মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৭ পি.এম
ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনটি ঘিরে ভূরাজনৈতিক নানা আলোচনা চললেও, এবার ভারতীয় সংগীতের বিশেষ গুরুত্ব দেখা গেছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা বলিউডের জনপ্রিয় গানগুলি নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় আনোয়ার ভিন্ন ভিন্ন বলিউড গান নির্বাচন করেছেন। ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাকে স্বাগত জানানোর একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত সিনেমা ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ ব্যবহার করেন।
এরপর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আরেকটি ছবি পোস্ট করে তিনি শাহরুখ খান, মাধুরী দীক্ষিত ও কারিশমা কাপুর অভিনীত ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ সিনেমার একই নামের গানটি ব্যবহার করেন। ব্রিকস সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আনোয়ার সালমান খান, রানি মুখার্জি ও প্রীতি জিনতা অভিনীত ২০০০ সালের সিনেমা ‘হার দিল জো পেয়ার করেগা’-র গান বেছে নেন। ভারত ছাড়ার সময়ের ভিডিওতে তিনি ‘লক্ষ্য’ সিনেমার জনপ্রিয় গান *‘কাঁধোঁ সে মিলতে হ্যায় কাঁধে’ ব্যবহার করেন।
দুটি গানেই ঐক্য ও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা রয়েছে। তাই ব্রিকস সম্মেলনের ছবির সঙ্গে গান দুটির ব্যবহার অনেকের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে। ভারত সফরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তাদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার ছবি পোস্ট করে তিনি ‘বীর-জারা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘এ দেশ হ্যায় মেরা’ ব্যবহার করেন, যা ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।
তবে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতের পোস্ট। ওই ছবির সঙ্গে আনোয়ার ১৯৫৭ সালের সিনেমা ‘নয়া দৌর’-এর গান ‘সাথী হাত বাড়ানা’ ব্যবহার করেন। গানটিতে একসঙ্গে হাত মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ছবিতেও চমক ছিল। সেই পোস্টে আনোয়ার আমির খান অভিনীত ২০০১ সালের সিনেমা ‘লগান’-এর গান ‘চলে চলো’ বেছে নেন। গানটির মাধ্যমেও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা ফুটে ওঠে।
শুধু আনোয়ার ইব্রাহিমই নন, কূটনৈতিক বার্তা দিতে বলিউডের গান ব্যবহার করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনোও। প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর ভারত সফরের সময় তিনি ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার গান ব্যবহার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করার অভিযোগে জহির উদ্দিন (৩০) নামের এক ব্যক্তি, যিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন, তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার ভোরে মহেশপুর কাজীরবেড় ইউনিয়নের সামন্তা (ষাটনলপাড়া) গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
আরো পড়ুন
শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে জহির উদ্দিনকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে সাজা পরোয়ানামূলে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের কোনো সম্পর্ক নেই।’
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায় এবং তারা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়।’
ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের কিছু বলার নেই। এ মামলায় নিশ্চিতভাবে আমাদের যারা প্রসিকিউশন টিম আছেন, তারা কাজ করছেন। আমরা জনগণ। সুতরাং আমরা যেটা দেখতে চাই, অনেকে বলেন, ফাঁসির রায় দেখে আমরা ভীষণ খুশি হয়ে গেছি। কারো ফাঁসির রায় দেখে ভীষণ খুশি হওয়ার চেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছি কি না।’
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘তারা যেহেতু ছিলেন না, থাকলে আরো ভালো হতো, তারা এগুলো কনটেস্ট করতেন। সেটার ভিত্তিতে আমরা বিশ্বাস করি বা ধারণা করি যে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব। এসব শাস্তিকে সরকার স্বাগত জানায়। তবে এর সঙ্গে প্রতিশোধস্পৃহার কোনো সম্পর্ক নেই।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে বলেছিলাম আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। সেটা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, আমরা সেটা দেখতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জন্য আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহিদুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি-প্রসিকিউশন, ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী। তিনি জানান, ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে আগামী ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারা এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে আটক মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহসিন তাদের থাকার জন্য একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন।
কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ারের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেসির পর আর্জেন্টিনার কী হবে?
কিছু খেলোয়াড় শুধুমাত্র দলের হয়ে মাঠে নামেন না, বরং তারা দলের পরিচয় হয়ে ওঠেন। যেমন পেলে ব্রাজিলের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন, তেমনি ডিয়েগো ম্যারাডোনা এবং লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার আত্মা হয়ে গেছেন।
যখন এমন একজন খেলোয়াড় বুট খুলে রাখেন, তখন কেবল একটি ক্যারিয়ার শেষ হয় না, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে — এরপর কী হবে? পেলে ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ জেতার পর ব্রাজিলকে আবার শিরোপার জন্য ২৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ম্যারাডোনার যুগ শেষ হওয়ার পর আর্জেন্টিনাকেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তারা আবার শিরোপা জিতেছে। এখন, মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন, ফলে সেই একই অনিশ্চয়তা আবার সামনে এসেছে।
ম্যারাডোনার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা ছিল নাটকীয়। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তিনি শেষবার আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামেন। দলে ফিরে এসে তিনি প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। গ্রিসের বিরুদ্ধে ৪-০ জয়ের পর নাইজেরিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা টুর্নামেন্টের শীর্ষ দাবিদার হয়ে উঠেছিল।
বিশ্বকাপের আগে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, "আর্জেন্টিনা আমাকে চাইবে।" সেই ডাক এসেছিল। কলম্বিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারের পর কোচ আলফিও বাসিলে তাকে ডেকেছিলেন এবং তিনি সাড়া দিয়েছিলেন। দলে তখন ডিয়েগো সিমিওনে, ফার্নান্দো রেডোন্দো, ক্ল Claudio কানিজিয়া এবং গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার মতো উঠতি তারকা ছিলেন। সেই দল ১৯৯১ এবং ১৯৯৩ সালের কোপা আমেরিকাও জিতেছিল।
কিন্তু বিশ্বকাপে এসে ম্যারাডোনার পুনরুত্থান হঠাৎ থেমে যায়। নিষিদ্ধ পদার্থ ব্যবহারের কারণে তিনি বাদ পড়েন। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি দল। রাউন্ড অব ১৬-তে রোমানিয়ার কাছে হেরে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা। এটি ছিল ম্যারাডোনার শেষ বিশ্বকাপ।
ম্যারাডোনার পর দশ নম্বর জার্সির ভার পড়ে রিভার প্লেটের তারকা আরিয়েল অর্তেগার কাঁধে। কিন্তু ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে একটাই মুহূর্তে তার ক্যাম্পেইন শেষ হয়ে যায়। ডাচ গোলকিপার এডউইন ভ্যান ডার সারকে মাথা দিয়ে গুঁতো মেরে লাল কার্ড দেখেন তিনি। আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয়।
ম্যারাডোনার পরের বছরগুলোতে সমস্যা ছিল কেবল দশ নম্বর জার্সির নয়। দলে একজন দীর্ঘমেয়াদী নেতার অভাব ছিল, যিনি মাঠে এবং ড্রেসিংরুমে একইসঙ্গে প্রভাব ফেলতে পারেন। ১৯৯৮ সালে সিমিওনে অধিনায়ক হন। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন এবং বাতিস্তা দায়িত্ব ভাগ করে নেন। ২০০৬ সালে হুয়ান পাবলো সোরিন এবং ২০১০ সালে হাভিয়ের মাশ্চেরানো অধিনায়কত্ব পান। অধিনায়কের বাহুবন্ধনি এভাবে এক হাত থেকে অন্য হাতে ঘুরতে থাকে।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপে কোচ হোসে পেকারম্যানের পছন্দের দশ নম্বর ছিলেন হুয়ান রোমান রিকেলমে। আর এক কিশোর মেসি ১৯ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নেমে দুনিয়াকে প্রথমবার দেখাচ্ছিলেন তার জাদু।
২০১০ সালের বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন আসে। ম্যারাডোনা নিজেই তখন কোচ। আর মেসির গায়ে উঠে আসে সেই আইকনিক দশ নম্বর জার্সি। ক্লাবে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর মেসির কাঁধে চাপ ছিল জাতীয় দলেও একই কীর্তি গড়ার প্রত্যাশা। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে বিদায় হলেও সেই বিশ্বকাপই ছিল মেসি যুগের সত্যিকার সূচনা।
এখন একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। আর্জেন্টিনা এখনও ভালো ফুটবলার তৈরি করে। কিন্তু সেই একই পুরনো চ্যালেঞ্জ আবার সামনে এসেছে। এমন একজনকে ছাড়া মানিয়ে নেওয়া, যাকে একসময় অপরিহার্য মনে করা হতো। ম্যারাডোনার পরের বছরগুলো একটি পথ দেখায়। আর্জেন্টিনা হয়তো আরেকজন মেসি পাবে না। তবে ইতিহাস বলছে, তারা মূল তারকা ছাড়াও নিজেদের নতুনভাবে গড়তে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ