালিকের নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়। বিশেষ প্রয়োজনে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র ০১৩২০-০৪২২০৭ এবং ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হতে পারে।

এছাড়া, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রাফিক বিভাগের জরিমানা করা যানবাহনের ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের (উপায় ও ইউসিবিএল) মাধ্যমে বৈধভাবে অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। ট্রাফিক বিভাগ কখনো কোনো ব্যক্তির কাছে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিনকোড, পাসওয়ার্ড কিংবা ওটিপি (OTP) জানতে চায় না। তাই, এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ট্রাফিকসংক্রান্ত যেকোনো সঠিক তথ্যের জন্য ডেল্টা-৩ অথবা ০১৩২০-০৪২২০৭, ০১৩২০-০৪২২২৭ এবং জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলীয় বিরোধিতার মুখে ট্রাম্পের ‘অস্ত্রায়ন’ তহবিল স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ এম


দলীয় বিরোধিতার মুখে ট্রাম্পের ‘অস্ত্রায়ন’ তহবিল স্থগিত

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রায় ১৮০ কোটি (১.৭৭৬ বিলিয়ন) ডলারের একটি বিশেষ তহবিল স্থগিত করা হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, যারা অতীতে সরকারি ‘অস্ত্রায়নের’ বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের এই তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

কিন্তু ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকানের আইনপ্রণেতারাই এর তীব্র বিরোধিতা করায় হোয়াইট হাউস পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। সোমবার (১ জুন) এই পরিস্থিতির সাথে জড়িত একাধিক মার্কিন সূত্র তহবিলটি স্থগিতের খবরটি নিশ্চিত করেছে।

এই ঘটনার পেছনে রয়েছে ট্রাম্পের সাথে মার্কিন বিচার বিভাগের একটি গোপন আইনি সমঝোতা। ট্রাম্পের কর সংক্রান্ত নথিপত্র অপব্যবহারের অভিযোগে দেশটির রাজস্ব বিভাগের (আইআরএস) বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি মামলা হয়েছিল।

সেই মামলার নিষ্পত্তি হিসেবে এই ১.৭৭৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠন করা হয়। তবে এই তহবিল ঘোষণার পরপরই তীব্র রাজনৈতিক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। রিপাবলিকান সিনেটরদের বড় ক্ষোভ ছিল যে, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি মার্কিন ক্যাপিটলে হামলাকারী দাঙ্গাবাজরাও করদাতাদের এই টাকায় ক্ষতিপূরণ পেয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া এই চুক্তির অধীনে ট্রাম্প ও তার পরিবারের অতীত কর ফাইল নিয়ে কোনো ধরনের তদন্ত বা অডিট না করার শর্ত থাকায় সমালোচকেরা এটিকে একটি ‘গোপন তহবিল’ হিসেবে আখ্যা দেন।

এর মাঝেই গত শুক্রবার (২৯ মে) ফেডারেল বিচারকেরা এই তহবিলের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করলে বিচার বিভাগ আদালত মেনে চলার ঘোষণা দেয়।

এই তহবিলকে কেন্দ্র করে ট্রাম্পের নিজের দলের ভেতরেই এক নজিরবিহীন বিদ্রোহ দেখা গেছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে দলের শীর্ষ সিনেটরদের বাদ দিয়ে ট্রাম্প তার পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন রিপাবলিকান নেতারা। মেমোরিয়াল ডের ছুটি কাটিয়ে সিনেটররা যখন ওয়াশিংটনে ফেরেন, তখন বাজেট সংক্রান্ত একটি অচলাবস্থার মধ্যে তারা হোয়াইট হাউসকে এই বিতর্কিত তহবিল বাতিলের জন্য চরমপত্র বা আলটিমেটাম দেন। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা জন থুন স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে প্রশাসন নিজে থেকে এটি বন্ধ না করলে সামনে এগোনোর কোনো পথ নেই।

ট্রাম্পের অনুগত ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ এই তহবিল গঠনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখলেও, সিনেটরদের তোপের মুখে পড়ে এখন তার স্থায়ী পদ পাওয়াই ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

পুরো ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব একটা খুশি নন’ বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তবে আপাতত পরিস্থিতি সামাল দিতে এটি মেনে নেওয়া ছাড়া তার কোনো উপায় ছিল না।

এদিকে বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করছে। সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে কোনো রাষ্ট্রপতি যেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে এমন কোনো গোপন তহবিল বানাতে না পারেন, সেজন্য তারা চলতি সপ্তাহেই সিনেটে একটি নতুন আইন পাসের জন্য চাপ দেবেন। ফলে তহবিলটি সাময়িকভাবে স্থগিত হলেও এটি মার্কিন রাজনীতিতে ট্রাম্পের একক ক্ষমতার ওপর একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র : রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় আজ শুরু হচ্ছে সাক্ষ্যগ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ এম


রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় আজ শুরু হচ্ছে সাক্ষ্যগ্রহণ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার জন্য করা মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে।

সোমবার (১ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি শেষে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য এ দিন নির্ধারণ করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রধান আসামি সোহেল রানা ও অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতে উপস্থিত করে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত মামলাটিকে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে পাঠিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ২ জুন দিন ধার্য করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।

এক পর্যায়ে আসামির ঘরের সামনে শিশুটির একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। দেখতে পান সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে পড়ে রয়েছে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা ২০ মে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল বলে জবানবন্দিতে জানায় সে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ধৈর্যেরও সীমা আছে’, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ এম


ইরানের ধৈর্যেরও সীমা আছে’, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে সতর্কবার্তা

লেবাননের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন এবং ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের বিষয় নিয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি। তিনি বলেছেন, ‘ইরানের ধৈর্যেরও সীমা আছে’। এদিকে, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ফলে, কাগজে-কলমে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা থাকলেও, মাঠপর্যায়ে সংঘাতের ঝুঁকি এখনো কাটেনি বলে মনে করছেন অনেকে।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে এবার ওয়াশিংটনকে কঠোর বার্তা প্রদান করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া একটি পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, সামুদ্রিক অবরোধের ধারাবাহিকতা কিংবা লেবাননে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি কোনোভাবেই মেনে নেবে না ইরান; কারণ তেহরানের ‘ধৈর্যেরও একটা সীমা রয়েছে’।

এর আগে তেহরান সতর্ক করে বলেছিল, হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী বিদেশি বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজকে অবশ্যই তাদের নতুন নির্দেশনা মেনে চলতে হবে, অন্যথায় সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া নিয়ে বিন্দুমাত্র উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই আলোচনা শেষ হয়ে গেলেও তার কিছু আসে যায় না। তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও তিনি ভাবছেন না দাবি করে ট্রাম্প জানান, অদূর ভবিষ্যতেই জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন অনমনীয় অবস্থান দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সব পথ বন্ধ করে দিচ্ছে কি না, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

গত ৮ এপ্রিল থেকে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, বাস্তবে মাঠপর্যায়ের উত্তেজনা কমেনি। দক্ষিণ ইরানের গোরুক শহর এবং কেশম দ্বীপের রাডার ও ড্রোন স্থাপনায় মার্কিন হামলার খবর মিলেছে। জবাবে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা এমন একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে সফল আঘাত হেনেছে, যেখান থেকে ইরানের একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালানো হয়েছিল।

ফলে, এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।

আপাতত পুরো উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে রূপ নিয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ও সামুদ্রিক বাণিজ্য। একদিকে হরমুজে বিদেশি জাহাজগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করছে ইরান, অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ইরানি বন্দরগুলো ঘিরে নৌ অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এর মাঝেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার তাগিদ দিয়ে বলেছেন, যেকোনো সমঝোতার পর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরও গভীর আলোচনার প্রয়োজন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%