ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক


দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক অবশেষে দল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

 

ভারতের তারকা ক্রিকেটার সূর্যকুমার যাদব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর জাতীয় দলের বাইরে চলে গেছেন। যদিও এটি অপ্রত্যাশিত ছিল, তবুও এমন ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন: মিরপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

 

ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এতদিন কিছু বলেননি। অবশেষে শ্রেয়স আইয়ারকে অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন সূর্য। তিনি উল্লেখ করেছেন যে ব্যাট হাতে দীর্ঘ সময় ধরে অফফর্মে ছিলেন। তবে প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্বকাপ জয়ের পর এবং গত দুই বছরে একটিও সিরিজ না হারার পর কেন তাঁকে বাদ দেওয়া হলো।

 

ইংল্যান্ড সিরিজের দল ঘোষণার দু-তিন দিন আগে নির্বাচক কমিটি সূর্যকুমার যাদবকে ফোন করেছিলেন। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক জানান, ‘ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সিরিজের দল ঘোষণার দু’-তিন দিন আগে ওরা (নির্বাচক কমিটি) আমাকে ফোন করেছিলেন। বলেছিল, এবার এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাইনি।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

 

কারণ, এটা আমার দোষ নয়। নিশ্চয়ই দলের জন্য ভালো বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওরা।’

প্রথমে কিছু না বললেও পরে সূর্যকুমার জানান, বিষয়টি নিয়ে মানসিকভাবে সমস্যায় পড়েছিলেন। কারণ, তাঁর নেতৃত্বে ভারত গত দুই বছরে একটিও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারেনি, বরং বিশ্বকাপ এবং এশিয়া কাপ জিতেছিল।

 

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

সূর্য স্পষ্টভাবে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম। কারণ দু’বছরে একটাও সিরিজ হারেনি দল। বিশ্বকাপ এবং এশিয়া কাপ জিতেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আপনি চাইবেন কিছু পাল্টাবে না। যখন সবকিছু ভালো চলছে, তখন কেন পরিবর্তন? পরিবর্তনের কারণ কী? এই প্রশ্নটাই আমার মাথায় ঘুরছিল।’

এই সময়টা তাঁর জন্য সহজ ছিল না বলেও জানান সূর্য।

তবে শ্রেয়স আইয়ারের প্রতি তাঁর কোনো ক্ষোভ নেই। বরং, সতীর্থের প্রতি সম্মান রেখে নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ-লবা-য়ু পরিবর্তনে মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকাতে রোডম্যাপ চায় নাগরিক সমাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


জ-লবা-য়ু পরিবর্তনে মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকাতে রোডম্যাপ চায় নাগরিক সমাজ

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও সম্মুখসারির জনগণের মধ্যে ক্ষতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিয়মিত নজরদারি এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

আজ শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে সুরক্ষায় ইউপিআর-৪ সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়। সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি), অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার (এসিএফ) এবং ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যালায়েন্স-বাংলাদেশ যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে। এতে নীতিনির্ধারক, মানবাধিকারকর্মী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বজনীন পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনা (ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউ- ইউপিআর) পর্বে সরকারের সমর্থিত জলবায়ু-সম্পর্কিত সুপারিশগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঘাটতি চিহ্নিত করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে মানুষের অধিকার রক্ষায় নীতি ও কর্মপরিকল্পনার সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হয়।

ইউপিআরের ১২ সুপারিশ বাস্তবায়নের কথা

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে সিপিআরডির প্রধান নির্বাহী ও ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যালায়েন্স-বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়ক মো. শামসুদ্দোহা বলেন, ২০১৮ সালে বাংলাদেশের তৃতীয় ইউপিআর চক্রে সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা ও প্রশমনের বিষয়ে দুটি সুপারিশ সমর্থন করেছিল। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে চতুর্থ ইউপিআর চক্রে সিপিআরডির নেতৃত্বে ১৫টি নাগরিক সংগঠনের একটি জোট যৌথভাবে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয় এবং সাতটি বিষয়ে কৌশলগত পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়। পরে ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য সরকার ১২টি সুপারিশ গ্রহণ করে।

শামসুদ্দোহা আরও বলেন, এই অঙ্গীকারগুলো কতটা নীতি, কর্মসূচি ও বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নিয়েছে, তা অনুসরণ করার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে। পাশাপাশি কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং কীভাবে তা দূর করা যায়, সে পথও চিহ্নিত করতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকার

সেমিনারের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নূরুন নাহার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান ভূমিকা রাখছে। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও সম্মুখসারির জনগণ এর সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘন মোকাবিলার জন্য এখনো যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ।

সিপিআরডির প্রোগ্রাম ম্যানেজার- রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি শেখ নূর আতায়া রাব্বি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে তৃতীয় ইউপিআর চক্রের পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে চতুর্থ ইউপিআর চক্রে নাগরিক সমাজের দেওয়া সুপারিশ এবং সেগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ

সেমিনারের বিশেষ অতিথি পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পিকেএসএফের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি নিয়মিতভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত অ্যাডভোকেসি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, এমবিই, সিপিআরডি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও সম্মুখসারির জনগণের অধিকার রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। মানবাধিকারকর্মী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন শাহীন আনাম।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে সরকারের উদ্বেগ রয়েছে। তবে মানুষের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও নাগরিক সমাজের কাছ থেকে আরও সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন নীতিগত ও বাস্তবায়ন ঘাটতি নিয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নীতিনির্ধারক, মানবাধিকারকর্মী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং নীতিগত ও জনমত গঠনের জন্য নাগরিক সমাজের একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মকৌশলের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরির কথাও জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোহলি থাকলে কলম্বো টেস্টের ফল ভিন্ন হতো: কাইফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


কোহলি থাকলে কলম্বো টেস্টের ফল ভিন্ন হতো: কাইফ

ভারতের ক্রিকেট দল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে কলম্বো টেস্টে জয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছে। ম্যাচটি ড্র হওয়ার ফলে, দুই ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে ভারত জিতলেও, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অবস্থান আরও চাপে পড়েছে।

মোহাম্মদ কাইফ, ভারতের সাবেক ব্যাটার, মনে করছেন যে বিরাট কোহলির মতো একজন আগ্রাসী ও উদ্দীপনাময় ক্রিকেটার মাঠে থাকলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ম্যাচের শেষ দিনে ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রয়োজনীয় তীব্রতা এবং শক্তির অভাব ছিল।

কলম্বো টেস্টের শেষ দিনে শ্রীলঙ্কা মাত্র ১৬ রানে এগিয়ে থেকে চার উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেছিল। ভারত তখনও জয়ের অবস্থানে ছিল। কিন্তু সোনাল দিনুশার অসাধারণ সেঞ্চুরি এবং লোয়ার অর্ডারের প্রতিরোধের ফলে শ্রীলঙ্কা ৪২৯/৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। শেষ পর্যন্ত দুই দল ড্র মেনে নেয়।

কাইফের দাবি, কোহলি থাকলে তিনি সতীর্থদের ক্রমাগত উজ্জীবিত রাখতেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে বোলিং করার মধ্যেও দলের মনোযোগ ধরে রাখতেন। ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটারের মতে, ভারতীয় দল অনেকটা ধরে নিয়েছিল যে বল ঘুরছে, তাই উইকেট স্বাভাবিকভাবেই চলে আসবে।

কাইফ আরও বলেন, ভারতের মাঠের এনার্জি ছিল কম এবং দল নিজেরাই ম্যাচে যথেষ্ট চাপ তৈরি করতে পারেনি। তিনি মনে করেন, কোহলি থাকলে সারফরাজ খান এবং যশস্বী জয়সওয়ালদেরও চাঙ্গা রাখার পাশাপাশি দিনুশার ওপর মানসিক চাপ তৈরি করার চেষ্টা করতেন।

তবে ড্রয়ের পরও ভারত ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে। কলম্বোর এই ফল ভারতের ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলে বড় ধাক্কা দিয়েছে, যেখানে ভারত বর্তমানে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে এবং সামনে ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিতে পারে: চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিতে পারে: চীন

চীন জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ইরানকে কাবু করতে যুদ্ধ পরিস্থিতির সমাধানে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখছে না। বেইজিং উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে এবং বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

দেশটি ইরানের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় চীনা লজিস্টিকস কোম্পানি ‘ক্যামেং ট্রেডিং’-এর নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি লিউ চ্যাং মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক আইন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া এমন বেআইনি ও একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বেইজিং দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে, যা বহুবার স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অর্থনৈতিক যুদ্ধ বা ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি কোনো সমাধান প্রদান করে না। বরং, এসব কেবল উত্তেজনা বৃদ্ধি করে এবং ঝুঁকি ছড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি করে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করবে এবং অন্যান্য দেশের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের ক্ষতি সাধন করবে।

লিউ চ্যাং বলেন, "এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো পরিস্থিতির উত্তেজনা রোধে যত দ্রুত সম্ভব সংলাপ ও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা।" চীন তার অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে।

সূত্র: তাস নিউজ এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে অশ্বিনের কড়া বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে অশ্বিনের কড়া বার্তা

‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে কড়া বার্তা অশ্বিনের

 

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে ঋষভ পন্থ ব্যাট হাতে জোড়া অর্ধশতক পেলেও, প্রত্যাশার তুলনায় তার পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না। কেবল ব্যাটিং নয়, উইকেটের পেছনে রিভিউ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তহীনতা ভারতীয় দলের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে।

 

পন্থের এই অপেশাদার মনোভাব রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সহ্য হচ্ছে না। অভিজ্ঞ এই অফস্পিনার টিম ম্যানেজমেন্টকে সরাসরি অনুরোধ করেছেন যে, ভারতীয় তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে ‘বাড়তি সুবিধা’ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সাদা বলের ক্রিকেটে কেন পন্থ সুযোগ পাচ্ছেন না, সে বিষয়েও তিনি কঠোর বিশ্লেষণ করেছেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পন্থের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে অশ্বিন বলেন, “ওকে আর বাড়তি সুবিধা দেওয়া বন্ধ করুন।

 

‘প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটার’ হিসেবে বারবার তাকে সমর্থন না দিয়ে অন্যান্যদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত। যশস্বী জয়সওয়ালও দুর্দান্ত ক্রিকেটার। ঋষভ এখন অভিজ্ঞ, ৫০টিরও বেশি টেস্ট খেলে ফেলেছে। এবার অন্তত তার দায়িত্ব নিয়ে খেলা উচিত।

ভারতের বাকি দুই ফরম্যাটে পন্থের অনিয়মিত হয়ে পড়ার পেছনে তার সিদ্ধান্তহীনতাকেই দায়ী করেছেন অশ্বিন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটারের মতো তকমা দেওয়া এবার বন্ধ হওয়া দরকার। নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অক্ষমতার কারণেই তিনি বাকি দুই ফরম্যাটে জায়গা হারিয়েছেন। কেউ একজন গিয়ে তাকে সত্যিটা বলুক, দেখবেন তখন ঠিক তিন ফরম্যাটেই সুযোগ পাচ্ছে।’

টেস্ট ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও আগ্রাসী শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতা অশ্বিনের কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

পন্থের ভুল শট যে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিচ্ছে, তা মনে করিয়ে দিয়ে অশ্বিন বলেন, “দুঃখের সঙ্গেই বলছি, পন্থকে নিয়ে আমার প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি। ঝুঁকি নিয়ে খেলার মধ্যে আলাদা মজা আছে, কিন্তু ম্যাচ যখন আপনার নিয়ন্ত্রণে, তখন বাজে শট খেলে আউট হবেন কেন? অনেকেই দোহাই দেবে ‘পন্থ তো এভাবেই খেলে’। এসব কথা আর চলবে না, দলের যা প্রয়োজন সেভাবে খেলতে হবে।”

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পন্থের ঐতিহাসিক ইনিংসগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অশ্বিন দলের বাকিদের অবদানকে সামনে এনেছেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য, ‘সিডনি বা ব্রিসবেনে পন্থ নিশ্চয়ই দারুণ খেলেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন সুন্দর কিংবা শার্দূল ঠাকুররা পাশে না থাকলে ভারত সেই ম্যাচগুলো জিততে পারত না। একটি টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে একাদশের ১১ জন ক্রিকেটারকেই অবদান রাখতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%