মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৬ পি.এম
বিশ্ববিখ্যাত ‘টাইটানিক’ সিনেমার ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গানটির মাধ্যমে কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া কানাডিয়ান পপসংগীতশিল্পী সেলিন ডিওন বর্তমানে একটি বিরল ও জটিল স্নায়বিক রোগের সাথে লড়াই করছেন। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকার কারণে তিনি কয়েক বছর ধরে মঞ্চ থেকে দূরে ছিলেন।
অবশেষে, সকল বাধা অতিক্রম করে সেলিন ডিওন কনসার্টে ফিরে এসেছেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর প্যারিস লা ডিফেন্স অ্যারেনায় তার প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
প্রায় ৩০ হাজার দর্শকের করতালিতে পুরো ভেন্যু মুখরিত হয়ে ওঠে। মঞ্চে ফিরে আবেগ সামলাতে পারেননি ৫৮ বছর বয়সী এই সংগীতশিল্পী। গান শেষে দর্শকদের ভালোবাসায় তিনি আপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবেশনা শেষে মঞ্চেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সেলিন ডিওন।
আবেগঘন কণ্ঠে সেলিন ডিওন বলেন, ‘আমি একটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কথা দিয়েছিলাম— আমি আবার মঞ্চে ফিরব। আজ আমি এখানে-আপনাদের জন্য এবং নিজের জন্য গাইছি। আপনারা আমাকে ভালোবেসেছিলেন বলেই আজ আমি এ জায়গায়।’
এর আগে, ২০২২ সালে সেলিন ডিওনের শরীরে ‘স্টিফ পারসন সিন্ড্রোম’ নামক এক বিরল স্নায়বিক রোগ ধরা পড়ে। সাধারণত এই রোগের কারণে শরীরের পেশি শক্ত হয়ে যায় এবং তীব্র খিঁচুনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে তার স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং গান গাওয়াও কঠিন হয়ে ওঠে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেলিন ডিওন এই রোগের তার কণ্ঠ ও শরীরে প্রভাব নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, অনেক সময় তার মনে হতো যেন কেউ গলা টিপে ধরছে। স্বরযন্ত্রে তীব্র চাপ পড়ায় উঁচু কিংবা নিচু সুরে গান গাওয়াও তার জন্য কঠিন হয়ে গিয়েছিল।
এ সংগীতশিল্পী আরও বলেন, শুধু কণ্ঠ নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশেও ভয়াবহ প্রভাব পড়েছিল। কখনো কখনো হাত-পায়ের আঙুল এমনভাবে শক্ত হয়ে যেত যে, তা সোজা করাও সম্ভব হতো না। রোগের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে একবার তার বুকের পাঁজরও ভেঙে গিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে পরমাণু বিজ্ঞানের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রতি দেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বক্তব্যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আইএইএ-এর ৭০তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসিকে ধন্যবাদ জানান, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার জন্য।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ফকির মাহবুব আনাম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএইএ-এর টেকনিক্যাল কোঅপারেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য, পানি ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সুফল পেয়ে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ২০২৬–২০৩২ মেয়াদের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) স্বাক্ষর করেছে, যা আগামী বছরগুলোতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বিজ্ঞানমন্ত্রী বলেন, ইউনিট-১-এ ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর ফলে দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
পারমাণবিক নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, পারমাণবিক বর্জ্য ও স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত যৌথ কনভেনশনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পারমাণবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দেশের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য ও কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণে কাজে লাগাতে হবে। বিশেষ করে ক্যানসার চিকিৎসার সুযোগ সম্প্রসারণে আইএইএ-এর ‘রেজ অব হোপ’ উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞান ও প্রযুক্তির সক্ষমতা বৃদ্ধি বাংলাদেশের অগ্রাধিকার। পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে টেকসই উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বক্তব্যের শেষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির প্রসার, পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনটি ঘিরে ভূরাজনৈতিক নানা আলোচনা চললেও, এবার ভারতীয় সংগীতের বিশেষ গুরুত্ব দেখা গেছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা বলিউডের জনপ্রিয় গানগুলি নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় আনোয়ার ভিন্ন ভিন্ন বলিউড গান নির্বাচন করেছেন। ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাকে স্বাগত জানানোর একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত সিনেমা ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ ব্যবহার করেন।
এরপর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আরেকটি ছবি পোস্ট করে তিনি শাহরুখ খান, মাধুরী দীক্ষিত ও কারিশমা কাপুর অভিনীত ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ সিনেমার একই নামের গানটি ব্যবহার করেন। ব্রিকস সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আনোয়ার সালমান খান, রানি মুখার্জি ও প্রীতি জিনতা অভিনীত ২০০০ সালের সিনেমা ‘হার দিল জো পেয়ার করেগা’-র গান বেছে নেন। ভারত ছাড়ার সময়ের ভিডিওতে তিনি ‘লক্ষ্য’ সিনেমার জনপ্রিয় গান *‘কাঁধোঁ সে মিলতে হ্যায় কাঁধে’ ব্যবহার করেন।
দুটি গানেই ঐক্য ও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা রয়েছে। তাই ব্রিকস সম্মেলনের ছবির সঙ্গে গান দুটির ব্যবহার অনেকের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে। ভারত সফরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তাদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার ছবি পোস্ট করে তিনি ‘বীর-জারা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘এ দেশ হ্যায় মেরা’ ব্যবহার করেন, যা ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।
তবে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতের পোস্ট। ওই ছবির সঙ্গে আনোয়ার ১৯৫৭ সালের সিনেমা ‘নয়া দৌর’-এর গান ‘সাথী হাত বাড়ানা’ ব্যবহার করেন। গানটিতে একসঙ্গে হাত মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ছবিতেও চমক ছিল। সেই পোস্টে আনোয়ার আমির খান অভিনীত ২০০১ সালের সিনেমা ‘লগান’-এর গান ‘চলে চলো’ বেছে নেন। গানটির মাধ্যমেও একসঙ্গে এগিয়ে চলার বার্তা ফুটে ওঠে।
শুধু আনোয়ার ইব্রাহিমই নন, কূটনৈতিক বার্তা দিতে বলিউডের গান ব্যবহার করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনোও। প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর ভারত সফরের সময় তিনি ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার গান ব্যবহার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করার অভিযোগে জহির উদ্দিন (৩০) নামের এক ব্যক্তি, যিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন, তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার ভোরে মহেশপুর কাজীরবেড় ইউনিয়নের সামন্তা (ষাটনলপাড়া) গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
আরো পড়ুন
শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে জহির উদ্দিনকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে সাজা পরোয়ানামূলে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের কোনো সম্পর্ক নেই।’
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায় এবং তারা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়।’
ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের কিছু বলার নেই। এ মামলায় নিশ্চিতভাবে আমাদের যারা প্রসিকিউশন টিম আছেন, তারা কাজ করছেন। আমরা জনগণ। সুতরাং আমরা যেটা দেখতে চাই, অনেকে বলেন, ফাঁসির রায় দেখে আমরা ভীষণ খুশি হয়ে গেছি। কারো ফাঁসির রায় দেখে ভীষণ খুশি হওয়ার চেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছি কি না।’
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘তারা যেহেতু ছিলেন না, থাকলে আরো ভালো হতো, তারা এগুলো কনটেস্ট করতেন। সেটার ভিত্তিতে আমরা বিশ্বাস করি বা ধারণা করি যে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব। এসব শাস্তিকে সরকার স্বাগত জানায়। তবে এর সঙ্গে প্রতিশোধস্পৃহার কোনো সম্পর্ক নেই।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে বলেছিলাম আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। সেটা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, আমরা সেটা দেখতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ