প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে কড়া বার্তা অশ্বিনের
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে ঋষভ পন্থ ব্যাট হাতে জোড়া অর্ধশতক পেলেও, প্রত্যাশার তুলনায় তার পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না। কেবল ব্যাটিং নয়, উইকেটের পেছনে রিভিউ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তহীনতা ভারতীয় দলের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
পন্থের এই অপেশাদার মনোভাব রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সহ্য হচ্ছে না। অভিজ্ঞ এই অফস্পিনার টিম ম্যানেজমেন্টকে সরাসরি অনুরোধ করেছেন যে, ভারতীয় তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে ‘বাড়তি সুবিধা’ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সাদা বলের ক্রিকেটে কেন পন্থ সুযোগ পাচ্ছেন না, সে বিষয়েও তিনি কঠোর বিশ্লেষণ করেছেন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পন্থের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে অশ্বিন বলেন, “ওকে আর বাড়তি সুবিধা দেওয়া বন্ধ করুন।
‘প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটার’ হিসেবে বারবার তাকে সমর্থন না দিয়ে অন্যান্যদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত। যশস্বী জয়সওয়ালও দুর্দান্ত ক্রিকেটার। ঋষভ এখন অভিজ্ঞ, ৫০টিরও বেশি টেস্ট খেলে ফেলেছে। এবার অন্তত তার দায়িত্ব নিয়ে খেলা উচিত।
ভারতের বাকি দুই ফরম্যাটে পন্থের অনিয়মিত হয়ে পড়ার পেছনে তার সিদ্ধান্তহীনতাকেই দায়ী করেছেন অশ্বিন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটারের মতো তকমা দেওয়া এবার বন্ধ হওয়া দরকার। নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অক্ষমতার কারণেই তিনি বাকি দুই ফরম্যাটে জায়গা হারিয়েছেন। কেউ একজন গিয়ে তাকে সত্যিটা বলুক, দেখবেন তখন ঠিক তিন ফরম্যাটেই সুযোগ পাচ্ছে।’
টেস্ট ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও আগ্রাসী শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতা অশ্বিনের কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পন্থের ভুল শট যে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিচ্ছে, তা মনে করিয়ে দিয়ে অশ্বিন বলেন, “দুঃখের সঙ্গেই বলছি, পন্থকে নিয়ে আমার প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি। ঝুঁকি নিয়ে খেলার মধ্যে আলাদা মজা আছে, কিন্তু ম্যাচ যখন আপনার নিয়ন্ত্রণে, তখন বাজে শট খেলে আউট হবেন কেন? অনেকেই দোহাই দেবে ‘পন্থ তো এভাবেই খেলে’। এসব কথা আর চলবে না, দলের যা প্রয়োজন সেভাবে খেলতে হবে।”
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পন্থের ঐতিহাসিক ইনিংসগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অশ্বিন দলের বাকিদের অবদানকে সামনে এনেছেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য, ‘সিডনি বা ব্রিসবেনে পন্থ নিশ্চয়ই দারুণ খেলেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন সুন্দর কিংবা শার্দূল ঠাকুররা পাশে না থাকলে ভারত সেই ম্যাচগুলো জিততে পারত না। একটি টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে একাদশের ১১ জন ক্রিকেটারকেই অবদান রাখতে হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন