প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বঙ্গোপসাগরের অফশোর জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে ২৬টি ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে।
লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড এনার্জি সামিট’-এর স্ট্র্যাটেজিক স্টেজে আয়োজিত মিনিস্টেরিয়াল সেশনে এই আহ্বান জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
সামিটের ‘স্ট্র্যাটেজিক স্টেজে’ আয়োজিত মিনিস্টেরিয়াল সেশনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা, বঙ্গোপসাগরের অফশোর সম্পদের সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির কারণে জ্বালানির চাহিদা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চাহিদা পূরণে দেশীয় গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
তিনি আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোকে ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।
এই বিডিং রাউন্ডের আওতায় বঙ্গোপসাগরের ১১টি অগভীর এবং ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লক উন্মুক্ত করা হয়েছে। মোট ২৬টি ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সম্মেলনে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগের ইতিবাচক প্রবাহের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারের বিভিন্ন সহায়ক নীতির কথাও তিনি তুলে ধরেন। এসব নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও সহজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
উপস্থাপনায় বঙ্গোপসাগরের অনাবিষ্কৃত অফশোর জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আধুনিক সিসমিক তথ্যের সহজলভ্যতা বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
এ সময় ‘অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৬’-এর বিভিন্ন বাণিজ্যিক শর্ত উপস্থাপন করা হয়। এসব শর্ত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক ও সিসমিক ডেটা পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়।
চলমান অফশোর বিডিং রাউন্ডে অংশ নিতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশ সরকার ও পেট্রোবাংলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অনুরোধও জানানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন