বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:০৪ এম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫)। সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই মামলায়, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তার উপার্জনে সম্মতি ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলোর বিক্রির বিজ্ঞাপন পুলিশের নজরে আসে। অভিযোগ তুলা হয়েছে যে, মোবাইল ফোনভিত্তিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পরে প্রযুক্তির সাহায্যে সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানান, পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তার বাবা মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত, চক্রটির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য গ্রেপ্তার দুজনের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবারও ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম পিপিএম (সেবা)।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা জেলার মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় জুলাই ২০২৬ মাসের পারফরমেন্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম পিপিএম (সেবা) ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, তিনি মে মাসের জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছেন।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নিকট থেকে তিনি সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, তিনি যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমন, মামলার তদন্ত কাজ, অপরাধীদের গ্রেপ্তার, এবং লাখ লাখ লোকের বসবাসের আশুলিয়া থানার আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তরিকুল ইসলামের কর্মকাণ্ডে পুলিশ বাহিনীসহ স্থানীয়রা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে, মাদক নির্মূলে তার কঠোরতায় সাধারণ মানুষ খুশি হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধ্যাপক ডিন হো’র বয়স ৪৭ বছর। তবে তাঁর গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, তাঁর শরীরের জৈবিক বয়স প্রায় ৩২ বছর। অর্থাৎ, প্রকৃত বয়সের তুলনায় তাঁর জৈবিক বয়স প্রায় ১৫ বছর কম। সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষ্ঠানের অধ্যাপক ডিন হো নিজেকে গবেষণার বিষয় বানিয়ে এই আকর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছেন।
সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ং লু লিন চিকিৎসা অনুষদের ডিজিটাল চিকিৎসা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডিন হো নিজেকে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার একমাত্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে নির্বাচন করেছেন।
গবেষণার নাম 'ডেল্টা'। এর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, বছরে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে শরীরের অবস্থা জানার প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে শরীর সময়ে কীভাবে পরিবর্তিত হয়, সেটি পর্যবেক্ষণ করা।
গবেষণার অংশ হিসেবে অধ্যাপক হো তাঁর জীবনযাত্রায় বহু পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। প্রতিদিন প্রায় ২০ ঘণ্টা উপবাস করেন, কয়েক দফা ৪৮ ঘণ্টার উপবাস করেন, প্রতিদিন সকালে ৯০ মিনিট শরীরচর্চা করেন এবং নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করেন।
তাঁর খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল শাকসবজি, বীজ, জলপাইয়ের তেল, কম চর্বিযুক্ত প্রোটিনসহ ভূমধ্যসাগরীয় ধাঁচের খাবার। পানীয় হিসেবে অধ্যাপক হো সাধারণত পানি, খনিজ লবণ যুক্ত পানি, দুধ ছাড়া কালো কফি ও চা গ্রহণ করেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, তাঁর শরীরের বিপাকক্রিয়ার পরিবর্তনের গতি আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে শরীরের শক্তির উৎস হিসেবে শর্করা থেকে চর্বিতে পরিবর্তন হতে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লাগলেও এখন তা কমে প্রায় ১৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে নেমে এসেছে।
গবেষক দলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পদ্ধতি অধ্যাপক হোর জৈবিক বয়সকে প্রায় ৩২ বছর হিসেব করেছে। তবে গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি প্রচলিত বয়স নির্ধারণের মতো শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সময়ের স্বাস্থ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করেনি। বরং চাপ ও পরিবর্তনের সঙ্গে শরীর কত দ্রুত মানিয়ে নেয় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, সেটিও এখানে বিবেচনা করা হয়েছে।
গবেষণায় তাঁর হৃদস্পন্দনেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। বিশ্রাম অবস্থায় তাঁর হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬৫ থেকে কমে ৪৬-এ নেমে এসেছে।
ঘুমের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। আগে তিনি রাত ১২টার পর ঘুমাতে যেতেন এবং প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ঘুমাতেন, পরে তাঁর ঘুমের সময় এগিয়ে রাত ৯টার দিকে আসা শুরু করে এবং ঘুমের সময় বেড়ে প্রায় আট ঘণ্টা হয়। গভীর ঘুমের পরিমাণও বৃদ্ধি পাওয়ার কথা গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্ত্রের জীবাণু পরিবেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। গবেষণার সব পরিমাপে ক্ষতিকর এক ধরনের জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টের মাঝামাঝি শুরু হওয়া গবেষণাটি যদিও এখনও চলছে, প্রায় আট মাস ধরে তিন ধরনের শরীরে পরিধানযোগ্য যন্ত্র ব্যবহার করে তাঁর শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
গবেষকরা বলছেন, সবার শরীর অভিন্ন নয়। বয়স, মানসিক চাপ, ঘুম, খাবার, ব্যায়াম ও অসুস্থতার কারণে প্রত্যেক মানুষের শরীর ভিন্নভাবে পরিবর্তিত হয়। তাই সকলের জন্য একই ধরনের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার পরিবর্তে, নিজের শরীরের তথ্য বুঝে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
সূত্র: সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বিশ্ব মশা দিবস। প্রতি বছর এই দিবসটি মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং এসব রোগের প্রতিরুদ্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার জন্য পালিত হয়। এবারের বিশ্ব মশা দিবসের প্রতিপাদ্য হলো : ‘একসাথে কাজ করি : মশা-সহনশীল সমাজ গড়ে তুলি’।
১৮৯৪ সালে বৃটিশ চিকিৎসক প্যাট্রিক ম্যানসন এবং ভারতীয় মেডিক্যাল সার্ভিসের কর্মকর্তা রোনাল্ড রস ম্যালেরিয়ার সম্ভাব্য বাহক হিসেবে মশা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। কয়েক বছরের গবেষণার পর ১৮৯৭ সালের ২০ আগস্ট তারা এই বিষয়টি প্রমাণিত করেন, যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়ার পরজীবী বহন করতে পারে। এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য রোনাল্ড রস পরবর্তীতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
তাদের এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের দিনটিকে স্মরণ করে ২০ আগস্ট তারিখটি বিশ্ব মশা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন তাদের আবিষ্কারটির তাৎপর্য ধরে রাখতে ২০ আগস্ট বিশ্ব মশা দিবসের নামকরণ করে, যা প্রতিবছর উদযাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বৃদ্ধি করে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের একটি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস এ তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুসারে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য হবে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে যে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। উপরন্তু, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সর্বশেষ ১৫ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। ওই দিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি করে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের একটি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে ১০৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫৩ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, ৫১ বার কমানো হয়েছে এবং ১ বার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভরিতে ২৩৩ টাকা বৃদ্ধি করে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের একটি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ০৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে ৬৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যার মধ্যে ৩৩ দফা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে; বাকি ৩০ দফা দাম কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় হয়েছিল; যার মধ্যে ১০ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ