প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁ শহরের মধ্য দূর্গাপুর গ্রামে ১০/১১ বছর আগে স্বামীর দ্বারা লাগানো আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে যাওয়া এক প্রতিবন্ধী মহিলার উপর আবারও অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। শাহনাজ বেগম নামের ওই মহিলার স্বামী সাইদুল ইসলাম, ভাসুর আব্দুর রশিদ এবং জা আব্দুর রশিদের স্ত্রী নূর এ জান্নাতের দ্বারা অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৭ বছর আগে আজাদুল ইসলামের কন্যা শাহনাজ বেগমের সাথে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। ১০/১২ বছর আগে সাইদুল ইসলাম দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দেয়ার কারণে স্ত্রী শাহনাজকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর ফলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ এবং দুই হাত মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। এরপর স্বামী বিদেশে চলে যায়। দীর্ঘদিন পর বিদেশ থেকে ফিরে এসে আবারও নির্যাতন শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্বামী, ভাসুর এবং বড় জা শাহনাজের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। বিছানায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রচণ্ড নির্যাতন চালায়। তাদের দ্বারা পরনের কাপড়চোপরও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগম বলেন, "দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দিলে আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে।" তিনি আরও বলেন, "আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলতে না পেরে বিভিন্ন নির্যাতন করছেন। আমি অগ্নিদগ্ধ প্রতিবন্ধী, আমি আমার স্বামীর এই নির্যাতনের বিচার দাবী করছি।"
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগমের মা বলেন, এই নির্যাতনের সংবাদ পেয়ে গ্রামের প্রতিবেদীরা ছুটে আসেন। নির্যাতন দেখে প্রতিবেশীরা কষ্ট পান। স্থানীয় এক প্রতিবেশী নারী জানান, প্রতিবন্ধী অসহায় দরিদ্র পরিবারের উপর এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিহত করতে গিয়ে তাকেও লাঞ্চিত করা হয়েছে। এলাকাবাসী নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, "বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে প্রতিবন্ধী ঐ নারী অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন