ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে অশ্বিনের কড়া বার্তা


‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে অশ্বিনের কড়া বার্তা

‘প্রজন্মের সেরা তকমা দেওয়া বন্ধ করুন’, পন্থকে নিয়ে কড়া বার্তা অশ্বিনের

 

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে ঋষভ পন্থ ব্যাট হাতে জোড়া অর্ধশতক পেলেও, প্রত্যাশার তুলনায় তার পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না। কেবল ব্যাটিং নয়, উইকেটের পেছনে রিভিউ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তহীনতা ভারতীয় দলের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

 

পন্থের এই অপেশাদার মনোভাব রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সহ্য হচ্ছে না। অভিজ্ঞ এই অফস্পিনার টিম ম্যানেজমেন্টকে সরাসরি অনুরোধ করেছেন যে, ভারতীয় তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে ‘বাড়তি সুবিধা’ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সাদা বলের ক্রিকেটে কেন পন্থ সুযোগ পাচ্ছেন না, সে বিষয়েও তিনি কঠোর বিশ্লেষণ করেছেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পন্থের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে অশ্বিন বলেন, “ওকে আর বাড়তি সুবিধা দেওয়া বন্ধ করুন।

 

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

‘প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটার’ হিসেবে বারবার তাকে সমর্থন না দিয়ে অন্যান্যদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত। যশস্বী জয়সওয়ালও দুর্দান্ত ক্রিকেটার। ঋষভ এখন অভিজ্ঞ, ৫০টিরও বেশি টেস্ট খেলে ফেলেছে। এবার অন্তত তার দায়িত্ব নিয়ে খেলা উচিত।

ভারতের বাকি দুই ফরম্যাটে পন্থের অনিয়মিত হয়ে পড়ার পেছনে তার সিদ্ধান্তহীনতাকেই দায়ী করেছেন অশ্বিন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটারের মতো তকমা দেওয়া এবার বন্ধ হওয়া দরকার। নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অক্ষমতার কারণেই তিনি বাকি দুই ফরম্যাটে জায়গা হারিয়েছেন। কেউ একজন গিয়ে তাকে সত্যিটা বলুক, দেখবেন তখন ঠিক তিন ফরম্যাটেই সুযোগ পাচ্ছে।’

টেস্ট ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও আগ্রাসী শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতা অশ্বিনের কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়

পন্থের ভুল শট যে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিচ্ছে, তা মনে করিয়ে দিয়ে অশ্বিন বলেন, “দুঃখের সঙ্গেই বলছি, পন্থকে নিয়ে আমার প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি। ঝুঁকি নিয়ে খেলার মধ্যে আলাদা মজা আছে, কিন্তু ম্যাচ যখন আপনার নিয়ন্ত্রণে, তখন বাজে শট খেলে আউট হবেন কেন? অনেকেই দোহাই দেবে ‘পন্থ তো এভাবেই খেলে’। এসব কথা আর চলবে না, দলের যা প্রয়োজন সেভাবে খেলতে হবে।”

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পন্থের ঐতিহাসিক ইনিংসগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অশ্বিন দলের বাকিদের অবদানকে সামনে এনেছেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য, ‘সিডনি বা ব্রিসবেনে পন্থ নিশ্চয়ই দারুণ খেলেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন সুন্দর কিংবা শার্দূল ঠাকুররা পাশে না থাকলে ভারত সেই ম্যাচগুলো জিততে পারত না। একটি টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে একাদশের ১১ জন ক্রিকেটারকেই অবদান রাখতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎসবমুখর পরিবেশে দোখলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


উৎসবমুখর পরিবেশে দোখলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন

উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে টাঙ্গাইলের মধুপুরে দোখলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে ইউনিয়নের নিজস্ব কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে শ্রমিক সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপচে পড়া ভিড়ের পাশাপাশি সুশৃঙ্খলভাবে সারিবদ্ধ হয়ে শ্রমিকদের ভোট দিতে দেখা যায়। নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ১৪৬ জন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেলে ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
ভোট দিতে আসা কয়েকজন শ্রমিক প্রতিনিধি বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়, পেশাগত নিরাপত্তা এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন, তারা যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চান। এ কারণে তারা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
নির্বাচন চলাকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান আহ্বায়ক ও নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মালেক তুলা, উপদেষ্টা মো. লস্কর আলী মেম্বার, জয়নাল আবেদীন বাবলু, মিঃ হেলিন যেত্রা, সাইফুল ইসলাম, ফিলিপ কুবি ও লোটিশ ডিও। এছাড়া মধুপুর কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আদিত্য সরকার উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন পরিচালনায় প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আব্রারুল হক শিমুল। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন আব্দুল আউয়াল। পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আশিক রায়হান ও কেরামত আলী।
সংশ্লিষ্টরা জানান, শ্রমিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত নতুন নেতৃত্ব সংগঠনের সদস্যদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা করছেন সাধারণ শ্রমিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শোকে স্তব্ধ নরওয়ে, অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


শোকে স্তব্ধ নরওয়ে, অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা

রাজা পঞ্চম হ্যারাল্ডের মৃত্যুর পর, যিনি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সিংহাসনে ছিলেন, শনিবার রাজা অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নরওয়ে ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

শুক্রবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে ৮৯ বছর বয়সে রাজা হ্যারাল্ডের মৃত্যুর পর, স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশটিতে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়।

এটি জানানো হয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে।

শুক্রবার রাজধানী অসলোতে হাজার হাজার মানুষ রাজপরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হন। তারা একে অপরকে আলিঙ্গন করেন এবং রাজার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুল দেন।

৫৩ বছর বয়সী হাকন একটি রাজতন্ত্রের দায়িত্ব নিচ্ছেন, যা আধুনিক ও সাধারণ জীবনযাপনের জন্য প্রশংসিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক কেলেঙ্কারিতে চাপে পড়েছে।

নতুন রাজার সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর এক ভাষণে বলেন, ‘একটি যুগের অবসান হয়েছে। নতুন একটি যুগ শুরু হয়েছে। রাজা মারা গেছেন। রাজা দীর্ঘজীবী হোন।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা রাজা হ্যারাল্ডকে তার জনগণের প্রতি ভালোবাসা ও আন্তরিকতা এবং আমাদের প্রতি তার অটুট আস্থার জন্য স্মরণ করব।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় হ্যারাল্ডের মরদেহের কফিন অসলো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে রাজপ্রাসাদে নেওয়ার সময় সড়কের দুই পাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে হাকন তার ২২ বছর বয়সী মেয়ে ইনগ্রিড আলেক্সান্দ্রাকে—যিনি এখন নতুন ক্রাউন প্রিন্সেস—সঙ্গে নিয়ে রাজপ্রাসাদে যান। সেখানে তিনি সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবার মৃত্যুর খবর জানান।

এক বিবৃতিতে হাকন এই কঠিন সময়ে রাজপরিবারের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি জানানোর জন্য ‘সরকার ও নরওয়ের জনগণকে’ ধন্যবাদ জানান।

নরওয়ের পার্লামেন্ট জানিয়েছে, নতুন রাজা মঙ্গলবার পার্লামেন্টের প্রধান কক্ষে আনুগত্যের শপথ নেবেন।

হ্যারাল্ডের শেষকৃত্য না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় শোক চলবে। তবে শেষকৃত্যের তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

হাকনের রাজ্যাভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কারণ ১৯০৮ সালে এই প্রথা বাতিল করা হয়।

তবে তার বাবা ও দাদার মতো হাকনও ট্রনহেইম ক্যাথেড্রালে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার রাজত্বের আনুষ্ঠানিক আশীর্বাদ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ১৮১৪ থেকে ১৯০৬ সাল পর্যন্ত এই ক্যাথেড্রালেই নরওয়ের রাজাদের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠিত হতো।

‘দাদার মতো’

ইউরোপের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ক্ষমতাসীন রাজা হ্যারাল্ড ১৭ আগস্ট থেকে অসলোতে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিনি রক্তের লোহিত কণিকা অস্বাভাবিক দ্রুত ধ্বংস হওয়ার কারণে সৃষ্ট হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়াতে ভুগছিলেন। এই রোগে সাধারণত দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

স্টোর বলেন, ১৯৯১ সালে সিংহাসনে বসা হ্যারাল্ড ছিলেন ‘তার সময়ের উপযোগী এবং সময়ের দাবি পূরণ করা একজন রাজা।’

তিনি আরও বলেন, কয়েক দশকের ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে হ্যারাল্ড নরওয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই সময়ে দেশটি ‘আরও ধনী হয়েছে, জনসংখ্যা বেড়েছে এবং সমাজ আরও বৈচিত্র্যময় হয়েছে।’

শুক্রবার দিনভর হাজার হাজার নরওয়েজিয়ান অসলো রাজপ্রাসাদের সামনে জড়ো হন। সন্ধ্যায় ভারী বৃষ্টি শুরু হলেও মানুষের উপস্থিতি কমেনি।

তারা সেখানে ফুল, কার্ড এবং লাল-সাদা-নীল জাতীয় পতাকা রেখে শ্রদ্ধা জানান। অনেককে পরস্পরকে আলিঙ্গন করতে এবং একে অপরকে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায়।

৪৯ বছর বয়সী লাইন স্টুসল্যান্ড ফুলের তোড়া রাখার আগে এএফপিকে বলেন, ‘তিনি আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন ঐক্যবদ্ধকারী রাজা, জনগণের রাজা।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি যেন পুরো জাতির দাদার মতো ছিলেন।’

হ্যারাল্ডকে উদার ও সহনশীল নরওয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যাপকভাবে দেখা হতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট

শনিবার আইসল্যান্ডের নাগরিকরা গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) সদস্যপদ পাওয়ার আলোচনা পুনরায় শুরু হবে কি না, তা নির্ধারণ করবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ ভোটের ফলাফলের ওপর ব্রাসেলস গভীরভাবে নজর রাখবে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নবিরোধী সরকারের ক্ষমতায় আসার পর থেকে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা স্থগিত ছিল।

এবারের গণভোটের ফলাফলও অত্যন্ত কাছাকাছি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বশেষ জনমত জরিপগুলোতে ইইউতে যোগদানের আলোচনা পুনরায় শুরুর পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান প্রায় সমান দেখা যাচ্ছে।

ইইউপন্থি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থরগেরদুর ক্যাটরিন গুনারসদোত্তির এএফপিকে জানিয়েছেন, “লড়াইটা বেশ কঠিন, তবে আমি সবসময় আশাবাদী। ফল না আসা পর্যন্ত কিছুই চূড়ান্ত নয়।”

স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। এক্সিট পোলের অভাব এবং ভোটের ব্যবধান খুব কম হওয়ায় শনিবার গভীর রাতের আগে নির্ভরযোগ্য ফল পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

প্রায় ২ লাখ ৭৩ হাজার ভোটারকে একটি প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দিতে বলা হয়েছে:

‘আইসল্যান্ডের কি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সদস্যপদ পাওয়ার আলোচনা পুনরায় শুরু করা উচিত?’

যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়, তাহলে ব্রাসেলসের সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে একটি চুক্তি আলোচনা করা হবে। এরপর প্রকৃতপক্ষে ইইউতে যোগদান নিয়ে আবারও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

আইসল্যান্ডের অর্থনীতির একটি প্রধান ভিত্তি হলো মৎস্যসম্পদ। রেইকিয়াভিক এই খাতের ওপর নিজেদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায়। ফলে ইইউর সঙ্গে আলোচনায় মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। তবে এবারের ব্রাসেলস এ বিষয়ে সমঝোতার জন্য আগের চেয়ে বেশি প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে: কাদের গনি চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে: কাদের গনি চৌধুরী

সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এস এম আমিনুল হক চৌধুরী, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি, সহসভাপতি কামাল হোসেন আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাফর।

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতা করতে না পারলে দেশ ও গণতন্ত্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রকে সাংবাদিক সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে।

 

তিনি গণমাধ্যমের সুরক্ষার পাশাপাশি নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকরা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন। তবে চ্যালেঞ্জ শেষ হয়নি। দেশে সাংবাদিকতার পরিবেশ নানা কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

 

রাজনৈতিক প্রভাব, প্রাতিষ্ঠানিক চাপ ও পেশাগত অনিরাপত্তা—সব মিলিয়ে অনেক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে, তেমনি অপসাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতার অভাবও বড় সমস্যা। একই সঙ্গে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও কখনো কখনো এমন চাপ তৈরি হয়, যা সাংবাদিকদের নৈতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত করতে পারে।

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে হলে শুধু নিরাপত্তাই নয়, সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অধিকাংশ গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড মেনে বেতন দেয় না।

 

অনেক গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের বেতন দেন মালিকের ড্রাইভারের বেতনের চেয়েও কম। এসব বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে বলেছি ‘নো ওয়েজবোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতি কার্যকর করতে। এটা করা গেলে গণমাধ্যমের ভেতরের অনেক নৈরাজ্য দূর করা সম্ভব হবে।”

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতা নিছক চাকরি নয়। দেশে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, সব ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং বৈষম্য দূর করায় সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। গণমাধ্যমের যদি উচ্চকণ্ঠ না থাকে, তাহলে সমাজে অনেক ধরনের অপরাধ ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা স্বাধীন ও শক্তিশালী না হলে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা যায় না। বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাধীন বিচার বিভাগের পাশাপাশি স্বাধীন গণমাধ্যমকে আলাদা করে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত মামলা, নির্যাতন ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন।

সরকারের উদ্দেশে এ সাংবাদিক নেতা বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা হচ্ছে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যারা সরকারকে সত্য কথা বলবে। মিডিয়া যা বলছে তা যাচাইয়েরও সরকারের সুযোগ আছে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের জাতির বিবেক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতির বিবেক যদি সাংবাদিক হন, আর সেই বিবেকের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র যদি হয় কলম, তাহলে সেই কলম থামিয়ে দেওয়া মানে শুধু একজন সাংবাদিকের কণ্ঠ রোধ করা নয়—এটি সত্য প্রকাশের পথকে সংকুচিত করে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকের ওপর আঘাত মানে বিবেকের ওপর আঘাত। একজন সাংবাদিক যখন দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, অব্যবস্থাপনা কিংবা মানুষের ওপর অন্যায়ের ঘটনা তুলে ধরেন, তখন তিনি সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করেন। তার প্রতিবেদনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যার বিষয়ে জানতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু সত্য প্রকাশের কারণে যদি কোনো সাংবাদিক হামলা, হুমকি বা হয়রানির শিকার হন, তাহলে এর প্রভাব শুধু তার ওপরই পড়ে না। এতে অন্য সাংবাদিকদের মধ্যেও ভয় তৈরি হয়।

এ সাংবাদিক নেতা বলেন, সাংবাদিকের হাতে থাকা কলম কোনো ধ্বংসের অস্ত্র নয়। এটি মানুষের কথা বলার, সত্য তুলে ধরার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার মাধ্যম।

তিনি বলেন, সাংবাদিকের কলম মানুষের কষ্টের কথা বলে। এই কলম অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করে। এই কলম মানবিক বাংলাদেশের কথা বলে। এই কলম থামানো যাবে না। এতে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সাংবাদিকের কলমকে ভয় না পেয়ে তাকে লিখতে দেওয়া, ক্ষমতাবানদের প্রশ্ন করতে দেওয়া এবং ক্ষমতাবানদের প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করা রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণের।

তিনি আরো বলেন, ভুলে গেলে চলবে না একটি জাতির উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক অগ্রগতি বা অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে না। একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার ন্যায়বোধ, মানবিকতা, জবাবদিহি ও সত্য বলার সাহসের মধ্যে নিহিত। সাংবাদিকরা যদি নিরাপদে কাজ করতে না পারেন, যদি সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন, যদি প্রশ্ন করার কারণে হুমকি পান—তাহলে সমাজে ভয় ও নীরবতার সংস্কৃতি তৈরি হয়।

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, যখন জাতির বিবেক নীরব হয়ে যায়, তখন অন্যায়কে অন্যায় বলার মানুষও কমে যায়। তাই সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু সাংবাদিকদের স্বার্থ নয়; এটি সাধারণ মানুষের জানার অধিকার রক্ষারও অংশ। কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার সমাধান হতে হবে আইন ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। হামলা, ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করে কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%