ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ নারীর


চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ নারীর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ছাদে উঠার জন্য ব্যবহৃত লোহার সিঁড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজন নারী tragically প্রাণ হারিয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের বাদুরতলা গ্রামে ঘটে এই দুর্ঘটনা।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই গ্রামের মো. ভিখুর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫০), তাঁর ভাতিজি ও রাজশাহীর তানোর উপজেলার কচুয়া মোহনপুর গ্রামের এরশাদ আলীর মেয়ে মোসা. আশা (৩০) এবং হাসিনা বেগমের নাতনি বারঘরিয়া হাজিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলাম বাবুর মেয়ে শাহরিয়ার মিম (১২)।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকালে ছাগলকে খাওয়ানোর জন্য কাঁঠাল পাতা সিঁড়ির সঙ্গে বাঁধতে গিয়ে প্রথমে লোহার সিঁড়িতে হাত দেন হাসিনা বেগম। সেখানেই তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁকে বাঁচাতে নাতনি শাহরিয়ার মিম এবং বেড়াতে আসা ভাতিজি আশা এগিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

এভাবে একে একে তিনজনই বিদ্যুতায়িত হন। ঘটনাস্থলে নিহত তিনজনেরই মৃত্যু হয়। এরপরে পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয়রা তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, বাড়ির কাপড় শুকানোর জন্য টাঙানো জিআই তারের একটি অঙ্গভঙ্গি ছাদে উঠার লোহার সিঁড়ির সঙ্গে বাঁধা ছিল। বৈদ্যুতিক সংযোগের সংস্পর্শে এসে ওই জিআই তার বিদ্যুতায়িত হয়ে লোহার সিঁড়িতেও বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ফলে সিঁড়িতে হাত দেওয়ার সাথে সাথে পরপর তিনজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

তিনি আরও জানান, পরিবারের আবেদনের পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে, স্বপ্নের বিয়ের ছবি প্রকাশ জেনিফারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে, স্বপ্নের বিয়ের ছবি প্রকাশ জেনিফারের

অবশেষে দীর্ঘদিনের প্রেমিক উইলিয়াম ইশমাইলকে বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট। বিয়ের কয়েক দিন পর, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বপ্নের বিয়ের একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ছবিতে সাদা গাউনে উজ্জ্বল ও হাস্যোজ্জ্বল জেনিফারকে দেখা যায়। কোনো ছবিতে তিনি স্বামী উইলিয়ামের বাহুডোরে রয়েছেন। আবার কোনো ছবিতে দুজনকে রোমান্টিক মুহূর্তে দেখা গেছে।

আরো কয়েকটি ছবিতে জেনিফারের কনের সাজ, সূচিকর্ম করা ভেইল এবং চার্চের সিড়ি দিয়ে হেঁটে আসার দৃশ্য রয়েছে। একটি ছবিতে বাবাকে জড়িয়ে ধরা আবেগঘন মুহূর্তও ধরা পড়েছে।

এর আগে জেনিফার একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছেন। সেখানে চার্চে বিয়ের শপথ নেওয়া, আংটি বদল এবং ফটোশুটের কিছু মুহূর্ত দেখা যায়।

ভিডিওর শেষে তিনি লেখেন, ‘Officially introducing my man, my husband, Will!’ ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘অবশেষে আমাদের তারারা একসঙ্গে মিলেছে।’

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই যুক্তরাজ্যে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল একটি ব্যক্তিগত আয়োজন। অনুষ্ঠানে শুধু পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। অনেক দিন ধরেই জেনিফার ও উইলিয়ামের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছিল।

তবে তারা কখনো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলেননি।

উইলিয়াম ইশমাইল সিঙ্গাপুরভিত্তিক একজন ফাইন্যান্স পেশাজীবী। তিনি ২০২২ সাল থেকে এমএইচসি ডিজিটাল গ্রুপে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেডিং বিভাগের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে জেনিফার উইনগেট টেলিভিশন অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে আলোচনা সভা

এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর ভাণ্ডারিয়া শাখার উদ্যোগে গ্রাহক সেবা মাস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে শাখা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক ভাণ্ডারিয়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. জাফর আলী।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) মো. মনিরুজ্জামান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আমীর হোসেন খান, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আলহাজ্ব বাদশা জোমাদ্দার, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতী এমদাদুল হক আরেফী এবং ভাণ্ডারিয়া কেন্দ্রীয় বাইতুল ইসলাম জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা জাকারিয়া আল ফরিদী, গ্রাহক আসমা আক্তার ইতি প্রমূখ।

আলোচনা সভায় গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, দ্রুত ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার সমপ্রসারণ এবং গ্রাহকদের সার্বিক স্বার্থ সুরক্ষায় ইসলামী ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাহকদের আরও উন্নত, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সুধীজন, ব্যবসায়ী, গ্রাহক এবং ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গ ধসে ১০ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


ভারতে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গ ধসে ১০ জনের মৃত্যু

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি সুড়ঙ্গ ধসে ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আরও অন্তত ১৮ জন সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, হিমালয়সংলগ্ন সিকিম রাজ্যে তিস্তা নদীর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল সোমবার সামারদুং নামের ওই টানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দেশটির কর্মকর্তারা জানান, এ পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)।

তবে প্রাথমিকভাবে এসময় ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের কারণে সুড়ঙ্গটি ধসে পড়েছে।

এ অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি কাঁপানো জেন-জি' থেকে বাংলা'র জেন-জি'র দৃষ্টি সরাতেই কি জামায়াতের ভিডিও ফাঁস!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


দিল্লি কাঁপানো জেন-জি


দিল্লির মসনদ কাঁপানো জেন-জি আন্দোলনে যখন গোটা ভারত উত্তাল তখন একই সময়ে একই দিনে বাংলাদেশের জামায়াত এমপির নারী গঠিত কেলেঙ্কারির ভিডিও একের পর এক ফাঁস হওয়া এবং বাংলাদেশের সমস্ত জনগণের দৃষ্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় এটা নিয়েই ব্যস্ত রাখা কি কাকতালীয় নাকি ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা "র" এর বুদ্ধিদীপ্ত ও ভারতীয় বর্তমান উত্তল রাজনীতি থেকে দৃষ্টি এড়ানোর জন্য করা একটি মিশনারি কাজ?

বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যারা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তারা যেন ভারতের বর্তমান উত্তপ্ত রাজনীতি নিয়ে সম্পৃক্ত হতে না পারে এবং বাংলাদেশের জামায়াত নেতার ভিডিও নিয়ে ব্যস্ত থাকে তেমন উদ্দেশ্যেই কি জামায়াত নেতার ভিডিও একইদিনে ফাঁস করার ঘটনা কি পরিকল্পিত নাকি কাকতালীয়? এমন প্রশ্ন উদয় হওয়া অসম্ভবের কিছু নয়।

ভারতের রাজনীতিতে নতুন এক অস্থিরতার নাম হয়ে উঠেছে জেন-জি। দিল্লির ক্ষমতার করিডোর থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে তরুণদের ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও ডিজিটাল সংগঠনের নতুন বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা এখন সর্বত্র। সোশ্যাল মিডিয়া আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি এখন জনমত নির্মাণ, আন্দোলন সংগঠন এবং রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র।

এই বাস্তবতার মধ্যেই বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই ভাইরাল হতে শুরু করে জামায়াতের এক নেতা এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের এক সংসদ সদস্যকে ঘিরে পুরোনো ভিডিও। প্রশ্ন উঠতেই পারে—কেন ঠিক এই সময়? কেন এমন এক মুহূর্তে, যখন ভারতজুড়ে তরুণদের আন্দোলন আঞ্চলিক রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু?

এখানে একটি প্রশ্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সামনে অনিবার্যভাবে এসে দাঁড়ায়—এটি কি নিছক কাকতালীয়, নাকি ডিজিটাল এজেন্ডা নির্ধারণের একটি উদাহরণ? আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ শুধু সীমান্তে হয় না; যুদ্ধ হয় তথ্যের, বর্ণনার এবং মানুষের মনোযোগের ওপরও। যে পক্ষ মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে, সে-ই অনেক সময় রাজনৈতিক সুবিধা পায়।

বাংলাদেশ নিজেই এমন তরুণ ছাত্র জনতার আন্দোলনের একটি বড় উদাহরণ দেখেছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কীভাবে জনমত গঠন, তথ্য বিনিময় এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় শক্তিতে পরিণত হতে পারে, তা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার যে কোনো রাষ্ট্রই এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে কৌশলগত ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করবে—এতে বিস্ময়ের কিছু নেই। বরং দিল্লির মসনদ কাঁপানো আন্দোলনে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যারা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তারা যেন ভারতের বর্তমান উত্তপ্ত রাজনীতি নিয়ে সম্পৃক্ত হতে না পারে এবং বাংলাদেশের জামাত নেতার ভিডিও নিয়ে ব্যস্ত থাকে তেমন উদ্দেশ্যেই কি জামায়াত নেতার ভিডিও ফাঁস একইদিনে করা নাকি কাকতালীয়? এমন প্রশ্ন উদয় হওয়া অসম্ভবের কিছু নয়।

এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তোলা যায়—ভারতের চলমান পরিস্থিতির সময়ে বাংলাদেশের অনলাইন পরিসরে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আলোচনাকে হঠাৎ কেন্দ্রে নিয়ে আসার পেছনে কোনো সুসংগঠিত তথ্য-অভিযান ছিল কি? যদি থাকে, তার নেপথ্যে কারা? কোনো রাষ্ট্র, কোনো রাজনৈতিক স্বার্থগোষ্ঠী, নাকি কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বাভাবিক অ্যালগরিদমিক বিস্তার? এসব প্রশ্নের উত্তর প্রমাণসাপেক্ষ তদন্ত ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু প্রশ্ন তোলা গণতান্ত্রিক সমাজে অস্বাভাবিক নয়।

ডিজিটাল যুগে একটি বিষয় স্পষ্ট—মানুষের মনোযোগই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তাই যখন একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা ঘটছে, তখন একই সময়ে অন্য কোনো ইস্যুকে সামনে আনার প্রচেষ্টা দেখা গেলে সেটি বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ইতিহাস বলছে, তথ্যযুদ্ধের অন্যতম কৌশলই হলো জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দু পরিবর্তন করা।

তবে কোনো অভিযোগকে প্রমাণ ছাড়া নিশ্চিত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যেমন দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নয়, তেমনি সময়, প্রেক্ষাপট ও ঘটনার অস্বাভাবিক মিলগুলোকে প্রশ্নহীনভাবে উপেক্ষা করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কাজেই প্রয়োজন স্বাধীন অনুসন্ধান, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রবাহের উৎস নিয়ে গভীর গবেষণা।

আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধের নতুন নাম—ন্যারেটিভের যুদ্ধ। সেখানে গুলি নয়, ভাইরাল ভিডিওও রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে পারে। তাই প্রশ্নটি থেকে যায়—আমরা কি শুধুই দর্শক, নাকি অদৃশ্য তথ্যযুদ্ধেরও অংশ?
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%