মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৫ এম
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কেনাকাটার জন্য সাধারণত সকলকেই মার্কেট বা দোকানে যেতে হয়। তবে যদি রাজধানীতে তীব্র যানজট অতিক্রম করে গিয়ে দেখা যায় যে সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, তাহলে আপনার সমস্ত চেষ্টা বিফলে যাবে। এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে দোকানপাট ও শপিং সেন্টার বন্ধ রাখা হয়।
কোন দিন কোন এলাকায় দোকানপাট বন্ধ থাকে, তা জানা থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। তাই ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই জানা প্রয়োজন কোথায় কখন দোকানপাট বন্ধ থাকে।
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার দোকান ও শপিং সেন্টার বন্ধ, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক-
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে। পূজার ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির কারণে আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) পর্যন্ত এই বিরতি অব্যাহত থাকবে। ছুটির পর আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্যাংকগুলো বন্ধ থাকবে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ব্যাংকিং কার্যক্রম টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে।
তবে এই সময়ে গ্রাহকদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ব্যাংক বন্ধ থাকলেও এটিএম বুথ থেকে নগদ টাকা উত্তোলনসহ নির্ধারিত কিছু সেবা পাওয়া যাবে। এছাড়া, সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা ও বুথগুলোতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে।
দুর্গাপূজার ছুটির মধ্যেও দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংক বন্ধ থাকায় দেশের দুই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এই সময়ে কোনো লেনদেন হবে না। ছুটি শেষে আগামী রোববার থেকে দুই বাজারে নিয়মিত লেনদেন শুরু হবে।
গ্রাহকদের জন্য পরামর্শ: ছুটির সময়ে নগদ টাকার প্রয়োজন হলে এটিএম বুথ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শাখাভিত্তিক ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নির্ধারিত সময়সূচি ও নির্দেশনা জেনে নেওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে সব খেলা দেখা সম্ভব নয়। তাই আপনার সময় ও পছন্দ অনুযায়ী কিছু খেলা বেছে নিতে হবে। লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখার প্রতি আপনার আগ্রহ নিশ্চয়ই অন্যদের মতোই বেশি। কোথায় কী খেলা হচ্ছে তা জানতে সময় নষ্ট না করে এই শিডিউলটি দেখে নিন। এরপর ঠিক করুন, কখন কোন খেলায় নজর দেবেন।
আজ থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগের তৃতীয় রাউন্ড শুরু হচ্ছে। আজ অনুষ্ঠিত হবে পিএসজি এবং বার্সেলোনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। এছাড়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে টেস্ট ম্যাচও গেবারহায় চলছে।
ক্রিকেট
জাতীয় ক্রিকেট লিগ
সিলেট–রংপুর
সকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউব
ময়মনসিংহ–ঢাকা
সকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউব
খুলনা–চট্টগ্রাম
সকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউব
রাজশাহী–বরিশাল
সকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউব
গেবারহা টেস্ট, ৩য় দিন
দক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলিয়া
বেলা ১–৪৫ মি., ট্যাপম্যাড
ত্রিদেশীয় সিরিজ
পাকিস্তান–ইংল্যান্ড
বেলা ২টা, টি স্পোর্টস
নারী টি–টোয়েন্টি
ভারত–জিম্বাবুয়ে
সন্ধ্যা ৭–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ১
ফুটবল
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
ফেনেরবাচে–স্লাভিয়া প্রাগ
রাত ১০–৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
সাবাহ–ডর্টমুন্ড
রাত ১০–৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
লিভারপুল–ভিয়ারিয়াল
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ১
পিএসজি–বার্সেলোনা
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ২
ম্যানচেস্টার সিটি–এইকে এথেন্স
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে দোকান থেকে চুরির অভিযোগে ধাওয়া করার সময় পুলিশের গুলিতে এক বছরের শিশু কোহেন উইলির মৃত্যুর ঘটনা যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল লিন ফিচ।
তিনি সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে শিশুটির পরিবারের আইনজীবী তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং পুলিশের শরীরে থাকা ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৪ জুন মেমফিস শহরের প্রায় ৪০ মাইল দক্ষিণে সেনাটোব্যা শহরের একটি ওয়ালমার্টের গাড়ি রাখার জায়গায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ দাবি করে, দোকান থেকে বেরিয়ে একটি গাড়িতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন দুজন ব্যক্তি ও একটি শিশু। তাদের থামানোর চেষ্টা করার সময় গাড়ির চালক এক পুলিশ কর্মকর্তাকে চাপা দেওয়ার উপক্রম হন। তখন একজন কর্মকর্তা গুলি চালান। পরে গাড়িটি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়।
মিসিসিপি তদন্ত ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা স্থানীয় একটি হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে এক বছরের কোহেন উইলিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গাড়ির চালকও গুরুতর আহত হন।
ঘটনার চার মাস পর অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানায়, তদন্ত পর্যালোচনা শেষে তাদের সিদ্ধান্ত—পুলিশের গুলির ব্যবহার আইনসম্মত ও যৌক্তিক ছিল। ঘটনাটি তদন্ত করেছে মিসিসিপি তদন্ত ব্যুরো।
তবে শিশুটির পরিবারের আইনজীবী বেন ক্রাম্প এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, "যদি তদন্তের সিদ্ধান্তের পক্ষে ভিডিও থাকে, তবে তা প্রকাশ করা উচিত।" পরিবারের সদস্যরা সত্য জানতে না পারা পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।
শিশুটির মা ভেলেসিয়া উইলি পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তার দাবি, তারা ওয়ালমার্টে শিশুর জন্য ডায়াপার কিনতে গিয়েছিলেন। দোকান থেকে বের হওয়ার সময় তার বন্ধুকে কিছুক্ষণের জন্য থামানো হয়। বিষয়টি তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় ভেবে তিনি হাঁটতে থাকেন। পরে তিনি শিশুকে নিয়ে গাড়িতে ওঠেন।
ভেলেসিয়া জানান, গাড়ি পেছনে নেওয়ার সময় তারা পুলিশের মুখোমুখি হন। তখন তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে কর্মকর্তাদের দেখানোর চেষ্টা করেন, যাতে তারা বুঝতে পারেন গাড়িতে একটি শিশু রয়েছে। এ সময় তার বন্ধুর গাড়িটি অসাবধানতাবশত আরেকটি গাড়িতে ধাক্কা দেয়। তার দাবি, চালক পুলিশ কর্মকর্তাদের চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেননি।
জুলাই মাসে পরিবারের আইনজীবী বেন ক্রাম্প ও ভ্যান টার্নার প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যে গুলিতে শিশুটি নিহত ও গাড়ির চালক আহত হন, তা গাড়ির এক পাশ দিয়ে প্রবেশ করেছিল। এ তথ্য পুলিশের গুলি চালানোর যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে বলে দাবি করেন তারা।
শিশুটির মা এখনও কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হননি বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। তার ভাষ্য, মা পুলিশকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন যে গাড়ির ভেতরে একটি শিশু রয়েছে।
ঘটনার পর থেকে সেনাটোব্যা শহরে শিশুটির মৃত্যুর বিচার দাবিতে কয়েক মাস ধরে প্রতিবাদ চলছে। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের সিদ্ধান্তের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করার কারণে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে, এমন পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন তাকে মাত্র নামেমাত্র শাস্তি প্রদান করেছে। রোনালদোকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, তাকে ২১৫ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে।
এ মাসের শুরুতে তিনি হঠাৎ করে ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলা পরিষদ ৪১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে পুরোপুরি বহাল রেখেছে। আল নাসরের এই ফরোয়ার্ডের বিরুদ্ধে ফেডারেশনের বিধির ১৬০(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার সূচনা ঘটে ২ অক্টোবর। ডেনমার্কের বিপক্ষে নেশনস লিগ ম্যাচের আগের দিন রোনালদো হঠাৎ করে জিনিসপত্র গুছিয়ে কোপেনহেগেনের দলীয় ঘাঁটি ত্যাগ করেন। নতুন প্রধান কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে তার তিক্ত বিরোধই ছিল এর মূল কারণ।
২৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে রোনালদো বদলি হিসেবে বেঞ্চে ছিলেন। সেই ম্যাচে তিনি মাঠে নামেননি। এরপর তিনি জানতে পারেন, ডেনমার্কের বিপক্ষেও শুরুর একাদশে থাকবেন না।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি দীর্ঘ খোলা চিঠি প্রকাশ করেন। সেই চিঠিতে তিনি জেসুসকে ‘আস্থার চরম লঙ্ঘনের’ অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। রোনালদোর দাবি, দলে তার ভূমিকা নিয়ে কোচ দুবার কথা রাখেননি। তবে জেসুস এমন কোনো প্রতিশ্রুতির কথা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
কিন্তু ক্যাম্প ত্যাগের পর রোনালদো দ্রুতই নিজের দায় স্বীকার করেন। সতীর্থদের ফেলে যাওয়ার জন্য তিনি ক্ষমা চান। নরওয়ে ম্যাচের পর সমর্থকদের অভিবাদন না জানানোর জন্যও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, শাস্তি পাওয়াই তার প্রাপ্য।
রোনালদো এ-ও জানিয়েছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করছেন না। ক্যারিয়ারে ১ হাজার গোলের লক্ষ্যে তিনি ছুটছেন।
ফেডারেশনের পক্ষ থেকেও দরজা খোলা আছে। রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগাল ডেনমার্ককে ২-১ গোলে পরাজিত করে। এরপর জেসুস ও পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা বলেছেন, শাস্তি শেষ হলে তারা রোনালদোকে ফিরিয়ে নিতে চান।
ফেডারেশনের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, ৩০ দিনের এই শাস্তিতে ৯ অক্টোবর কার্যক্রম শুরুর পর থেকে কেটে যাওয়া সময় ধরা হবে কি না। পর্তুগালের পরবর্তী নেশনস লিগ ম্যাচ ১৪ নভেম্বর, ডেনমার্কের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।
রোনালদো পর্তুগালের হয়ে এমন কিছু রেকর্ড গড়েছেন, যা অবিশ্বাস্য। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল (১৪৬) ও সর্বোচ্চ ম্যাচের (২৩৪) বিশ্বরেকর্ড তার দখলে। তার নেতৃত্বে পর্তুগাল ইউরো ২০১৬ ও দুটি নেশনস লিগ শিরোপা জিতেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ