প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনটি ঘিরে ভূরাজনৈতিক নানা আলোচনা চললেও, এবার ভারতীয় সংগীতের বিশেষ গুরুত্ব দেখা গেছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা বলিউডের জনপ্রিয় গানগুলি নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় আনোয়ার ভিন্ন ভিন্ন বলিউড গান নির্বাচন করেছেন। ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাকে স্বাগত জানানোর একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত সিনেমা ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ ব্যবহার করেন।
এরপর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আরেকটি ছবি পোস্ট করে তিনি শাহরুখ খান, মাধুরী দীক্ষিত ও কারিশমা কাপুর অভিনীত ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ সিনেমার একই নামের গানটি ব্যবহার করেন। ব্রিকস সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আনোয়ার সালমান খান, রানি মুখার্জি ও প্রীতি জিনতা অভিনীত ২০০০ সালের সিনেমা ‘হার দিল জো পেয়ার করেগা’-র গান বেছে নেন। ভারত ছাড়ার সময়ের ভিডিওতে তিনি ‘লক্ষ্য’ সিনেমার জনপ্রিয় গান *‘কাঁধোঁ সে মিলতে হ্যায় কাঁধে’ ব্যবহার করেন।
দুটি গানেই ঐক্য ও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা রয়েছে। তাই ব্রিকস সম্মেলনের ছবির সঙ্গে গান দুটির ব্যবহার অনেকের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে। ভারত সফরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তাদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার ছবি পোস্ট করে তিনি ‘বীর-জারা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘এ দেশ হ্যায় মেরা’ ব্যবহার করেন, যা ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।
তবে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতের পোস্ট। ওই ছবির সঙ্গে আনোয়ার ১৯৫৭ সালের সিনেমা ‘নয়া দৌর’-এর গান ‘সাথী হাত বাড়ানা’ ব্যবহার করেন। গানটিতে একসঙ্গে হাত মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ছবিতেও চমক ছিল। সেই পোস্টে আনোয়ার আমির খান অভিনীত ২০০১ সালের সিনেমা ‘লগান’-এর গান ‘চলে চলো’ বেছে নেন। গানটির মাধ্যমেও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা ফুটে ওঠে।
শুধু আনোয়ার ইব্রাহিমই নন, কূটনৈতিক বার্তা দিতে বলিউডের গান ব্যবহার করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনোও। প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর ভারত সফরের সময় তিনি ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার গান ব্যবহার করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন