প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান আগেরটির তুলনায় জ্যামিতিক হারে বড় হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আগামীতে এমন একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রিত হতে পারে। সম্প্রতি এক টক শোতে অংশ নিয়ে, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ গণআন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান আগের তুলনায় আকার, অংশগ্রহণ ও প্রভাবের দিক থেকে ক্রমশ বড় হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে, আগামীতে যে বড় ধরনের গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, তা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীভূত হতে পারে।
গোলাম মাওলা রনি আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ার ফলে একটি বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই শূন্যতা হওয়ায় দেশের রাজনীতিতে এখন মূলত তিনটি রাজনৈতিক শক্তি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন— বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ১৭–১৯ বছরের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির নেতৃত্ব ও কাঠামোগত ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সময়কাল, বিশেষ করে ১/১১ পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাংগঠনিকভাবে টিকে থাকা এবং বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গোলাম মাওলা রনি আরো আলোচনা করেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন সময়ের ন্যারেটিভ, দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি ও দুর্বলতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের পরিবর্তন ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, এগুলো হচ্ছে তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ, যা তিনি একটি টক শোতে তুলে ধরেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন