মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মিশিগানের তরুণ ডেমোক্র্যাট নেতা ড. আব্দুল এল সাইদ। নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি মার্কিন সিনেটের ইতিহাসের প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে পরিচিতি পাবেন। তবে, তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং সিনেটর হওয়ার সম্ভাবনা ঠেকাতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। ট্রাম্প তাকে প্রকাশ্য জনসভায় ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংযোগের অভিযোগ তুলেছেন। এ প্রশ্নটি সামনে এসেছে—কে এই আব্দুল এল সাইদ, যিনি ট্রাম্পের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন?
জন্ম ও বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবন
১৯৮৪ সালে মিশিগানের রচেস্টার হিলসে আব্দুর রহমান মোহাম্মদ এল সাইদের জন্ম হয়। তার মা-বাবা ছিলেন মিসরীয় অভিবাসী। অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়ে তিনি জনস্বাস্থ্যের ওপর পিএইচডি এবং চিকিৎসাবিদ্যায় এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রথাগত চিকিৎসাসেবায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি গবেষণায় মনোনিবেশ করেন এবং মর্যাদাপূর্ণ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারিবিদ্যা (এপিডেমিওলজি) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা শুরু করেন।
প্রশাসনিক সাফল্য ও জনপ্রিয়তা
২০১৫ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এল সাইদ। তিনি ছিলেন দেশের কোনো বড় শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে তিনি ওয়েন কাউন্টি স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব নেন। সিনেট নির্বাচনে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে গত বছর তিনি এ পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
নির্বাচনি প্রচারণায় সাধারণ আমেরিকানদের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, আবাসন সংকট সমাধান এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মতো বাস্তবমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে তার অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের চেয়ে এগিয়ে থাকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিবিরে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্পের আক্রমণ ও ‘জিহাদি’ তকমা
মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত জনসভায় ট্রাম্প নিজের দলের প্রার্থীর প্রশংসা করার চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেন এল সাইদকে আক্রমণ করতে। তিনি অভিযোগ করেন, এল সাইদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং তিনি সিনেটর হলে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত সংবেদনশীল জাতীয় নিরাপত্তার গোপন তথ্যের নাগাল পেয়ে যাবেন। এল সাইদকে মার্কিন সিনেটে যাওয়া থেকে যে কোনো মূল্যে ঠেকানোর আহ্বান জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্পের আক্রমণের মুখে সাইদের দৃঢ় জবাব
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের জবাবে এল সাইদ মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে কড়া জবাব দেন। তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমার নামের প্রথম অংশ ‘আব্দুল’ নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগছেন। অথচ তার জামাতার ব্যবসায় শত শত কোটি ডলার ঢালা সৌদির মুসলিম নাম নিয়ে ট্রাম্পের কোনো আপত্তি থাকে না। কাতার থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ উপহার পেলেও তিনি বিচলিত হন না।’
ট্রাম্পকে উপহাস করে এল সাইদ আরও বলেন, ‘ট্রাম্প আমার নাম ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারেন কি না, তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ নভেম্বরের নির্বাচনের পর তিনি আমাকে অনায়াসেই ‘সিনেটর’ বলেই ডাকতে পারবেন।’
এদিকে, ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা ড. আব্দুল এল সাইদকে ঘিরে মিশিগানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ সাধারণ আমেরিকান অভিবাসীদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনা ও সমর্থনের জোয়ার তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার জালিয়াতির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ২০ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এদিনের তারিখ ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ ঠিক করেছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার মো. আবদুচ ছামাদ বাদী হয়ে ঢাকার তৎকালীন মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগ আমলে নিয়ে দুদককে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, চেয়ারম্যান মিস মিরফাত আরা বেগম, এস আলম গ্রুপ ও এস আলম সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি'র পরিচালক মো. জয়নাল আবেদিন, আরাস্ত খান, প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান, আবু সাইদ মোহাম্মদ কাশেম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সৈয়দ আবু আসাদ, মো. কামরুল হোসেন, আহসান আলম, প্রফেসর ডা. মো. সেলিম উদ্দিন, শওকত হোসেন, খুরশিদ-উল-আলম, প্রফেসর ডা. কাজী শহীদুল আলম, মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জি. আবদুল মতিন, জামাল মোস্তফা চৌধুরী এবং প্রফেসর ডা. মো. সিরাজুল করিম।
মামলার এজাহারে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি'র পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে এজাহারের ১২ নম্বর আসামি করে বলা হয়েছে, তিনি এস আলম ও আবদুল ওয়াহেদের সঙ্গে যোগসাজশে নির্বাচিত পরিচালক ছিলেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের পরিচালিত ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠানের ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার অধিগ্রহণ করে, যা প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ। এসব শেয়ারের মোট মূল্য ২৫১ কোটি টাকা।
ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলেও পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা। মাত্র ৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণ আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে, পরস্পরের যোগসাজশে জনগণের অর্থে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই লেনদেন সম্পন্ন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি'র মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে ২৪টি শেয়ারহোল্ডার কোম্পানি, যাদের অনেকের সঙ্গেই এস আলম গ্রুপের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। শেয়ার স্থানান্তরের প্রক্রিয়া, অর্থের উৎস এবং ক্রয়-বিক্রয়ের তারিখ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শেয়ার বিক্রি ও ক্রয়ের তারিখ উভয় পক্ষের ক্ষেত্রেই একই দিনে ছিল; অর্থাৎ শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি পূর্বপরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
এস. আলম গ্রুপ, তার মালিক বা উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি এবং তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালকেরা সম্মিলিতভাবে এই ব্যাংকের ওপর দখল প্রতিষ্ঠার কৌশল অবলম্বন করেছেন এবং এর দায়দায়িত্বও সম্মিলিতভাবেই তাদের ওপর বর্তায়। এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বার্থসংশ্লিষ্ট লেনদেন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে অবৈধভাবে নিজেরা লাভবান হয়ে জনগণের অর্থ আত্মসাৎ ও ফৌজদারি বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে মামলা দায়েরের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাদে অপর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘আমাদের টার্গেট হচ্ছে মানুষকে জাগিয়ে তোলা। এখানে অনেক অব্যবহৃত সম্ভাবনা রয়েছে, যা একসময় নিজেরাই বেরিয়ে আসবে। আমাদের কাজ হচ্ছে তাদের বেরিয়ে আসার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া।’
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আমরা চাই, আমাদের ছেলেমেয়েরা আমাদের চেয়ে ভালো জায়গায় অবস্থান করুক। তারা আমাদের চেয়ে যোগ্য হয়ে শুধু এই চেয়ারে নয়, এর চেয়ে আরো বড় চেয়ারে কীভাবে বসা যায়—সেভাবে নিজেদের তৈরি করুক।’
মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত 'জব ফেয়ার' (চাকরি মেলা) উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অবস্থাতেই চাই না এই প্রজন্মের তরুণরা মাদকাসক্ত হোক, অবহেলিত হোক বা কর্মহীন হোক। আমার মনে হয়, তাদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, তার স্ফুরণ তারা ঘটাতে পারবে, যদি আমরা তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারি। আজকের এই জব ফেয়ার যদি সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ কীভাবে করা যাবে সেই দিকনির্দেশনা দিতে পারে, তবেই আমাদের কষ্ট সার্থক হবে। এই অঞ্চল একটি অবহেলিত অঞ্চল। কাজেই আমাদের এই অঞ্চলকে জাগিয়ে তুলতে এই জব ফেয়ার একটি ইতিবাচক ধাক্কা বা ঢেউ হিসেবে কাজ করবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান ও আগামী দিনের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণ-তরুণীদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে কিংবা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে।’
মফস্বল অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার যুবসমাজকে চাকরির সন্ধানে দূর-দূরান্তে বা বড় শহরে যাওয়ার ভোগান্তি ও যাতায়াত খরচ কমাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৮০টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। স্থানীয় যুবসমাজকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী করা এবং সমকালীন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তরুণদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দক্ষতা বৃদ্ধি (স্কিল ডেভেলপমেন্ট) করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই 'জব ফেয়ার' উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরামপুর জব ফেয়ার কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা (পিপিএম) প্রমুখ।
মেলায় ব্যাংক, টেক্সটাইল, ওষুধ, আইটি ও এনজিওসহ দেশের উৎপাদন ও সেবা খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৮০টি দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। অনলাইনে বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২৫ হাজার চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেছেন।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মক্কা, সৌদি আরবের পবিত্র নগরীতে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও মুসল্লিরা ওমরাহ পালন করেছেন। গতকাল সোমবার, পবিত্র মসজিদুল হারামে বৃষ্টির সময় মুসল্লিদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ভারী বৃষ্টির মধ্যে মুসল্লিরা মসজিদুল হারামে ইবাদতে ব্যস্ত রয়েছেন। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববির বিষয়াবলি দেখভালের দায়িত্বে থাকা সাধারণ কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা ছবিটি রয়টার্স প্রকাশ করেছে।
মক্কায় বৃষ্টির কারণে পবিত্র এই স্থানে এক ভিন্ন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যেও মুসল্লিদের ইবাদত অব্যাহত রাখার দৃশ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) পূর্বে মক্কাসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। ১৯ অক্টোবর মক্কায় ভারী বৃষ্টির কারণে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। সেই সময় প্রবল বাতাস, দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়া, শিলাবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছিল।
এর আগে ১৪ অক্টোবরেও মক্কা, জাজান ও আল-বাহা অঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল। আবহাওয়া কর্তৃপক্ষের পূর্বাভাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক বন্যা ও প্রবল বাতাসের ঝুঁকি থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কতা অনুসরণ করা জরুরি বলে সৌদি আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে।
পবিত্র মক্কায় বৃষ্টির মধ্যেও মুসল্লিদের ওমরাহ পালন ও ইবাদতের দৃশ্য আবারও বিশ্বের মুসলমানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তবে বৃষ্টির কারণে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার ১২ নম্বর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে রহমতপুর ইউনিয়নে এ উপলক্ষে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শাহ আলম সওদাগর। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রহমতপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহজাহান ও মো. রিয়াদ সওদাগর। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহাবউদ্দিন।
উঠান বৈঠকে এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা, নাগরিক সমস্যা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্থানীয় মানুষের মতামত ও প্রত্যাশা জানার পাশাপাশি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে করণীয় বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে।
আয়োজনের ব্যানারে উল্লেখ করা হয়, ১২ নম্বর রহমতপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে মো. নিজাম উদ্দিনের এ উদ্যোগকে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর কার্যক্রম হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতার আগ্রহ প্রকাশ এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে এলাকার সমস্যা ও নাগরিক প্রত্যাশা তুলে ধরার এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ