বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৩ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে, তিনি পরে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জানিয়েছেন যে, নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি শুধুমাত্র উল্লেখ করেছিলেন এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানাননি।
বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকে, তাহলে সেটির নাম ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখা উচিত কি না। তিনি আরও লেখেন, আমেরিকার মতোই এটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ‘উত্তপ্ত’ হবে! এ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ ট্রাম্প কীভাবে নেবেন, তা স্পষ্ট নয়। এর আগে কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে লেক অন্টারিওর নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এর এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে হরমুজের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সামনে আনলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
লেক অন্টারিওর ক্ষেত্রে ট্রাম্প মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সরকারি ভৌগোলিক নামের তথ্যভান্ডারে নতুন নাম যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যদিও কানাডা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছিল, গুগল ও অ্যাপল তাদের ম্যাপ অ্যাপ্লিকেশনে ‘লেক আমেরিকা’ নামটি যুক্ত করেছে। এর আগে, মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ রাখার ঘোষণাও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশ ওই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে এবং তা মেনে নেয়নি।
তবে, হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবটি ট্রাম্প বাস্তবায়ন করতে চান কি না, তা নিয়ে শুরু থেকেই অনিশ্চয়তা ছিল। বুধবার বিকেলে হোয়াইট হাউসে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “না, না... এটা শুধু বলে ছিলাম।”
এদিকে, ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের দাবি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখন আর ইরানের হাতে নেই। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। তবে, সংঘাত শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তা আরও কমেছে বলে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
কয়েক সপ্তাহের বিরতির পর এ অঞ্চলে আবারও সামরিক হামলা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে যাওয়া পাইপলাইনসহ বিকল্প পথের হিসাব ধরলে, অঞ্চলটির মোট তেল রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখন বেশি।
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বুধবার সিএনবিসিকে জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১৭ মিলিয়নের বেশি ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রণালিটি দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ পরিমাণ। সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেত।
তথ্য সূত্র -
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গী হাজি মাজার বস্তি উচ্ছেদের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বস্তির সামনের সড়কে মানববন্ধন আয়োজন করে বস্তিবাসীরা। তারা একটি বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
মিছিলটি টঙ্গী বাজার থেকে শুরু হয়ে স্টেশন রোড প্রদক্ষিণ করে বিআরটি ফ্লাইওভার ব্রিজের ওপর ওঠে। এরপর সেখানে বিক্ষোভকারীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি অংশে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, হাজির মাজার বস্তি উচ্ছেদের ফলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না থাকায় শত শত পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তাদের মতে, উচ্ছেদের আগে তাদের থাকার ব্যবস্থা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা আবশ্যক।
এদিকে, স্থানীয়দের দাবি, হাজির মাজার বস্তিকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, হাজি মাজার বস্তি অপরাধীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে বিভিন্ন সময় মাদকসেবী ও মাদকের বড় চালান উদ্ধার এবং মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেছে।
বিক্ষোভ চলাকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিআরটি ফ্লাইওভারের ওপর আংশিক অবরোধ সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। ফলে সাধারণ যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, বস্তিবাসীদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরানো হয়েছে। দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যে তারা অবরোধ তুলে নেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৭টি হত্যা মামলাসহ ২৬ মামলার পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সবুজ এবং তার সহযোগী এজাজুল হককে একটি বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেফতারটি বুধবার রাতে ঘটে, যখন রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঢাকা জেলার ডেমরা থানার কোনাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতার হওয়া সবুজ রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার কালাইয়ের ছেলে, এবং তার সহযোগী এজাজুল হক উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের মৃত শাহাদাতের ছেলে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, ২০১১ সালের ৫ নভেম্বর রূপগঞ্জের মাছিমপুরে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সময় জালালউদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম বাবুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত সবুজ, যিনি কালাই সবুজ নামেও পরিচিত, যাবজ্জীবন সাজা পান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অপহরণ করে পরিবার থেকে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন খুন এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
রূপগঞ্জের সন্ত্রাসী সবুজকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত চার মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ঢাকা জেলার ডেমরা থানার কোনাপাড়া এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। সবুজের নামে রূপগঞ্জ থানায় ৭টি হত্যা মামলাসহ মোট ২৬টি মামলা রয়েছে, এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এছাড়া, সবুজের দেওয়া তথ্যমতে তার সহযোগী এজাজুল হককেও রূপগঞ্জের রূপসী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এজাজুলও রূপগঞ্জ থানায় একাধিক মামলার আসামি। তাদেরকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ২৫২ জনে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ ৪ হাজার ৮৭৫ জনের সন্ধানে উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।
নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চিতওয়ানে ৩৫৫টি, পূর্ব নওয়ালপরাসিতে ২১৮টি, পশ্চিম নওয়ালপরাসিতে ১৯০টি, নুয়াকোটে ১৭৭টি, রাসুয়ায় ১২৭টি, গোর্খায় ৬৯টি, ধাদিঙে ৬০টি এবং তানাহুনে ৩৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, ভারত থেকে আরও ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করে নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ৯৫টি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর ৮৯৭টি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ নিরাপদে দাফন করা হয়েছে।
নিখোঁজ ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের শনাক্ত করার জন্য নেপাল পুলিশের সরকারি ওয়েবসাইটে ৯৫৯ জনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। তারা উদ্ধার অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মহাসড়কের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ ও ত্রাণ বিতরণে কাজ করছে।
এদিকে, বন্যায় বাস্তুচ্যুত ৩ হাজার ১২৬ জন বর্তমানে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জরুরি দলগুলোর কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। সূত্র :
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের ফ্ল্যাগশিপ ফ্রি-মিল (বিনামূল্যের খাদ্য) কর্মসূচির আওতায় খাবার গ্রহণের পর চলতি সপ্তাহে দেশটির জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপে তিনটি ভিন্ন ঘটনায় ৮০০’রও বেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। বমি বমি ভাব, বমি এবং পেটে তীব্র ব্যথার কারণে অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্টের এই প্রধান কর্মসূচি নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
অপুষ্টি দূর করার উদ্দেশ্যে গত বছর ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো দেশের ৬ কোটি ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী এবং গর্ভবতী নারীর জন্য বহু বিলিয়ন ডলারের বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ প্রকল্প শুরু করেছিলেন। তবে এই বৃহৎ নীতিটি শুরু থেকেই খাদ্য বিষক্রিয়া, দুর্নীতির অভিযোগ, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং বাজেট ঘাটতির অভিযোগসহ নানা বিতর্কে জর্জরিত হয়ে পড়েছে।
চলতি সপ্তাহের ঘটনায় পূর্ব জাভার সিদোয়ারজোতে খাবার খাওয়ার পর ৫৬৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে, যাদের মধ্যে ৮৮ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হয়। একই অঞ্চলের এনগাঞ্জুতে বুধবার ফ্রাইড রাইস, মুরগির মাংস ও তোফু খাওয়ার পর ৪৯ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, একই দিনে পশ্চিম সুমাত্রার আগামে আরও ২৩৭ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন, যেখানে ডিমকে এই বিষক্রিয়ার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
অসুস্থতার ঘটনার পর আগাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার খাদ্য বিতরণ মূল্যায়নের অজুহাতে আপাতত স্থগিত করেছে এবং সিদোয়ারজোর ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট রান্নাঘরের কার্যক্রমও বুধবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
গত এক বছরের মধ্যে এই কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। টেম্পেতে পোকা, চালে কাচের টুকরো এবং নোংরা পানিতে থালাবাসন ধোয়ার মতো মারাত্মক অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সরব হয়েছেন। শিক্ষা নজরদারি সংস্থা ‘নেটওয়ার্ক ফর এডুকেশন ওয়াচ’-এর হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ৮ আগস্ট পর্যন্ত এই খাবার খেয়ে প্রায় ৩৭ হাজার ৬০০ মানুষ খাদ্য বিষক্রিয়ার শিকার হয়েছেন।
সরকারবিরোধী একমাত্র রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য চার্লস হনোরিস পুরো পরিস্থিতিকে ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অন্যদিকে, জাতীয় পুষ্টি সংস্থা পূর্বে ঘটে যাওয়া বিষক্রিয়ার ঘটনাগুলোর জন্য খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা এবং রান্না করা খাবার পৌঁছাতে দেরি হওয়াকে দায়ী করেছে।
তবে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও এই সংকটকে খুব একটা বড় করে দেখতে নারাজ। তিনি বিষক্রিয়ার ঘটনাকে উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, এ পর্যন্ত পরিবেশন করা শতকোটি খাবারের মধ্যে বিষক্রিয়ার হার মাত্র “০.০০১৭ শতাংশ; যা বেশ গর্ব করার মতো একটি সাফল্য।” তিনি আরও দাবি করেন যে, এই নীতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি এবং পড়াশোনার মান বাড়িয়েছে।
জুলাই মাসে গবেষণা সংস্থা সাইফুল মুজানি রিসার্চ অ্যান্ড কনসাল্টিংয়ের এক জরিপে দেখা যায়, মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এই প্রকল্পে সন্তুষ্ট, যার প্রধান কারণ বারবার ঘটে যাওয়া খাবার বিষক্রিয়া।
তবে নানামুখী সমালোচনা সত্ত্বেও গত মাসে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রাবোও কর্মসূচিটি চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা একদম মৌলিক বিষয় পুষ্টি দিয়েই শুরু করছি। আমাদের শিশুরা ক্ষুধার্ত পেটে পড়াশোনা করতে পারে না। কোনো শিশুই ক্ষুধার্ত থেকে সঠিকভাবে শিখতে পারে না। প্রতি চারজন ইন্দোনেশীয় শিশুর একজন অপুষ্টি বা স্টান্টিংয়ে ভুগবে – এই পরিস্থিতি আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আমরা এটা হতে দেব না।"
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ