ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এএসআই পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা, গ্রেফতার ৪


এএসআই পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা, গ্রেফতার ৪

রংপুর জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ক্যাডেট এএসआई (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী এবং রংপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালকসহ দালাল চক্রের ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রংপুর জেলা ডিবি পুলিশ মহানগরীর হনুমানতলা এবং জাহাজ কোম্পানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী ও দালাল চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় পুলিশ তাদের হেফাজতে থাকা ভুয়া প্রবেশপত্র, অর্থের লেনদেনের বিভিন্ন স্ক্রিনশট এবং বিভিন্ন ডিভাইস জব্দ করে।

শনিবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত ৪ জনের মধ্যে তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার মো. আশরাফুল ইসলাম (২১), রংপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক মো. বাদশা মাসউদ আলম (৪৮), দিনাজপুর বোচাগঞ্জের মো. তাজমিলুর রহমান (১৯), এবং নীলফামারী সদরের মো. নুরুল ইসলাম (৪৬)। এর মধ্যে নুরুল ইসলামকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং রবিবার আদালতে পাঠানো হবে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার মো. আশরাফুল ইসলামকে ১টি জাল প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের ফেইস ডিটেকশন পয়েন্টে প্রবেশ করার সময় সন্দেহ হলে যাচাই-বাচাই করার জন্য তাকে পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের একাডেমিক ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে প্রবেশপত্রটি ভুয়া এবং তার সাথে আরও ৩ জন জড়িত রয়েছে। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ পলাতক ৩ জনকে গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মেট্রোপলিটনে একটি মামলা করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালী থানায় মামলা করেছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

ওসি নাজমুল কাদের জানান, তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজাতে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা থেকে গ্রেফতার নুরুল ইসলামকে সন্ধ্যায় হস্তান্তর করায় তাকে রবিবার আদালতে পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মীর হেলাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মীর হেলাল

জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

তিনি বলেন, বিএনপি ও সরকারের মূল আদর্শ হলো আর্তপীড়িত দুঃখী মানুষের সেবা করা এবং জনগণকে দেশের মূল মালিক হিসেবে বিবেচনা করে তাদের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন করা।

শনিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার সরকার হাটের গনি কমিউনিটি সেন্টারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ আয়োজিত সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আমাদের দেশের প্রকৃত মালিক হচ্ছে এদেশের সাধারণ জনগণ। আমাদের প্রত্যেকের মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা সুনিশ্চিত করা।

অতীতের ত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরে মীর হেলাল বলেন, বিগত ১৯ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গ-সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। চরম প্রতিকূলতা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও দলের প্রতিটি ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ের সদস্যরা সর্বদা দুঃখী, অসহায় ও পীড়িত মানুষের পাশে থেকে সেবা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করেছে।

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, আমাদের রাজনীতিতে কোনো বাছ-বিচার নেই। আমরা সম্মিলিতভাবে দল-মত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং সেবা করতে চাই।

হাটহাজারীর সাম্প্রতিক দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সাড়ে পাঁচ মাসে (১৬৫ দিনে) হাটহাজারীতে সাড়ে চারশ’র বেশি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩৮০টি উন্নয়ন কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বা শেষের পথে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রভাবশালীর বাধায় রাস্তার কাজ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


প্রভাবশালীর বাধায় রাস্তার কাজ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের তালম পদ্মপাড়া গ্রামে এক ব্যক্তি আব্দুর সবুর প্রামাণিকের কারণে এডিপির অর্থায়নে নির্মাণ হতে যাওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে গ্রামবাসীর মুক্তির আশা অধরাই রয়ে গেল।

উপজেলার তালম ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি বিষ্ময়ের সৃষ্টি করেছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কাজ বন্ধ করেছে মো. আব্দুর সবুর প্রামাণিক, যিনি তালম পদ্মপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

এদিকে, ওই রাস্তা নির্মাণের পাশাপাশি কাজ বন্ধ করার ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে একটি আবেদন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ আকারে পাঠানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে গণস্বাক্ষরযুক্ত আবেদনটি উল্লেখ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তালম ইউনিয়নের তালম পদ্মাপাড়া গ্রামের একটি কাচা রাস্তা আছে, যেখানে প্রায় ২৫টি পরিবারের সদস্যরা বহু বছর ধরে চলাফেরা করে আসছেন। কিন্তু কাচা রাস্তাটি ভেঙে পড়ার কারণে কৃষকদের ফসল আনা নেওয়া, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া, উপরন্তু চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছিল। গ্রামবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তালম ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হামিদ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এই রাস্তা নির্মাণের জন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছিলেন। ঠিকাদার সেখানে নির্মাণ উপকরণ, ইট এবং বালির মতো সামগ্রী নিয়ে গিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু আব্দুর সবুর প্রামাণিক রাস্তার জায়গাটি নিজের দাবি করার ফলে নির্মাণ কাজটি জোরপূর্বক বন্ধ করে দেন। রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় গ্রামবাসীরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তিনি কোনো কথাই শুনেননি এবং ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেন। ফলস্বরূপ, বর্তমানে ওই রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে।

এদিকে, ভুক্তভোগী আব্দুল সালাম, আব্দুল মান্নান, এবং মো. আছাদুজ্জামানসহ একাধিক ব্যক্তি বলেছেন, "আমরা ২৫টি পরিবার এখানে বসবাস করি। রাস্তা না থাকায় কৃষকেরা ফসল আনা নেওয়া, ছাত্রদের স্কুলে যেতে এবং রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।" তারা জানান, তাদের জন্য রাস্তার ইট বিছানো খুবই জরুরি ছিল, কিন্তু আব্দুর সবুর প্রামাণিকের বাধার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।

এই প্রসঙ্গে আব্দুর সবুর প্রামাণিক বলেন, "এই জায়গাটি আমার ব্যক্তিমালিকানাধীন। তবে আমি চলাচলের জন্য রাস্তা দিয়েছি। কিন্তু সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থে আমার ব্যক্তিগত জায়গায় কাজ করতে দেব না।"

তালম ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মো. নাজির উদ্দিন বলেন, "গ্রামবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আমি ইউনিয়ন পরিষদে রাস্তাটির কাজ করার প্রস্তাব পাস করেছিলাম। কিন্তু এক ব্যক্তির বাধার কারণে কাজ চলছে না।"

এ খবরে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, "আমি বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিবৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যাহত হলেও কাঁচামরিচ বিক্রিতে লাভবান নওগাঁর চাষিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ পি.এম


অতিবৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যাহত হলেও কাঁচামরিচ বিক্রিতে লাভবান নওগাঁর চাষিরা

অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হলেও লাভবান হচ্ছেন নওগাঁর চাষিরা কাঁচামরিচ বিক্রির মাধ্যমে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই মৌসুমি সবজি ও কাঁচামরিচের উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটেছে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষকরা বিক্রিতে সুবিধা পেয়েছে। সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে পড়লেও কৃষকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।

সদর উপজেলার ফারাদপুর গ্রামের কৃষক নিলয় প্রামাণিক মাত্র ৮ কাঠা জমিতে কাঁচা মরিচ চাষ করেছিলেন। প্রথম কয়েক দিনে তিনি ১০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করে খুশি ছিলেন। কিন্তু একদিনের বৃষ্টিতে অনেক গাছ তলিয়ে গিয়ে তার আসা ভেস্তে যায়। তবুও তিনি আশাবাদী হয়ে আবার মরিচ চাষ করেছেন এবং লাভের প্রত্যাশা রাখছেন।

উত্তরের জেলা নওগাঁ খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৩০০ টাকায় পৌঁছেছে। গত দুই সপ্তাহে এর দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ২১০ টাকা বেড়েছে। কৃষকরা এই পরিস্থিতিতে লাভবান হচ্ছে, কিন্তু সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ থেকে গেছে।

দুই সপ্তাহের মধ্যেই কাঁচা মরিচের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে মরিচের দাম প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা ছিল, যা এখন পাইকারি বাজারে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় এবং খুচরা বাজারে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি কৃষকদের জন্য অনুকূল হলেও সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বিষয়টি দুশ্চিন্তার। ব্যবসায়ীরা জানান, অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন কমেছে এবং বাজারে সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে দাম বেড়েছে।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলার ১ হাজার হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের আবাদ হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে প্রায় ১০ হেক্টর জমির মরিচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে নিচু জমিতে পানি জমে থাকায় অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে উৎপাদনও কমেছে।

মহাদেবপুর উপজেলার মোমিনপুর হাটে মরিচের বেচাকেনা চলতে থাকে বছরের বেশ কিছু মাস। এখানে প্রতি মাসে প্রায় তিন কোটি টাকার কাঁচা মরিচ কেনাবেচা হয়। বর্তমানে এখান থেকে নওগাঁ ছাড়াও অন্যান্য জেলায় মরিচ সরবরাহ করা হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রামে সাদা মরিচের চাহিদা রয়েছে এবং বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

রাণীনগর উপজেলার ক্রেতারা জানান, কুজাইল বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়ে ২৮০ টাকায় পৌঁছেছে। নওগাঁ শহরের বিভিন্ন বাজারেও মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, মরিচের পাইকারি দাম ২৫০ টাকা, যা পরিবহন খরচ যোগ করে ২৮০ টাকার জন্য বিক্রি করতে হচ্ছে।

বর্তমানে নওগাঁ শহরের পালপাড়া খুচরা বাজারে মরিচের দাম কমে এসেছে। কৃষকদের মতে, প্রধান সমস্যা হচ্ছে অতিবৃষ্টি যা তাদের উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষকদের জন্য পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দ্বীপে একে ফাউন্ডেশন কতৃক মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


সন্দ্বীপে একে ফাউন্ডেশন কতৃক মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

সন্দ্বীপে জমজমাট আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হল একে ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০২৬ এর মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

এই মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে সন্দ্বীপের ২৬ টি হাইস্কুল ও ১১ টি আলিয়া মাদ্রাসার প্রায় ২২ শ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফল করে হাইস্কুল থেকে ১৫০ জন এবং আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়।

হাইস্কুলের ১৫০ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম ১০ জন এবং আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ৫ জনকে নগদ অর্থ ও স্যাটিফিকেট ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়াও, বাকি শিক্ষার্থীদের সান্তনা পুরস্কার হিসেবে স্যাটিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। স্কুল পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন নাইমুল ইসলাম দশম শ্রেণী থেকে সন্দ্বীপ আনন্দ পাঠশালা, আর আলিয়া মাদ্রাসায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মোঃ মিনহাজুল ফাহিম ৮ম শ্রেণী থেকে ডাঃ আহম্মেদ সালেহা দাখিল মাদ্রাসা।

একে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আমজাদ হোসেন বলেন, "একাধিক প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে চায় একে ফাউন্ডেশন এবং এই মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এই মেধা অন্বেষণের মাধ্যমে তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটাবে।" উক্ত মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আমজাদ হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি এ বি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এস,এম, আবুল হাশেম এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মাহমুদুল হক। এছাড়া, সন্দীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজন হাওলাদার বক্তৃতায় জানান, "শুধু বইয়ের শিক্ষা অর্জন করলেই হবে না, প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে হবে।" বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহী ইসলামিক স্টাডিজের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. বেলাল নুর আজিজী।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ, আমির জামাতে ইসলামী সন্দীপ, জামসেদ উদ্দিন সভাপতি সন্দীপ শিক্ষক সমিতি, এ্যাড. আবু তাহের আহবায়ক সন্দীপ উপজেলা বিএনপি, ইসমাইল হোসেন সভাপতি সন্দীপ ইসলামী আন্দোলন ও রেজাউল করিম একে ফাউন্ডেশন। এমনি একটি অনুষ্ঠানে সন্দ্বীপের গণমাধ্যম কর্মী সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%