মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:০৯ পি.এম
ভারতের উত্তর প্রদেশে গরু পাচারের অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক শত শত মুসলিম পুরুষকে গুলিবিদ্ধ করার ঘটনা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ আহতদের পায়ে, বিশেষ করে হাঁটুর নিচে গুলি করা হয়েছে, যা পুলিশের ‘অপারেশন ল্যাংড়া’ নামক কৌশলের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। মানবাধিকারকর্মী ও সমালোচকেরা এ ঘটনাকে বিচারবহির্ভূত শাস্তি হিসেবে দেখছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এপির প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানাচ্ছে, আত্মরক্ষার জন্য তারা গুলি চালিয়েছে। রাজ্য সরকারের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করেছে বলেও দাবি করছে পুলিশ। তবে একই ধরনের গুলির ঘটনা ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাঁটুর ঠিক নিচে গুলি করার কৌশল—যা স্থানীয়ভাবে ‘অপারেশন ল্যাংড়া’ নামে পরিচিত—এখন অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে আইনের শাসন ও ধর্মীয় পক্ষপাত নিয়ে মানবাধিকার আইনজীবী, স্থানীয় বিচারক ও অধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
২০২০ সাল থেকে প্রায় ৬৫০টি গুলির ঘটনা
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে উত্তর প্রদেশে গরু পাচারের অভিযোগে প্রায় ৬৫০টি ঘটনায় সন্দেহভাজনদের গুলি করে আহত করা হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে ২০০টির বেশি ঘটনা স্বাধীনভাবে যাচাই করেছে এপি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাংশ ঘটনায় সন্দেহভাজনদের হাঁটুর নিচে গুলি করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা পালানোর চেষ্টা করছিলেন বা গুলি চালিয়েছিলেন, এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।
উত্তর প্রদেশের ফরেনসিক চিকিৎসাবিদ্যার অধ্যাপক মোহাম্মদ কলিম খান বলেন, পালিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির পায়ের পেশির মধ্য দিয়ে গুলি প্রবেশ করে হাড়ে আঘাত না করা—বিশেষ করে দূর থেকে এমনটি ঘটানো—অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তার মতে, এ ধরনের ক্ষত কাছ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করার ইঙ্গিত দিতে পারে।
গবেষণা সংস্থাটির বিশ্লেষণ করা পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য থাকা ৬২৭টি ঘটনার মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি আহত সন্দেহভাজন মুসলিম ছিলেন। তবে পুলিশের প্রকাশ করা ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তথ্য সংগ্রহ করায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধর্মীয় পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার পুলিশের
উত্তর প্রদেশের জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা অমিতাভ যশ বলেছেন, পুলিশকে কেবল আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। সন্দেহভাজনদের পায়ে গুলি করার কোনো নির্দেশ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
আহতদের মধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা বেশি হওয়ার পেছনে গবাদিপশুর ব্যবসায় তাদের অংশগ্রহণকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা। তার দাবি, পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্মীয় পক্ষপাতের অভিযোগ সঠিক নয়। তবে পুলিশের প্রতিটি পদক্ষেপের জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন বলেও তিনি স্বীকার করেন।
পুলিশের গুলিতে নিহতদের এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম
প্রতিবেদনে পাওয়া রাজ্য পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, যোগী আদিত্যনাথ ২০১৭ সালের মার্চে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩১৬ জন সন্দেহভাজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১০ জন, অর্থাৎ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম।
অথচ রাজ্যটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মুসলিম। একই সময়ে পুলিশের গুলিতে ১২ হাজার ৮৯০ জন সন্দেহভাজন আহত হয়েছেন। দায়িত্ব পালনকালে ১৮ পুলিশ সদস্য নিহত এবং ১ হাজার ৯৫৩ জন আহত হয়েছেন। তবে আহত সন্দেহভাজনদের ধর্মীয় পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র থেকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতাকেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে ঝুঁকে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন সমালোচকেরা। তাদের মতে, উত্তর প্রদেশে অপরাধ দমনের কঠোর নীতি মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। তবে পুলিশ ধর্মীয় পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গুলিতে পঙ্গুত্ব, বিপাকে পরিবার
এপি ছয়জন গুলিবিদ্ধ মুসলিমের স্বজনের সঙ্গে কথা বলেছে। প্রতিশোধের আশঙ্কায় তারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। তাদের স্বজনেরা কেউ কারাগারে রয়েছেন, কেউ আত্মগোপনে আছেন।
দুই মা জানিয়েছেন, তাদের ছেলেরা মহিষের ব্যবসা করতেন। তাদের দাবি, মহিষ গরু সুরক্ষাসংক্রান্ত আইনের আওতাধীন নয়। পুলিশের গুলিতে আহত হওয়ার পর তাদের ছেলেরা আর কাজ করতে পারছেন না। ফলে পরিবারগুলো অন্যের সাহায্য ও ছোট অঙ্কের ঋণের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে।
এক মা বলেন, তার ছেলে এখন খুঁড়িয়ে চলেন এবং কাজ করতে পারেন না। অন্যের দেওয়া সাহায্য নিয়েই তাদের দিন কাটছে।
সূত্র: এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্ব খাতে পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি, যিনি অতীতে বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ করেছেন— এমন উপলব্ধি থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে, তার ভাতিজা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তার পক্ষে এই টাকা জমা দেন, যা পূর্বের ভ্রমণের ভাড়া পরিশোধের উদ্দেশ্যে।
হাবিবুর রহমান সুলতানপুর ইউনিয়নের রাধিকা এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি দীর্ঘকাল সৌদি আরবে প্রবাসী ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী কবির হোসেন তালুকদার বিকেলে তার ফেসবুক পেজে বিষয়টি তুলে ধরেন।
তিনি জানান, হাবিবুর রহমান অতীতে ভুলবশত টিকিট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন বলে উপলব্ধি করেছেন এবং সেই কারণে তিনি পূর্বের ভ্রমণের ভাড়া পরিশোধ করেছেন। তার ভাতিজা রেলওয়ের রাজস্ব খাতে পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। এই উদ্যোগে রেল কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট।
কবির হোসেন তালুকদার বলেন, "মানুষের প্রকৃত মহত্ত্ব প্রকাশ পায় নিজের ভুল উপলব্ধি করা এবং তা সংশোধনের সাহস দেখানোর মধ্য দিয়ে। সততা মানে শুধু অন্যের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত হওয়া নয়, নিজের বিবেকের কাছেও স্বচ্ছ থাকা।" হাবিবুর রহমানের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং এটি অন্যদের সততা ও দায়িত্বশীলতার চর্চায় উৎসাহিত করবে।
তিনি আরও বলেন, "বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণকারীরা যদি হাবিবুর রহমানের মতো দায়িত্ববোধ থেকে নিজেদের ভুল সংশোধনে এগিয়ে আসতেন, তাহলে রেলওয়ের আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখত।" তিনি জানান, ইদানীং মাঝে মাঝে পুরোনো দায় শোধের খবর পাওয়া যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তারা পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
রিজভী এ সময় মন্তব্য করেন যে, বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি বলেন, "মশাল মিছিলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে জনকল্যাণমুখী রাজনীতির সূচনা করেছেন, তা বাস্তবায়নে জাতীয়তাবাদী যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত নয়, যা পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে। বিএনপির এই নেতা রাজনৈতিক দলগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন কৃষকরা। তারা অভিযোগ করেছেন যে, সার ডিলাররা কালোবাজারে সার বিক্রি করছেন এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সার বিতরণ করছেন। এই কারণে মহাসড়কটিতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের পারুলিয়া বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সার ডিলারের বাসস্থান বগুড়ায় হলেও স্থানীয় জাদু মেম্বার ও ভুট্টু নামের দুই ব্যক্তি সার বিতরণে নিয়োজিত রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা কালোবাজারে সার বিক্রি এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সার বিতরণ করছেন। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে কৃষকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনও ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
অন্যান্য কৃষকরাও অভিযোগ করেছেন যে, ডিলারের লোকজন একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে গভীর রাতে নিজেদের পছন্দের লোকদের ১০-১২ বস্তা করে সার দিচ্ছেন। সাধারণ কৃষকরা দিনের পর দিন ঘুরেও প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। একজন কৃষক বলেন, "সকাল ছয়টা থেকে আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, এখন বলা হচ্ছে, সার নাই।" এই কারণে তারা সারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
অবরোধে অংশগ্রহণকারী চরাঞ্চলের আট নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক মমিনুর ইসলাম বলেন, ‘ডিলারের মাধ্যমে সার বিতরণ বন্ধ করে খোলাবাজারে সার সরবরাহ চাই। সার বিতরণে অনিয়ম বন্ধ করে প্রকৃত কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কালোবাজারে সার বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
অন্য এক কৃষক একরামুল বলেন, ‘যে সময়ে সারের প্রয়োজন, সেই সময়ে যদি সার না পাই, তাহলে কৃষক ও কৃষকের পরিবার কিভাবে বাঁচবে? কৃষি অফিসার তো কয়, সার আছে, সারের কোনো সংকট নাই। তো সার কই গেল? আমরা যেন সঠিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। দীর্ঘদিন ঘুরেও সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আজ বাধ্য হয়ে আমরা মহাসড়কে নেমে অবরোধ করেছি।’
স্থানীয় কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ভুট্টার আগাম চাষের মৌসুমে সময়মতো সার না পেলে কীভাবে চাষাবাদ করব? সার ছাড়া জমিতে ঠিকমতো আবাদ করা যায় না। সময়মতো সার দিতে না পারলে ফসল লাল হয়ে যায়, ফলনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমাদের সারা বছর সংসার চলে ভুট্টা চাষের আয়ের ওপর। এই ফসলের ওপর নির্ভর করেই পরিবারের ভরণপোষণ। সার না পেলে আমাদের আবাদ হবে না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন-অর রশিদ বলেন, ‘সার বিতরণের জন্য আমাদের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবে বিতরণ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় দিতে হবে। প্রয়োজনে আমরা আগামী মাসের বরাদ্দের সারও দিতে পারব। বর্তমানে ছয়টি ওয়ার্ডে সার বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে সার বিতরণ শেষ হবে। কালোবাজারে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।’
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপজন মিত্র বলেন, ‘ঘটনা শুনে আমি সেখানে পৌছে সড়ক অবরোধকারীদের সাথে কথা বলি এবং সারের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেই। পাশাপাশি তাদের যে অভিযোগগুলো ছিল তা খতিয়ে দেখা হবে। যাতে করে কেউ সার নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করতে না পারে। পরে তারা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ এবং সামগ্রিক সামর্থ্য বৃদ্ধিতে চীন সরকারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
সাক্ষাৎকালে চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ এবং সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন সরকারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ