মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৮ পি.এম
রাঙামাটি থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাঙামাটি শহরের বনরূপা ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে বাসটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
আটক দুজন হলেন মাগুরা জেলার জীবলু মোল্লা ও মোস্তফা কামাল। পুলিশ জানায়, বাসের বক্সে রাখা একটি বস্তা থেকে ৩০টি রোলে মোড়ানো গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালী থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, রাঙামাটি থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে গাঁজা পাচার হচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিবের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানা-পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের যৌথ দল বাসটিতে তল্লাশি চালায়। এ সময় গাঁজাভর্তি বস্তাটি উদ্ধার করা হয় এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও পুলিশি রেকর্ড যাচাই করে জীবলু মোল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি এবং মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক দুজন রাঙামাটি থেকে যাত্রীবাহী বাসে করে তিনবার গাঁজা পরিবহনের কথা জানিয়েছেন। প্রতিবার ১৫ কেজি করে গাঁজা নিয়ে তাঁরা মাগুরার দিকে যেতেন বলে দাবি করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে আরও জানা গেছে, রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার এলাকায় এক অটোরিকশাচালকের মাধ্যমে তাঁরা গাঁজা সংগ্রহ করতেন। পরে বস্তাটি শ্যামলী পরিবহনের বাসে তুলে যাত্রীবেশে নিয়ে যেতেন। এরপর মাগুরা হয়ে কাশিনাথপুর এলাকায় শাহিন ও রোমান নামের দুই ব্যক্তির কাছে গাঁজা হস্তান্তর করা হতো বলে জানা গেছে। এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ওসি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, গাঁজার উৎস, সরবরাহকারী এবং এর সঙ্গে আন্তজেলা মাদক পাচারচক্রের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৩ শে অক্টোবর ২০২৬,, বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রাপ্তি, সমৃদ্ধি ও সাফল্যের আর ও একটি বছর পেরিয়ে ৪৮ বছর পূর্ণ করবে,
অন্যতম বিশ্বে বাংলাদেশের শীর্ষে, এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিআরবি প্রায় পাঁচ দশক ধরে মানসম্পন্ন পূর্ণ সরবরাহ ও সন্তোষজনক গ্রাহক সেবায় মাধ্যমে কে তাদের আস্তা, বিশ্বাস ও সরমান অর্জন করেছে,
বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ এর সকল গ্রাহক, ক্রেতা ব্যাংক বিভাগ পরিবেশ ও সুভা অনধাবি সাফল্যের এই অগ্রতার অংশীদার এবং বাংলাদেশের সকল ইলেকট্রিশিয়ান দের সহযোগীতা করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবৎ, এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় উপস্থিত, ৪৬ বছর সাফল্য উপলক্ষে দেশের সকল টেকনিশিয়ানদের সংগঠনের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে, বিআরবি কেবলস লিমিটেডের সকল কর্মকর্তা বিন্দুদের আন্তরিক অভিনন্দন শুভেচ্ছা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে ইরানে নতুন হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছেন। অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে নীরবে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি, ওয়াশিংটন অঞ্চলটির কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে। বুধবার এনবিসি নিউজের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রথম দফার হামলার পূর্বে পেন্টাগন ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিল, বর্তমান পদক্ষেপের সঙ্গে তার মিল রয়েছে। এ বিষয়ে অবগত দুই মার্কিন কর্মকর্তা ও আরো দুই ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জর্ডান, কাতার ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বিমান প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদেরসহ এসব অঞ্চলের ঘাঁটিতে সীমিতসংখ্যক সেনা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়াশিংটনের।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার আগে সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা আক্রমণ থেকে সেনাদের সুরক্ষিত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা সরিয়ে নিয়েছিল পেন্টাগন। সে সময় হাজার হাজার মার্কিন সেনা বেসামরিক হোটেল ও অফিস ভবনে আশ্রয় নেওয়ায় ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিল তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিমোথি হকিন্স সেনা সরানোর বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি বলেন, সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত সেনাদের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। মার্কিন সেনা ও স্বার্থ রক্ষায় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে, ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে সৌদি আরব থেকে অপ্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বেসামরিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরো কয়েকটি দেশ থেকে কূটনৈতিক কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট অতিরিক্ত কর্মী প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোকে ‘ভুল’ বলে দাবি করেছেন।
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দুই রাষ্ট্রদূতের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে শান্তিরক্ষা, মানবাধিকার এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন অভিন্ন বহুপাক্ষিক অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ডেম সারা ম্যাকিনটোশকে স্বাগত জানানো হয়। এই সময় তিনি জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জেড. খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কার্যকর বহুপাক্ষিকতা জোরদারের বিষয়ে উভয় রাষ্ট্রদূত তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের অনুরোধের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নট-ফর-প্রফিট ল (আইসিএনএল) ঢাকায় ‘নাগরিক পরিসরের সুরক্ষা: বাংলাদেশের প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন নিয়ে নাগরিক সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল আলোচনা আয়োজন করেছে।
গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজন। আলোচনায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬ এবং বাংলাদেশের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার ও নাগরিক পরিসরের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশের ডিজিটাল আইনকাঠামো সংস্কারের চলমান উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সরকার প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সম্পাদকদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে একাধিক আলোচনা করেছে বলেও জানা গেছে, কিন্তু নাগরিক সমাজের সংগঠন ও ডিজিটাল আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট পরামর্শের সুযোগ এখনও সীমিত রয়েছে।
এই ঘাটতি বিবেচনায় নিয়ে আইসিএনএল আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনাটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার, উদ্বেগের বিষয়গুলো চিহ্নিত করার এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে সুপারিশ প্রণয়নের একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।
আলোচনায় আইসিএনএলের জ্যেষ্ঠ আইন উপদেষ্টা ও ডিজিটাল অধিকার কর্মসূচির সমন্বয়ক জ্যাকারি ল্যাম্পেল প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর ওপর আইসিএনএলের আইনি বিশ্লেষণের প্রধান পর্যবেক্ষণগুলো উপস্থাপন করেন।
বিশ্লেষণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে স্বাধীন বিচারিক তদারকি ছাড়াই অনলাইন কনটেন্ট বন্ধ বা অপসারণের ব্যাপক ক্ষমতা, নির্দিষ্ট ধরনের বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার অস্পষ্ট বিধান, অপরাধের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ শাস্তি এবং নাগরিক সমাজের সংগঠন ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি।
আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অর্থবহ জনঅংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত থাকার বিষয়টিও বিশ্লেষণে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
আইসিএনএলের বিশ্লেষণে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বৈধ নীতিগত লক্ষ্য হলেও অনলাইন হুমকি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে অবশ্যই মৌলিক অধিকারসমূহের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার এবং সংগঠন করার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
সুইডিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থার (সিডা) সহায়তায় আইসিএনএল এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে।
গোলটেবিল আলোচনা থেকে উঠে আসা প্রধান পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ
অংশগ্রহণকারীরা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো তুলে ধরেন এবং সংশ্লিষ্ট সুপারিশ প্রদান করেন:
− সাইবার সুরক্ষা আইন (সিপিএ) সংশোধনীর ২৫ ও ২৬এ ধারা বৈধ বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার ঝুঁকি তৈরি করে। ‘মানহানি’-র বিস্তৃত সংজ্ঞা এবং যথাক্রমে ২৫ ও ২৬এ ধারায় ‘অপমান’, ‘হয়রানি’, ‘গুজব’ ও ‘ভুল তথ্য’ প্রচারের মতো নতুন অপরাধের বিধান অস্পষ্ট ও বিষয়নির্ভর। এসব বিধানের ফলে আইনের স্বেচ্ছাচারী প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা বৈধ মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করার ঝুঁকি সৃষ্টি করে। গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা ২৫ ও ২৬এ ধারা বাতিলের আহ্বান জানান।
− অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তির কারণে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের সংগঠনের নিবন্ধন বাতিল হতে পারে (২৯(৩) ধারা)। কোনো সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ কেবল সর্বশেষ অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
− খসড়া আইনটিতে বিচারিক তদারকি ছাড়াই অনলাইনে তথ্য অবরুদ্ধ করার নতুন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যথাযথ মাত্রার বিচারিক তদারকি নিশ্চিত করতে এবং আপিলের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়সীমা পুনর্বহাল করতে আইনটির সংশোধন প্রয়োজন।
− খসড়া আইনটিতে সাংবাদিক, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সাংবাদিকতা এবং অনিয়মের তথ্য প্রকাশকারীদের সুরক্ষায় আরও শক্তিশালী বিধান অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
− ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ হিসেবে সরকারকে নাগরিক সমাজ, বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট জনগণের সঙ্গে পরামর্শের প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। এর আওতায় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীসহ প্রভাবিত সব সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে প্রত্যেকে অর্থবহভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
− সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইতিবাচক ও সহায়ক পরিবর্তন আনার পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সংশোধনী প্রক্রিয়াকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।
আইসিএনএল সম্পর্কে
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নট-ফর-প্রফিট ল (আইসিএনএল) বিশ্বজুড়ে নাগরিক সমাজ, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এবং জনঅংশগ্রহণের জন্য অনুকূল আইনি পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে। সংস্থাটি মৌলিক স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর বিকাশ ও কার্যক্রমের জন্য সহায়ক আইনকাঠামো প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে সহায়তা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ