সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১৩ পি.এম
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দুপুরিরপাড় গ্রামে পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আক্তার হোসেন (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে।
রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের পক্ষ থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজমান গণি।
নিহতের পরিবার জানায়, আক্তার হোসেন ও জাহাঙ্গীর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মাছ ধরার জন্য মেশিন দিয়ে পানি সেচ দিচ্ছিলেন। রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিবেশী আবদুল হালিম এসে মাছ ধরতে নিষেধ করেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে উপস্থিত বাড়ির নারীরা আক্তার ও জাহাঙ্গীরকে বাড়িতে নিয়ে আসার সময় আবদুল হালিমের ছেলে এবং অন্যরা তাদের ওপর হামলা চালায়, ফলে আক্তার হোসেন ও জাহাঙ্গীর আহত হন।
আহত আক্তারকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলমও আহত হয়েছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজমান গণি জানান, পুকুর থেকে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিলেট থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি জোট দাবি করেছে যে, তারা হুথিদের সুড়ঙ্গ ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান সমর্থিত হুথিদের হুমকির উৎসগুলো নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
জোটটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করে, অভিযানের ফলে হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত পাঁচটি সুড়ঙ্গ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের চারটি প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের একটি গুদামেও হামলা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোর মধ্যে সরবরাহব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার ওপর অভিযানটির বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জোটটি জানায়, ইয়েমেনের বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধের অবস্থানে হুথিদের প্রতিরক্ষা স্থাপনা, সদস্যদের সমাবেশস্থল এবং সামরিক সরঞ্জামও অভিযানের লক্ষ্যবস্তু ছিল।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের এই প্রতিষ্ঠানটি সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে রোববার, ২৫ অক্টোবর থেকে এবং এটি চলবে আগামী ০৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
এক নজরে ব্র্যাকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ
পদের নাম: সুপারভাইজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কৃষিতে ডিপ্লোমা
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীদের কম্পিউটারে (যেমন—এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল) দক্ষতা থাকতে হবে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের জ্ঞান থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৩ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ (রূপগঞ্জ)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা, উৎসব বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড-গ্র্যাচুইটি।
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।
আবেদনের শেষ সময়: ০৮ নভেম্বর ২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধনী পরিবারের শীর্ষ ১০ শতাংশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হলে একটি পরিবারের নিট সম্পদের পরিমাণ অন্তত ১৮ লাখ ডলার হতে হবে। এই তথ্য ভিসার (Visa) একটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান সম্পদের মূল্য, বাড়ি ও শেয়ারবাজারের উত্থান এবং জীবনযাত্রার ব্যয় এই সীমাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তবে শুধুমাত্র সম্পদের পরিমাণই নয়, পরিবারের বার্ষিক আয় এবং বসবাসের অঞ্চলও আর্থিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভিসার বিশ্লেষণে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার নতুন মানুষ কোটিপতির তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। বাড়ি ও শেয়ারের মতো সম্পদের মূল্যবৃদ্ধির ফলে মানুষের মোট সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পূর্বে যে পরিমাণ সম্পদকে আর্থিক সচ্ছলতার বড় মাপকাঠি হিসেবে ধরা হতো, এখন তার চেয়ে বেশি সম্পদ প্রয়োজন হচ্ছে। ভিসার হিসাবে, জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষ ১০ শতাংশ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হতে হলে নিট সম্পদের পরিমাণ কমপক্ষে ১৮ লাখ ডলার হতে হবে। তবে অঞ্চলভেদে এই সীমা ভিন্ন হতে পারে।
অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে শীর্ষ ১০ শতাংশ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হতে নিট সম্পদের প্রয়োজন প্রায় ২০ লাখ ডলার। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এই সীমা ১৯ লাখ ডলার, দক্ষিণাঞ্চলে ১৮ লাখ ডলার এবং মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে ১৭ লাখ ডলার। জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসনের মূল্য এবং সম্পদের বাজারদরের পার্থক্যের কারণে অঞ্চলভেদে এই ব্যবধান তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ, একই পরিমাণ সম্পদ নিয়ে একটি পরিবার যদি কোনো অঞ্চলে শীর্ষ ১০ শতাংশে থাকে, তবে অন্য অঞ্চলে একই অবস্থানে নাও থাকতে পারে।
নিট সম্পদ বলতে বোঝায়, কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের মোট সম্পদ থেকে সব ধরনের দায়দেনা বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট অর্থমূল্য। এর মধ্যে বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংকে থাকা অর্থ, বিনিয়োগ, অবসরকালীন সঞ্চয় এবং স্বর্ণ বা মূল্যবান সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর মতো সম্পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, বাড়ি বা গাড়ির ঋণ, শিক্ষাঋণ, ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া এবং অন্যান্য ঋণ দায়দেনার মধ্যে পড়ে। তাই শুধুমাত্র আয় বা ব্যাংকে জমা অর্থ দিয়ে কারও মোট সম্পদের অবস্থান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। সম্পদের বর্তমান মূল্য ও মোট ঋণের হিসাব একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শীর্ষ ১০ শতাংশ পরিবারের ব্যয়ের ধরন অন্যান্য পরিবারের তুলনায় ভিন্ন। পোশাক, বিমানে ভ্রমণ এবং হোটেলে থাকার মতো খাতে তাদের ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে বেশি সম্পদ থাকা মানেই সব পরিবার একইভাবে অর্থ ব্যয় করে, এমন নয়। পরিবারের আয়, বয়স, বসবাসের স্থান এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনও ব্যয়ের ধরনকে প্রভাবিত করে। ভিসার বিশ্লেষণে আর্থিক সচ্ছলতা বোঝার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সম্পদের পরিমাণ নয়, ভৌগোলিক অবস্থান ও জীবনযাত্রার ব্যয়কেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউবিএসের ২০২৬ সালের বৈশ্বিক সম্পদ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরিবারের গড় নিট সম্পদ প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তবে গড় সম্পদ এবং শীর্ষ ১০ শতাংশে প্রবেশের সীমা এক বিষয় নয়। অল্পসংখ্যক অত্যন্ত ধনী পরিবারের বিপুল সম্পদও জাতীয় গড়কে বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে গড় পরিবারের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে শীর্ষ ধনীদের সম্পদের ব্যবধান উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
নিট সম্পদ বাড়ানোর জন্য আর্থিক পরিকল্পনা, জরুরি প্রয়োজনে সঞ্চয়, উচ্চ সুদের ঋণ পরিশোধ এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা। ফিডেলিটির মতে, নিয়মিত সঞ্চয়, ঋণ কমানো এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বিনিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন আয়স্তরের মানুষই ইতিবাচক নিট সম্পদ গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারেন। তবে ১৮ লাখ ডলারের সীমাটি ভিসার বিশ্লেষণভিত্তিক মানদণ্ড; সম্পদের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ শতাংশে অবস্থানের হিসাব জরিপ ও তথ্যের সময়কাল অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ৭ শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছে।
প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার (২৬ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়।
এই ৭ নেতা হলেন- আমির হোসেন আমু, দীপু মনি, শাজাহান খান, কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান, আবদুর রাজ্জাক, মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা ও উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন ও অন্যান্য অমানবিক আচরণ। তাদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয়েছে।
এছাড়া অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধে ব্যর্থতা, অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত না করা এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগও তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রসিকিউশনের যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদনটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। এরপর অভিযোগ আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠনসহ বিচার শুরুর বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে।
৭ আসামিই আওয়ামী লীগ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। দলের নীতিনির্ধারণেও তাদের ভূমিকা ছিল। তাদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান ও মির্জা আজমের বিরুদ্ধেও ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো বিচার শুরু হতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ