মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৭ পি.এম
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জয়নাল আবদীন নামে এক ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এসব অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু তদন্ত, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জয়নাল আবদীন।
সংবাদ সম্মেলনে জয়নাল আবদীন অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ তার আপন ছোট ভাই আলাউদ্দিন।
তার দাবি, আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনি মামলা দায়ের করার পর ওই মামলা থেকে রক্ষা পেতে তার বিরুদ্ধে পাল্টা একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জয়নাল আবদীন জানান, ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব মিরসরাই থানার এসআই ইব্রাহিমের কাছে আসে।
তদন্তের বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টার দিকে তিনি দুই সাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে মিরসরাই থানায় যান।
পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় আলাউদ্দিনসহ কয়েকজন তার সঙ্গে থাকা সাক্ষীদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
একপর্যায়ে তার সাক্ষীদের অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন জয়নাল আবদীন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিনি ও তার সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে মীরসরাই থানার এসআই ইব্রাহিম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদেরকে জানান আলাউদ্দিন গালাগাল করার সময় তিনি নামাজে ছিলেন। অপহরণ বা ধস্তাধস্তির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
এছাড়া আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন বলে জানান।
এদিকে জয়নাল আবদীন দাবি করেন,তার ৭ লক্ষ টাকার পাহাড়ি গাছ কেটে নেওয়ায় আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে মামলা করেন, যার মামলা নং সিআর ৪৫৭/২৫ দায়ের করেছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি পিবিআই তদন্ত করে আদালতে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছে।
পরবর্তীতে আদালত আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এখনো পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন জয়নাল।
সংবাদ সম্মেলনে জয়নাল আবদীন বলেন, “আমি কোনো প্রতিশোধ চাই না, আমি আইনের সঠিক প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার চাই।
আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আদালতের আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হোক।
তিনি আরও বলেন, তার মামলার সাক্ষীদের যারা ভয়ভীতি দেখিয়েছে বা অপহরণের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়েও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জয়নাল আবদীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"আল্লাহ, এত কষ্ট করে ধান ফলালাম, এখন সব পানির নিচে!"—এমন আহাজারি শোনা যাচ্ছে কালিয়ারকোটা হাওরপাড়ের কৃষকদের মধ্যে।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কালিয়ারকোটা হাওরের দৃশ্য এখন কৃষকদের দুঃখের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কিছুদিন আগে যে হাওরের মাঠ সোনালি পাকা ধানে ভরে উঠেছিল, সেই মাঠের একটি বড় অংশ এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকের চোখের সামনে যখন পাকা ধান ডুবে যাচ্ছে, তখন তাদের কান্না থামার নাম নেই।
বছরের শুরুতে কৃষকরা বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বোরো ধান চাষ শুরু করেন। জমি প্রস্তুত করা, বীজ ও সার সংগ্রহ, চারা রোপণ, সেচ, কীটনাশক প্রয়োগ—এই সবকিছুর জন্য কৃষকদের দীর্ঘ সময় ও প্রচুর শ্রম দিতে হয়। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিন-রাত পরিশ্রম করেন কৃষক ও কৃষিশ্রমিকরা।
যখন ধান ধীরে ধীরে পেকে সোনালি রং ধারণ করে, তখন কৃষকের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। মনে থাকে—আর কিছুদিন পর ধান কেটে ঘরে তুলবেন। সেই ধান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করবেন, সংসারের খরচ চালাবেন, সন্তানের পড়াশোনা ও পরিবারের প্রয়োজন মেটাবেন।
কিন্তু প্রকৃতির পানির কাছে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই অনিশ্চিত।
পাকা ধান পানির নিচে 'হাওরের দিকে তাকালে এখন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পাশে আজমুল হোসেন নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাসনাত হাবিব রিফাত নামে এক সাবেক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গতকাল সোমবার রাতে পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি থানা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।
হত্যা মামলাটি তদন্তের সঙ্গে যুক্ত একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হাসনাত হাবীব রিফাত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি তিনি কৃষি ব্যাংকে চাকরি পান। আজমুলদের মেসে থেকেই তিনি ব্যাংকে যাতায়াত করতেন। রিফাতের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর থানার গুণেরগাতী গ্রামে।
আরো পড়ুন
বোমা নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগ মামলায় আ. লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে।
নগরীর হরিণটানা থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আজমুলকে মারধরের সময় রিফাত উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে যান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।’
প্রসঙ্গত, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে চুরির অপবাদ দিয়ে আজমুলকে পেটানো হয়। একপর্যায়ে আজমুল চারতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। তিনি ছাদ থেকে লাফ দিয়েছেন, নাকি মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে তা তদন্ত করছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত পরিচয় ২৫ জনের বিরুদ্ধে নগরীর হরিণটানা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে গণ্ডারদের সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ২২ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব গণ্ডার দিবস’ পালিত হয়। ২০১০ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড (ডব্লিউডব্লিউএফ) সাউথ আফ্রিকার উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা, চিড়িয়াখানা এবং বন্যপ্রাণীপ্রেমীরা নিজেদের উদ্যোগের মাধ্যমে এই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীটির বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনটি উদযাপন করে থাকেন।
গণ্ডারের অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং তাদের টিকে থাকার চরম ঝুঁকির বিষয়টি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। মূলত ভৌগোলিক কারণ এবং মানুষের অবিবেচক কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ, এই প্রাণীটি বর্তমানে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে।
গণ্ডারদের জন্য প্রধান সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের শিং চোরাশিকার এবং অবৈধ বিক্রি। লোকজ চিকিৎসায় ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে এই শিং ব্যবহারের একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে, যদিও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর কোনো কার্যকারিতা নেই। এছাড়াও, ‘জাম্বিয়া’ নামক বিশেষ আনুষ্ঠানিক ছোরার হাতল তৈরির মতো আলংকারিক কাজে এই শিং ব্যবহৃত হয়। উচ্চ চাহিদার কারণে চোরাশিকারিরা এই প্রাণীর ওপর নজর রাখে। প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১০টি আফ্রিকান গণ্ডার শিকারিদের হাতে প্রাণ হারাচ্ছে।
বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আফ্রিকায় প্রায়-বিপন্ন ক্যাটাগরির সাদা গণ্ডার মাত্র ১৬৮০৩টি জীবিত রয়েছে। অন্যদিকে, চরমভাবে বিপন্ন কালো গণ্ডারের সংখ্যা ৬৪৮৭টির মতো। একটি উপপ্রজাতি ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে; বাকিদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক স্তরে চোরাশিকার বন্ধ করা এবং অভয়ারণ্য তৈরির মতো জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। দক্ষিণ এশিয়ায় কঠোর আইন প্রয়োগ, সংরক্ষিত বনাঞ্চল বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের ফলে একশৃঙ্গ ও কালো গণ্ডারের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ কেবল নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে জাভা ও সুমাত্রার মতো বিরল প্রজাতিগুলো প্রকৃতি থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের স্বত্ব বেসকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দেওয়ার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ক্ষমা চাওয়ার পরেও ফিফার সভাপতির জন্য সেই সমালোচনা থেকে মুক্তি মেলেনি। বিতর্কিত প্রস্তাবের মধ্যে এবার নতুন একটি প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন তিনি।
ফিফা কিভাবে প্রধান সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করে, তা খতিয়ে দেখতে একটি স্বাধীন বাহ্যিক পর্যালোচনার প্রস্তাব করেছেন ইনফান্তিনো। সদস্য দেশগুলোর কাছে পাঠানো চিঠিতে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বিনিয়োগ পরিকল্পনা (যা বাতিল করা হয়েছে) যেভাবে পরিচালনা করা হয়েছিল, তা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।
ফিফা কাউন্সিল এবং ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিদের কাছে পাঠানো চিঠিতে ইনফান্তিনো উল্লেখ করেছেন, ‘প্রথমত, আমি কাউন্সিলকে জিজ্ঞাসা করব যে তারা প্রধান কৌশলগত উদ্যোগগুলোর ক্ষেত্রে ফিফার বর্তমান পরিচালনা কাঠামোর একটি স্বাধীন বাহ্যিক পর্যালোচনা করাতে চায় কি না এবং সম্ভাব্য উন্নতির সুপারিশ করতে চায় কি না।’
ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কনফেডারেশন, সদস্য অ্যাসোসিয়েশন এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাবও ইনফান্তিনো দেবেন।
এই পর্যালোচনায় প্রধান উদ্যোগগুলোতে কার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে তা পরীক্ষা করা হবে। এর মধ্যে সভাপতি, ব্যুরো, কাউন্সিল এবং কংগ্রেসের নিজ নিজ ভূমিকা এবং কিভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাবাড়ানো যায়, তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বিশ্বকাপসহ ফিফার বাণিজ্যিক অধিকারের ২০ শতাংশ শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দেওয়ার কারণে ইনফান্তিনো তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। বিরোধিতা ও বয়কটের হুমকির কারণে গত জুলাই মাসে সেই পরিকল্পনাটি বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে উয়েফা, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এবং কনকাকাফ ফিফার নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবি জানায়।
সেই প্রস্তাব নিয়ে ইনফান্তিনো জানান, বাতিল হওয়া পরিকল্পনাটিতে খতিয়ে দেখা হচ্ছিল ফিফার নিয়ন্ত্রিত একটি বাণিজ্যিক কম্পানির সংখ্যালঘু শেয়ার বিক্রি করে ফুটবল উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা যায় কি না। তবে এতে খেলাধুলাসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর ফিফার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার কোনো বিষয় ছিল না বলে তিনি জানান।
প্রস্তাব চূড়ান্ত হওয়ার আগেই প্রকাশ্যে আসায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘স্বীকার করি যে, পুরো প্রেক্ষাপট না জানার কারণে এটি উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। এমন একটি ধারণা হয়েছিল যেন সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কেবল একটি প্রস্তাব ছিল, কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। এটি সব সময়ই কাউন্সিল ও সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এটি এখন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে আর কার্যকরও হবে না।’
ইনফান্তিনো আরও নিশ্চিত করেন যে, কোনো প্রস্তাব বা পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়ে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মতামত যাই হোক না কেন, তা ফিফার পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ফিফার উন্নয়ন ও সংহতিমূলক কর্মসূচিগুলো নিয়ম অনুযায়ীই চলতে থাকবে। তিনি বলেন, ‘কোনো প্রস্তাব বা প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে কোনো অ্যাসোসিয়েশনের অবস্থানের ওপর ফিফার আচরণ নির্ভর করবে না। আমি ফিফাকে নেতৃত্ব দিতে পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা একসাথে যা অর্জন করতে পারি, সে সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ