ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২ বছরে সেতুর কাজ শেষ হয়নি, দুর্ভোগে ২০ গ্রামের মানুষ


২ বছরে সেতুর কাজ শেষ হয়নি, দুর্ভোগে ২০ গ্রামের মানুষ

এক সময় যে সেতু দিয়ে হাজারো মানুষ প্রতিদিন নির্বিঘ্নে চলাচল করতেন, বর্তমানে সেখানে রয়েছে ভেঙে পড়া কাঠামো এবং নড়বড়ে একটি অস্থায়ী কাঠের সেতু। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই সেতুতে পার হচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও ছোট যানবাহনের চালকরা।

দুই বছর আগে নতুন সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হলেও কাজের গতি এতই ধীর যে, মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছরের বেশি সময় পার হলেও এখনও নির্মাণকাজ অর্ধেকেই আটকে আছে। এর ফলে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে ভোগ করছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়, আম্ফান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় নেহালপুর ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার ভায়া কুলটিয়া ইউপি সড়কের ‘বড় খাল’-এর ওপর ২০ মিটার দীর্ঘ একটি আরসিসি গার্ডার সেতু পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় ২ কোটি ৭২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে কাজটি পান সাতক্ষীরার পলাশপোলের ঠিকাদার মো. ইকবাল জমাদার।

আরও পড়ুন: ভালুকায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মিলটনের নেতৃত্বে হাজারো নেতাকর্মীর র‍্যালি

২০২৪ সালের ১ মে কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, এখন পর্যন্ত মাত্র প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরোনো সেতুর বেশির ভাগ অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। নতুন সেতুর দুই পাশে পিলার নির্মাণ করা হলেও মূল কাঠামোর কাজ এখনও অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। চলাচলের জন্য নির্মাণাধীন সেতুর পাশে কাঠের গুঁড়ি ও তক্তা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি অস্থায়ী সেতু।

সময়ের সঙ্গে সেটিও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে ওই সেতু পার হচ্ছেন। আর ভ্যান, মোটরসাইকেল ও সাইকেল ঠেলে কিংবা টেনে পার করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতার জন্য কাঠের সেতুটি পানির নিচে তলিয়ে গেলে এই সড়কে যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নেহালপুর-হাজিরহাট-কুলটিয়া সড়কটি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন অন্তত ২০টি গ্রামের চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতায় সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক আশরাফ ইকবালের জন্মদিন

পদ্মনাথপুর গ্রামের ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, "দুই বছর ধরে একটু একটু করে কাজ হচ্ছে, কিন্তু শেষ হচ্ছে না। কাঠের সেতু দিয়ে ভ্যান পার করতে খুব কষ্ট হয়। এতে আয়ও কমে গেছে।"

ডাঙ্গা মহিষদিয়া গ্রামের শ্রমিক আলমগীর হোসেন বলেন, "শুকনো মৌসুমে কষ্ট করে চলাচল করা গেলেও বর্ষা এলে এই পথ প্রায় অচল হয়ে পড়ে। তখন দুর্ভোগের সীমা থাকে না।"

পাঁচকাটিয়া গ্রামের ভ্যানচালক অজিত বিশ্বাস জানান, "যাত্রী নামিয়ে ভ্যান টেনে সেতু পার করতে হয়। প্রতিদিনই এই কষ্ট করতে হচ্ছে। দ্রুত সেতুর কাজ শেষ হওয়া দরকার।"

হরিদাসকাটি গ্রামের কৃষক প্রণব বিশ্বাস বলেন, "এই সড়কটি আমাদের সময় ও দূরত্ব দুটোই বাঁচায়। কিন্তু সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় দুই বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কবে যে এর শেষ হবে, জানি না।"

আরও পড়ুন: ফেনীতে সাংবাদিকদের ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত

মনিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, "ভবদহ এলাকার দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে বছরে প্রায় ছয় মাস কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। বর্তমানে শাটারিং ও পুরোনো সেতুর অবশিষ্ট অংশ অপসারণের কাজ চলছে। এরপর স্লাব ঢালাই শুরু হবে। কাজের গতি বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।"

ফয়সাল আহমেদ আরও বলেন, "মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সেতুটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। ঠিকাদারকে এটি দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

এ বিষয়ে ঠিকাদার মো. ইকবাল জমাদার বলেন, "জলাবদ্ধতার কারণে পানি সেচে কাজ করতে হওয়ায় সময় বেশি লেগেছে। পুরোনো সেতু অপসারণের কাজ শেষ হলেই স্লাব ঢালাই শুরু হবে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে মূল কাজ শেষ করার আশা করছি। পাশাপাশি দুই দিনের মধ্যে অস্থায়ী কাঠের সেতুটিও মেরামত করা হবে।"

আরও পড়ুন: লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার আহ্বান পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার আহ্বান পাকিস্তানের

ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায়, পাকিস্তান আবারও আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। রবিবার (২৮ জানু) পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার সংঘাত বন্ধে দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

এর আগে ভোরে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনার দিকে লক্ষ্য করে যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে, শনিবার মার্কিন বাহিনী ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনার বিরুদ্ধে হামলা চালায়। ওয়াশিংটনের দাবি, এটি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের ওপর হামলার জবাবে নেওয়া পদক্ষেপ।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইসহাক দার বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' স্বাক্ষরের পর, আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা করেন উভয় পক্ষ। তারা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংলাপ ও কূটনীতি প্রক্রিয়া জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।

পাকিস্তানের মধ্যস্ততায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর পর গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডে উভয় পক্ষ তেহরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ ও নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা করেছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

গতকাল শনিবার, ইসহাক দার ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংলাপ ও কূটনীতি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ইসলামাবাদের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান উভয় দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে।

এপ্রিল মাসে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা আয়োজনের পাশাপাশি, পাকিস্তান ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতা করেছে এবং দেশগুলোর মধ্যে বার্তা ও শান্তির প্রস্তাব আদান-প্রদানে অবদান রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকায়, কাতারের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পাকিস্তানি কর্মকর্তারাও এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন।

সূত্র: আরব নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে : গোলাম মাওলা রনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে : গোলাম মাওলা রনি

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান আগেরটির তুলনায় জ্যামিতিক হারে বড় হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আগামীতে এমন একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রিত হতে পারে। সম্প্রতি এক টক শোতে অংশ নিয়ে, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ গণআন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান আগের তুলনায় আকার, অংশগ্রহণ ও প্রভাবের দিক থেকে ক্রমশ বড় হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে, আগামীতে যে বড় ধরনের গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, তা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীভূত হতে পারে।

গোলাম মাওলা রনি আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ার ফলে একটি বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই শূন্যতা হওয়ায় দেশের রাজনীতিতে এখন মূলত তিনটি রাজনৈতিক শক্তি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন— বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ১৭–১৯ বছরের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির নেতৃত্ব ও কাঠামোগত ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সময়কাল, বিশেষ করে ১/১১ পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাংগঠনিকভাবে টিকে থাকা এবং বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গোলাম মাওলা রনি আরো আলোচনা করেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন সময়ের ন্যারেটিভ, দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি ও দুর্বলতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের পরিবর্তন ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, এগুলো হচ্ছে তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ, যা তিনি একটি টক শোতে তুলে ধরেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কড়াইল বস্তি সহ ৫৮ স্থানে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


কড়াইল বস্তি সহ ৫৮ স্থানে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার

সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঢাকার কড়াইল বস্তি সহ দেশের ৫৮টি স্থানে ১ লাখ সাশ্রয়ী ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

 

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) প্রণীত ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২-২০৩৫ অনুযায়ী ঢাকার কড়াইল বস্তিসহ ৫৮টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, গাজীপুরের টঙ্গীর দত্তপাড়ায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ৯৮ একর জমিতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহী, দিনাজপুর, বরিশাল, খুলনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন পৌর এলাকার ৩৭টি বস্তির মানুষের উন্নত আবাসন নিশ্চিত করতে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে সরকার রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পদ্মা আবাসিক এলাকায় ১৬টি ফ্ল্যাট এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হরিণটানা মৌজায় ৮ একর জমিতে ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের সল্টগোলা এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জমিতে মাসিক ভাড়াভিত্তিক আবাসন প্রকল্পও বিবেচনাধীন বলে জানান মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন শিক্ষার্থীরা

জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে মধ্যাহ্নভোজ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা তারেক রহমানের সাথে এই মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী, গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’র মাধ্যমে যোগ দেওয়া সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও ২১ জন শিক্ষক এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির ১৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এবং তাদের যোগ্য, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই শিক্ষার্থীদের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে এই মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষকরা সরকারপ্রধানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, এসব শিক্ষার্থী সংসদ ভবন পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ, সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন, উত্তর প্লাজায় ফটোসেশন এবং সংসদ অধিবেশন কক্ষে সংসদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%