মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
রাজধানীর উত্তরায় রাজউকের প্লট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মুন্সী মঞ্জুর-ই-এলাহী ওরফে মঞ্জুরুল আলম (৬৭) নামের এক আসামির জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেনের আদালত এ আদেশ প্রদান করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদী প্রশান্তি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. নাছিরের সঙ্গে আসামিদের পূর্বপরিচয়ের মাধ্যমে ঢাকায় জমি কেনাবেচার যৌথ ব্যবসা চলছিল। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী, জমি বিক্রির পর লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ বাদী এবং বাকি ৫০ শতাংশ আসামিদের পাওয়ার কথা ছিল। এই প্রেক্ষাপটে আসামিরা বাদীকে জানান, উত্তরায় রাজউকের একটি আকর্ষণীয় ৫ কাঠার প্লট রয়েছে, যা ৫ থেকে ৬ কোটি টাকায় কিনে পরবর্তীতে ৯ থেকে ১০ কোটি টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। আসামিদের প্ররোচনায় বাদী ২০২৩ সালের ১ আগস্ট উত্তরায় ওই প্লট পরিদর্শন করে বিনিয়োগে সম্মত হন।
পরবর্তীতে জমি বায়না ও রেজিস্ট্রির কথা বলে বিভিন্ন দফায় পে-অর্ডার ও নগদে বাদীর কাছ থেকে মোট ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
অন্যদিকে, সিটি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে আসামি রাফিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. রবিউল আলম এবং ৩ নম্বর আসামি মুন্সী মঞ্জুর-ই-এলাহীর অনুকূলে কয়েক কোটি টাকা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রফিকুল ইসলাম, মো. আনিছুর রহমান মিঞা হাসচিব, হাসনা হেনা ও আসিফ হাসান তুলিপসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যরাও বাদীর কাছ থেকে দফায় দফায় নগদ টাকা গ্রহণ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অর্থ গ্রহণের পর থেকেই জমি বুঝিয়ে না দিয়ে আসামিরা কালক্ষেপণ শুরু করেন। একপর্যায়ে বাদীর ফোন বন্ধ করে তারা উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরের অফিস তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর আদালতে সিআর মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সিআইডি ঘটনার সত্যতা পেয়ে চলতি বছরের ৩০ জুন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
এদিকে, মঞ্জুরুল আলমের বিচার চেয়ে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগীরা। মানববন্ধনে বক্তারা সংঘবদ্ধ এই প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আত্মসাত করা টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপন করা হয়েছে। জেলা যুবদলের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে মহানগরের মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল খেলার মাঠে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে।
এর আগে সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন নেতাকর্মীরা।
সমাবেশের পূর্বে বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম বাদশা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, যুবদল বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন। দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ। জনগণের আস্থা অর্জনে নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল আচরণ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততা বজায় রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
এমপি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতিয়ার হিসেবে গুড়া জেলা যুবদল কাজ করেছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চান, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুর বারী তালুকদার বেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম, খায়রুল বাসার, জেলা যুবদলের সাবকে আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ সুজন, শহর যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব মমি, সাধারণ সম্পাদক আদিল শাহরিয়ার গোর্কি প্রমুখ। এছাড়া সংগঠনটির ২৫টি ইউনিটের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘সিআইডি’র স্রষ্টা, প্রযোজক ও পরিচালক ব্রিজেন্দ্র পাল সিং, যিনি বিপি সিং নামেও পরিচিত, মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৭ বছর।
বিপি সিংয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন পরিচালক অশোক পণ্ডিত। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ভারতীয় টেলিভিশন জগতে বিপি সিংয়ের অবদান দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার সৃষ্টিকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নির্মাতাদেরও অনুপ্রাণিত করবে।
অশোক পণ্ডিতের সঙ্গে ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ডিরেক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল বিপি সিংয়ের। প্রয়াত নির্মাতাকে তিনি প্রিয় বন্ধু ও অসাধারণ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আগামী ২৮ অক্টোবর বিপি সিংয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভারতীয় টেলিভিশনে অপরাধ ও ভৌতিক ঘরানার ধারাবাহিককে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে বিপি সিংয়ের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তার নির্মাণ ও প্রযোজনায় দর্শকদের কাছে বিশেষ পরিচিতি লাভ করে ‘সিআইডি’ ও ‘আহট’। এর মধ্যে ‘সিআইডি’ দীর্ঘ সময় ধরে প্রচারিত হয়ে ভারতীয় টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে।
১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু করে ‘সিআইডি’ মূলত মুম্বাইয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের একটি দলকে কেন্দ্র করে নির্মিত। বিপি সিং ধারাবাহিকটির প্রযোজনা ও পরিচালনার পাশাপাশি কয়েকটি পর্বে অভিনয়ও করেছিলেন। ২০০৪ সালের অক্টোবরে এর একটি বিশেষ পর্ব একটানা ১১১ মিনিটের শটে ধারণ করা হয়েছিল, যা সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এছাড়া ১৯৯৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সনি টিভিতে প্রচারিত ভৌতিক ধারাবাহিক ‘আহট’-এর প্রযোজক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘খাকি’, ‘অভয়’ এবং ‘সুপার কপস ভার্সেস সুপার ভিলেনস’। ভারতীয় টেলিভিশনে তার দীর্ঘ কর্মজীবন ও সৃষ্টিশীল অবদান দর্শক এবং সহকর্মীদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নীলফামারীতে উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি আয়োজন করা হয়। র্যালিটি দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার সেই স্থানে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভাটি সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রাশেদ রেজা উদ-দৌলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান তৌহিদ এবং সদস্যসচিব আবু সাঈদ বাবু।
বক্তারা এ সময় বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে যুবদলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দলের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সালেকিন আহমেদ সজীবসহ যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এইচএসসি ও সমমানের ফলাফলের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে। একই সাথে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফল দেখার পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল বিভিন্ন পদ্ধতিতে দেখা সম্ভব। বোর্ডগুলো থেকে প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনলাইনে প্রাপ্ত ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য উক্ত ওয়েবসাইটের Result কর্ণারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া, তারা শিক্ষা বোর্ডসমূহের কমন ওয়েবসাইট https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।
অতিরিক্তভাবে, পরীক্ষার্থীরা যে কোনো মোবাইল নম্বর থেকে 16140 নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানার জন্য HSC
শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।
আগামী ৩১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের সাথে সাথে ফলাফল স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে।
এর আগে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা পরিবর্তন করে ৩১ অক্টোবর নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ