মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৬ পি.এম
বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে পরমাণু বিজ্ঞানের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রতি দেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বক্তব্যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আইএইএ-এর ৭০তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসিকে ধন্যবাদ জানান, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার জন্য।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ফকির মাহবুব আনাম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএইএ-এর টেকনিক্যাল কোঅপারেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য, পানি ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সুফল পেয়ে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ২০২৬–২০৩২ মেয়াদের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) স্বাক্ষর করেছে, যা আগামী বছরগুলোতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বিজ্ঞানমন্ত্রী বলেন, ইউনিট-১-এ ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর ফলে দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
পারমাণবিক নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, পারমাণবিক বর্জ্য ও স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত যৌথ কনভেনশনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পারমাণবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দেশের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য ও কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণে কাজে লাগাতে হবে। বিশেষ করে ক্যানসার চিকিৎসার সুযোগ সম্প্রসারণে আইএইএ-এর ‘রেজ অব হোপ’ উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞান ও প্রযুক্তির সক্ষমতা বৃদ্ধি বাংলাদেশের অগ্রাধিকার। পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে টেকসই উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বক্তব্যের শেষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির প্রসার, পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনটি ঘিরে ভূরাজনৈতিক নানা আলোচনা চললেও, এবার ভারতীয় সংগীতের বিশেষ গুরুত্ব দেখা গেছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা বলিউডের জনপ্রিয় গানগুলি নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় আনোয়ার ভিন্ন ভিন্ন বলিউড গান নির্বাচন করেছেন। ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাকে স্বাগত জানানোর একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত সিনেমা ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ ব্যবহার করেন।
এরপর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আরেকটি ছবি পোস্ট করে তিনি শাহরুখ খান, মাধুরী দীক্ষিত ও কারিশমা কাপুর অভিনীত ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ সিনেমার একই নামের গানটি ব্যবহার করেন। ব্রিকস সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আনোয়ার সালমান খান, রানি মুখার্জি ও প্রীতি জিনতা অভিনীত ২০০০ সালের সিনেমা ‘হার দিল জো পেয়ার করেগা’-র গান বেছে নেন। ভারত ছাড়ার সময়ের ভিডিওতে তিনি ‘লক্ষ্য’ সিনেমার জনপ্রিয় গান *‘কাঁধোঁ সে মিলতে হ্যায় কাঁধে’ ব্যবহার করেন।
দুটি গানেই ঐক্য ও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা রয়েছে। তাই ব্রিকস সম্মেলনের ছবির সঙ্গে গান দুটির ব্যবহার অনেকের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে। ভারত সফরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তাদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার ছবি পোস্ট করে তিনি ‘বীর-জারা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘এ দেশ হ্যায় মেরা’ ব্যবহার করেন, যা ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।
তবে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতের পোস্ট। ওই ছবির সঙ্গে আনোয়ার ১৯৫৭ সালের সিনেমা ‘নয়া দৌর’-এর গান ‘সাথী হাত বাড়ানা’ ব্যবহার করেন। গানটিতে একসঙ্গে হাত মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ছবিতেও চমক ছিল। সেই পোস্টে আনোয়ার আমির খান অভিনীত ২০০১ সালের সিনেমা ‘লগান’-এর গান ‘চলে চলো’ বেছে নেন। গানটির মাধ্যমেও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা ফুটে ওঠে।
শুধু আনোয়ার ইব্রাহিমই নন, কূটনৈতিক বার্তা দিতে বলিউডের গান ব্যবহার করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনোও। প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর ভারত সফরের সময় তিনি ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার গান ব্যবহার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করার অভিযোগে জহির উদ্দিন (৩০) নামের এক ব্যক্তি, যিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন, তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার ভোরে মহেশপুর কাজীরবেড় ইউনিয়নের সামন্তা (ষাটনলপাড়া) গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
আরো পড়ুন
শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে জহির উদ্দিনকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে সাজা পরোয়ানামূলে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের কোনো সম্পর্ক নেই।’
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায় এবং তারা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়।’
ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের কিছু বলার নেই। এ মামলায় নিশ্চিতভাবে আমাদের যারা প্রসিকিউশন টিম আছেন, তারা কাজ করছেন। আমরা জনগণ। সুতরাং আমরা যেটা দেখতে চাই, অনেকে বলেন, ফাঁসির রায় দেখে আমরা ভীষণ খুশি হয়ে গেছি। কারো ফাঁসির রায় দেখে ভীষণ খুশি হওয়ার চেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছি কি না।’
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘তারা যেহেতু ছিলেন না, থাকলে আরো ভালো হতো, তারা এগুলো কনটেস্ট করতেন। সেটার ভিত্তিতে আমরা বিশ্বাস করি বা ধারণা করি যে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব। এসব শাস্তিকে সরকার স্বাগত জানায়। তবে এর সঙ্গে প্রতিশোধস্পৃহার কোনো সম্পর্ক নেই।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে বলেছিলাম আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। সেটা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, আমরা সেটা দেখতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জন্য আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহিদুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি-প্রসিকিউশন, ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী। তিনি জানান, ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে আগামী ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারা এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে আটক মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহসিন তাদের থাকার জন্য একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন।
কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ারের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ