ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৬:০৯ পি.এম
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর ভাণ্ডারিয়া শাখার উদ্যোগে গ্রাহক সেবা মাস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে শাখা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক ভাণ্ডারিয়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. জাফর আলী।
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) মো. মনিরুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আমীর হোসেন খান, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আলহাজ্ব বাদশা জোমাদ্দার, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতী এমদাদুল হক আরেফী এবং ভাণ্ডারিয়া কেন্দ্রীয় বাইতুল ইসলাম জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা জাকারিয়া আল ফরিদী, গ্রাহক আসমা আক্তার ইতি প্রমূখ।
আলোচনা সভায় গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, দ্রুত ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার সমপ্রসারণ এবং গ্রাহকদের সার্বিক স্বার্থ সুরক্ষায় ইসলামী ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাহকদের আরও উন্নত, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সুধীজন, ব্যবসায়ী, গ্রাহক এবং ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি সুড়ঙ্গ ধসে ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আরও অন্তত ১৮ জন সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, হিমালয়সংলগ্ন সিকিম রাজ্যে তিস্তা নদীর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল সোমবার সামারদুং নামের ওই টানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দেশটির কর্মকর্তারা জানান, এ পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)।
তবে প্রাথমিকভাবে এসময় ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের কারণে সুড়ঙ্গটি ধসে পড়েছে।
এ অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিল্লির মসনদ কাঁপানো জেন-জি আন্দোলনে যখন গোটা ভারত উত্তাল তখন একই সময়ে একই দিনে বাংলাদেশের জামায়াত এমপির নারী গঠিত কেলেঙ্কারির ভিডিও একের পর এক ফাঁস হওয়া এবং বাংলাদেশের সমস্ত জনগণের দৃষ্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় এটা নিয়েই ব্যস্ত রাখা কি কাকতালীয় নাকি ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা "র" এর বুদ্ধিদীপ্ত ও ভারতীয় বর্তমান উত্তল রাজনীতি থেকে দৃষ্টি এড়ানোর জন্য করা একটি মিশনারি কাজ?
বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যারা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তারা যেন ভারতের বর্তমান উত্তপ্ত রাজনীতি নিয়ে সম্পৃক্ত হতে না পারে এবং বাংলাদেশের জামায়াত নেতার ভিডিও নিয়ে ব্যস্ত থাকে তেমন উদ্দেশ্যেই কি জামায়াত নেতার ভিডিও একইদিনে ফাঁস করার ঘটনা কি পরিকল্পিত নাকি কাকতালীয়? এমন প্রশ্ন উদয় হওয়া অসম্ভবের কিছু নয়।
ভারতের রাজনীতিতে নতুন এক অস্থিরতার নাম হয়ে উঠেছে জেন-জি। দিল্লির ক্ষমতার করিডোর থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে তরুণদের ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও ডিজিটাল সংগঠনের নতুন বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা এখন সর্বত্র। সোশ্যাল মিডিয়া আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি এখন জনমত নির্মাণ, আন্দোলন সংগঠন এবং রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র।
এই বাস্তবতার মধ্যেই বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই ভাইরাল হতে শুরু করে জামায়াতের এক নেতা এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের এক সংসদ সদস্যকে ঘিরে পুরোনো ভিডিও। প্রশ্ন উঠতেই পারে—কেন ঠিক এই সময়? কেন এমন এক মুহূর্তে, যখন ভারতজুড়ে তরুণদের আন্দোলন আঞ্চলিক রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু?
এখানে একটি প্রশ্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সামনে অনিবার্যভাবে এসে দাঁড়ায়—এটি কি নিছক কাকতালীয়, নাকি ডিজিটাল এজেন্ডা নির্ধারণের একটি উদাহরণ? আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ শুধু সীমান্তে হয় না; যুদ্ধ হয় তথ্যের, বর্ণনার এবং মানুষের মনোযোগের ওপরও। যে পক্ষ মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে, সে-ই অনেক সময় রাজনৈতিক সুবিধা পায়।
বাংলাদেশ নিজেই এমন তরুণ ছাত্র জনতার আন্দোলনের একটি বড় উদাহরণ দেখেছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কীভাবে জনমত গঠন, তথ্য বিনিময় এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় শক্তিতে পরিণত হতে পারে, তা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার যে কোনো রাষ্ট্রই এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে কৌশলগত ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করবে—এতে বিস্ময়ের কিছু নেই। বরং দিল্লির মসনদ কাঁপানো আন্দোলনে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যারা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তারা যেন ভারতের বর্তমান উত্তপ্ত রাজনীতি নিয়ে সম্পৃক্ত হতে না পারে এবং বাংলাদেশের জামাত নেতার ভিডিও নিয়ে ব্যস্ত থাকে তেমন উদ্দেশ্যেই কি জামায়াত নেতার ভিডিও ফাঁস একইদিনে করা নাকি কাকতালীয়? এমন প্রশ্ন উদয় হওয়া অসম্ভবের কিছু নয়।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তোলা যায়—ভারতের চলমান পরিস্থিতির সময়ে বাংলাদেশের অনলাইন পরিসরে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আলোচনাকে হঠাৎ কেন্দ্রে নিয়ে আসার পেছনে কোনো সুসংগঠিত তথ্য-অভিযান ছিল কি? যদি থাকে, তার নেপথ্যে কারা? কোনো রাষ্ট্র, কোনো রাজনৈতিক স্বার্থগোষ্ঠী, নাকি কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বাভাবিক অ্যালগরিদমিক বিস্তার? এসব প্রশ্নের উত্তর প্রমাণসাপেক্ষ তদন্ত ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু প্রশ্ন তোলা গণতান্ত্রিক সমাজে অস্বাভাবিক নয়।
ডিজিটাল যুগে একটি বিষয় স্পষ্ট—মানুষের মনোযোগই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তাই যখন একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা ঘটছে, তখন একই সময়ে অন্য কোনো ইস্যুকে সামনে আনার প্রচেষ্টা দেখা গেলে সেটি বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ইতিহাস বলছে, তথ্যযুদ্ধের অন্যতম কৌশলই হলো জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দু পরিবর্তন করা।
তবে কোনো অভিযোগকে প্রমাণ ছাড়া নিশ্চিত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যেমন দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নয়, তেমনি সময়, প্রেক্ষাপট ও ঘটনার অস্বাভাবিক মিলগুলোকে প্রশ্নহীনভাবে উপেক্ষা করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কাজেই প্রয়োজন স্বাধীন অনুসন্ধান, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রবাহের উৎস নিয়ে গভীর গবেষণা।
আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধের নতুন নাম—ন্যারেটিভের যুদ্ধ। সেখানে গুলি নয়, ভাইরাল ভিডিওও রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে পারে। তাই প্রশ্নটি থেকে যায়—আমরা কি শুধুই দর্শক, নাকি অদৃশ্য তথ্যযুদ্ধেরও অংশ?
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাদের ও কর্মচারীদের নিয়োগে ডিসিদের ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিও পদে নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) হাতে দেওয়ার বিষয়টি বাতিল করা হয়েছে।
এর ফলে, আবারও ডিসিদের হাতে অশিক্ষক জনবলের নিয়োগের ক্ষমতা থাকবে না।
মঙ্গলবার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নতুন একটি পরিপত্র জারি করেছে। এ পরিপত্রে আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার, নতুন পরিপত্রে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, স্নাতক (পাস) কলেজ) শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিও পদে নিয়োগের সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুসরণীয় নির্দেশমালা সংশোধন করা হয়েছে।
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, স্নাতক (পাস) কলেজ) প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক ব্যতীত অন্যান্য এমপিও পদে নিয়োগের সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শিক্ষা বিভাগের গত ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর জারীকৃত পরিপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে, ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জারিকৃত নির্দেশমালার ২.৪-এর ক, খ ও গ এ বর্ণিত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগসংক্রান্ত অংশ ব্যতীত অন্যান্য পদে (যেমন ট্রেড অ্যাসিসটেন্ট, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, গবেষণাগার, ল্যাব সহকারী, নিরাপত্তা কর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নৈশপ্রহরী, আয়া, অফিস সহায়ক) নিয়োগসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট অংশ বহাল রাখা হয়েছে।
গত ২৮ আগস্টের পরিপত্রে বলা হয়েছিল যে, শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিওভুক্ত কর্মচারী পদে নিয়োগ সুপারিশ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব ইদানীং ডিসি পালন করবেন। এই কমিটিতে সদস্যমণ্ডল হিসেবে থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলার সবচেয়ে পুরোনো সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অথবা তার প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের একজন প্রতিনিধি (পরিদর্শকের নিচে নয়), এবং সংশ্লিষ্ট জেলার যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপপরিচালক অথবা সহকারী পরিচালক।
কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
এ ছাড়া, এতে আরো বলা হয়েছে যে, নিয়োগ সুপারিশ কমিটি পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল প্রস্তুত ও নিয়োগের সুপারিশ দেবে। নিয়োগ সুপারিশ কমিটি মৌখিক পরীক্ষার প্রয়োজনে একাধিক বোর্ড গঠন করতে পারবে। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধির নেতৃত্বে নবম গ্রেডের নিচে নয় এমন ৩ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড গঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা জেলার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহসহ পুলিশের ১০ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদের স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি কার্যকর করা হয়।
বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে। একইসাথে, অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের আবু আশ্রাফকে পাবনার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন আহমেদকে র্যাবে বদলি করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত ডিআজি মো. কফিল উদ্দিনকেও পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।
একই দিন, পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিয়ান ওয়াজেদকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। রাজশাহী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশজিকুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আপেল মাহমুদকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের (টিআর পদে) পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকেও রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সিআইডির পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার তাহসিন মাসরুফ হোসেন মারুফকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ