মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২০ পি.এম
দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর একটি কর্মী সন্মেলন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টায় গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কার্যালয়ে এই কর্মী সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল হাসান।
গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শেখ শামীম হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মী সন্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর সদর থানা আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, গাজীরহাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাদের, এবং বারাকপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহ-সভাপতি আ স মনির মিন্টু।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইসলামের নির্দেশিত আদর্শ অনুসরণ করে নিজেদেরকে মানুষের পাশে দাঁড় করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, সমাজে বর্তমানে নৈতিকতার অভাবের কারণে অন্যায় অপরাধ, জুলুম, চাঁদাবাজী, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং মানুষ হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। তাই সমাজের প্রতিটি সেক্টরে ইসলামের আদর্শিক মানুষ গঠনের ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এনায়েতুল্লাহ ইসলামিয়া সিনিয়র (ফাজিল) মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠনের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা তদন্তের দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা। গতকাল মঙ্গলবার চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে যে, গভর্নিং বডি গঠনের প্রক্রিয়া অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক গোপনে গভর্নিং বডি অনুমোদন করেছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এই গভর্নিং বডির গঠন নিয়ে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই তদন্তের দাবি করা হয়। চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ মোখলেসুর রহমান বিদ্যুৎ, চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আঃ রহিম কালু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃ জিয়ারুল হক সিন্টুসহ অন্যান্যরা এই দাবি উপস্থাপন করেন। সভার সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানান।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গভর্নিং বডিতে যাদের অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তারা কেউই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি এবং নির্বাচিতও হননি। শুধু তাই নয়, গভর্নিং বডির কোনো সভা ছাড়াই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক একজনকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত দেখিয়েছেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ৩ জন অভিভাবক প্রতিনিধি ও ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি বাদ দিয়ে এই গভর্নিং বডি অনুমোদন করা হয়েছে। গোপনে অনুমোদিত গভর্নিং বডির বিষয়টি জানাজানি হলে চাটমোহরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দাবি উঠেছে কথিত এই গভর্নিং বডি বাতিলের। এরই মধ্যে গত শনিবার গভর্নিং বডির সভা আহ্বান করা হয়, যা মাদ্রাসায় না করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু ইসহাক তার বাড়িতে গোপনে সম্পন্ন করেন বলে জানা গেছে। এদিকে, গভর্নিং বডিকে অবৈধ দাবি করে গভর্নিং বডির দাতা সদস্য ও চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আরশেদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় নিয়ম বহির্ভুতভাবে গভর্নিং বডি গঠিত হয়েছে। কোনো সভা ছাড়াই সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। যাদের নির্বাচনের মাধ্যমে অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরকে গভর্নিং বডিতে রাখা হয়নি। এটি একটি বড় ধরণের জালিয়াতি ও অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাদের রাখা হয়েছে, তারা কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে আসেননি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাউকে না জানিয়ে চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছেমতো অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি তৈরি করে গভর্নিং বডি অনুমোদন করিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম জানান, তিনি গভর্নিং বডি গঠনের বিষয়টি জানেন না। দাতা সদস্যের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, "আমি প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ পাওয়ার পর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন করে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তারা কেন, কিভাবে বাদ যায়, সেটা আমার বোধগম্য নয়।" চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী জানান, অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে 'নাশকতার' মামলার প্রেক্ষিতে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম (৫৩)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার খলিসাকুণ্ডি ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে যুবলীগ নেতা শহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট এলাকায় সংঘটিত 'নাশকতার' ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে রাতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
শহিদুল ইসলাম খলিসাকুণ্ডি ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার মৃত মজিবর রহমানের পুত্র। তিনি দীর্ঘকাল ধরে দৌলতপুর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং দৌলতপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শহিদুল ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ শহরের মধ্য দূর্গাপুর গ্রামে ১০/১১ বছর আগে স্বামীর দ্বারা লাগানো আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে যাওয়া এক প্রতিবন্ধী মহিলার উপর আবারও অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। শাহনাজ বেগম নামের ওই মহিলার স্বামী সাইদুল ইসলাম, ভাসুর আব্দুর রশিদ এবং জা আব্দুর রশিদের স্ত্রী নূর এ জান্নাতের দ্বারা অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৭ বছর আগে আজাদুল ইসলামের কন্যা শাহনাজ বেগমের সাথে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। ১০/১২ বছর আগে সাইদুল ইসলাম দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দেয়ার কারণে স্ত্রী শাহনাজকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর ফলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ এবং দুই হাত মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। এরপর স্বামী বিদেশে চলে যায়। দীর্ঘদিন পর বিদেশ থেকে ফিরে এসে আবারও নির্যাতন শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্বামী, ভাসুর এবং বড় জা শাহনাজের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। বিছানায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রচণ্ড নির্যাতন চালায়। তাদের দ্বারা পরনের কাপড়চোপরও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগম বলেন, "দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দিলে আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে।" তিনি আরও বলেন, "আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলতে না পেরে বিভিন্ন নির্যাতন করছেন। আমি অগ্নিদগ্ধ প্রতিবন্ধী, আমি আমার স্বামীর এই নির্যাতনের বিচার দাবী করছি।"
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগমের মা বলেন, এই নির্যাতনের সংবাদ পেয়ে গ্রামের প্রতিবেদীরা ছুটে আসেন। নির্যাতন দেখে প্রতিবেশীরা কষ্ট পান। স্থানীয় এক প্রতিবেশী নারী জানান, প্রতিবন্ধী অসহায় দরিদ্র পরিবারের উপর এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিহত করতে গিয়ে তাকেও লাঞ্চিত করা হয়েছে। এলাকাবাসী নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, "বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে প্রতিবন্ধী ঐ নারী অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বঙ্গোপসাগরের অফশোর জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে ২৬টি ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে।
লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড এনার্জি সামিট’-এর স্ট্র্যাটেজিক স্টেজে আয়োজিত মিনিস্টেরিয়াল সেশনে এই আহ্বান জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
সামিটের ‘স্ট্র্যাটেজিক স্টেজে’ আয়োজিত মিনিস্টেরিয়াল সেশনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা, বঙ্গোপসাগরের অফশোর সম্পদের সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির কারণে জ্বালানির চাহিদা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চাহিদা পূরণে দেশীয় গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
তিনি আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোকে ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।
এই বিডিং রাউন্ডের আওতায় বঙ্গোপসাগরের ১১টি অগভীর এবং ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লক উন্মুক্ত করা হয়েছে। মোট ২৬টি ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সম্মেলনে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগের ইতিবাচক প্রবাহের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারের বিভিন্ন সহায়ক নীতির কথাও তিনি তুলে ধরেন। এসব নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও সহজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
উপস্থাপনায় বঙ্গোপসাগরের অনাবিষ্কৃত অফশোর জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আধুনিক সিসমিক তথ্যের সহজলভ্যতা বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
এ সময় ‘অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৬’-এর বিভিন্ন বাণিজ্যিক শর্ত উপস্থাপন করা হয়। এসব শর্ত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক ও সিসমিক ডেটা পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়।
চলমান অফশোর বিডিং রাউন্ডে অংশ নিতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশ সরকার ও পেট্রোবাংলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অনুরোধও জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ